ঢাকা ০৯:৫০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ১৪ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ
ফরাসি রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে সাফ প্রেসিডেন্টের সাক্ষাৎ, কমিউনিটির স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা আত্মার স্বাতন্ত্র্য ও সরলতার নন্দনতত্ত্ব প্রবাসে মুক্তিযুদ্ধের সংগঠক অধ্যাপক আবুল হাশেমকে অশ্রুসিক্ত বিদায়, শেখ হাসিনা ও যুক্তরাজ্য আওয়ামী লীগের শোক ইরাকে ৬ ফরাসি নাগরিকের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ইউরোপে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার বক্তৃতা প্রতিযোগিতায় বাংলাদেশি আইনজীবী সাইদুল আব্দুল বিভ্রান্তিকর তথ্য প্রচার : লন্ডনের বাংলাদেশ হাইকমিশনের সতকর্তা ইতালিতে ১২ দফা ভূকম্পন প্যারিসে এলোপাতাড়ি গুলিতে নিহত ১, আহত ৫ এবার জার্মানিতে বিক্ষোভের ডাক! বাংলাদেশ থেকে ফ্রান্স—আবু সাঈদ এখন বিশ্বজুড়ে

জঙ্গি মোকাবিলায় আফ্রিকার সাহেলে সেনা পাঠাচ্ছে ফ্রান্স

  • আপডেট সময় ০৯:২৮:০৫ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৪ ফেব্রুয়ারী ২০২০
  • ৩১২ বার পড়া হয়েছে

সাহারা মরুভূমির দক্ষিণে আফ্রিকার সাহেল অঞ্চলে ইসলামপন্থী জঙ্গিদের মোকাবিলায় ছয় শতাধিক সেনা পাঠানোর ঘোষণা দিয়েছে ফ্রান্স। রবিবার এক বিবৃতিতে যুদ্ধবিধ্বস্ত অঞ্চলটিতে নতুন করে আরও সেনা মোতায়েনের এ সিদ্ধান্তের কথা জানান ফরাসি প্রতিরক্ষামন্ত্রী ফ্লোরেন্স পার্লি।

আফ্রিকার সাহেল অঞ্চল বহুদিন ধরেই অস্থিতিশীল। ২০১২ সালে সেখানকার বহু এলাকা দখল করে নেয় আল-কায়েদাপন্থী জঙ্গিরা। এতে করে ওই এলাকার বিদ্রোহী গোষ্ঠী তুয়ারেগ কোণঠাসা হয়ে পড়ে। ২০১৩ সালের জানুয়ারিতে ফ্রান্সের নেতৃত্বাধীন পাঁচ জাতির বাহিনী (জি-ফাইভ সাহেল নামে পরিচিত) অভিযান চালিয়ে জঙ্গিদের উৎখাত করলেও পরে আবারও সংঘটিত হয় জঙ্গিরা।

রবিবার প্রতিরক্ষামন্ত্রী ফ্লোরেন্স পার্লি বলেছেন, ‘সেনাসদস্যদের অধিকাংশই মালি, বুরকিনা ফাসো ও নাইজারে পাঠানো হবে। আর অন্যরা জি-ফাইভ সাহেল বাহিনীর সঙ্গে যুক্ত হবে।’

সাহেল অঞ্চলে সেনা ক্যাম্পগুলো লক্ষ্য করে প্রায়ই জঙ্গিরা হামলা চালায়। ওই মরু অঞ্চল বিদেশিদের কাছে খুবই জনপ্রিয়। এসব অঞ্চল থেকে মাঝেমধ্যেই পর্যটকদের অপহরণ করে উগ্রপন্থীরা। অঞ্চলটির উগ্রপন্থীদের সঙ্গে মধ্যপ্রাচ্যভিত্তিক জঙ্গি সংগঠন আইএসের যোগসূত্র রয়েছে।

গত তিন মাসে সাহেল অঞ্চলের দেশ নাইজার, বুরকিনা ফাসো ও মালিতে জঙ্গি হামলায় অন্তত ৩০০ মানুষ নিহত হয়েছে। ফ্রান্স ও যুক্তরাষ্ট্রের কাছ থেকে প্রশিক্ষণ পেলেও বুরকিনা ফাসোর সেনাবাহিনী জঙ্গি সহিংসতা দমনে এখন পর্যন্ত ব্যর্থতার পরিচয় দিয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে সন্ত্রাসীদের দমনে অভিযান চালিয়ে ব্যর্থ হয়েছে আঞ্চলিক ও ফরাসি সেনারা।

