ঢাকা ০৪:১০ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৫ অগাস্ট ২০২৬, ৯ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ
বিয়ানীবাজার সমাজ কল্যাণ সমিতি’ ফ্রান্স-এর উদ্যোগে ঐক্য সম্প্রীতি, ভ্রাতৃত্ববোধ ও সৌহার্দ্যপূর্ণ সমুদ্র সৈকত ভ্রমন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব রুহুল কবীর রিজভী দেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হয়েছেন মির্জা ফখরুল সরকারের প্রতি সন্তুষ্টি ৫৪ শতাংশ আর প্রধানমন্ত্রীর প্রতি ৬৬ শতাংশ পাথরের শহরে কবিতার খোঁজে ইনসাফই সমাজের মেরুদণ্ড: ইসলামে সামাজিক সুবিচারের শিক্ষা “নৈঃশব্দ্যের ঋণপত্র”- মেশকাতুন নাহার গ্রেটার সিলেট কমিউনিটি ইউকের ওয়েস্ট মিডল্যান্ডস রিজিওনাল কমিটি গঠন প্রবাসী বাংলাদেশি হজযাত্রীদের সেবায় যুক্তরাজ্যে নতুন সংগঠন PHAAUK ফেঞ্চুগঞ্জে দুই দিনে তিন ইয়াবা ব্যবসায়ী গ্রেপ্তার

পাকিস্তানকে হোয়াইটওয়াশ করে ইতিহাস গড়ল বাংলাদেশ

  • আপডেট সময় ০৯:০৪:০২ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২০ মে ২০২৬
  • ৮১ বার পড়া হয়েছে

স্পোর্টস ডেস্ক

শেষ দিনে বাংলাদেশের প্রয়োজন ছিল ৩ উইকেট, পাকিস্তানের সামনে সমীকরণ ছিল ১২১ রানের। পঞ্চম দিন সকালে পাকিস্তান শুরুটা করেছিল বেশ ভালো। তাতে বাংলাদেশ শিবিরে শঙ্কা জেগেছিল, পাকিস্তান বিশ্বরেকর্ড না গড়ে ফেলে! তবে শেষমেশ বাংলাদেশ তা হতে দেয়নি। ১২ বলের এদিক ওদিকে ৩ উইকেট তুলে নিয়ে সিরিজ নিজেদের নামে লিখে নিয়েছে। ৭৮ রানে হারিয়ে পাকিস্তানকে করেছে হোয়াইটওয়াশ। গড়ে ফেলেছে ইতিহাসও!

ইতিহাসে এ পর্যন্ত ৮৩টি টেস্ট সিরিজ খেলেছে বাংলাদেশ। তবে একাধিক ম্যাচের সিরিজে কখনোই একই প্রতিপক্ষকে দুবার হোয়াইটওয়াশের স্বাদ নিতে পারেনি। এমনকি ‘প্রিয় প্রতিপক্ষ’ জিম্বাবুয়ের বিপক্ষেও নয়। সে কীর্তিটা গড়তে প্রতিপক্ষ হিসেবে পাকিস্তানকেই বেছে নিয়েছে বাংলাদেশ। ২০২৪ সালের পর ২০২৬ সালের সিরিজেও পাকিস্তানকে করল হোয়াইটওয়াশ।

তবে এমন কিছু হবে, দিনের শুরুর ৯ ওভারে তা মনে হয়নি। কী করে মনে হবে? মোহাম্মদ রিজওয়ান রীতিমতো জমে গিয়েছিলেন উইকেটে, সঙ্গে সাজিদ খানও। বাংলাদেশের বিপদ বাড়াচ্ছিল শুরুর ১ ঘণ্টার নির্বিষ বোলিংও। সুযোগ যে আসছিল না, তা নয়। সাজিদ খান নাহিদ রানার বাউন্সার পুল করতে গিয়ে বল তুলে দিয়েছিলেন আকাশে। তবে লিটন দাস আর তাইজুল ইসলামের ফাঁক গলে বলটা গিয়ে পড়ে নো ম্যান্স ল্যান্ডে।

শঙ্কা যখন ক্রমেই বাড়ছে, তখনই ত্রাতা হয়ে এলেন তাইজুল ইসলাম। পুরো সিরিজে বহুবার কখনো ব্যাট হাতে, কখনো বল হাতে দলকে বিপদের মুখ থেকে রক্ষা করেছেন, আজও করলেন। তার বলে ডিফেন্ড করতে গিয়ে স্লিপে ক্যাচ দেন সাজিদ। ৫৪ রানের জুটিটা ভাঙতেই বাংলাদেশ জেনে গেছে, এই ম্যাচ জেতা এখন সময়ের ব্যাপার মাত্র।

