ঢাকা ০৯:৩২ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৩১ অক্টোবর ২০২৬, ১৬ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ
ফরাসি রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে সাফ প্রেসিডেন্টের সাক্ষাৎ, কমিউনিটির স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা আত্মার স্বাতন্ত্র্য ও সরলতার নন্দনতত্ত্ব প্রবাসে মুক্তিযুদ্ধের সংগঠক অধ্যাপক আবুল হাশেমকে অশ্রুসিক্ত বিদায়, শেখ হাসিনা ও যুক্তরাজ্য আওয়ামী লীগের শোক ইরাকে ৬ ফরাসি নাগরিকের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ইউরোপে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার বক্তৃতা প্রতিযোগিতায় বাংলাদেশি আইনজীবী সাইদুল আব্দুল বিভ্রান্তিকর তথ্য প্রচার : লন্ডনের বাংলাদেশ হাইকমিশনের সতকর্তা ইতালিতে ১২ দফা ভূকম্পন প্যারিসে এলোপাতাড়ি গুলিতে নিহত ১, আহত ৫ এবার জার্মানিতে বিক্ষোভের ডাক! বাংলাদেশ থেকে ফ্রান্স—আবু সাঈদ এখন বিশ্বজুড়ে

সেই মেয়েটির গল্প

  • আপডেট সময় ১০:১১:০৬ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ জুন ২০২২
  • ৩৮৩ বার পড়া হয়েছে


সেই মেয়েটির গল্প বলবো এসো শুনবে যদি,

শ্যামল গাঁয়ে থাকতো যেথায় বয়ে চলতো নদী।

মেঠো পথে আলতা পায়ে হাঁটতো সবুজ ঘাসে,

কিশোরী মন বাদলা দিনে ভিজতো শ্রাবণ মাসে।


এলো চুলে গাছের ডালে কদম ফুল সে তুলে, 

কৃষ্ণচূড়ায় মালা গেঁথে সময় যেতো ভুলে।

অবুঝ বয়স জানেনা সে জীবন কাকে বলে? 

খেলাধূলা লেখাপড়ায় আপন মনে চলে।


হাসিখুশি রঙিন স্বপ্নে বিভোর থাকে মেয়ে, 

বাবা মায়ের আদর যত্ন ভালোবাসা পেয়ে। 

বিছানায় সে শুয়ে ভাবছে কেন হলাম বড়ো?

দুঃখ গুলো চারপাশ থেকে করছে আমায় জড়ো।


আগের মতো স্বাধীনতা পায় কি আর সে খুঁজে?

চোখরাঙানি গর্হিত বাক্য হাসি দিয়ে গুঁজে।

মানুষ তাঁকে খেতাব দিলো মহীয়সী কন্যা,

অন্তরালে ভিন্ন পন্থায় তাঁর বক্ষে যে বন্যা।


জরাগ্রস্ত হয়ে মেয়ে নিরবে যায় ক্ষয়ে,

নির্যাতনের শিকার হয়ে মুখ খুলে না ভয়ে।

বুঝেনি তো সে তো হায় জীবন পাতা ভিন্ন, 

যেমন করে ঘূর্ণিবায়ু করে দেয় সব ছিন্ন।


বিচারপতি কোথায় তুমি? বলে চিৎকার করে, 

আর কতকাল ভেদাভেদ  যে থাকবে ঘরে ঘরে?

নারীর প্রতি অবিচার কী চলবে জনম ধরে?

বাবা মায়ের সেই মেয়েটির নয়নে জল ঝরে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

লক ডাউন পরবর্তী পরিস্থিতি মোকাবেলায় ফ্রান্সে চলছে ব্যাপক প্রস্তুতি

যুক্তরাজ্যে করোনার মধ্যেই শিশুদের মাঝে নতুন রোগের হানা

ফরাসি রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে সাফ প্রেসিডেন্টের সাক্ষাৎ, কমিউনিটির স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা

সেই মেয়েটির গল্প

আপডেট সময় ১০:১১:০৬ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ জুন ২০২২


সেই মেয়েটির গল্প বলবো এসো শুনবে যদি,

শ্যামল গাঁয়ে থাকতো যেথায় বয়ে চলতো নদী।

মেঠো পথে আলতা পায়ে হাঁটতো সবুজ ঘাসে,

কিশোরী মন বাদলা দিনে ভিজতো শ্রাবণ মাসে।


এলো চুলে গাছের ডালে কদম ফুল সে তুলে, 

কৃষ্ণচূড়ায় মালা গেঁথে সময় যেতো ভুলে।

অবুঝ বয়স জানেনা সে জীবন কাকে বলে? 

খেলাধূলা লেখাপড়ায় আপন মনে চলে।


হাসিখুশি রঙিন স্বপ্নে বিভোর থাকে মেয়ে, 

বাবা মায়ের আদর যত্ন ভালোবাসা পেয়ে। 

বিছানায় সে শুয়ে ভাবছে কেন হলাম বড়ো?

দুঃখ গুলো চারপাশ থেকে করছে আমায় জড়ো।


আগের মতো স্বাধীনতা পায় কি আর সে খুঁজে?

চোখরাঙানি গর্হিত বাক্য হাসি দিয়ে গুঁজে।

মানুষ তাঁকে খেতাব দিলো মহীয়সী কন্যা,

অন্তরালে ভিন্ন পন্থায় তাঁর বক্ষে যে বন্যা।


জরাগ্রস্ত হয়ে মেয়ে নিরবে যায় ক্ষয়ে,

নির্যাতনের শিকার হয়ে মুখ খুলে না ভয়ে।

বুঝেনি তো সে তো হায় জীবন পাতা ভিন্ন, 

যেমন করে ঘূর্ণিবায়ু করে দেয় সব ছিন্ন।


বিচারপতি কোথায় তুমি? বলে চিৎকার করে, 

আর কতকাল ভেদাভেদ  যে থাকবে ঘরে ঘরে?

নারীর প্রতি অবিচার কী চলবে জনম ধরে?

বাবা মায়ের সেই মেয়েটির নয়নে জল ঝরে।