ঢাকা ১১:৫৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২০ জুন ২০২৪, ৬ আষাঢ় ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ
তরুণ উদ্যোক্তা মাসুদ মিয়া-আয়ুব হাসানের যৌথ প্রয়াসের প্রতিষ্ঠান পিংক সিটি নিউ স্টার ফুটবল ক্লাব রতনপুরের সহসভাপতি সাইফুল ইসলাম সংবর্ধিত বালাগঞ্জে শান্তিপুর্ণভাবে উপজেলা পরিষদ নির্বাচন সম্পন্ন : চমক দেখিয়ে আনহার মিয়া চেয়ারম্যান নির্বাচিত ফ্রান্সে বাংলাদেশি অভিবাসীদের জীবনমান উন্নয়নে ফরাসি জাতীয়তা বিষয়ক সেমিনার অনুষ্ঠিত প্যারিসে Point d’Aide – এইড পয়েন্ট এর নতুন অফিসের উদ্বোধন তরুণ সাহিত্যিক সাদাত হোসাইনকে প্যারিসে সংবর্ধনা দিলো ফ্রান্সপ্রবাসী বাংলাদেশীরা গাজীপুর জেলা সমিতি,ফ্রান্স’র দ্বি বার্ষিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত : ফারুক খান সভাপতি, জুয়েল সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত কেবল উপবাসের নামই সিয়াম নয়, প্রকৃত মানুষ হওয়ার শিক্ষাই সিয়াম ফ্রান্সে একটি সর্বজন গ্রহণযোগ্য ‘বাংলাদেশ সমিতি’র তাগিদ, একটি প্রস্তাবনা শিশু কিশোরদের নানা ইভেন্ট নিয়ে ইপিএস কমিউনিটি ফ্রান্সের স্বাধীনতা দিবস পালন

সংবাদপত্র, কাপড়, জুতা, চুল থেকে করোনাভাইরাস ছড়ায় না

  • আপডেট সময় ০৯:১২:৫৮ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল ২০২০
  • ৮৩ বার পড়া হয়েছে

Warning: Attempt to read property "post_excerpt" on null in /home/u305720254/domains/francedorpan.com/public_html/wp-content/themes/newspaper-pro/template-parts/common/single_two.php on line 117

কভিড-১৯ করোনাভাইরাস নিয়ে স্বাভাবিকভাবেই আতঙ্কের শেষ নেই। নতুন ভাইরাস হওয়ার কারণে এ সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্যও এখনো জানা সম্ভব হয়নি। মানুষের এমন আতঙ্ককে কাজে লাগিয়ে অনেক ‘মৌসুমী করোনা বিশেষজ্ঞ’ জুটেছেন যারা করোনা আতঙ্ককে আরও বাড়িয়ে দিচ্ছেন। সংবাদপত্র, কাপড়সহ নিত্য ব্যবহার্য পণ্যের মধ্য দিয়ে করোনা ছড়ায় কী না তা নিয়ে জিজ্ঞাসার শেষ নেই।

বিশেষজ্ঞদের বরাত দিয়ে ১৭ এপ্রিল এমনই কিছু প্রশ্নের উত্তর ছেপেছে নিউ ইয়র্ক টাইমস।

ছাপা সংবাদপত্র ও প্যাকেটজাত দ্রব্য নিয়ে কী উদ্বেগের কিছু আছে?
মেইল ও প্যাকেটজাত দ্রব্য থেকে অসুস্থ হওয়ার ঝুঁকি খুবই কম। কোনো প্যাকেটজাত দ্রব্য খুলে কিংবা ছাপার সংবাদপত্র পড়ে কেউ অসুস্থ হয়েছে এমন প্রমাণ এখনো পাওয়া যায়নি।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থাও এ বক্তব্যের সাথে একমত হয়েছে। এ প্রসঙ্গে নিজেদের ওয়েবসাইটে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা জানিয়েছে, সংবাদপত্র, মেইল ও প্যাকেটজাত দ্রব্য থেকে করোনা সংক্রমণের ঝুঁকি নেই বললেই চলে। কেউ আক্রান্ত হয়েছেন এমন প্রমাণও তারা পাননি।

