ঢাকা ১১:৪৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬, ১৪ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ
জাপানে শক্তিশালী ভূমিকম্পে নিহত ১৩ লিবিয়া থেকে মৃত্যুপথে ইউরোপ, ঝুঁকিপূর্ণ যাত্রায় শীর্ষে বাংলাদেশ আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নতি না হলে দেশে বিনিয়োগ সম্ভব নয় যে ৩৫ দেশে ভিসামুক্ত-অন অ্যারাইভাল সুবিধা পাবেন বাংলাদেশি পাসপোর্টধারীরা দাবানলের সঙ্গে লড়ছে ফ্রান্স-স্পেন সাবেক রাষ্ট্রপতি হামিদ–সাহাবুদ্দিনের বিরুদ্ধে ট্রাইব্যুনালে অভিযোগ ভয়াবহ দাবানলে পুড়ছে স্পেন–ফ্রান্স ফিলিস্তিনে ইসরায়েলি হামলাকে ‘গণহত্যা’ বললেন জাতিসংঘের বিশেষ দূত প্রবাসীবান্ধব সেবা নিশ্চিতে আন্তঃমন্ত্রণালয় কমিটি গঠন রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিনের পদত্যাগ ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি হাফিজ উদ্দিন

সেই মেয়েটির গল্প

  • আপডেট সময় ১০:১১:০৬ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ জুন ২০২২
  • ৩৬৫ বার পড়া হয়েছে


সেই মেয়েটির গল্প বলবো এসো শুনবে যদি,

শ্যামল গাঁয়ে থাকতো যেথায় বয়ে চলতো নদী।

মেঠো পথে আলতা পায়ে হাঁটতো সবুজ ঘাসে,

কিশোরী মন বাদলা দিনে ভিজতো শ্রাবণ মাসে।


এলো চুলে গাছের ডালে কদম ফুল সে তুলে, 

কৃষ্ণচূড়ায় মালা গেঁথে সময় যেতো ভুলে।

অবুঝ বয়স জানেনা সে জীবন কাকে বলে? 

খেলাধূলা লেখাপড়ায় আপন মনে চলে।


হাসিখুশি রঙিন স্বপ্নে বিভোর থাকে মেয়ে, 

বাবা মায়ের আদর যত্ন ভালোবাসা পেয়ে। 

বিছানায় সে শুয়ে ভাবছে কেন হলাম বড়ো?

দুঃখ গুলো চারপাশ থেকে করছে আমায় জড়ো।


আগের মতো স্বাধীনতা পায় কি আর সে খুঁজে?

চোখরাঙানি গর্হিত বাক্য হাসি দিয়ে গুঁজে।

মানুষ তাঁকে খেতাব দিলো মহীয়সী কন্যা,

অন্তরালে ভিন্ন পন্থায় তাঁর বক্ষে যে বন্যা।


জরাগ্রস্ত হয়ে মেয়ে নিরবে যায় ক্ষয়ে,

নির্যাতনের শিকার হয়ে মুখ খুলে না ভয়ে।

বুঝেনি তো সে তো হায় জীবন পাতা ভিন্ন, 

যেমন করে ঘূর্ণিবায়ু করে দেয় সব ছিন্ন।


বিচারপতি কোথায় তুমি? বলে চিৎকার করে, 

আর কতকাল ভেদাভেদ  যে থাকবে ঘরে ঘরে?

নারীর প্রতি অবিচার কী চলবে জনম ধরে?

বাবা মায়ের সেই মেয়েটির নয়নে জল ঝরে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

লক ডাউন পরবর্তী পরিস্থিতি মোকাবেলায় ফ্রান্সে চলছে ব্যাপক প্রস্তুতি

যুক্তরাজ্যে করোনার মধ্যেই শিশুদের মাঝে নতুন রোগের হানা

জাপানে শক্তিশালী ভূমিকম্পে নিহত ১৩

সেই মেয়েটির গল্প

আপডেট সময় ১০:১১:০৬ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ জুন ২০২২


সেই মেয়েটির গল্প বলবো এসো শুনবে যদি,

শ্যামল গাঁয়ে থাকতো যেথায় বয়ে চলতো নদী।

মেঠো পথে আলতা পায়ে হাঁটতো সবুজ ঘাসে,

কিশোরী মন বাদলা দিনে ভিজতো শ্রাবণ মাসে।


এলো চুলে গাছের ডালে কদম ফুল সে তুলে, 

কৃষ্ণচূড়ায় মালা গেঁথে সময় যেতো ভুলে।

অবুঝ বয়স জানেনা সে জীবন কাকে বলে? 

খেলাধূলা লেখাপড়ায় আপন মনে চলে।


হাসিখুশি রঙিন স্বপ্নে বিভোর থাকে মেয়ে, 

বাবা মায়ের আদর যত্ন ভালোবাসা পেয়ে। 

বিছানায় সে শুয়ে ভাবছে কেন হলাম বড়ো?

দুঃখ গুলো চারপাশ থেকে করছে আমায় জড়ো।


আগের মতো স্বাধীনতা পায় কি আর সে খুঁজে?

চোখরাঙানি গর্হিত বাক্য হাসি দিয়ে গুঁজে।

মানুষ তাঁকে খেতাব দিলো মহীয়সী কন্যা,

অন্তরালে ভিন্ন পন্থায় তাঁর বক্ষে যে বন্যা।


জরাগ্রস্ত হয়ে মেয়ে নিরবে যায় ক্ষয়ে,

নির্যাতনের শিকার হয়ে মুখ খুলে না ভয়ে।

বুঝেনি তো সে তো হায় জীবন পাতা ভিন্ন, 

যেমন করে ঘূর্ণিবায়ু করে দেয় সব ছিন্ন।


বিচারপতি কোথায় তুমি? বলে চিৎকার করে, 

আর কতকাল ভেদাভেদ  যে থাকবে ঘরে ঘরে?

নারীর প্রতি অবিচার কী চলবে জনম ধরে?

বাবা মায়ের সেই মেয়েটির নয়নে জল ঝরে।