ঢাকা ১২:২৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬, ২ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ
বাংলাদেশসহ ২৯ দেশের পাইলট-ক্রুদের ওপর ইসরায়েলের নিষেধাজ্ঞা মানবে এয়ার ফ্রান্স গ্রেটার সিলেট কমিউনিটি ইউকে’র কেন্দ্রীয় সম্মেলন সম্পন্ন ফ্রান্সে শিক্ষার্থীদের আন্দোলন জোরালো, সমর্থনে রাজপথে হাজারো মানুষ বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে ইউরোপে নির্মিত হচ্ছে প্রামাণ্যচিত্র, শুটিং শুরু ১৯ অক্টোবর নিউইয়র্কে ড. ইউনূসকে হেনস্তায় যেসব আ. লীগ নেতার নাম আলোচনায় আট মাসে বিদেশে গেছেন সাড়ে ৪ লাখ কর্মী সরকারবিরোধী চক্রান্ত : সাবেক ২ সেনা কর্মকর্তা ৪ দিনের রিমান্ডে সৌদিতে বাংলাদেশিদের ছবি-ভিডিও প্রকাশে নিষেধাজ্ঞা ইইউর বিভিন্ন দেশে প্রায় পাঁচ লাখ বাংলাদেশি বৈধভাবে বসবাস করছেন প্যারিস বিমানবন্দরে ইসরায়েলি কোম্পানির সামরিক চালান আটকে দিলেন কর্মীরা

“স্বাধীনতার নীরব প্রস্থান”- মেশকাতুন নাহার

  • আপডেট সময় ০২:০৯:১৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৩ মার্চ ২০২৬
  • ১৩৫ বার পড়া হয়েছে
এক প্রেমরাষ্ট্র গড়ে ওঠে অনুভূতির নামে,
সেখানে ক্ষমতা বসে থাকে ভালোবাসার ফ্রেমে।
শাসন চলে হাসিমুখে, আদেশ আসে নরমে,
নরম শব্দের আড়ালেতে স্বৈরাচারই কর্মে।
রাষ্ট্রপ্রধান প্রেমিক বটে, আইন নিজেই লেখে,
যা সে বলে সেটাই সত্য—বাকিটা সে মুছে রাখে।
সংবিধান তার খুবই ছোট, একটিমাত্র ধারা—
ক্ষমতাই যে ভালোবাসা, প্রশ্ন মানে হারার সারা।
নাগরিক আছে, অধিকার নেই—থাকে শুধু দায়,
মতামত দেয় অনুমতিতে, সীমার ভেতর চাই।
নিজস্ব চিন্তা উচ্চারণে রাষ্ট্রদ্রোহ গোনা,
স্বাধীনতার সংজ্ঞাটুকু সন্দেহে ভেজানো সোনা।
“ভালোবাসা মানে অধিকার”—ঘোষণা চলে নিত্য,
সম্মতি সেখানে অপরাধ, ‘না’ শব্দটি অসত্য।
কখনো কবি হয়ে শাসক ছন্দে রাগ ঝাড়ে,
সমস্যার সব উৎস খুঁজে দুর্বল কণ্ঠে পাড়ে।
কখনো দার্শনিক সেজে বক্তৃতা দেয় ভারী,
স্বাধীনতা নাকি বিলাস, সীমাবদ্ধতাই সারি।
এইভাবে রাষ্ট্র চলে বেশ শান্ত আর গম্ভীর,
ভেতরে ভেতরে শুকিয়ে যায় অন্তর আর শরীর।
হঠাৎ একদিন নাগরিক পাঠ বদলায় ধীরে,
রাষ্ট্র নয়—জীবন পড়তে শেখে নিজের নীড়ে।
দেখে সে মানুষ জন্মেছে, শাসনের জন্য নয়,
ভালোবাসা মানে শৃঙ্খল—এই বোধে জাগে ভয়।
কোনো বিদ্রোহ, কোনো মিছিল, কোনো শব্দের ঝড়—
শুধু নীরব পদত্যাগে ভাঙে ক্ষমতার ঘর।
স্বৈরশাসক রয়ে গেল, সিংহাসনও তাই,
রাষ্ট্র আছে—নাগরিক নেই, ইতিহাস শুধু ছাই।
আর যে বেরিয়ে গেল নীরব সত্য জেনে,
সে এখন স্বাধীন সত্তা—নিজস্ব সীমা বুনে।
কোনো প্রেমরাষ্ট্র নয়, কোনো শাসনজাল নয়,
সে এখন স্বাধীন জীবন—সম্পূর্ণ নির্ভয়।
ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