মুদি দোকান থেকে এসে কাপড় ছেড়ে গোসল করা উচিত?
যারা সামাজিক দূরত্ব মেনে চলছেন তাদেরকে মুদি দোকান, ফার্মাসিতে মাঝে মাঝে যেতেই হয়। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ঘরে ফেরার পর কাপড় পরিবর্তন কিংবা গোসল করার প্রয়োজন নেই।তবে সবসময় বাইরে থেকে আসার পর হাত পরিষ্কার করতে হবে। কিছু গবেষণায় দেখা গেছে, করোনাভাইরাসের জীবানু বাতাসে আধ ঘণ্টা থাকতে পারে। তবে বাতাসে সেই জীবানুর কনা এতই ক্ষুদ্র যে তা থেকে আপনার সংক্রমণের ঝুঁকি একেবারে নেই বললেই চলে।    

বাইরে থেকে ফেরার পর জুতা জীবানুমুক্ত করা উচিত কী না?
এটা ঠিক যে জুতা ব্যাকটেরিয়া ও ভাইরাস বহন করতে পারে। তার মানেই এ নয় যে জুতা থেকে সংক্রমণ ছড়াবে। জুতা পরিষ্কারের করা গেলে করে নিন। তবে জুতা হাত দিয়ে মোছার দরকার নেই। এতে জুতা থেকে ভাইরাস আপনার হাতে চলে আসতে পারে। সম্প্রতি চীনের এক গবেষণায় দেখা গেছে, করোনা রোগীদের সেবা দেওয়া স্বাস্থ্যকর্মীদের অর্ধেকের জুতায় করোনা ভাইরাসের উপস্থিতি পাওয়া গেছে। এর কারণও আছে। তারা সরাসরি করোনা রোগীদের সেবা দিয়েছেন। বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ, জুতায় কী আছে এটা নিয়ে দুশ্চিন্তা করার প্রয়োজন নেই। বাসায় যদি মেঝেতে গড়াগড়ি করার মতো কোনো শিশু থাকে, বা কারো অ্যালার্জি কিংবা অসুস্থ কোনো ব্যক্তি থাকে তাহলে ঘরে জুতা না রাখাই ভালো।

চুল ও দাঁড়িতে ভাইরাস থাকতে পারে কী না?
যদি আপনি সামাজিক দূরত্ব মেনে চলেন তবে আপনার এ বিষয়ে উদ্বিগ্ন হওয়ার কিছু নেই। এছাড়া কেউ যদি আপনার মাথায় এসে হাঁচি বা কাঁশি দেয় তাহলেও সংক্রমণ নিয়ে দুশ্চিন্তায় পড়ে যাওয়ার কোনো কারণ নেই বলে জানিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা। যে ব্যক্তি হাঁচি-কাঁশি দিয়েছে তার শরীরে ভাইরাস থাকলে এবং হাঁচি-কাঁশির মধ্য দিয়ে পর্যাপ্ত কণা আপনার শরীরে পড়লে এবং আপনি তা স্পর্শ করার পর মুখের যে কোনো অংশে লাগালে সংক্রমণের ঝুঁকি থাকে। নাহলে উদ্বিগ্ন হওয়ার কারণ নেই।

বিডি প্রতিদিন

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

লক ডাউন পরবর্তী পরিস্থিতি মোকাবেলায় ফ্রান্সে চলছে ব্যাপক প্রস্তুতি

যুক্তরাজ্যে করোনার মধ্যেই শিশুদের মাঝে নতুন রোগের হানা

তরুণ উদ্যোক্তা মাসুদ মিয়া-আয়ুব হাসানের যৌথ প্রয়াসের প্রতিষ্ঠান পিংক সিটি

সংবাদপত্র, কাপড়, জুতা, চুল থেকে করোনাভাইরাস ছড়ায় না

আপডেট সময় ০৯:১২:৫৮ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল ২০২০

কভিড-১৯ করোনাভাইরাস নিয়ে স্বাভাবিকভাবেই আতঙ্কের শেষ নেই। নতুন ভাইরাস হওয়ার কারণে এ সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্যও এখনো জানা সম্ভব হয়নি। মানুষের এমন আতঙ্ককে কাজে লাগিয়ে অনেক ‘মৌসুমী করোনা বিশেষজ্ঞ’ জুটেছেন যারা করোনা আতঙ্ককে আরও বাড়িয়ে দিচ্ছেন। সংবাদপত্র, কাপড়সহ নিত্য ব্যবহার্য পণ্যের মধ্য দিয়ে করোনা ছড়ায় কী না তা নিয়ে জিজ্ঞাসার শেষ নেই।

