ঢাকা ০৬:৪০ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৪ অগাস্ট ২০২৬, ৯ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ
বিয়ানীবাজার সমাজ কল্যাণ সমিতি’ ফ্রান্স-এর উদ্যোগে ঐক্য সম্প্রীতি, ভ্রাতৃত্ববোধ ও সৌহার্দ্যপূর্ণ সমুদ্র সৈকত ভ্রমন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব রুহুল কবীর রিজভী দেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হয়েছেন মির্জা ফখরুল সরকারের প্রতি সন্তুষ্টি ৫৪ শতাংশ আর প্রধানমন্ত্রীর প্রতি ৬৬ শতাংশ পাথরের শহরে কবিতার খোঁজে ইনসাফই সমাজের মেরুদণ্ড: ইসলামে সামাজিক সুবিচারের শিক্ষা “নৈঃশব্দ্যের ঋণপত্র”- মেশকাতুন নাহার গ্রেটার সিলেট কমিউনিটি ইউকের ওয়েস্ট মিডল্যান্ডস রিজিওনাল কমিটি গঠন প্রবাসী বাংলাদেশি হজযাত্রীদের সেবায় যুক্তরাজ্যে নতুন সংগঠন PHAAUK ফেঞ্চুগঞ্জে দুই দিনে তিন ইয়াবা ব্যবসায়ী গ্রেপ্তার

ফ্রান্সের সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্ক ছিন্ন করলো বুরকিনা ফাসো

  • আপডেট সময় ১১:৫৯:৪৭ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৭ জুন ২০২৬
  • ৬০ বার পড়া হয়েছে

দর্পণ ডেস্ক

সাবেক ঔপনিবেশিক শাসক ফ্রান্সের সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্ক ছিন্ন করেছে আফ্রিকার দেশ বুরকিনা ফাসো। এর মাধ্যমে দুই দেশের মধ্যকার সম্পর্কে তিক্ততা প্রকট আকার ধারণ করলো।

শুক্রবার দেশটির রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে প্রচারিত এক বিবৃতিতে এ তথ্য জানানো হয়।

এতে বলা হয়, “বুরকিনা ফাসো সরকার ফ্রান্সের সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্ক ছিন্ন করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

২০২২ সালের সেপ্টেম্বরে এক অভ্যুত্থানের মাধ্যমে বুরকিনা ফাসোর ক্ষমতায় বসেন ক্যাপ্টেন ইব্রাহিম ট্রায়োরে। তার সরকার শুরু থেকেই পশ্চিমা দেশগুলো এবং বিশেষ করে ফ্রান্সের বিরুদ্ধে কঠোর নীতি অনুসরণ করছে।

টেলিভিশনে প্রচারিত বিবৃতিতে ফ্রান্সের বিরুদ্ধে ধারাবাহিকভাবে তাদের স্বার্থের পরিপন্থী কাজ করার অভিযোগ এনেছে বুরকিনা ফাসো। দেশটির যোগাযোগমন্ত্রী গিলবার্ট ওয়েদ্রাওগো বলেন, “পারস্পরিক শ্রদ্ধা, বিশ্বাস, অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপ না করার নীতি এবং সার্বভৌমত্বের প্রতি শ্রদ্ধাশীল থাকার ভিত্তিতে সম্পর্ক এগিয়ে নেওয়ার জন্য যে পরিবেশ প্রয়োজন, তা এখন অনুপস্থিত।

তিনি জানান, প্যারিসের সঙ্গে সম্পর্ক গভীরভাবে পর্যালোচনার পরই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। ফ্রান্সের বিরুদ্ধে ‘নব্য-ঔপনিবেশিক উচ্চাকাঙ্ক্ষার’ অভিযোগ এনে তিনি বলেন, “যারা আমাদের দেশ ও পুরো সাহেল অঞ্চলকে শোকের সাগরে ভাসাচ্ছে, সেসব সন্ত্রাসীদের সক্রিয়ভাবে সমর্থন দিচ্ছে ফ্রান্স। ”

গত জানুয়ারিতে বুরকিনা ফাসোর সামরিক সরকার আনুষ্ঠানিকভাবে সব রাজনৈতিক দল বিলুপ্ত ঘোষণা করে এবং তাদের সমস্ত সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করে। বিশ্লেষকদের মতে, এই পদক্ষেপ পশ্চিম আফ্রিকার এই দেশটির গণতন্ত্রের জন্য একটি বড় ধাক্কা।

 

