ঢাকা ০৭:১০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৬, ৮ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ
ফ্রান্স-ভারতে দাঙ্গা-বিক্ষোভ একই সূত্রে গাঁথা! সৌদি সফরে গেলেন ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট কমে আসছে ইইউর গ্যাস মজুত প্যারিসের দাঙ্গায় মেসির স্মারক জার্সি লুট প্যারিসে ক্ষতিগ্রস্ত বাংলাদেশি ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান পরিদর্শনে কমিউনিটির প্রতিনিধি দল প্যারিসে শেষ হলো আন্তর্জাতিক খাদ্য মেলা ‘সিয়াল প্যারিস ২০২৬’ ফ্রান্সে লুট হওয়া পণ্য বিক্রি হচ্ছে অনলাইনে! ফ্রান্সে লুটের পণ্য বিক্রি ঠেকাতে ভিন্টেডের পদক্ষেপ ফ্রান্সে বিক্ষোভ ঘিরে ব্যাপক সহিংসতা, লুটপাট ও অগ্নিসংযোগ: ক্ষতিগ্রস্ত দেড় হাজার ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান, সহায়তার উদ্যোগ সরকারের রোমে ওয়ার্ল্ড ফুড ফোরাম ২০২৬-এ বাংলাদেশের সক্রিয় অংশগ্রহণ

নিজ দলেরই ৮১ এমপি পদত্যাগ চাইলেন স্টারমারের

  • আপডেট সময় ০২:৪৫:০৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১২ মে ২০২৬
  • ১০০ বার পড়া হয়েছে

দর্পণ ডেস্ক

ইংল্যান্ড, স্কটল্যান্ড ও ওয়েলসের স্থানীয় নির্বাচনে বড় বিপর্যয়ের পর নিজ দলের সংসদ সদস্যদের ব্যাপক চাপের মুখে পড়েছেন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার। প্রধানমন্ত্রীর পদ থেকে স্টারমারকে পদত্যাগ অথবা সরে যাওয়ার আহ্বান জানানো লেবার পার্টির এমপির সংখ্যা বেড়ে এখন ৮১ জনে পৌঁছেছে।

ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি তাদের এক প্রতিবেদনে এ খবর জানিয়েছে।

খবরে বলা হয়, বিবিসি’র রাজনৈতিক সংবাদদাতা হ্যারি ফার্লে আগেই জানিয়েছিলেন, লেবার পার্টির এমপিদের ২০ শতাংশ, অর্থাৎ ৮১ জন প্রকাশ্যে অন্য একজন প্রার্থীকে সমর্থন দিলে দলটির নতুন নেতৃত্ব নির্বাচনের প্রক্রিয়া শুরু হতে পারে।

তবে এখন পর্যন্ত ৮১ জন এমপি স্টারমারকে পদত্যাগ অথবা সরে যাওয়ার সময়সূচি ঘোষণার আহ্বান জানালেও তারা এখনো বিকল্প নেতা হিসেবে একক কোনো নেতার পক্ষে একজোট হননি।

বিবিসি জানায়, প্রধানমন্ত্রীর পদত্যাগের আহ্বানে সর্বশেষ যোগ দেন লিজি কোলিংগে, যিনি মোরক্যাম্ব ও লুনসডেলের এমপি।

এক বিবৃতিতে তিনি বলেন, আমার কাছে এখন স্পষ্ট যে প্রধানমন্ত্রী দেশের মানুষের আস্থা হারিয়েছেন।

তিনি আরও বলেন, একজন এমপি হিসেবে আমার প্রথম দায়িত্ব আমার নির্বাচনী এলাকার মানুষ ও দেশের প্রতি। এ কারণেই আমি এখন প্রধানমন্ত্রীর প্রতি আহ্বান জানাচ্ছি, তিনি যেন সরে দাঁড়ান এবং নতুন নেতৃত্বের কাছে সুশৃঙ্খলভাবে দায়িত্ব হস্তান্তরের ব্যবস্থা করেন।

