ঢাকা ১০:০০ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১২ জুন ২০২৬, ২৯ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ
জমকালো আয়োজনে পর্দা উঠলো বিশ্বকাপের বিশ্বকাপের সব খেলোয়াড়ের নাম ও জার্সি নম্বর এক নজরে দেখে নিন সর্বকালের সেরা গোলদাতার দৌড়ে লিওনেল মেসি ও কিলিয়ান এমবাপ্পে পিক দ্যু মিদি ইউনেস্কো বিশ্ব ঐতিহ্যের দৌড়ে,এলিসি প্রাসাদে প্রার্থিতার সমর্থনে বিশেষ সংবর্ধনা ফ্রান্সে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ৪৫তম শাহাদাৎ বার্ষিকী পালিত ফেভারিটদের মহারণ ওলিসের হেট্রিকে উত্তর আয়ারল্যান্ডকে হারিয়ে যুক্তরাষ্ট্রে যাচ্ছে ফ্রান্স গাজীপুর জেলা অ্যাসোসিয়েশন ফ্রান্সের উদ্যোগে ঈদ পুনর্মিলনী ও বর্ণাঢ্য সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান আল্লামা গহর পুরী প্রশ্নে অবস্থান পরিষ্কার করলেন সাংসদ এম এ মালেক বিশ্বকাপ খেলতে গিয়ে ‘রাজনীতির শিকার’ হচ্ছে ইরান

সেই মেয়েটির গল্প

  • আপডেট সময় ১০:১১:০৬ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ জুন ২০২২
  • ৩৫৭ বার পড়া হয়েছে


সেই মেয়েটির গল্প বলবো এসো শুনবে যদি,

শ্যামল গাঁয়ে থাকতো যেথায় বয়ে চলতো নদী।

মেঠো পথে আলতা পায়ে হাঁটতো সবুজ ঘাসে,

কিশোরী মন বাদলা দিনে ভিজতো শ্রাবণ মাসে।


এলো চুলে গাছের ডালে কদম ফুল সে তুলে, 

কৃষ্ণচূড়ায় মালা গেঁথে সময় যেতো ভুলে।

অবুঝ বয়স জানেনা সে জীবন কাকে বলে? 

খেলাধূলা লেখাপড়ায় আপন মনে চলে।


হাসিখুশি রঙিন স্বপ্নে বিভোর থাকে মেয়ে, 

বাবা মায়ের আদর যত্ন ভালোবাসা পেয়ে। 

বিছানায় সে শুয়ে ভাবছে কেন হলাম বড়ো?

দুঃখ গুলো চারপাশ থেকে করছে আমায় জড়ো।


আগের মতো স্বাধীনতা পায় কি আর সে খুঁজে?

চোখরাঙানি গর্হিত বাক্য হাসি দিয়ে গুঁজে।

মানুষ তাঁকে খেতাব দিলো মহীয়সী কন্যা,

অন্তরালে ভিন্ন পন্থায় তাঁর বক্ষে যে বন্যা।


জরাগ্রস্ত হয়ে মেয়ে নিরবে যায় ক্ষয়ে,

নির্যাতনের শিকার হয়ে মুখ খুলে না ভয়ে।

বুঝেনি তো সে তো হায় জীবন পাতা ভিন্ন, 

যেমন করে ঘূর্ণিবায়ু করে দেয় সব ছিন্ন।


বিচারপতি কোথায় তুমি? বলে চিৎকার করে, 

আর কতকাল ভেদাভেদ  যে থাকবে ঘরে ঘরে?

নারীর প্রতি অবিচার কী চলবে জনম ধরে?

বাবা মায়ের সেই মেয়েটির নয়নে জল ঝরে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

লক ডাউন পরবর্তী পরিস্থিতি মোকাবেলায় ফ্রান্সে চলছে ব্যাপক প্রস্তুতি

যুক্তরাজ্যে করোনার মধ্যেই শিশুদের মাঝে নতুন রোগের হানা

ফুটবল বিশ্বকাপে ফ্রান্সের বাংলাদেশি কমিউনিটির সম্ভাব্য প্রভাব

সেই মেয়েটির গল্প

আপডেট সময় ১০:১১:০৬ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ জুন ২০২২


সেই মেয়েটির গল্প বলবো এসো শুনবে যদি,

শ্যামল গাঁয়ে থাকতো যেথায় বয়ে চলতো নদী।

মেঠো পথে আলতা পায়ে হাঁটতো সবুজ ঘাসে,

কিশোরী মন বাদলা দিনে ভিজতো শ্রাবণ মাসে।


এলো চুলে গাছের ডালে কদম ফুল সে তুলে, 

কৃষ্ণচূড়ায় মালা গেঁথে সময় যেতো ভুলে।

অবুঝ বয়স জানেনা সে জীবন কাকে বলে? 

খেলাধূলা লেখাপড়ায় আপন মনে চলে।


হাসিখুশি রঙিন স্বপ্নে বিভোর থাকে মেয়ে, 

বাবা মায়ের আদর যত্ন ভালোবাসা পেয়ে। 

বিছানায় সে শুয়ে ভাবছে কেন হলাম বড়ো?

দুঃখ গুলো চারপাশ থেকে করছে আমায় জড়ো।


আগের মতো স্বাধীনতা পায় কি আর সে খুঁজে?

চোখরাঙানি গর্হিত বাক্য হাসি দিয়ে গুঁজে।

মানুষ তাঁকে খেতাব দিলো মহীয়সী কন্যা,

অন্তরালে ভিন্ন পন্থায় তাঁর বক্ষে যে বন্যা।


জরাগ্রস্ত হয়ে মেয়ে নিরবে যায় ক্ষয়ে,

নির্যাতনের শিকার হয়ে মুখ খুলে না ভয়ে।

বুঝেনি তো সে তো হায় জীবন পাতা ভিন্ন, 

যেমন করে ঘূর্ণিবায়ু করে দেয় সব ছিন্ন।


বিচারপতি কোথায় তুমি? বলে চিৎকার করে, 

আর কতকাল ভেদাভেদ  যে থাকবে ঘরে ঘরে?

নারীর প্রতি অবিচার কী চলবে জনম ধরে?

বাবা মায়ের সেই মেয়েটির নয়নে জল ঝরে।