স্থলবেষ্টিত বুরকিনা ফাসো বর্তমানে বেশ কয়েকটি সশস্ত্র গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে লড়াই করছে। এসব গোষ্ঠী দেশটির উত্তর, দক্ষিণ ও পশ্চিমাঞ্চল দখল করেছে। এই গোষ্ঠীগুলোর মধ্যে রয়েছে আল-কায়েদা সমর্থিত জামায়াত নুসরত আল-ইসলাম ওয়াল-মুসলিমিন (জেএনআইএম) এবং ইসলামিক স্টেট সাহেল প্রভিন্স (আইএসএসপি)।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

লক ডাউন পরবর্তী পরিস্থিতি মোকাবেলায় ফ্রান্সে চলছে ব্যাপক প্রস্তুতি

যুক্তরাজ্যে করোনার মধ্যেই শিশুদের মাঝে নতুন রোগের হানা

বিয়ানীবাজার সমাজ কল্যাণ সমিতি’ ফ্রান্স-এর উদ্যোগে ঐক্য সম্প্রীতি, ভ্রাতৃত্ববোধ ও সৌহার্দ্যপূর্ণ সমুদ্র সৈকত ভ্রমন

ফ্রান্সের সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্ক ছিন্ন করলো বুরকিনা ফাসো

আপডেট সময় ১১:৫৯:৪৭ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৭ জুন ২০২৬

দর্পণ ডেস্ক

সাবেক ঔপনিবেশিক শাসক ফ্রান্সের সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্ক ছিন্ন করেছে আফ্রিকার দেশ বুরকিনা ফাসো। এর মাধ্যমে দুই দেশের মধ্যকার সম্পর্কে তিক্ততা প্রকট আকার ধারণ করলো।

শুক্রবার দেশটির রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে প্রচারিত এক বিবৃতিতে এ তথ্য জানানো হয়।

এতে বলা হয়, “বুরকিনা ফাসো সরকার ফ্রান্সের সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্ক ছিন্ন করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

২০২২ সালের সেপ্টেম্বরে এক অভ্যুত্থানের মাধ্যমে বুরকিনা ফাসোর ক্ষমতায় বসেন ক্যাপ্টেন ইব্রাহিম ট্রায়োরে। তার সরকার শুরু থেকেই পশ্চিমা দেশগুলো এবং বিশেষ করে ফ্রান্সের বিরুদ্ধে কঠোর নীতি অনুসরণ করছে।

টেলিভিশনে প্রচারিত বিবৃতিতে ফ্রান্সের বিরুদ্ধে ধারাবাহিকভাবে তাদের স্বার্থের পরিপন্থী কাজ করার অভিযোগ এনেছে বুরকিনা ফাসো। দেশটির যোগাযোগমন্ত্রী গিলবার্ট ওয়েদ্রাওগো বলেন, “পারস্পরিক শ্রদ্ধা, বিশ্বাস, অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপ না করার নীতি এবং সার্বভৌমত্বের প্রতি শ্রদ্ধাশীল থাকার ভিত্তিতে সম্পর্ক এগিয়ে নেওয়ার জন্য যে পরিবেশ প্রয়োজন, তা এখন অনুপস্থিত।

তিনি জানান, প্যারিসের সঙ্গে সম্পর্ক গভীরভাবে পর্যালোচনার পরই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। ফ্রান্সের বিরুদ্ধে ‘নব্য-ঔপনিবেশিক উচ্চাকাঙ্ক্ষার’ অভিযোগ এনে তিনি বলেন, “যারা আমাদের দেশ ও পুরো সাহেল অঞ্চলকে শোকের সাগরে ভাসাচ্ছে, সেসব সন্ত্রাসীদের সক্রিয়ভাবে সমর্থন দিচ্ছে ফ্রান্স। ”

গত জানুয়ারিতে বুরকিনা ফাসোর সামরিক সরকার আনুষ্ঠানিকভাবে সব রাজনৈতিক দল বিলুপ্ত ঘোষণা করে এবং তাদের সমস্ত সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করে। বিশ্লেষকদের মতে, এই পদক্ষেপ পশ্চিম আফ্রিকার এই দেশটির গণতন্ত্রের জন্য একটি বড় ধাক্কা।

 

স্থলবেষ্টিত বুরকিনা ফাসো বর্তমানে বেশ কয়েকটি সশস্ত্র গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে লড়াই করছে। এসব গোষ্ঠী দেশটির উত্তর, দক্ষিণ ও পশ্চিমাঞ্চল দখল করেছে। এই গোষ্ঠীগুলোর মধ্যে রয়েছে আল-কায়েদা সমর্থিত জামায়াত নুসরত আল-ইসলাম ওয়াল-মুসলিমিন (জেএনআইএম) এবং ইসলামিক স্টেট সাহেল প্রভিন্স (আইএসএসপি)।