ঢাকা ০৮:২১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৫ অগাস্ট ২০২৬, ১০ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ
কনক চাঁপার গানে মাতল প্রবাসী বাংলাদেশিরা, মিলনমেলায় পরিণত জুরিস পার্ক লন্ডনে বাংলাদেশের নতুন হাইকমিশনার আব্দুল মুহিত বিয়ানীবাজার সমাজ কল্যাণ সমিতি’ ফ্রান্স-এর উদ্যোগে ঐক্য সম্প্রীতি, ভ্রাতৃত্ববোধ ও সৌহার্দ্যপূর্ণ সমুদ্র সৈকত ভ্রমন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব রুহুল কবীর রিজভী দেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হয়েছেন মির্জা ফখরুল সরকারের প্রতি সন্তুষ্টি ৫৪ শতাংশ আর প্রধানমন্ত্রীর প্রতি ৬৬ শতাংশ পাথরের শহরে কবিতার খোঁজে ইনসাফই সমাজের মেরুদণ্ড: ইসলামে সামাজিক সুবিচারের শিক্ষা “নৈঃশব্দ্যের ঋণপত্র”- মেশকাতুন নাহার গ্রেটার সিলেট কমিউনিটি ইউকের ওয়েস্ট মিডল্যান্ডস রিজিওনাল কমিটি গঠন

ইইউ নাগরিকদের দ্রুত আইনি স্বীকৃতি দেয়ার আবেদন জানিয়ে প্রধানমন্ত্রীর কাছে মেয়রের চিঠি

  • আপডেট সময় ০৯:৪১:৫১ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৪ সেপ্টেম্বর ২০১৯
  • ৩৫৪ বার পড়া হয়েছে

ওয়ানবাংলানিউজ: টাওয়ার হ্যামলেটসে বসবাসরত ৪১ হাজার ইইউ নাগরিকের অধিকার সুরক্ষার আবেদন জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন বরাবরে চিঠি দিয়েছেন বারার নির্বাহী মেয়র জন বিগস এবং কেবিনেট মেম্বার কাউন্সিলার সাবিনা আক্তার।

এক বিশেষ বিবৃতিতে মেয়র জন বিগস এই আবেদন জানান। চিঠিতে ব্রিটেনে বসবাসরত ইইউ নাগরিকদের দরকষাকষিতে ব্যবহার করারও তীব্র নিন্দা জানানো হয়। উল্লেখ্য যে, ২০১৬ সালে অনুষ্টিত ইইউ রেফান্ডারামের সময় বর্তমান প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন এই মর্মে এক পিটিশনে স্বাক্ষর করেছিলেন যে, ব্রেক্সিট হলে ইউকেতে আইনগতভাবে বসবাসরত ইইউ নাগরিকদের সকল অধিকার সংরক্ষিত থাকবে। অর্থ্ াব্রেক্সিট হলেও তারা স্থায়ীভাবে বসবাস করতে পারবে। কিন্তু সম্প্রতি বরিস জনসনের নেতৃত্বাধীন সরকার এই অবস্থান থেকে সরে এসে ঘোষনা দিয়েছে যে, ইইউ নাগরিকরা অটোমেটিকভাবে ব্রিটেনে থাকার অধিকার পাবেন না। তাদেরকে আবেদন করতে হবে এবং অনেকের মতে যারা আবেদন করবেন না তাদের ভবিষ্য্ অনিশ্চিত। চিঠিতে তাদের অধিকারকে কথার মধ্যে সীমাবদ্ধ না রেখে আইনগতভাবে স্বীকৃতী দেয়ার অনুরুধ জানানো হয়। এর মধ্যে অন্যতম হচ্চেছ তাদের ভোট দেয়ার অধিকার।

এবছরের শুরুর দিকে টাওয়ার হ্যামলেটসের ব্রেক্সিট কমিশন ব্রেক্সিটের পর কী প্রতিক্রিয়া হতে পারে এনিয়ে একটি রিপোর্ট প্রকাশ করে। এতে ব্রেক্সিট হলে স্থানীয় অর্থনীতি, পাবলিক সার্ভিস, সিভিল সোসাইটি এমনকী ইইউ নাগরিকদের অধিকার সম্পর্কে উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়। এব্যাপারে মেয়র অব টাওয়ার হ্যামলেটস জন বিগস বলেন, টাওয়ার হ্যামলেটসে আনুমানিক ৪১ হাজার ইইউ নাগরিক বসবাসের পাশাপাশি আমাদের বারা তথা এদেশের অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ন অবদান রেখে চলেছেন। আর এজন্য তাদের ভবিষ্য্ সম্পর্কে নিশ্চয়তা দরকার। তাদেরকে দরকষাকষিতে ব্যবহার করা খুবই অন্যায়।

মেয়র আরো বলেন, সেটেল স্ট্যাটাস স্কীম কোনভাবেই গ্রহনযোগ্য হতে পারে না। যত দ্রুত সম্ভব আমরা তাদের আইনগত বৈধতা চাই। এটা হবে তাদের অন্যতম রক্ষাকবচ বিশেষকরে নো ডিল ব্রেক্সিট হলে। কেবিনেট মে“ার ফর কালচার, আর্টস এন্ড ব্রেক্সিট কাউন্সিলার সাবিনা আক্তার বলেন, ২০১৬ সালে অনুষ্টিত রেফান্ডামের ক্যাম্পেইন চলাকালে তাদের সম্পর্কে অনেক প্রতিশ্রুতিই দেয়া হয়েছিলো। এর মধ্যে অন্যতম ছিলো ব্রেক্সিট হলেও তারা এদেশে থাকার অনুমতি পাবেন।

