ঢাকা ১২:৩৩ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০২ জুলাই ২০২৬, ১৭ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ
সবাইকে পেছনে ফেলে চ্যাম্পিয়ন হতে পারে ফ্রান্স! ইতালিতে তিন বাংলাদেশি খুন: প্রধান সন্দেহভাজন শাহাদাত, মোটিভ নিয়ে চলছে তদন্ত আর্জেন্টিনাকে হটিয়ে শীর্ষে ফিরল ফ্রান্স ফ্রান্স বিএনপি’র প্রতিনিধি দল একান্ত সাক্ষাৎকালে স্বাস্থ্যমন্ত্রী প্রবাসীদের স্বার্থে সহযোগিতার আশ্বাস হবিগঞ্জ জেলা আইনজীবী সমিতির সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হওয়ায় এডভোকেট মাসুদ করিম আখঞ্জীকে ৩ গ্রামবাসীর সংবর্ধনা ইতালিতে একই পরিবারের ৩ বাংলাদেশিকে ছুরিকাঘাতে হত্যা ফ্রান্সে স্বাস্থ্যমন্ত্রীকে সংবর্ধনা অনুষ্ঠান বাতিল: বিব্রত দূতাবাস, প্রশ্নের মুখে আয়োজকরা ফ্রান্সের সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্ক ছিন্ন করলো বুরকিনা ফাসো দেশে ফিরলেন প্রধানমন্ত্রী টানা ১২ বিশ্বকাপে গ্রুপসেরা হয়েছে ব্রাজিল

ম্যারাডোনাকে বাঁচানো সম্ভব ছিল, আদালতে চিকিৎসকের সাক্ষ্য

  • আপডেট সময় ০১:৪১:০৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৫ মে ২০২৬
  • ৭৯ বার পড়া হয়েছে

স্পোর্টস ডেস্ক

ম্যারাডোনাকে বাঁচানো সম্ভব ছিল, আদালতে চিকিৎসকের সাক্ষ্য

ডিয়েগো ম্যারাডোনার মৃত্যু নিয়ে চলমান বিচারিক প্রক্রিয়ায় এক চিকিৎসক দাবি করেছেন, একটি সাধারণ ওষুধ (ডাইউরেটিক) ম্যারাডোনাকে মাত্র ‘৪৮ ঘণ্টার মধ্যে’ সুস্থ করে তুলতে পারতো।

বৃহস্পতিবার (১৪ মে) সান ইসিদ্রোর আদালতে সাক্ষ্য দেওয়ার সময় এই মন্তব্য করেন ডা. মারিও শিটার। তিনি বলেন, ‘প্রায় ৪৮ ঘণ্টার মধ্যেই তার শারীরিক অবস্থার দৃশ্যমান উন্নতি সম্ভব ছিল।’

২০০০ সালের শুরুতে ম্যারাডোনার চিকিৎসায় নিয়োজিত ছিলেন ডা. শিটার। ২০২০ সালের ২৫ অক্টোবর মারা যান এই আর্জেন্টাইন ফুটবল কিংবদন্তি। ২০২০ সালে ম্যারাডোনার ময়নাতদন্তেও উপস্থিত ছিলেন ডা. শিটার।

এই ডাক্তার বলেন, ‘প্রতিদিন আইসিইউতে আমি হার্ট ফেইলিউরের এমন অনেক রোগী দেখি। আমরা তাদের শরীরে জমে থাকা তরল কমাতে ডাইউরেটিক জাতীয় ওষুধ দিই। এতে মাত্র ১২ ঘণ্টার মধ্যেই অনেকে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরতে পারেন।’

মারিও শিটারের আগে আরও বেশ কয়েকজন বিশেষজ্ঞ আদালতে সাক্ষ্য দিয়েছেন। তাদের প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, মৃত্যুর সময় ম্যারাডোনার শরীরে বেশ কিছু অঙ্গে অতিরিক্ত তরল জমে ছিল। গত বৃহস্পতিবার ময়নাতদন্তে অংশ নেওয়া অন্য চিকিৎসক কার্লোস ক্যাসিনেলি বলেন, ‘ম্যারাডোনার শরীরের সব জায়গায় পানি জমে গিয়েছিল।’

