ঢাকা ১০:২০ অপরাহ্ন, সোমবার, ০৮ জুন ২০২৬, ২৫ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ
বিশ্বকাপ খেলতে গিয়ে ‘রাজনীতির শিকার’ হচ্ছে ইরান বিশ্বকাপ জিতলে দাড়ি-গোঁফ রাখবেন ইয়ামাল ১০০ দিনে ৬০৫ খুন: টিআইবির পরিসংখ্যান নিয়ে যে ব্যাখ্যা পুলিশ সদর দপ্তরের ফিলিপাইনে শক্তিশালী ভূমিকম্পে নিহত বেড়ে ৩২ বিশ্বকাপ ২০২৬: কেন আবারও শিরোপার সবচেয়ে বড় দাবিদার ফ্রান্স? জেনেভায় প্রবাসী কল্যাণমন্ত্রীকে প্রবাসীদের ১৮ দফা দাবি সম্বলিত স্বারকলিপি প্রদান বাংলাদেশিসহ ১০ লক্ষাধিক মানুষের আমেরিকার স্বপ্ন ধূলিসাতের পথে বিসিবি নির্বাচন আজ, বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় পরিচালক হলেন সিলেটের আব্দুল কাইয়ুম ফ্রান্সসহ ইউরোপে অবস্থানরত বাংলাদেশিদের জন্য সতর্কবার্তা মধ্যপ্রাচ্যের ১৪ দেশে নতুন সতর্কতা জারি করলো যুক্তরাষ্ট্র

সবার অংশগ্রহণে বিশ্বাসযোগ্য নির্বাচন চায় ইইউ

  • আপডেট সময় ০৩:১১:১৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৯ জুলাই ২০১৮
  • ৩৫৪ বার পড়া হয়েছে

সব দলের অংশগ্রহণে ডিসেম্বরে অনুষ্ঠেয় বাংলাদেশের জাতীয় নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু ও বিশ্বাসযোগ্য দেখতে আগ্রহী ইউরোপীয় ইউনিয়ন। আজ বৃহস্পতিবার ঢাকায় অনুষ্ঠেয় বাংলাদেশ-ইইউ কূটনৈতিক সংলাপ শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে এ প্রত্যাশার কথা বলেন গানার উইগান্ড।

আজ সকালে রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন মেঘনায় পররাষ্ট্রসচিব মো. শহীদুল হকের সঙ্গে ইউরোপীয় বহিঃসম্পর্ক বিভাগের এশিয়া ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক গানার উইগান্ড বৈঠক করেন।

বাংলাদেশের আগামী নির্বাচন নিয়ে প্রশ্ন করা হলে গানার উইগান্ড বলেন, ‘আমরা একটি অবাধ, সুষ্ঠু, বিশ্বাসযোগ্য ও স্বচ্ছ নির্বাচন দেখতে চাই, যেখানে নির্বাচন কমিশনে নিবন্ধিত সব দল অংশ নেবে।’ তিনি জানান, নির্বাচনের প্রস্তুতি নিয়ে ইইউ রাষ্ট্রদূত নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখছেন। প্রস্তুতি নিয়ে আলোচনা করছেন। অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য সব ধরনের সহযোগিতা করবে ইইউ।

বৈঠকের পর পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের দেওয়া বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, ইউরোপীয় ইউনিয়ন থেকে যুক্তরাজ্যের বের হওয়াসহ ইউরোপের সর্বশেষ রাজনৈতিক পরিস্থিতি তুলে ধরেছে ইইউ। আর বছর শেষে অনুষ্ঠেয় নির্বাচনসহ রাজনৈতিক পরিস্থিতি বৈঠকে তুলে ধরেছে বাংলাদেশ।

পররাষ্ট্রসচিব শহীদুল হক বলেন, ‘ইইউর সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্কোন্নয়ন ও অমীমাংসিত সব বিষয় নিয়ে কথা বলেছি। আলোচনার বড় অংশজুড়ে রোহিঙ্গা সমস্যা নিয়ে কথা বলেছি। কারণ, এই সমস্যা সমাধানের ক্ষেত্রে তারা আমাদের বড় অংশীদার।’

বাংলাদেশ-ইইউ কূটনৈতিক সংলাপ অনুষ্ঠিত হয়েছে। রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন মেঘনা, ঢাকা, ১৯ জুলাই। ছবি: পিআইডি
বিপুলসংখ্যক রোহিঙ্গাকে আশ্রয় দেওয়ায় ইইউর জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা বাংলাদেশের প্রশংসা করেন। গানার উইগান্ড বলেন, ‘মিয়ানমার ও বাংলাদেশের সঙ্গে জাতিসংঘের সংস্থাগুলো গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছে। আমরা মনে করি, প্রথম ধাপে প্রত্যাবাসন শুরু করতে এখনো অনেক কাজ বাকি আছে। এখন পর্যন্ত তাদের জন্য দেওয়া আর্থিক সহায়তার অর্ধেকের বেশি দিয়েছে ইইউভুক্ত দেশগুলো। তবে তা যথেষ্ট নয়। তাই অন্য দেশগুলোকেও এগিয়ে আসতে হবে।’

ইউরোপে থেকে অনিয়মিত বাংলাদেশিদের ফেরানোর বিষয়ে মানসম্মত পরিচালনা পদ্ধতি (এসওপি) নিয়ে আলোচনায় দুই পক্ষ সন্তোষ প্রকাশ করে। অবৈধ অভিবাসনের বিরুদ্ধে সচেতনতা সৃষ্টি এবং এসব লোকজনের দেশে ফেরার পর তাদের পুনর্বাসনে সহায়তার জন্য ইইউর ভূমিকার প্রশংসা করেছে বাংলাদেশ।

