দর্পণ ডেস্ক
স্পেনে ক্রমবর্ধমান আবাসন সংকট মোকাবেলায় সরকারের পদক্ষেপের দাবিতে রাজধানী মাদ্রিদসহ দেশটির বিভিন্ন শহরে বিক্ষোভ করেছেন হাজার হাজার মানুষ। পার্লামেন্টে সরকারের প্রস্তাবিত পদক্ষেপ বিরোধীদের বাধায় আটকে যাওয়ার পর শনিবার নতুন করে বিক্ষোভে নামেন তারা।
মাদ্রিদে বিক্ষোভকারীদের কেউ কেউ সাধারণ ধর্মঘটের দাবিতে পোস্টার বহন করেন বলে জানায় বার্তা সংস্থা রয়টার্স। প্রতিবেদনে বলা হয়, রাজধানীতে ৮৭ বছর বয়সী এক বৃদ্ধাকে উচ্ছেদসহ আবাসন সংকট ঘিরে জনঅসন্তোষের পর সরকার যেসব পদক্ষেপ নিয়েছিল, শুক্রবার পার্লামেন্টে সেগুলো প্রত্যাখ্যাত হয়।
বিক্ষোভে অংশ নেওয়া ২৬ বছর বয়সী নান্দো দে আঙ্গুলো রয়টার্সকে বলেন, বিষয়টি ‘লজ্জাজনক’। তার মতে, এতে প্রমাণ হয় জনগণকেই রাজনৈতিক দলগুলোর সিদ্ধান্তের সঙ্গে মানিয়ে নিতে হচ্ছে, অথচ রাজনীতিকদের জনগণের চাহিদার সঙ্গে মানিয়ে নেওয়া উচিত।
এদিকে শুক্রবার দেশটির বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমের খবরে বলা হয়েছে, দেশটির প্রধানমন্ত্রী পেদ্রো সানচেজের প্রস্তাবিত আইন পার্লামেন্টে পাস না হওয়ায় তিনি নভেম্বরে আগাম নির্বাচন ডাকতে পারেন। শনিবারের বিক্ষোভে জনসমাগমের মাত্রাও তিনি সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষেত্রে বিবেচনা করবেন বলে প্রতিবেদনে বলা হয়। তবে সানচেজের কার্যালয় এ বিষয়ে কোনো মন্তব্য করেনি।
দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলীয় শহর ভ্যালেন্সিয়ায় বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষ হয়।
পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ রাবার বুলেট ও কাঁদানে গ্যাস ব্যবহার করে। প্রায় ৩০ জন বিক্ষোভকারী শহরের বিখ্যাত ‘সিটি অব আর্টস অ্যান্ড সায়েন্সেস’ ভবনে ঢুকে পড়লেও পুলিশ পরে তাদের বের করে দেয়। তবে স্পেনের আরও প্রায় ৫০টি শহরে বিক্ষোভ শান্তিপূর্ণ ছিল।
মাদ্রিদে ভাড়াটিয়া ইউনিয়নের মুখপাত্র ভ্যালেরিয়া রাকু সাংবাদিকদের বলেন, শ্রমিক ইউনিয়নগুলোর সঙ্গে আলোচনা শেষে সাধারণ ধর্মঘটের ডাক দেওয়া হবে।
স্পেন সরকারের হিসাবে, শনিবার মাদ্রিদের বিক্ষোভে প্রায় ৭০ হাজার মানুষ অংশ নেন।
এদিকে ভারি বৃষ্টির কারণে বার্সেলোনা ও পাশের শহর হসপিতালেত দে লোব্রেগাতের নির্ধারিত বিক্ষোভ বাতিল করা হয়েছে।