ক্যাসিনেলির মতে, এ তরল জমতে অন্তত ‘এক সপ্তাহ থেকে ১০ দিন’ সময় লাগে। অর্থাৎ, ম্যারাডোনার চিকিৎসকেরা চাইলেই সেই সময় তার শারীরিক অবস্থার অবনতি লক্ষ করতে পারতেন।

ম্যারাডোনার চিকিৎসায় অবহেলার দায়ে বর্তমানে সাতজন স্বাস্থ্যকর্মী বিচারের মুখোমুখি হয়েছেন। অভিযোগ প্রমাণিত হলে তাদের ২৫ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড হতে পারে। এই বিচারপ্রক্রিয়া আগামী জুলাই মাস পর্যন্ত চলতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

লক ডাউন পরবর্তী পরিস্থিতি মোকাবেলায় ফ্রান্সে চলছে ব্যাপক প্রস্তুতি

যুক্তরাজ্যে করোনার মধ্যেই শিশুদের মাঝে নতুন রোগের হানা

সবাইকে পেছনে ফেলে চ্যাম্পিয়ন হতে পারে ফ্রান্স!

ম্যারাডোনাকে বাঁচানো সম্ভব ছিল, আদালতে চিকিৎসকের সাক্ষ্য

আপডেট সময় ০১:৪১:০৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৫ মে ২০২৬

স্পোর্টস ডেস্ক

ম্যারাডোনাকে বাঁচানো সম্ভব ছিল, আদালতে চিকিৎসকের সাক্ষ্য

ডিয়েগো ম্যারাডোনার মৃত্যু নিয়ে চলমান বিচারিক প্রক্রিয়ায় এক চিকিৎসক দাবি করেছেন, একটি সাধারণ ওষুধ (ডাইউরেটিক) ম্যারাডোনাকে মাত্র ‘৪৮ ঘণ্টার মধ্যে’ সুস্থ করে তুলতে পারতো।

বৃহস্পতিবার (১৪ মে) সান ইসিদ্রোর আদালতে সাক্ষ্য দেওয়ার সময় এই মন্তব্য করেন ডা. মারিও শিটার। তিনি বলেন, ‘প্রায় ৪৮ ঘণ্টার মধ্যেই তার শারীরিক অবস্থার দৃশ্যমান উন্নতি সম্ভব ছিল।’

২০০০ সালের শুরুতে ম্যারাডোনার চিকিৎসায় নিয়োজিত ছিলেন ডা. শিটার। ২০২০ সালের ২৫ অক্টোবর মারা যান এই আর্জেন্টাইন ফুটবল কিংবদন্তি। ২০২০ সালে ম্যারাডোনার ময়নাতদন্তেও উপস্থিত ছিলেন ডা. শিটার।

এই ডাক্তার বলেন, ‘প্রতিদিন আইসিইউতে আমি হার্ট ফেইলিউরের এমন অনেক রোগী দেখি। আমরা তাদের শরীরে জমে থাকা তরল কমাতে ডাইউরেটিক জাতীয় ওষুধ দিই। এতে মাত্র ১২ ঘণ্টার মধ্যেই অনেকে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরতে পারেন।’

মারিও শিটারের আগে আরও বেশ কয়েকজন বিশেষজ্ঞ আদালতে সাক্ষ্য দিয়েছেন। তাদের প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, মৃত্যুর সময় ম্যারাডোনার শরীরে বেশ কিছু অঙ্গে অতিরিক্ত তরল জমে ছিল। গত বৃহস্পতিবার ময়নাতদন্তে অংশ নেওয়া অন্য চিকিৎসক কার্লোস ক্যাসিনেলি বলেন, ‘ম্যারাডোনার শরীরের সব জায়গায় পানি জমে গিয়েছিল।’

ক্যাসিনেলির মতে, এ তরল জমতে অন্তত ‘এক সপ্তাহ থেকে ১০ দিন’ সময় লাগে। অর্থাৎ, ম্যারাডোনার চিকিৎসকেরা চাইলেই সেই সময় তার শারীরিক অবস্থার অবনতি লক্ষ করতে পারতেন।

ম্যারাডোনার চিকিৎসায় অবহেলার দায়ে বর্তমানে সাতজন স্বাস্থ্যকর্মী বিচারের মুখোমুখি হয়েছেন। অভিযোগ প্রমাণিত হলে তাদের ২৫ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড হতে পারে। এই বিচারপ্রক্রিয়া আগামী জুলাই মাস পর্যন্ত চলতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।