বাংলাদেশের মধ্য আয়ের দেশে উন্নীত হওয়ার প্রশংসা করেছে ইউরোপীয় ইউনিয়ন। অর্থনৈতিক উত্তরণ মসৃণ আর টেকসই করতে ইউরোপের অব্যাহত সহযোগিতা চেয়েছে বাংলাদেশ।

প্রথম আলো থেকে

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

লক ডাউন পরবর্তী পরিস্থিতি মোকাবেলায় ফ্রান্সে চলছে ব্যাপক প্রস্তুতি

যুক্তরাজ্যে করোনার মধ্যেই শিশুদের মাঝে নতুন রোগের হানা

বন্ধুর বিয়েতে গিয়ে বিশ্বকাপে সুযোগ!

সবার অংশগ্রহণে বিশ্বাসযোগ্য নির্বাচন চায় ইইউ

আপডেট সময় ০৩:১১:১৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৯ জুলাই ২০১৮

সব দলের অংশগ্রহণে ডিসেম্বরে অনুষ্ঠেয় বাংলাদেশের জাতীয় নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু ও বিশ্বাসযোগ্য দেখতে আগ্রহী ইউরোপীয় ইউনিয়ন। আজ বৃহস্পতিবার ঢাকায় অনুষ্ঠেয় বাংলাদেশ-ইইউ কূটনৈতিক সংলাপ শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে এ প্রত্যাশার কথা বলেন গানার উইগান্ড।

আজ সকালে রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন মেঘনায় পররাষ্ট্রসচিব মো. শহীদুল হকের সঙ্গে ইউরোপীয় বহিঃসম্পর্ক বিভাগের এশিয়া ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক গানার উইগান্ড বৈঠক করেন।

বাংলাদেশের আগামী নির্বাচন নিয়ে প্রশ্ন করা হলে গানার উইগান্ড বলেন, ‘আমরা একটি অবাধ, সুষ্ঠু, বিশ্বাসযোগ্য ও স্বচ্ছ নির্বাচন দেখতে চাই, যেখানে নির্বাচন কমিশনে নিবন্ধিত সব দল অংশ নেবে।’ তিনি জানান, নির্বাচনের প্রস্তুতি নিয়ে ইইউ রাষ্ট্রদূত নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখছেন। প্রস্তুতি নিয়ে আলোচনা করছেন। অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য সব ধরনের সহযোগিতা করবে ইইউ।

বৈঠকের পর পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের দেওয়া বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, ইউরোপীয় ইউনিয়ন থেকে যুক্তরাজ্যের বের হওয়াসহ ইউরোপের সর্বশেষ রাজনৈতিক পরিস্থিতি তুলে ধরেছে ইইউ। আর বছর শেষে অনুষ্ঠেয় নির্বাচনসহ রাজনৈতিক পরিস্থিতি বৈঠকে তুলে ধরেছে বাংলাদেশ।

পররাষ্ট্রসচিব শহীদুল হক বলেন, ‘ইইউর সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্কোন্নয়ন ও অমীমাংসিত সব বিষয় নিয়ে কথা বলেছি। আলোচনার বড় অংশজুড়ে রোহিঙ্গা সমস্যা নিয়ে কথা বলেছি। কারণ, এই সমস্যা সমাধানের ক্ষেত্রে তারা আমাদের বড় অংশীদার।’

বাংলাদেশ-ইইউ কূটনৈতিক সংলাপ অনুষ্ঠিত হয়েছে। রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন মেঘনা, ঢাকা, ১৯ জুলাই। ছবি: পিআইডি
বিপুলসংখ্যক রোহিঙ্গাকে আশ্রয় দেওয়ায় ইইউর জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা বাংলাদেশের প্রশংসা করেন। গানার উইগান্ড বলেন, ‘মিয়ানমার ও বাংলাদেশের সঙ্গে জাতিসংঘের সংস্থাগুলো গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছে। আমরা মনে করি, প্রথম ধাপে প্রত্যাবাসন শুরু করতে এখনো অনেক কাজ বাকি আছে। এখন পর্যন্ত তাদের জন্য দেওয়া আর্থিক সহায়তার অর্ধেকের বেশি দিয়েছে ইইউভুক্ত দেশগুলো। তবে তা যথেষ্ট নয়। তাই অন্য দেশগুলোকেও এগিয়ে আসতে হবে।’

ইউরোপে থেকে অনিয়মিত বাংলাদেশিদের ফেরানোর বিষয়ে মানসম্মত পরিচালনা পদ্ধতি (এসওপি) নিয়ে আলোচনায় দুই পক্ষ সন্তোষ প্রকাশ করে। অবৈধ অভিবাসনের বিরুদ্ধে সচেতনতা সৃষ্টি এবং এসব লোকজনের দেশে ফেরার পর তাদের পুনর্বাসনে সহায়তার জন্য ইইউর ভূমিকার প্রশংসা করেছে বাংলাদেশ।

বাংলাদেশের মধ্য আয়ের দেশে উন্নীত হওয়ার প্রশংসা করেছে ইউরোপীয় ইউনিয়ন। অর্থনৈতিক উত্তরণ মসৃণ আর টেকসই করতে ইউরোপের অব্যাহত সহযোগিতা চেয়েছে বাংলাদেশ।

প্রথম আলো থেকে