ঢাকা ০৬:৩৫ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৭ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ
দেশের স্বাদ, প্রবাসের আভিজাত্য—রোমে বর্ণিল আলোকসজ্জা, নান্দনিক ডেকোরেশন শখের হাঁড়ি’ রেস্টুরেন্টের যাত্রা প্যারিসের ১৮তম অ্যারোন্দিসমঁতে বিশ্ব পরিচ্ছন্নতা দিবসে ৩৫০ স্বেচ্ছাসেবীর পরিচ্ছন্নতা অভিযান টানা তৃতীয়বার Emirates Italy Awards-এর স্বীকৃতি পেল ইতালির বাংলাদেশি মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠান Popular Travels & Tours আজির উদ্দিনের বাংলাদেশ সফর উপলক্ষে জালালাবাদ প্রবাসী কল্যাণ পরিষদের সংবর্ধনা ইতালিতে মুন্সীগঞ্জ-বিক্রমপুর সমিতির বার্ষিক আনন্দ ভ্রমণ: প্রকৃতির সান্নিধ্যে প্রবাসীদের দিনভর আনন্দ-উচ্ছ্বাস প্যারিসের লাখুর্নভে বিস্ফোরণে নিহত নাহিল এর জানাজা ও দাফন সম্পন্ন পর্তুগালে বদলে গেল রেসিডেন্সের নিয়ম ওবায়দুল কাদের-আরাফাতসহ ৭ জনের মৃত্যুদণ্ড জ্বালানি তেলের দাম নিয়ে বিশেষজ্ঞদের সতর্কতা ব্যালন ডি’অর নিয়ে এমবাপ্পের বিতর্কিত মন্তব্য

প্যারিস ফ্যাশন উইকে বিশ্বের সর্বকনিষ্ঠ ডিজাইনার ১০ বছর বয়সি ম্যাক্স

  • আপডেট সময় ০২:৫৯:৪৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৩ মার্চ ২০২৬
  • ১১২ বার পড়া হয়েছে

দর্পণ ডেস্ক

ফ্যাশন জগতের প্রতি ভালোবাসা থাকলে খুদে ডিজাইনার ম্যাক্সের গল্প আপনাকে অনুপ্রাণিত করবেই। মাত্র ১০ বছর বয়সেই ম্যাক্স তার অনন্য মেধা দিয়ে একটি নয়, বরং দুটি বিশ্ব রেকর্ড নিজের নামে করে নিয়েছে।

ম্যাক্স মাত্র ৭ বছর বয়সে বিশ্বের কনিষ্ঠতম ‘রানওয়ে ফ্যাশন ডিজাইনার’ হিসেবে প্রথম বিশ্ব রেকর্ড গড়েছিল। এবার প্যারিস ফ্যাশন উইকে বিশ্বের সর্বকনিষ্ঠ ডিজাইনার হিসেবে শো করার মাধ্যমে সে গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডের পাতায় দ্বিতীয়বারের মতো নিজের নাম লিখিয়েছে।

উল্লেখ্য, প্যারিস ফ্যাশন উইক বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ ফ্যাশন ইভেন্ট, যেখানে নামিদামি ডিজাইনাররা তাদের নতুন পোশাক ও শিল্পকর্ম প্রদর্শন করেন।
প্যারিস ফ্যাশন উইকে ম্যাক্সের সংগ্রহে ছিল ১৫টি ভিন্নধর্মী পোশাক। তার এই ডিজাইনের মূল প্রেরণা ছিল ফুল, কল্পনাশক্তি এবং সৃজনশীল পুনর্ব্যবহার (Creative Recycling)। ম্যাক্সের কাজের অন্যতম বৈশিষ্ট্য হল- পরিবেশ রক্ষা বা ‘সাসটেইনেবিলিটি’।

তার সংগ্রহের মধ্যে আশির দশকের পুরনো একটি বিয়ের পোশাককে নতুন রূপ দেওয়া হয়েছে। পুরনো কাপড়, ব্যাগ এবং উদ্ভিজ্জ পচনশীল ফেব্রিক ব্যবহার করা হয়েছে। তার ব্যবহার করা পোশাকের প্রায় ৯০ শতাংশই তৈরি হয়েছে অবিক্রীত বা ফেলে দেওয়া কাপড় থেকে, যা অন্যথায় ল্যান্ডফিলে বর্জ্য হিসেবে জমা হতো।

সিবিএস নিউজকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ম্যাক্স বলে, ‘আমার সংগ্রহের ৯০ শতাংশই পচনশীল এবং টেকসই। আমি এমন সব কাপড় উদ্ধার করেছি যা কোম্পানিগুলো আর ব্যবহার করত না।’

বৈশ্বিক স্বীকৃতি

ফ্যাশন বর্জ্য রোধে সচেতনতা বৃদ্ধিতে অবদানের জন্য ২০২৪ সালে ম্যাক্সকে জাতিসংঘে বক্তব্য দেওয়ার জন্য আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। সেখানে সে পোশাক শিল্পের অতিরিক্ত উৎপাদন কীভাবে পরিবেশের ক্ষতি করছে, তা নিয়ে কথা বলে।

