ঢাকা ১০:১৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ০৮ জুন ২০২৬, ২৫ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ
বিশ্বকাপ খেলতে গিয়ে ‘রাজনীতির শিকার’ হচ্ছে ইরান বিশ্বকাপ জিতলে দাড়ি-গোঁফ রাখবেন ইয়ামাল ১০০ দিনে ৬০৫ খুন: টিআইবির পরিসংখ্যান নিয়ে যে ব্যাখ্যা পুলিশ সদর দপ্তরের ফিলিপাইনে শক্তিশালী ভূমিকম্পে নিহত বেড়ে ৩২ বিশ্বকাপ ২০২৬: কেন আবারও শিরোপার সবচেয়ে বড় দাবিদার ফ্রান্স? জেনেভায় প্রবাসী কল্যাণমন্ত্রীকে প্রবাসীদের ১৮ দফা দাবি সম্বলিত স্বারকলিপি প্রদান বাংলাদেশিসহ ১০ লক্ষাধিক মানুষের আমেরিকার স্বপ্ন ধূলিসাতের পথে বিসিবি নির্বাচন আজ, বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় পরিচালক হলেন সিলেটের আব্দুল কাইয়ুম ফ্রান্সসহ ইউরোপে অবস্থানরত বাংলাদেশিদের জন্য সতর্কবার্তা মধ্যপ্রাচ্যের ১৪ দেশে নতুন সতর্কতা জারি করলো যুক্তরাষ্ট্র

ইতালির নাগরিকত্ব আইন শিথিল, প্রবাসীদের জন্য সহজ হল নাগরিকত্ব পাওয়া

  • আপডেট সময় ০৬:৩২:৩৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ১১ ডিসেম্বর ২০১৯
  • ১০৪৪ বার পড়া হয়েছে

প্রধানমন্ত্রীর সুস্থতা ও দীর্ঘায়ু কামনায় দোয়া

কর্মসংস্থানের জন্য বিশ্বের বিভিন্ন দেশে পাড়ি জমান অনেকে। বাংলাদেশীরাও পিছিয়ে নেই এই প্রতিযোগিতায়। বৈধ-অবৈধ ভাবে অনেকেই বিদেশের উদ্দেশ্যে পাড়ি জমান। বহু দিন বাসবাস সহ সৎ কর্মকান্ডের জন্য প্রবাসীরা পেয়ে থাকে অনেক সম্মাননা এবং দেশের নাগরিকত্ব। ইউরোপ দেশ গুলোতে নাগরিকত্ব পাওয়ার জন্য উন্মুক হয়ে থাকে অনেকে।
সহজ করা হলো ইতালির নাগরিকত্ব পাওয়া। নাগরিকত্ব গ্রহণের জন্য চার বছর অপেক্ষায় থাকার পরিবর্তে সময় কমিয়ে দুই বছর করা হয়েছে। গত ৩ অক্টোবর বিষয়টি ইতালির আইন সভা (কামরা) সংবিধান সংস্কার বিষয়ক কমিশনের কাছে উত্থাপন করা হয়েছে। শিগগিরই গেজেট আকারে প্রকাশ করা হবে বলে জানা গেছে।
বিশ্বের শক্তিশালী পাসপোর্টের তালিকায় ইতালির বর্তমান অবস্থান তৃতীয়। যৌথভাবে প্রথম অবস্থানে রয়েছে জাপান ও সিঙ্গাপুর। আর যৌথভাবে দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে দক্ষিণ কোরিয়া, জার্মানি ও ফিনল্যান্ড। ইতালির সঙ্গে তৃতীয় অবস্থানে রয়েছে ডেনমার্ক ও লুক্সেমবার্গ।
ইতালির পাসপোর্টধারীরা বর্তমানে ভিসা ছাড়াই ১৮৬টি দেশ ভ্রমণ করতে পারেন। ইতালির ১৯৯২ সালের ৫ ফেব্রুয়ারি পাস হওয়া আইনের ৯১ ধারা মতে, দেশটিতে নাগরিকত্ব পেতে হলে আবেদনের পর দুই বছর বা ৭৩০ দিন অপেক্ষা করতে হতো। যেকোনো বিদেশি নাগরিক টানা ১০ বছর ইতালিতে অবস্থানের পর আবেদন করতে পারেন। কিন্তু গত বছরের ডিসেম্বরে ইতালির স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মাতায়ো সালভিনি এই সময় পরিবর্তন করে ২ বছরের জায়গায় ৪ বছর করেন। ফলে প্রবাসীদের জন্য ইতালির নাগরিকত্ব কঠিন হয়ে যায় এবং অপেক্ষার সময় দুই বছর বেড়ে যায়।
বর্তমান সরকার ক্ষমতায় আসার পরপরই ইতালিয়ান নাগরিকত্ব সংস্কার আইনে সালভিনি কর্তৃক অনুমোদিত প্রধান অংশগুলো সংশোধনের উদ্যোগ নেয়া হয়। গত ২৯ সেপ্টেম্বর এ বিষয়ে প্রাথমিক পদক্ষেপ নেয়া হয় এবং ৩ অক্টোবর ইতালির আইন সভা (কামরা ) সংবিধান সংস্কার বিষয়ক কমিশনের নিকট নতুন নিয়ম সম্পর্কিত প্রস্তাব উত্থাপন করে। বর্তমানে তা চূড়ান্ত গেজেট আকারে প্রকাশের অপেক্ষায় রয়েছে। ইতালির নিয়ম অনুযায়ী, যেকোনো সংশোধনী আইন সভায় উত্থাপিত হওয়ার তারিখ হতে সর্বোচ্চ ১৮০ দিনের মধ্যে তা আইনে পরিণত হয়।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

