ঢাকা ০৪:৫৮ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১০ মার্চ ২০২৬, ২৫ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ
প্যারিসে আন্তর্জাতিক নারী দিবস পালন করেছে সলিডারিতে আজি ফ্রান্স রিফর্ম ইউকের বহু সদস্য চান বিদেশে জন্ম নেওয়া অশ্বেতাঙ্গ ব্রিটিশরা যুক্তরাজ্য ছাড়ুক হাসনাত আরিয়ান খান-এর মায়ের মৃত্যুতে ফ্রান্স দর্পণ সম্পাদকের শোক আমাতে তোমার অনুভূতি- রকিবুল ইসলাম ভাষাপ্রকৌশল ও কালচারাল হেজিমনি: শব্দের আড়ালে ক্ষমতার রাজনীতি ইউকে বাংলা রিপোর্টার্স ইউনিটির অভিষেক ও এওয়ার্ড বিতরন অনুষ্ঠান সম্পন্ন পরিমিতির প্রকোষ্ঠে নির্বাসিত অরণ্য – মেশকাতুন নাহার আধিপত্যবাদের নগ্নরূপ: আক্রান্ত ইরান ও সভ্যতার সংকট নিদ্রিত শুদ্ধতার প্রান্তরে অশুদ্ধতার কর্ণভেদী উল্লাস শেরপুরে অসহায় পরিবারের জন্য বসতঘর নির্মাণ ও হস্তান্তর করলো ফ্রান্স ভিত্তিক মানবাধিকার সংগঠন সাফ

তরুণদের বিদেশমুখিতা: সুযোগ না সংকট? ভবিষ্যৎ বাংলাদেশের জন্য এক সতর্কবার্তা”

  • আপডেট সময় ০৯:০৬:৫৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১০ অক্টোবর ২০২৫
  • ১৮১ বার পড়া হয়েছে

এএমসি রোমেল : বাংলাদেশের সমাজে এখন একটি স্পষ্ট ও বাড়তে থাকা প্রবণতা হলো—তরুণদের বিদেশমুখিতা। উচ্চশিক্ষা, চাকরি, কিংবা স্থায়ীভাবে বসবাস—যেকোনো সুযোগ পেলে দেশের মেধাবী তরুণেরা এখন বাইরের দিকেই ছুটছেন। এটি নিছক ব্যক্তিগত উন্নয়নের আকাঙ্ক্ষা নয়; বরং একটি জাতির ভবিষ্যৎ নিয়ে গভীর প্রশ্ন তোলে।

**কেন তরুণরা দেশ ছেড়ে যেতে চাইছেন?**
তা কি কেবল উন্নত জীবনের হাতছানি, না কি দেশের ভেতরে বিদ্যমান কাঠামোগত ব্যর্থতা এ দায়ভার বহন করছে?

বিদেশমুখিতার পেছনের বাস্তবতা

১. **রাজনৈতিক অনিশ্চয়তা ও মত প্রকাশের সীমাবদ্ধতা**

রাজনীতিতে অস্থিরতা, মত প্রকাশে বাধা ও ব্যক্তি নিরাপত্তার অভাব তরুণদের মধ্যে হতাশা বাড়িয়েছে। তারা মনে করেন, দেশজ চিন্তা বা ভিন্নমত প্রকাশ করলেই হয়রানির শিকার হতে হয়।
২. **শিক্ষা ও গবেষণার অপ্রতুলতা**

দেশে মানসম্পন্ন শিক্ষা ও গবেষণার সুযোগ সীমিত। উন্নত দেশগুলোর বিশ্ববিদ্যালয়, গবেষণাগার এবং দক্ষতার মূল্যায়নের পরিবেশ তরুণদের বিদেশে পড়াশোনার দিকে ঠেলে দিচ্ছে।

৩. **চাকরি ও ভবিষ্যৎ নিরাপত্তার সংকট**

দেশে উপযুক্ত কর্মসংস্থান না থাকায় মেধাবীরা মনে করেন, বিদেশে গিয়ে তারা নিজের পেশাগত পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করতে পারবেন আরও স্বাধীনভাবে।

৪. **পরিসংখ্যান বলছে উদ্বেগের কথা**

শুধু ২০২৪ সালেই প্রায় **১ লাখ ২০ হাজার শিক্ষার্থী** উচ্চশিক্ষার জন্য দেশের বাইরে গিয়েছেন। অনেকেই লক্ষ্য করেছেন স্থায়ীভাবে বিদেশে থেকে যাওয়া।

এই মেধা-পলায়ন কি শুধু সমস্যা?

