ঢাকা ০৩:১৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৬, ১১ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

চীনে উইঘুরদের উপর নির্যাতনে ইইউ’র নিন্দা

  • আপডেট সময় ১১:৪৬:১৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৫ অক্টোবর ২০১৮
  • ৩২১ বার পড়া হয়েছে

চীনের উইঘুর সম্প্রদায়ের মুসলিমদের উপর নির্যাতন বন্ধের আহবান জানিয়েছে ইউরোপীয় পার্লামেন্ট। পশ্চিমাঞ্চলীয় প্রদেশ জিনজিয়াং-এর উইঘুরদের গ্রেপ্তার ও নির্যাতনে চীনের প্রতি নিন্দাও জানানো হয় সেখান থেকে।
বৃহষ্পতিবার ফ্রান্সের স্ট্রাসবার্গ শহরে ইইউর অধিবেশন থেকে এ আহবান জানানো হয়। চীনের উইঘুরদের দুর্বিসহ জীবন, সরকারের নির্যাতন, ধর্ম পালনে বাঁধা ও বন্দিবস্থায় মৃত্যুর বিষয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন প্রতিনিধিরা। ইইউর পররাষ্ট্র বিষয়ক প্রধান ফেডেরিকা মোগেরিনির প্রতি তারা আহবান জানান যাতে তিনি বেইজিংকে এ বিষয়ে যথাযথ পদক্ষেপ নিতে বলেন।
কয়েকদিন আগে জাতিসংঘের একটি তদন্তে উঠে আসে জিনজিয়াং অঞ্চলে জঙ্গিবাদ দমনের নামে প্রায় ১০ লাখ সংখ্যালঘু উইঘুর মুসলমানকে বন্দিশিবিরে আটকে রাখা হয়েছে। এরপরই বিশ্বজুরে নিন্দার ঝড় ওঠে চীনের বিরুদ্ধে। তার পরিপ্রেক্ষিতেই ইউরোপীয় ইউনিয়ন থেকে এ অত্যাচার বন্ধের আহবান জানানো হয়েছে। তবে চীন প্রথম থেকেই এ ধরণের অভিযোগ অস্বীকার করে আসছে। সূত্র : বিবিসি

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

লক ডাউন পরবর্তী পরিস্থিতি মোকাবেলায় ফ্রান্সে চলছে ব্যাপক প্রস্তুতি

যুক্তরাজ্যে করোনার মধ্যেই শিশুদের মাঝে নতুন রোগের হানা

বার্লিনে রেজা পাহলভীর ওপর লাল তরল নিক্ষেপ

চীনে উইঘুরদের উপর নির্যাতনে ইইউ’র নিন্দা

আপডেট সময় ১১:৪৬:১৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৫ অক্টোবর ২০১৮

চীনের উইঘুর সম্প্রদায়ের মুসলিমদের উপর নির্যাতন বন্ধের আহবান জানিয়েছে ইউরোপীয় পার্লামেন্ট। পশ্চিমাঞ্চলীয় প্রদেশ জিনজিয়াং-এর উইঘুরদের গ্রেপ্তার ও নির্যাতনে চীনের প্রতি নিন্দাও জানানো হয় সেখান থেকে।
বৃহষ্পতিবার ফ্রান্সের স্ট্রাসবার্গ শহরে ইইউর অধিবেশন থেকে এ আহবান জানানো হয়। চীনের উইঘুরদের দুর্বিসহ জীবন, সরকারের নির্যাতন, ধর্ম পালনে বাঁধা ও বন্দিবস্থায় মৃত্যুর বিষয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন প্রতিনিধিরা। ইইউর পররাষ্ট্র বিষয়ক প্রধান ফেডেরিকা মোগেরিনির প্রতি তারা আহবান জানান যাতে তিনি বেইজিংকে এ বিষয়ে যথাযথ পদক্ষেপ নিতে বলেন।
কয়েকদিন আগে জাতিসংঘের একটি তদন্তে উঠে আসে জিনজিয়াং অঞ্চলে জঙ্গিবাদ দমনের নামে প্রায় ১০ লাখ সংখ্যালঘু উইঘুর মুসলমানকে বন্দিশিবিরে আটকে রাখা হয়েছে। এরপরই বিশ্বজুরে নিন্দার ঝড় ওঠে চীনের বিরুদ্ধে। তার পরিপ্রেক্ষিতেই ইউরোপীয় ইউনিয়ন থেকে এ অত্যাচার বন্ধের আহবান জানানো হয়েছে। তবে চীন প্রথম থেকেই এ ধরণের অভিযোগ অস্বীকার করে আসছে। সূত্র : বিবিসি