এরপর সে অনুভূতিটাকে চূড়ান্ত রূপ দিতে অপেক্ষা করতে হলো মাত্র ১১ বল। মোহাম্মদ রিজওয়ান বিদায় নিলেন শরিফুল ইসলামের বলে। এরপর তাইজুলকে ছক্কা হাঁকাতে গিয়ে বাউন্ডারিতে ক্যাচ দেন খুররম শেহজাদ। বাংলাদেশের ম্যাচ, পাকিস্তানকে হোয়াইটওয়াশ, আর ইতিহাস, সবকিছুই গড়া হয়ে যায় একসঙ্গে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

লক ডাউন পরবর্তী পরিস্থিতি মোকাবেলায় ফ্রান্সে চলছে ব্যাপক প্রস্তুতি

যুক্তরাজ্যে করোনার মধ্যেই শিশুদের মাঝে নতুন রোগের হানা

বিয়ানীবাজার সমাজ কল্যাণ সমিতি’ ফ্রান্স-এর উদ্যোগে ঐক্য সম্প্রীতি, ভ্রাতৃত্ববোধ ও সৌহার্দ্যপূর্ণ সমুদ্র সৈকত ভ্রমন

পাকিস্তানকে হোয়াইটওয়াশ করে ইতিহাস গড়ল বাংলাদেশ

আপডেট সময় ০৯:০৪:০২ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২০ মে ২০২৬

স্পোর্টস ডেস্ক

শেষ দিনে বাংলাদেশের প্রয়োজন ছিল ৩ উইকেট, পাকিস্তানের সামনে সমীকরণ ছিল ১২১ রানের। পঞ্চম দিন সকালে পাকিস্তান শুরুটা করেছিল বেশ ভালো। তাতে বাংলাদেশ শিবিরে শঙ্কা জেগেছিল, পাকিস্তান বিশ্বরেকর্ড না গড়ে ফেলে! তবে শেষমেশ বাংলাদেশ তা হতে দেয়নি। ১২ বলের এদিক ওদিকে ৩ উইকেট তুলে নিয়ে সিরিজ নিজেদের নামে লিখে নিয়েছে। ৭৮ রানে হারিয়ে পাকিস্তানকে করেছে হোয়াইটওয়াশ। গড়ে ফেলেছে ইতিহাসও!

ইতিহাসে এ পর্যন্ত ৮৩টি টেস্ট সিরিজ খেলেছে বাংলাদেশ। তবে একাধিক ম্যাচের সিরিজে কখনোই একই প্রতিপক্ষকে দুবার হোয়াইটওয়াশের স্বাদ নিতে পারেনি। এমনকি ‘প্রিয় প্রতিপক্ষ’ জিম্বাবুয়ের বিপক্ষেও নয়। সে কীর্তিটা গড়তে প্রতিপক্ষ হিসেবে পাকিস্তানকেই বেছে নিয়েছে বাংলাদেশ। ২০২৪ সালের পর ২০২৬ সালের সিরিজেও পাকিস্তানকে করল হোয়াইটওয়াশ।

তবে এমন কিছু হবে, দিনের শুরুর ৯ ওভারে তা মনে হয়নি। কী করে মনে হবে? মোহাম্মদ রিজওয়ান রীতিমতো জমে গিয়েছিলেন উইকেটে, সঙ্গে সাজিদ খানও। বাংলাদেশের বিপদ বাড়াচ্ছিল শুরুর ১ ঘণ্টার নির্বিষ বোলিংও। সুযোগ যে আসছিল না, তা নয়। সাজিদ খান নাহিদ রানার বাউন্সার পুল করতে গিয়ে বল তুলে দিয়েছিলেন আকাশে। তবে লিটন দাস আর তাইজুল ইসলামের ফাঁক গলে বলটা গিয়ে পড়ে নো ম্যান্স ল্যান্ডে।

শঙ্কা যখন ক্রমেই বাড়ছে, তখনই ত্রাতা হয়ে এলেন তাইজুল ইসলাম। পুরো সিরিজে বহুবার কখনো ব্যাট হাতে, কখনো বল হাতে দলকে বিপদের মুখ থেকে রক্ষা করেছেন, আজও করলেন। তার বলে ডিফেন্ড করতে গিয়ে স্লিপে ক্যাচ দেন সাজিদ। ৫৪ রানের জুটিটা ভাঙতেই বাংলাদেশ জেনে গেছে, এই ম্যাচ জেতা এখন সময়ের ব্যাপার মাত্র।

এরপর সে অনুভূতিটাকে চূড়ান্ত রূপ দিতে অপেক্ষা করতে হলো মাত্র ১১ বল। মোহাম্মদ রিজওয়ান বিদায় নিলেন শরিফুল ইসলামের বলে। এরপর তাইজুলকে ছক্কা হাঁকাতে গিয়ে বাউন্ডারিতে ক্যাচ দেন খুররম শেহজাদ। বাংলাদেশের ম্যাচ, পাকিস্তানকে হোয়াইটওয়াশ, আর ইতিহাস, সবকিছুই গড়া হয়ে যায় একসঙ্গে।