ম্যাক্সের মা জানান, মাত্র ৪ বছর বয়স থেকেই সে ডিজাইনার হওয়ার স্বপ্ন দেখতে শুরু করে। বর্তমানে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তার ৫০ লক্ষাধিক (৫ মিলিয়ন) অনুসারী রয়েছে, যারা নিয়মিত তার সৃজনশীল কাজের প্রশংসা করেন।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

লক ডাউন পরবর্তী পরিস্থিতি মোকাবেলায় ফ্রান্সে চলছে ব্যাপক প্রস্তুতি

যুক্তরাজ্যে করোনার মধ্যেই শিশুদের মাঝে নতুন রোগের হানা

দেশের স্বাদ, প্রবাসের আভিজাত্য—রোমে বর্ণিল আলোকসজ্জা, নান্দনিক ডেকোরেশন শখের হাঁড়ি’ রেস্টুরেন্টের যাত্রা

প্যারিস ফ্যাশন উইকে বিশ্বের সর্বকনিষ্ঠ ডিজাইনার ১০ বছর বয়সি ম্যাক্স

আপডেট সময় ০২:৫৯:৪৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৩ মার্চ ২০২৬

দর্পণ ডেস্ক

ফ্যাশন জগতের প্রতি ভালোবাসা থাকলে খুদে ডিজাইনার ম্যাক্সের গল্প আপনাকে অনুপ্রাণিত করবেই। মাত্র ১০ বছর বয়সেই ম্যাক্স তার অনন্য মেধা দিয়ে একটি নয়, বরং দুটি বিশ্ব রেকর্ড নিজের নামে করে নিয়েছে।

ম্যাক্স মাত্র ৭ বছর বয়সে বিশ্বের কনিষ্ঠতম ‘রানওয়ে ফ্যাশন ডিজাইনার’ হিসেবে প্রথম বিশ্ব রেকর্ড গড়েছিল। এবার প্যারিস ফ্যাশন উইকে বিশ্বের সর্বকনিষ্ঠ ডিজাইনার হিসেবে শো করার মাধ্যমে সে গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডের পাতায় দ্বিতীয়বারের মতো নিজের নাম লিখিয়েছে।

উল্লেখ্য, প্যারিস ফ্যাশন উইক বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ ফ্যাশন ইভেন্ট, যেখানে নামিদামি ডিজাইনাররা তাদের নতুন পোশাক ও শিল্পকর্ম প্রদর্শন করেন।
প্যারিস ফ্যাশন উইকে ম্যাক্সের সংগ্রহে ছিল ১৫টি ভিন্নধর্মী পোশাক। তার এই ডিজাইনের মূল প্রেরণা ছিল ফুল, কল্পনাশক্তি এবং সৃজনশীল পুনর্ব্যবহার (Creative Recycling)। ম্যাক্সের কাজের অন্যতম বৈশিষ্ট্য হল- পরিবেশ রক্ষা বা ‘সাসটেইনেবিলিটি’।

তার সংগ্রহের মধ্যে আশির দশকের পুরনো একটি বিয়ের পোশাককে নতুন রূপ দেওয়া হয়েছে। পুরনো কাপড়, ব্যাগ এবং উদ্ভিজ্জ পচনশীল ফেব্রিক ব্যবহার করা হয়েছে। তার ব্যবহার করা পোশাকের প্রায় ৯০ শতাংশই তৈরি হয়েছে অবিক্রীত বা ফেলে দেওয়া কাপড় থেকে, যা অন্যথায় ল্যান্ডফিলে বর্জ্য হিসেবে জমা হতো।

সিবিএস নিউজকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ম্যাক্স বলে, ‘আমার সংগ্রহের ৯০ শতাংশই পচনশীল এবং টেকসই। আমি এমন সব কাপড় উদ্ধার করেছি যা কোম্পানিগুলো আর ব্যবহার করত না।’

বৈশ্বিক স্বীকৃতি

ফ্যাশন বর্জ্য রোধে সচেতনতা বৃদ্ধিতে অবদানের জন্য ২০২৪ সালে ম্যাক্সকে জাতিসংঘে বক্তব্য দেওয়ার জন্য আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। সেখানে সে পোশাক শিল্পের অতিরিক্ত উৎপাদন কীভাবে পরিবেশের ক্ষতি করছে, তা নিয়ে কথা বলে।

ম্যাক্সের মা জানান, মাত্র ৪ বছর বয়স থেকেই সে ডিজাইনার হওয়ার স্বপ্ন দেখতে শুরু করে। বর্তমানে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তার ৫০ লক্ষাধিক (৫ মিলিয়ন) অনুসারী রয়েছে, যারা নিয়মিত তার সৃজনশীল কাজের প্রশংসা করেন।