বিদেশে থাকা অনেক তরুণ সফলতার মুখ দেখেন এবং দেশে পরিবার ও সমাজকে সহায়তা করেন। কেউ কেউ ফিরে এসে দেশের উন্নয়নেও অবদান রাখেন। তবে সব গল্প তেমন নয়।

* অনেকে **”ব্রেইন ড্রেইন”**-এর শিকার হন—দেশ থেকে দূরে থেকেও মেধা দেশের কাজে লাগে না।
* আবার কেউ কেউ বিদেশের সংস্কৃতিতে মানিয়ে নিতে না পেরে **মানসিক সংকটের** মুখোমুখি হন।

এই ধারা অব্যাহত থাকলে দেশকে **দক্ষ মানবসম্পদের ঘাটতি**, **নেতৃত্ব সংকট** এবং **অর্থনীতির ভারসাম্যহীনতার** মুখোমুখি হতে হবে।

সম্ভাব্য সমাধান: দেশেই সম্ভাবনা তৈরি করতে হবে

তরুণদের বিদেশমুখিতা রোধ করতে হলে **তাদের আশা ও সম্ভাবনার জায়গাগুলো দেশেই সৃষ্টি** করতে হবে। সরকারের জন্য এটি এখন আর বিকল্প নয়, বরং জরুরি দায়িত্ব।
🔹 ১. শিক্ষা ও দক্ষতা উন্নয়ন

* **কারিগরি ও পেশাগত শিক্ষা সম্প্রসারণ**
* **ইংরেজি ও ডিজিটাল দক্ষতা বৃদ্ধিতে বিনিয়োগ**
* **সিলেবাস আধুনিকায়ন ও গবেষণা ভিত্তিক শিক্ষা নিশ্চিত**

🔹 ২. উদ্যোক্তা ও স্টার্টআপ সংস্কৃতি গড়ে তোলা

* **সহজ শর্তে ঋণ ও অনুদান**
* **কর ছাড় ও স্টার্টআপ ইনকিউবেটর প্রোগ্রাম**
* **উদ্যোক্তা প্রশিক্ষণ ও মেন্টরশিপ**

🔹 ৩. টেকসই কর্মসংস্থান

* **ডিজিটাল চাকরি প্ল্যাটফর্ম ও চাকরি মেলা**
* **নতুন শিল্প ও সেবা খাতে বিনিয়োগ**
* **বিশেষায়িত প্রশিক্ষণ কেন্দ্র ও প্রাইভেট-সরকারি অংশীদারিত্ব**

🔹 ৪. কাজের পরিবেশ ও সামাজিক সুরক্ষা

* **ন্যায্য মজুরি ও নিরাপদ কর্মপরিবেশ**
* **নারী কর্মীদের জন্য বিশেষ সুযোগ**
* **স্বাস্থ্যবীমা ও সুরক্ষা নীতিমালা**
🔹 ৫. তথ্যপ্রযুক্তি ও উদ্ভাবনে উৎসাহ

* **গ্রামীণ ডিজিটাল শিক্ষা প্রসার**
* **হ্যাকাথন, আইটি প্রশিক্ষণ, ও স্টার্টআপ প্রতিযোগিতা**
* **গবেষণা ও উন্নয়নে বাজেট বরাদ্দ**

🔹 ৬. প্রশাসনিক সরলীকরণ

* **ব্যবসা ও চাকরির অনুমোদন প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা**
* **তারুণ্যবান্ধব নীতিমালা প্রণয়ন**

🔹 ৭. প্রবাসী মেধার পুনঃবিনিয়োগ

* **বিদেশে দক্ষতা অর্জিত তরুণদের দেশে ফিরিয়ে আনার উদ্যোগ**
* **রিহায়ারিং ও রিইন্টিগ্রেশন স্কিম চালু করা**

শেষ কথা: দেশ গড়তে হলে তরুণদের দেশেই রাখতে হবে

যদি দেশের সবচেয়ে মেধাবীরা বিদেশে থেকেই যান, তবে প্রশ্ন উঠে—**দেশ স্বাবলম্বী হবে কিভাবে?**
এর উত্তর আমাদের সবাইকেই খুঁজে বের করতে হবে, একসঙ্গে।

তরুণদের দোষারোপ না করে, তাদের জন্য **আশার জায়গা তৈরি করলেই** তারা দেশেই থাকতে আগ্রহী হবে। কারণ, **তরুণেরা দেশ ছাড়ে না—তারা সম্ভাবনার খোঁজে যায়।** সেই সম্ভাবনাটা যদি আমরা দেশেই তৈরি করতে পারি, তবে ভবিষ্যৎ আর বিদেশে নয়, এখানেই গড়ে উঠবে।

