ঢাকা ০৩:১৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ০৪ মে ২০২৬, ২১ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

হরমুজের পর আরও এক জলপথ বন্ধ হয়ে যাওয়ার শঙ্কা!

  • আপডেট সময় ১১:৪২:৩০ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৮ মার্চ ২০২৬
  • ৬৪ বার পড়া হয়েছে

দর্পণ ডেস্ক

মার্কিন-ইসরাইলি ও ইরানের যুদ্ধে এবার প্রবেশ করেছে হুথি যোদ্ধারাও। যার ফলে হরমুজ প্রণালীর পর আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ জলপথে হুমকি তৈরি করতে পারে বলে সতর্ক করেছেন বিশ্লেষকরা।

দোহা ইনস্টিটিউট ফর গ্র্যাজুয়েট স্টাডিজের অধ্যাপক মোহামাদ এলমাসরি আল জাজিরাকে জানিয়েছেন, সুয়েজ খাল নিয়ে এখন শঙ্কাটি তৈরি হয়েছে। তিনি বলেন, ‘গত আড়াই বছরে আমরা দেখেছি হুথিদের উল্লেখযোগ্য শক্তি রয়েছে। তারা যদি বাব আল-মান্দেব প্রণালী বন্ধ করার সিদ্ধান্ত নেয়, তাহলে লোহিত সাগর এবং শেষ পর্যন্ত সুয়েজ খালের প্রবেশপথও বন্ধ হয়ে যাবে।’

তিনি আরও যোগ করেন, ‘হরমুজ প্রণালী তো বন্ধই হয়ে আছে, বাব আল মান্দেব বন্ধ হয়ে গেলে সুয়েজ খালও বন্ধ হয়ে যাবে। এই দুটি গুরুত্বপূর্ণ জলপথ একসঙ্গে বন্ধ হয়ে যাওয়ার ঝুঁকি তৈরি হয়েছে এখন। এগুলো আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের জন্য অপরিহার্য বৈশ্বিক নৌপথ। তাই এটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে।’

তবে সেটা না হলেও হুথিদের এই যুদ্ধে ঢুকে পড়াটা আরও এক জায়গায় প্রভাব ফেলবে। এলমাসরি আরও বলেছেন, হুথিদের ক্রমাগত হামলা ইসরাইলের শক্তিশালী কিন্তু ‘অভেদ্য নয়’ এমন আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার ওপর বাড়তি চাপ ফেলবে। তিনি বলেছেন, ‘সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে হিজবুল্লাহ ও ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র ইসরাইলের প্রতিরক্ষা ভেদ করতে পেরেছে। ইসরাইলকে যদি এখন ইয়েমেন থেকে আসা ক্ষেপণাস্ত্রও ঠেকাতে হয়, তাহলে পরিস্থিতি তাদের জন্য অনেক জটিল হয়ে পড়বে।’

তবে রাজনৈতিক দিক থেকে এলমাসরি একটি ভিন্ন দিকও তুলে ধরেছেন। তিনি বলেছেন, ‘বিপরীতভাবে, ইসরাইল হয়তো এটাকে স্বাগত জানাবে। কারণ তারা যুদ্ধ বিস্তার করতে চায়, যুদ্ধ দীর্ঘায়িত করতে চায় এবং নিশ্চিত করতে চায় যে ডোনাল্ড ট্রাম্প অদূর ভবিষ্যতে যুদ্ধ থেকে বেরিয়ে না যান। কারণ ইসরাইলের লক্ষ্য এখনো পূরণ হয়নি।’

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

লক ডাউন পরবর্তী পরিস্থিতি মোকাবেলায় ফ্রান্সে চলছে ব্যাপক প্রস্তুতি

যুক্তরাজ্যে করোনার মধ্যেই শিশুদের মাঝে নতুন রোগের হানা

বিজেপিকে মমতার হুঙ্কার

হরমুজের পর আরও এক জলপথ বন্ধ হয়ে যাওয়ার শঙ্কা!

আপডেট সময় ১১:৪২:৩০ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৮ মার্চ ২০২৬

দর্পণ ডেস্ক

মার্কিন-ইসরাইলি ও ইরানের যুদ্ধে এবার প্রবেশ করেছে হুথি যোদ্ধারাও। যার ফলে হরমুজ প্রণালীর পর আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ জলপথে হুমকি তৈরি করতে পারে বলে সতর্ক করেছেন বিশ্লেষকরা।

দোহা ইনস্টিটিউট ফর গ্র্যাজুয়েট স্টাডিজের অধ্যাপক মোহামাদ এলমাসরি আল জাজিরাকে জানিয়েছেন, সুয়েজ খাল নিয়ে এখন শঙ্কাটি তৈরি হয়েছে। তিনি বলেন, ‘গত আড়াই বছরে আমরা দেখেছি হুথিদের উল্লেখযোগ্য শক্তি রয়েছে। তারা যদি বাব আল-মান্দেব প্রণালী বন্ধ করার সিদ্ধান্ত নেয়, তাহলে লোহিত সাগর এবং শেষ পর্যন্ত সুয়েজ খালের প্রবেশপথও বন্ধ হয়ে যাবে।’

তিনি আরও যোগ করেন, ‘হরমুজ প্রণালী তো বন্ধই হয়ে আছে, বাব আল মান্দেব বন্ধ হয়ে গেলে সুয়েজ খালও বন্ধ হয়ে যাবে। এই দুটি গুরুত্বপূর্ণ জলপথ একসঙ্গে বন্ধ হয়ে যাওয়ার ঝুঁকি তৈরি হয়েছে এখন। এগুলো আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের জন্য অপরিহার্য বৈশ্বিক নৌপথ। তাই এটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে।’

তবে সেটা না হলেও হুথিদের এই যুদ্ধে ঢুকে পড়াটা আরও এক জায়গায় প্রভাব ফেলবে। এলমাসরি আরও বলেছেন, হুথিদের ক্রমাগত হামলা ইসরাইলের শক্তিশালী কিন্তু ‘অভেদ্য নয়’ এমন আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার ওপর বাড়তি চাপ ফেলবে। তিনি বলেছেন, ‘সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে হিজবুল্লাহ ও ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র ইসরাইলের প্রতিরক্ষা ভেদ করতে পেরেছে। ইসরাইলকে যদি এখন ইয়েমেন থেকে আসা ক্ষেপণাস্ত্রও ঠেকাতে হয়, তাহলে পরিস্থিতি তাদের জন্য অনেক জটিল হয়ে পড়বে।’

তবে রাজনৈতিক দিক থেকে এলমাসরি একটি ভিন্ন দিকও তুলে ধরেছেন। তিনি বলেছেন, ‘বিপরীতভাবে, ইসরাইল হয়তো এটাকে স্বাগত জানাবে। কারণ তারা যুদ্ধ বিস্তার করতে চায়, যুদ্ধ দীর্ঘায়িত করতে চায় এবং নিশ্চিত করতে চায় যে ডোনাল্ড ট্রাম্প অদূর ভবিষ্যতে যুদ্ধ থেকে বেরিয়ে না যান। কারণ ইসরাইলের লক্ষ্য এখনো পূরণ হয়নি।’