ব্রেক্সিট ও দলীয় কোন্দলে জর্জরিত দীর্ঘ ১৪ বছরের রক্ষণশীল শাসনের অবসান ঘটিয়ে ২০২৪ সালের ৫ জুলাই ক্ষমতা নেন স্টারমার। ব্রিটিশ রাজনীতি থেকে অস্থিরতা দূর করার বহু প্রতিশ্রুতি দিয়ে ক্ষমতায় বসেছিলেন কিয়ার স্টারমার। কিন্তু বিভিন্ন নীতির পরিবর্তন, নানা বিতর্ক আর জনমত জরিপে জনপ্রিয়তার চরম ধসের কারণে তিনি এখন এক গভীর সংকটের মুখে দাঁড়িয়ে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

লক ডাউন পরবর্তী পরিস্থিতি মোকাবেলায় ফ্রান্সে চলছে ব্যাপক প্রস্তুতি

যুক্তরাজ্যে করোনার মধ্যেই শিশুদের মাঝে নতুন রোগের হানা

ফ্রান্স-ভারতে দাঙ্গা-বিক্ষোভ একই সূত্রে গাঁথা!

নিজ দলেরই ৮১ এমপি পদত্যাগ চাইলেন স্টারমারের

আপডেট সময় ০২:৪৫:০৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১২ মে ২০২৬

দর্পণ ডেস্ক

ইংল্যান্ড, স্কটল্যান্ড ও ওয়েলসের স্থানীয় নির্বাচনে বড় বিপর্যয়ের পর নিজ দলের সংসদ সদস্যদের ব্যাপক চাপের মুখে পড়েছেন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার। প্রধানমন্ত্রীর পদ থেকে স্টারমারকে পদত্যাগ অথবা সরে যাওয়ার আহ্বান জানানো লেবার পার্টির এমপির সংখ্যা বেড়ে এখন ৮১ জনে পৌঁছেছে।

ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি তাদের এক প্রতিবেদনে এ খবর জানিয়েছে।

খবরে বলা হয়, বিবিসি’র রাজনৈতিক সংবাদদাতা হ্যারি ফার্লে আগেই জানিয়েছিলেন, লেবার পার্টির এমপিদের ২০ শতাংশ, অর্থাৎ ৮১ জন প্রকাশ্যে অন্য একজন প্রার্থীকে সমর্থন দিলে দলটির নতুন নেতৃত্ব নির্বাচনের প্রক্রিয়া শুরু হতে পারে।

তবে এখন পর্যন্ত ৮১ জন এমপি স্টারমারকে পদত্যাগ অথবা সরে যাওয়ার সময়সূচি ঘোষণার আহ্বান জানালেও তারা এখনো বিকল্প নেতা হিসেবে একক কোনো নেতার পক্ষে একজোট হননি।

বিবিসি জানায়, প্রধানমন্ত্রীর পদত্যাগের আহ্বানে সর্বশেষ যোগ দেন লিজি কোলিংগে, যিনি মোরক্যাম্ব ও লুনসডেলের এমপি।

এক বিবৃতিতে তিনি বলেন, আমার কাছে এখন স্পষ্ট যে প্রধানমন্ত্রী দেশের মানুষের আস্থা হারিয়েছেন।

তিনি আরও বলেন, একজন এমপি হিসেবে আমার প্রথম দায়িত্ব আমার নির্বাচনী এলাকার মানুষ ও দেশের প্রতি। এ কারণেই আমি এখন প্রধানমন্ত্রীর প্রতি আহ্বান জানাচ্ছি, তিনি যেন সরে দাঁড়ান এবং নতুন নেতৃত্বের কাছে সুশৃঙ্খলভাবে দায়িত্ব হস্তান্তরের ব্যবস্থা করেন।

ব্রেক্সিট ও দলীয় কোন্দলে জর্জরিত দীর্ঘ ১৪ বছরের রক্ষণশীল শাসনের অবসান ঘটিয়ে ২০২৪ সালের ৫ জুলাই ক্ষমতা নেন স্টারমার। ব্রিটিশ রাজনীতি থেকে অস্থিরতা দূর করার বহু প্রতিশ্রুতি দিয়ে ক্ষমতায় বসেছিলেন কিয়ার স্টারমার। কিন্তু বিভিন্ন নীতির পরিবর্তন, নানা বিতর্ক আর জনমত জরিপে জনপ্রিয়তার চরম ধসের কারণে তিনি এখন এক গভীর সংকটের মুখে দাঁড়িয়ে।