জাতিসংঘের মতে, ধারাবাহিক হামলার কারণে শুধু বুরকিনা ফাসোর ওই উত্তর ও পূর্বাঞ্চল থেকে ইতোমধ্যে ৫ লাখ মানুষ ঘরবাড়ি ছেড়ে পালিয়েছে।

উল্লেখ্য, সাহেল অঞ্চলে ইসলামপন্থী বিদ্রোহীদের দমনে বর্তমানে সাড়ে চার হাজারেরও বেশি ফরাসি সেনা মোতায়েন রয়েছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

লক ডাউন পরবর্তী পরিস্থিতি মোকাবেলায় ফ্রান্সে চলছে ব্যাপক প্রস্তুতি

যুক্তরাজ্যে করোনার মধ্যেই শিশুদের মাঝে নতুন রোগের হানা

ফরাসি রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে সাফ প্রেসিডেন্টের সাক্ষাৎ, কমিউনিটির স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা

জঙ্গি মোকাবিলায় আফ্রিকার সাহেলে সেনা পাঠাচ্ছে ফ্রান্স

আপডেট সময় ০৯:২৮:০৫ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৪ ফেব্রুয়ারী ২০২০

সাহারা মরুভূমির দক্ষিণে আফ্রিকার সাহেল অঞ্চলে ইসলামপন্থী জঙ্গিদের মোকাবিলায় ছয় শতাধিক সেনা পাঠানোর ঘোষণা দিয়েছে ফ্রান্স। রবিবার এক বিবৃতিতে যুদ্ধবিধ্বস্ত অঞ্চলটিতে নতুন করে আরও সেনা মোতায়েনের এ সিদ্ধান্তের কথা জানান ফরাসি প্রতিরক্ষামন্ত্রী ফ্লোরেন্স পার্লি।

আফ্রিকার সাহেল অঞ্চল বহুদিন ধরেই অস্থিতিশীল। ২০১২ সালে সেখানকার বহু এলাকা দখল করে নেয় আল-কায়েদাপন্থী জঙ্গিরা। এতে করে ওই এলাকার বিদ্রোহী গোষ্ঠী তুয়ারেগ কোণঠাসা হয়ে পড়ে। ২০১৩ সালের জানুয়ারিতে ফ্রান্সের নেতৃত্বাধীন পাঁচ জাতির বাহিনী (জি-ফাইভ সাহেল নামে পরিচিত) অভিযান চালিয়ে জঙ্গিদের উৎখাত করলেও পরে আবারও সংঘটিত হয় জঙ্গিরা।

রবিবার প্রতিরক্ষামন্ত্রী ফ্লোরেন্স পার্লি বলেছেন, ‘সেনাসদস্যদের অধিকাংশই মালি, বুরকিনা ফাসো ও নাইজারে পাঠানো হবে। আর অন্যরা জি-ফাইভ সাহেল বাহিনীর সঙ্গে যুক্ত হবে।’

সাহেল অঞ্চলে সেনা ক্যাম্পগুলো লক্ষ্য করে প্রায়ই জঙ্গিরা হামলা চালায়। ওই মরু অঞ্চল বিদেশিদের কাছে খুবই জনপ্রিয়। এসব অঞ্চল থেকে মাঝেমধ্যেই পর্যটকদের অপহরণ করে উগ্রপন্থীরা। অঞ্চলটির উগ্রপন্থীদের সঙ্গে মধ্যপ্রাচ্যভিত্তিক জঙ্গি সংগঠন আইএসের যোগসূত্র রয়েছে।

গত তিন মাসে সাহেল অঞ্চলের দেশ নাইজার, বুরকিনা ফাসো ও মালিতে জঙ্গি হামলায় অন্তত ৩০০ মানুষ নিহত হয়েছে। ফ্রান্স ও যুক্তরাষ্ট্রের কাছ থেকে প্রশিক্ষণ পেলেও বুরকিনা ফাসোর সেনাবাহিনী জঙ্গি সহিংসতা দমনে এখন পর্যন্ত ব্যর্থতার পরিচয় দিয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে সন্ত্রাসীদের দমনে অভিযান চালিয়ে ব্যর্থ হয়েছে আঞ্চলিক ও ফরাসি সেনারা।

জাতিসংঘের মতে, ধারাবাহিক হামলার কারণে শুধু বুরকিনা ফাসোর ওই উত্তর ও পূর্বাঞ্চল থেকে ইতোমধ্যে ৫ লাখ মানুষ ঘরবাড়ি ছেড়ে পালিয়েছে।

উল্লেখ্য, সাহেল অঞ্চলে ইসলামপন্থী বিদ্রোহীদের দমনে বর্তমানে সাড়ে চার হাজারেরও বেশি ফরাসি সেনা মোতায়েন রয়েছে।