বাংলাদেশের প্রায় **৪৫% মানুষ তরুণ (১৫–৩৫ বছর)**—এটাই দেশের সবচেয়ে বড় শক্তি। এই জনশক্তিকে দক্ষতা, শিক্ষা ও উদ্ভাবনের মাধ্যমে কাজে লাগানো না গেলে তা হবে এক **অপূরণীয় ক্ষতি**।

সরকার, বেসরকারি খাত, এবং সমাজ—সব পক্ষকেই একযোগে কাজ করতে হবে। তরুণদের শুধু সস্তা শ্রমিক নয়, বরং **জ্ঞানভিত্তিক সমাজের কারিগর** হিসেবে গড়ে তুলতে হবে।

লেখক : ফ্রিল্যান্স সাংবাদিক

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

লক ডাউন পরবর্তী পরিস্থিতি মোকাবেলায় ফ্রান্সে চলছে ব্যাপক প্রস্তুতি

যুক্তরাজ্যে করোনার মধ্যেই শিশুদের মাঝে নতুন রোগের হানা

প্যারিসে আন্তর্জাতিক নারী দিবস পালন করেছে সলিডারিতে আজি ফ্রান্স

তরুণদের বিদেশমুখিতা: সুযোগ না সংকট? ভবিষ্যৎ বাংলাদেশের জন্য এক সতর্কবার্তা”

আপডেট সময় ০৯:০৬:৫৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১০ অক্টোবর ২০২৫

এএমসি রোমেল : বাংলাদেশের সমাজে এখন একটি স্পষ্ট ও বাড়তে থাকা প্রবণতা হলো—তরুণদের বিদেশমুখিতা। উচ্চশিক্ষা, চাকরি, কিংবা স্থায়ীভাবে বসবাস—যেকোনো সুযোগ পেলে দেশের মেধাবী তরুণেরা এখন বাইরের দিকেই ছুটছেন। এটি নিছক ব্যক্তিগত উন্নয়নের আকাঙ্ক্ষা নয়; বরং একটি জাতির ভবিষ্যৎ নিয়ে গভীর প্রশ্ন তোলে।

**কেন তরুণরা দেশ ছেড়ে যেতে চাইছেন?**
তা কি কেবল উন্নত জীবনের হাতছানি, না কি দেশের ভেতরে বিদ্যমান কাঠামোগত ব্যর্থতা এ দায়ভার বহন করছে?

বিদেশমুখিতার পেছনের বাস্তবতা

১. **রাজনৈতিক অনিশ্চয়তা ও মত প্রকাশের সীমাবদ্ধতা**

রাজনীতিতে অস্থিরতা, মত প্রকাশে বাধা ও ব্যক্তি নিরাপত্তার অভাব তরুণদের মধ্যে হতাশা বাড়িয়েছে। তারা মনে করেন, দেশজ চিন্তা বা ভিন্নমত প্রকাশ করলেই হয়রানির শিকার হতে হয়।
২. **শিক্ষা ও গবেষণার অপ্রতুলতা**

দেশে মানসম্পন্ন শিক্ষা ও গবেষণার সুযোগ সীমিত। উন্নত দেশগুলোর বিশ্ববিদ্যালয়, গবেষণাগার এবং দক্ষতার মূল্যায়নের পরিবেশ তরুণদের বিদেশে পড়াশোনার দিকে ঠেলে দিচ্ছে।

৩. **চাকরি ও ভবিষ্যৎ নিরাপত্তার সংকট**

দেশে উপযুক্ত কর্মসংস্থান না থাকায় মেধাবীরা মনে করেন, বিদেশে গিয়ে তারা নিজের পেশাগত পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করতে পারবেন আরও স্বাধীনভাবে।

৪. **পরিসংখ্যান বলছে উদ্বেগের কথা**

শুধু ২০২৪ সালেই প্রায় **১ লাখ ২০ হাজার শিক্ষার্থী** উচ্চশিক্ষার জন্য দেশের বাইরে গিয়েছেন। অনেকেই লক্ষ্য করেছেন স্থায়ীভাবে বিদেশে থেকে যাওয়া।

এই মেধা-পলায়ন কি শুধু সমস্যা?

বিদেশে থাকা অনেক তরুণ সফলতার মুখ দেখেন এবং দেশে পরিবার ও সমাজকে সহায়তা করেন। কেউ কেউ ফিরে এসে দেশের উন্নয়নেও অবদান রাখেন। তবে সব গল্প তেমন নয়।

* অনেকে **”ব্রেইন ড্রেইন”**-এর শিকার হন—দেশ থেকে দূরে থেকেও মেধা দেশের কাজে লাগে না।
* আবার কেউ কেউ বিদেশের সংস্কৃতিতে মানিয়ে নিতে না পেরে **মানসিক সংকটের** মুখোমুখি হন।