বিশেষজ্ঞদের বরাত দিয়ে ১৭ এপ্রিল এমনই কিছু প্রশ্নের উত্তর ছেপেছে নিউ ইয়র্ক টাইমস।

ছাপা সংবাদপত্র ও প্যাকেটজাত দ্রব্য নিয়ে কী উদ্বেগের কিছু আছে?
মেইল ও প্যাকেটজাত দ্রব্য থেকে অসুস্থ হওয়ার ঝুঁকি খুবই কম। কোনো প্যাকেটজাত দ্রব্য খুলে কিংবা ছাপার সংবাদপত্র পড়ে কেউ অসুস্থ হয়েছে এমন প্রমাণ এখনো পাওয়া যায়নি।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থাও এ বক্তব্যের সাথে একমত হয়েছে। এ প্রসঙ্গে নিজেদের ওয়েবসাইটে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা জানিয়েছে, সংবাদপত্র, মেইল ও প্যাকেটজাত দ্রব্য থেকে করোনা সংক্রমণের ঝুঁকি নেই বললেই চলে। কেউ আক্রান্ত হয়েছেন এমন প্রমাণও তারা পাননি।

মুদি দোকান থেকে এসে কাপড় ছেড়ে গোসল করা উচিত?
যারা সামাজিক দূরত্ব মেনে চলছেন তাদেরকে মুদি দোকান, ফার্মাসিতে মাঝে মাঝে যেতেই হয়। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ঘরে ফেরার পর কাপড় পরিবর্তন কিংবা গোসল করার প্রয়োজন নেই।তবে সবসময় বাইরে থেকে আসার পর হাত পরিষ্কার করতে হবে। কিছু গবেষণায় দেখা গেছে, করোনাভাইরাসের জীবানু বাতাসে আধ ঘণ্টা থাকতে পারে। তবে বাতাসে সেই জীবানুর কনা এতই ক্ষুদ্র যে তা থেকে আপনার সংক্রমণের ঝুঁকি একেবারে নেই বললেই চলে।    

বাইরে থেকে ফেরার পর জুতা জীবানুমুক্ত করা উচিত কী না?
এটা ঠিক যে জুতা ব্যাকটেরিয়া ও ভাইরাস বহন করতে পারে। তার মানেই এ নয় যে জুতা থেকে সংক্রমণ ছড়াবে। জুতা পরিষ্কারের করা গেলে করে নিন। তবে জুতা হাত দিয়ে মোছার দরকার নেই। এতে জুতা থেকে ভাইরাস আপনার হাতে চলে আসতে পারে। সম্প্রতি চীনের এক গবেষণায় দেখা গেছে, করোনা রোগীদের সেবা দেওয়া স্বাস্থ্যকর্মীদের অর্ধেকের জুতায় করোনা ভাইরাসের উপস্থিতি পাওয়া গেছে। এর কারণও আছে। তারা সরাসরি করোনা রোগীদের সেবা দিয়েছেন। বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ, জুতায় কী আছে এটা নিয়ে দুশ্চিন্তা করার প্রয়োজন নেই। বাসায় যদি মেঝেতে গড়াগড়ি করার মতো কোনো শিশু থাকে, বা কারো অ্যালার্জি কিংবা অসুস্থ কোনো ব্যক্তি থাকে তাহলে ঘরে জুতা না রাখাই ভালো।

চুল ও দাঁড়িতে ভাইরাস থাকতে পারে কী না?
যদি আপনি সামাজিক দূরত্ব মেনে চলেন তবে আপনার এ বিষয়ে উদ্বিগ্ন হওয়ার কিছু নেই। এছাড়া কেউ যদি আপনার মাথায় এসে হাঁচি বা কাঁশি দেয় তাহলেও সংক্রমণ নিয়ে দুশ্চিন্তায় পড়ে যাওয়ার কোনো কারণ নেই বলে জানিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা। যে ব্যক্তি হাঁচি-কাঁশি দিয়েছে তার শরীরে ভাইরাস থাকলে এবং হাঁচি-কাঁশির মধ্য দিয়ে পর্যাপ্ত কণা আপনার শরীরে পড়লে এবং আপনি তা স্পর্শ করার পর মুখের যে কোনো অংশে লাগালে সংক্রমণের ঝুঁকি থাকে। নাহলে উদ্বিগ্ন হওয়ার কারণ নেই।

বিডি প্রতিদিন