লক ডাউন পরবর্তী পরিস্থিতি মোকাবেলায় ফ্রান্সে চলছে ব্যাপক প্রস্তুতি

যুক্তরাজ্যে করোনার মধ্যেই শিশুদের মাঝে নতুন রোগের হানা

বাংলাদেশসহ ২৯ দেশের পাইলট-ক্রুদের ওপর ইসরায়েলের নিষেধাজ্ঞা মানবে এয়ার ফ্রান্স

“স্বাধীনতার নীরব প্রস্থান”- মেশকাতুন নাহার

আপডেট সময় ০২:০৯:১৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৩ মার্চ ২০২৬
এক প্রেমরাষ্ট্র গড়ে ওঠে অনুভূতির নামে,
সেখানে ক্ষমতা বসে থাকে ভালোবাসার ফ্রেমে।
শাসন চলে হাসিমুখে, আদেশ আসে নরমে,
নরম শব্দের আড়ালেতে স্বৈরাচারই কর্মে।
রাষ্ট্রপ্রধান প্রেমিক বটে, আইন নিজেই লেখে,
যা সে বলে সেটাই সত্য—বাকিটা সে মুছে রাখে।
সংবিধান তার খুবই ছোট, একটিমাত্র ধারা—
ক্ষমতাই যে ভালোবাসা, প্রশ্ন মানে হারার সারা।
নাগরিক আছে, অধিকার নেই—থাকে শুধু দায়,
মতামত দেয় অনুমতিতে, সীমার ভেতর চাই।
নিজস্ব চিন্তা উচ্চারণে রাষ্ট্রদ্রোহ গোনা,
স্বাধীনতার সংজ্ঞাটুকু সন্দেহে ভেজানো সোনা।
“ভালোবাসা মানে অধিকার”—ঘোষণা চলে নিত্য,
সম্মতি সেখানে অপরাধ, ‘না’ শব্দটি অসত্য।
কখনো কবি হয়ে শাসক ছন্দে রাগ ঝাড়ে,
সমস্যার সব উৎস খুঁজে দুর্বল কণ্ঠে পাড়ে।
কখনো দার্শনিক সেজে বক্তৃতা দেয় ভারী,
স্বাধীনতা নাকি বিলাস, সীমাবদ্ধতাই সারি।
এইভাবে রাষ্ট্র চলে বেশ শান্ত আর গম্ভীর,
ভেতরে ভেতরে শুকিয়ে যায় অন্তর আর শরীর।
হঠাৎ একদিন নাগরিক পাঠ বদলায় ধীরে,
রাষ্ট্র নয়—জীবন পড়তে শেখে নিজের নীড়ে।
দেখে সে মানুষ জন্মেছে, শাসনের জন্য নয়,
ভালোবাসা মানে শৃঙ্খল—এই বোধে জাগে ভয়।
কোনো বিদ্রোহ, কোনো মিছিল, কোনো শব্দের ঝড়—
শুধু নীরব পদত্যাগে ভাঙে ক্ষমতার ঘর।
স্বৈরশাসক রয়ে গেল, সিংহাসনও তাই,
রাষ্ট্র আছে—নাগরিক নেই, ইতিহাস শুধু ছাই।
আর যে বেরিয়ে গেল নীরব সত্য জেনে,
সে এখন স্বাধীন সত্তা—নিজস্ব সীমা বুনে।
কোনো প্রেমরাষ্ট্র নয়, কোনো শাসনজাল নয়,
সে এখন স্বাধীন জীবন—সম্পূর্ণ নির্ভয়।