এই ধারা অব্যাহত থাকলে দেশকে **দক্ষ মানবসম্পদের ঘাটতি**, **নেতৃত্ব সংকট** এবং **অর্থনীতির ভারসাম্যহীনতার** মুখোমুখি হতে হবে।

সম্ভাব্য সমাধান: দেশেই সম্ভাবনা তৈরি করতে হবে

তরুণদের বিদেশমুখিতা রোধ করতে হলে **তাদের আশা ও সম্ভাবনার জায়গাগুলো দেশেই সৃষ্টি** করতে হবে। সরকারের জন্য এটি এখন আর বিকল্প নয়, বরং জরুরি দায়িত্ব।
🔹 ১. শিক্ষা ও দক্ষতা উন্নয়ন

* **কারিগরি ও পেশাগত শিক্ষা সম্প্রসারণ**
* **ইংরেজি ও ডিজিটাল দক্ষতা বৃদ্ধিতে বিনিয়োগ**
* **সিলেবাস আধুনিকায়ন ও গবেষণা ভিত্তিক শিক্ষা নিশ্চিত**

🔹 ২. উদ্যোক্তা ও স্টার্টআপ সংস্কৃতি গড়ে তোলা

* **সহজ শর্তে ঋণ ও অনুদান**
* **কর ছাড় ও স্টার্টআপ ইনকিউবেটর প্রোগ্রাম**
* **উদ্যোক্তা প্রশিক্ষণ ও মেন্টরশিপ**

🔹 ৩. টেকসই কর্মসংস্থান

* **ডিজিটাল চাকরি প্ল্যাটফর্ম ও চাকরি মেলা**
* **নতুন শিল্প ও সেবা খাতে বিনিয়োগ**
* **বিশেষায়িত প্রশিক্ষণ কেন্দ্র ও প্রাইভেট-সরকারি অংশীদারিত্ব**

🔹 ৪. কাজের পরিবেশ ও সামাজিক সুরক্ষা

* **ন্যায্য মজুরি ও নিরাপদ কর্মপরিবেশ**
* **নারী কর্মীদের জন্য বিশেষ সুযোগ**
* **স্বাস্থ্যবীমা ও সুরক্ষা নীতিমালা**
🔹 ৫. তথ্যপ্রযুক্তি ও উদ্ভাবনে উৎসাহ

* **গ্রামীণ ডিজিটাল শিক্ষা প্রসার**
* **হ্যাকাথন, আইটি প্রশিক্ষণ, ও স্টার্টআপ প্রতিযোগিতা**
* **গবেষণা ও উন্নয়নে বাজেট বরাদ্দ**

🔹 ৬. প্রশাসনিক সরলীকরণ

* **ব্যবসা ও চাকরির অনুমোদন প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা**
* **তারুণ্যবান্ধব নীতিমালা প্রণয়ন**

🔹 ৭. প্রবাসী মেধার পুনঃবিনিয়োগ

* **বিদেশে দক্ষতা অর্জিত তরুণদের দেশে ফিরিয়ে আনার উদ্যোগ**
* **রিহায়ারিং ও রিইন্টিগ্রেশন স্কিম চালু করা**

শেষ কথা: দেশ গড়তে হলে তরুণদের দেশেই রাখতে হবে

যদি দেশের সবচেয়ে মেধাবীরা বিদেশে থেকেই যান, তবে প্রশ্ন উঠে—**দেশ স্বাবলম্বী হবে কিভাবে?**
এর উত্তর আমাদের সবাইকেই খুঁজে বের করতে হবে, একসঙ্গে।

তরুণদের দোষারোপ না করে, তাদের জন্য **আশার জায়গা তৈরি করলেই** তারা দেশেই থাকতে আগ্রহী হবে। কারণ, **তরুণেরা দেশ ছাড়ে না—তারা সম্ভাবনার খোঁজে যায়।** সেই সম্ভাবনাটা যদি আমরা দেশেই তৈরি করতে পারি, তবে ভবিষ্যৎ আর বিদেশে নয়, এখানেই গড়ে উঠবে।

বাংলাদেশের প্রায় **৪৫% মানুষ তরুণ (১৫–৩৫ বছর)**—এটাই দেশের সবচেয়ে বড় শক্তি। এই জনশক্তিকে দক্ষতা, শিক্ষা ও উদ্ভাবনের মাধ্যমে কাজে লাগানো না গেলে তা হবে এক **অপূরণীয় ক্ষতি**।

সরকার, বেসরকারি খাত, এবং সমাজ—সব পক্ষকেই একযোগে কাজ করতে হবে। তরুণদের শুধু সস্তা শ্রমিক নয়, বরং **জ্ঞানভিত্তিক সমাজের কারিগর** হিসেবে গড়ে তুলতে হবে।

লেখক : ফ্রিল্যান্স সাংবাদিক