লক ডাউন পরবর্তী পরিস্থিতি মোকাবেলায় ফ্রান্সে চলছে ব্যাপক প্রস্তুতি

যুক্তরাজ্যে করোনার মধ্যেই শিশুদের মাঝে নতুন রোগের হানা

বন্ধুর বিয়েতে গিয়ে বিশ্বকাপে সুযোগ!

ইতালির নাগরিকত্ব আইন শিথিল, প্রবাসীদের জন্য সহজ হল নাগরিকত্ব পাওয়া

আপডেট সময় ০৬:৩২:৩৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ১১ ডিসেম্বর ২০১৯

কর্মসংস্থানের জন্য বিশ্বের বিভিন্ন দেশে পাড়ি জমান অনেকে। বাংলাদেশীরাও পিছিয়ে নেই এই প্রতিযোগিতায়। বৈধ-অবৈধ ভাবে অনেকেই বিদেশের উদ্দেশ্যে পাড়ি জমান। বহু দিন বাসবাস সহ সৎ কর্মকান্ডের জন্য প্রবাসীরা পেয়ে থাকে অনেক সম্মাননা এবং দেশের নাগরিকত্ব। ইউরোপ দেশ গুলোতে নাগরিকত্ব পাওয়ার জন্য উন্মুক হয়ে থাকে অনেকে।
সহজ করা হলো ইতালির নাগরিকত্ব পাওয়া। নাগরিকত্ব গ্রহণের জন্য চার বছর অপেক্ষায় থাকার পরিবর্তে সময় কমিয়ে দুই বছর করা হয়েছে। গত ৩ অক্টোবর বিষয়টি ইতালির আইন সভা (কামরা) সংবিধান সংস্কার বিষয়ক কমিশনের কাছে উত্থাপন করা হয়েছে। শিগগিরই গেজেট আকারে প্রকাশ করা হবে বলে জানা গেছে।
বিশ্বের শক্তিশালী পাসপোর্টের তালিকায় ইতালির বর্তমান অবস্থান তৃতীয়। যৌথভাবে প্রথম অবস্থানে রয়েছে জাপান ও সিঙ্গাপুর। আর যৌথভাবে দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে দক্ষিণ কোরিয়া, জার্মানি ও ফিনল্যান্ড। ইতালির সঙ্গে তৃতীয় অবস্থানে রয়েছে ডেনমার্ক ও লুক্সেমবার্গ।
ইতালির পাসপোর্টধারীরা বর্তমানে ভিসা ছাড়াই ১৮৬টি দেশ ভ্রমণ করতে পারেন। ইতালির ১৯৯২ সালের ৫ ফেব্রুয়ারি পাস হওয়া আইনের ৯১ ধারা মতে, দেশটিতে নাগরিকত্ব পেতে হলে আবেদনের পর দুই বছর বা ৭৩০ দিন অপেক্ষা করতে হতো। যেকোনো বিদেশি নাগরিক টানা ১০ বছর ইতালিতে অবস্থানের পর আবেদন করতে পারেন। কিন্তু গত বছরের ডিসেম্বরে ইতালির স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মাতায়ো সালভিনি এই সময় পরিবর্তন করে ২ বছরের জায়গায় ৪ বছর করেন। ফলে প্রবাসীদের জন্য ইতালির নাগরিকত্ব কঠিন হয়ে যায় এবং অপেক্ষার সময় দুই বছর বেড়ে যায়।
বর্তমান সরকার ক্ষমতায় আসার পরপরই ইতালিয়ান নাগরিকত্ব সংস্কার আইনে সালভিনি কর্তৃক অনুমোদিত প্রধান অংশগুলো সংশোধনের উদ্যোগ নেয়া হয়। গত ২৯ সেপ্টেম্বর এ বিষয়ে প্রাথমিক পদক্ষেপ নেয়া হয় এবং ৩ অক্টোবর ইতালির আইন সভা (কামরা ) সংবিধান সংস্কার বিষয়ক কমিশনের নিকট নতুন নিয়ম সম্পর্কিত প্রস্তাব উত্থাপন করে। বর্তমানে তা চূড়ান্ত গেজেট আকারে প্রকাশের অপেক্ষায় রয়েছে। ইতালির নিয়ম অনুযায়ী, যেকোনো সংশোধনী আইন সভায় উত্থাপিত হওয়ার তারিখ হতে সর্বোচ্চ ১৮০ দিনের মধ্যে তা আইনে পরিণত হয়।