কিন্তু দূচ্ঞখজনক হলেও সত্যি যে, গত ৩ বছর ধরেই তাদের অধিকারের বিষয়গুলো টেবিলেই আটকে আছে। একমাত্র আইনি নিশ্চয়তাই পারে এদেশে বসবাসকারী ৩ মিলিয়ন ইইউ নাগরিকের জীবনে নিশ্চয়তা ফিরিয়ে আনতে।
সূত্রঃওয়ান বাংলা

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

লক ডাউন পরবর্তী পরিস্থিতি মোকাবেলায় ফ্রান্সে চলছে ব্যাপক প্রস্তুতি

যুক্তরাজ্যে করোনার মধ্যেই শিশুদের মাঝে নতুন রোগের হানা

কনক চাঁপার গানে মাতল প্রবাসী বাংলাদেশিরা, মিলনমেলায় পরিণত জুরিস পার্ক

ইইউ নাগরিকদের দ্রুত আইনি স্বীকৃতি দেয়ার আবেদন জানিয়ে প্রধানমন্ত্রীর কাছে মেয়রের চিঠি

আপডেট সময় ০৯:৪১:৫১ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৪ সেপ্টেম্বর ২০১৯

ওয়ানবাংলানিউজ: টাওয়ার হ্যামলেটসে বসবাসরত ৪১ হাজার ইইউ নাগরিকের অধিকার সুরক্ষার আবেদন জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন বরাবরে চিঠি দিয়েছেন বারার নির্বাহী মেয়র জন বিগস এবং কেবিনেট মেম্বার কাউন্সিলার সাবিনা আক্তার।

এক বিশেষ বিবৃতিতে মেয়র জন বিগস এই আবেদন জানান। চিঠিতে ব্রিটেনে বসবাসরত ইইউ নাগরিকদের দরকষাকষিতে ব্যবহার করারও তীব্র নিন্দা জানানো হয়। উল্লেখ্য যে, ২০১৬ সালে অনুষ্টিত ইইউ রেফান্ডারামের সময় বর্তমান প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন এই মর্মে এক পিটিশনে স্বাক্ষর করেছিলেন যে, ব্রেক্সিট হলে ইউকেতে আইনগতভাবে বসবাসরত ইইউ নাগরিকদের সকল অধিকার সংরক্ষিত থাকবে। অর্থ্ াব্রেক্সিট হলেও তারা স্থায়ীভাবে বসবাস করতে পারবে। কিন্তু সম্প্রতি বরিস জনসনের নেতৃত্বাধীন সরকার এই অবস্থান থেকে সরে এসে ঘোষনা দিয়েছে যে, ইইউ নাগরিকরা অটোমেটিকভাবে ব্রিটেনে থাকার অধিকার পাবেন না। তাদেরকে আবেদন করতে হবে এবং অনেকের মতে যারা আবেদন করবেন না তাদের ভবিষ্য্ অনিশ্চিত। চিঠিতে তাদের অধিকারকে কথার মধ্যে সীমাবদ্ধ না রেখে আইনগতভাবে স্বীকৃতী দেয়ার অনুরুধ জানানো হয়। এর মধ্যে অন্যতম হচ্চেছ তাদের ভোট দেয়ার অধিকার।

এবছরের শুরুর দিকে টাওয়ার হ্যামলেটসের ব্রেক্সিট কমিশন ব্রেক্সিটের পর কী প্রতিক্রিয়া হতে পারে এনিয়ে একটি রিপোর্ট প্রকাশ করে। এতে ব্রেক্সিট হলে স্থানীয় অর্থনীতি, পাবলিক সার্ভিস, সিভিল সোসাইটি এমনকী ইইউ নাগরিকদের অধিকার সম্পর্কে উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়। এব্যাপারে মেয়র অব টাওয়ার হ্যামলেটস জন বিগস বলেন, টাওয়ার হ্যামলেটসে আনুমানিক ৪১ হাজার ইইউ নাগরিক বসবাসের পাশাপাশি আমাদের বারা তথা এদেশের অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ন অবদান রেখে চলেছেন। আর এজন্য তাদের ভবিষ্য্ সম্পর্কে নিশ্চয়তা দরকার। তাদেরকে দরকষাকষিতে ব্যবহার করা খুবই অন্যায়।

মেয়র আরো বলেন, সেটেল স্ট্যাটাস স্কীম কোনভাবেই গ্রহনযোগ্য হতে পারে না। যত দ্রুত সম্ভব আমরা তাদের আইনগত বৈধতা চাই। এটা হবে তাদের অন্যতম রক্ষাকবচ বিশেষকরে নো ডিল ব্রেক্সিট হলে। কেবিনেট মে“ার ফর কালচার, আর্টস এন্ড ব্রেক্সিট কাউন্সিলার সাবিনা আক্তার বলেন, ২০১৬ সালে অনুষ্টিত রেফান্ডামের ক্যাম্পেইন চলাকালে তাদের সম্পর্কে অনেক প্রতিশ্রুতিই দেয়া হয়েছিলো। এর মধ্যে অন্যতম ছিলো ব্রেক্সিট হলেও তারা এদেশে থাকার অনুমতি পাবেন।

কিন্তু দূচ্ঞখজনক হলেও সত্যি যে, গত ৩ বছর ধরেই তাদের অধিকারের বিষয়গুলো টেবিলেই আটকে আছে। একমাত্র আইনি নিশ্চয়তাই পারে এদেশে বসবাসকারী ৩ মিলিয়ন ইইউ নাগরিকের জীবনে নিশ্চয়তা ফিরিয়ে আনতে।
সূত্রঃওয়ান বাংলা