লন্ডন: যুক্তরাজ্যে বসবাসরত সিলেট নগরীর স্থায়ী বাসিন্দাদের নিয়ে গঠিত সমাজসেবামূলক সংগঠন ‘সিলেট সদর অ্যাসোসিয়েশন’-এর আসন্ন দ্বি-বার্ষিক সম্মেলন সফলভাবে আয়োজনের লক্ষ্যে এক প্রস্তুতিমূলক সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
গত বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) পূর্ব লন্ডনের ভ্যালেন্স রোডে অবস্থিত উডেরহাম কমিউনিটি সেন্টারে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়। সংগঠনের সভাপতি ও টাওয়ার হ্যামলেটস কাউন্সিলের সাবেক মেয়র সেলিম উল্লাহর সভাপতিত্বে সভাটি পরিচালনা করেন সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক শাহিন আহমদ জয়েদ এবং সহ-সাধারণ সম্পাদক ও ‘শীর্ষবিন্দু নিউজ’-এর প্রধান সম্পাদক আতিকুর রহমান সুমন।
সভায় বক্তব্য দেন সংগঠনের সহ-সভাপতি সেলিম খান, সহ-সাধারণ সম্পাদক সেলিম হোসেন, কোষাধ্যক্ষ এলাহি বক্স এনাম, সহ-কোষাধ্যক্ষ সায়াদুর রহমান, ধর্মবিষয়ক সম্পাদক মোর্শেদ আহমদ এবং নির্বাহী সদস্য পারিছ আহমদ, আবরার বক্স বাচ্চু ও বদরুল ইসলামসহ অন্যরা।
সভায় আসন্ন দ্বি-বার্ষিক সম্মেলনকে সামনে রেখে নতুন সদস্য নিবন্ধনের জন্য আহ্বান জানানো হয়। পাশাপাশি সম্মেলন উপলক্ষে একটি ম্যাগাজিন বা স্মরণিকা প্রকাশের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এতে সংগঠনের কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্যদের পাশাপাশি সাধারণ সদস্যদের নাম ও ছবি অন্তর্ভুক্ত করার পরিকল্পনা রয়েছে।
সভায় উপস্থিত সদস্যদের সম্মতিক্রমে আগামী ১৫ নভেম্বর পরবর্তী সভার তারিখ নির্ধারণ করা হয়। ওই সভায় দ্বি-বার্ষিক সম্মেলনের তারিখ চূড়ান্ত করা এবং নতুন কমিটি গঠনের বিষয়ে আলোচনা ও সিদ্ধান্ত নেওয়ার কথা রয়েছে।
বক্তারা বলেন, যুক্তরাজ্যে বসবাসরত সিলেট নগরীর স্থায়ী বাসিন্দাদের মধ্যে পারস্পরিক যোগাযোগ, ঐক্য ও সম্প্রীতি বজায় রাখতে সিলেট সদর অ্যাসোসিয়েশন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। সংগঠনটির মূল লক্ষ্য হলো সমাজসেবামূলক কর্মকাণ্ড পরিচালনা, বিপদে-আপদে সদস্যদের পাশে দাঁড়ানো এবং প্রয়োজনে একে অপরকে সহযোগিতা করা।
তারা সিলেট নগরীতে বসবাসরত অসহায়, দরিদ্র ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষের পাশে দাঁড়ানোর জন্য সংগঠনের সদস্যদের প্রতি আহ্বান জানান। মানবিক দায়বদ্ধতা থেকে দেশে অবস্থানরত মানুষের কল্যাণে আরও কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণের ওপরও গুরুত্বারোপ করা হয়।
সভায় বক্তারা আরও আশাবাদ ব্যক্ত করেন, সিলেট সদর অ্যাসোসিয়েশন দেশে-বিদেশে ছড়িয়ে থাকা সিলেট নগরীর বাসিন্দাদের মধ্যে ভ্রাতৃত্ববোধ, সৌহার্দ্য, শিক্ষা, সংস্কৃতি ও সামাজিক উন্নয়নে অবদান রাখবে। আগামী দিনে নতুন নেতৃত্বের মাধ্যমে সংগঠনটির সমাজকল্যাণমূলক কার্যক্রম আরও সম্প্রসারিত হবে বলেও তারা প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন।




















