ঢাকা ১১:২০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১২ মে ২০২৬, ২৯ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ
হান্টাভাইরাস প্রাদুর্ভাবের ঝুঁকি কতটা, জানাল বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা নিজ দলেরই ৮১ এমপি পদত্যাগ চাইলেন স্টারমারের পাকিস্তানের বিপক্ষে ১০৪ রানের ঐতিহাসিক জয় বাংলাদেশের সানু মিয়া ভবিষ্যত প্রজন্মের জন্য দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবেন- স্মরণ সভায় বক্তারা অবৈধ অভিবাসীদের আশ্রয় প্রক্রিয়া আরও কঠিন করছে ইউরোপ কমিউনিটি থেকে পার্লামেন্ট: ফয়ছল চৌধুরীর অনুপ্রেরণাময় রাজনৈতিক পথচলা ফ্রান্সেও হান্টাভাইরাসের প্রাদুর্ভাব! শেনজেনে প্রবেশ করতে ভ্রমণকারীদের সব কাগজপত্র সঙ্গে রাখার পরামর্শ ২৪’র আন্দোলনে ‘সোজা গুলি করার’ নির্দেশ দিয়েছিলেন শেখ হাসিনা ছোট নৌকায় ইংলিশ চ্যানেল পাড়ি দিয়ে যুক্তরাজ্যে পৌঁছেছে দুই লাখের বেশি অভিবাসী

নিজ দলেরই ৮১ এমপি পদত্যাগ চাইলেন স্টারমারের

  • আপডেট সময় ০২:৪৫:০৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১২ মে ২০২৬
  • ২৭ বার পড়া হয়েছে

দর্পণ ডেস্ক

ইংল্যান্ড, স্কটল্যান্ড ও ওয়েলসের স্থানীয় নির্বাচনে বড় বিপর্যয়ের পর নিজ দলের সংসদ সদস্যদের ব্যাপক চাপের মুখে পড়েছেন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার। প্রধানমন্ত্রীর পদ থেকে স্টারমারকে পদত্যাগ অথবা সরে যাওয়ার আহ্বান জানানো লেবার পার্টির এমপির সংখ্যা বেড়ে এখন ৮১ জনে পৌঁছেছে।

ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি তাদের এক প্রতিবেদনে এ খবর জানিয়েছে।

খবরে বলা হয়, বিবিসি’র রাজনৈতিক সংবাদদাতা হ্যারি ফার্লে আগেই জানিয়েছিলেন, লেবার পার্টির এমপিদের ২০ শতাংশ, অর্থাৎ ৮১ জন প্রকাশ্যে অন্য একজন প্রার্থীকে সমর্থন দিলে দলটির নতুন নেতৃত্ব নির্বাচনের প্রক্রিয়া শুরু হতে পারে।

তবে এখন পর্যন্ত ৮১ জন এমপি স্টারমারকে পদত্যাগ অথবা সরে যাওয়ার সময়সূচি ঘোষণার আহ্বান জানালেও তারা এখনো বিকল্প নেতা হিসেবে একক কোনো নেতার পক্ষে একজোট হননি।

বিবিসি জানায়, প্রধানমন্ত্রীর পদত্যাগের আহ্বানে সর্বশেষ যোগ দেন লিজি কোলিংগে, যিনি মোরক্যাম্ব ও লুনসডেলের এমপি।

এক বিবৃতিতে তিনি বলেন, আমার কাছে এখন স্পষ্ট যে প্রধানমন্ত্রী দেশের মানুষের আস্থা হারিয়েছেন।

তিনি আরও বলেন, একজন এমপি হিসেবে আমার প্রথম দায়িত্ব আমার নির্বাচনী এলাকার মানুষ ও দেশের প্রতি। এ কারণেই আমি এখন প্রধানমন্ত্রীর প্রতি আহ্বান জানাচ্ছি, তিনি যেন সরে দাঁড়ান এবং নতুন নেতৃত্বের কাছে সুশৃঙ্খলভাবে দায়িত্ব হস্তান্তরের ব্যবস্থা করেন।

ব্রেক্সিট ও দলীয় কোন্দলে জর্জরিত দীর্ঘ ১৪ বছরের রক্ষণশীল শাসনের অবসান ঘটিয়ে ২০২৪ সালের ৫ জুলাই ক্ষমতা নেন স্টারমার। ব্রিটিশ রাজনীতি থেকে অস্থিরতা দূর করার বহু প্রতিশ্রুতি দিয়ে ক্ষমতায় বসেছিলেন কিয়ার স্টারমার। কিন্তু বিভিন্ন নীতির পরিবর্তন, নানা বিতর্ক আর জনমত জরিপে জনপ্রিয়তার চরম ধসের কারণে তিনি এখন এক গভীর সংকটের মুখে দাঁড়িয়ে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

লক ডাউন পরবর্তী পরিস্থিতি মোকাবেলায় ফ্রান্সে চলছে ব্যাপক প্রস্তুতি

যুক্তরাজ্যে করোনার মধ্যেই শিশুদের মাঝে নতুন রোগের হানা

হান্টাভাইরাস প্রাদুর্ভাবের ঝুঁকি কতটা, জানাল বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা

নিজ দলেরই ৮১ এমপি পদত্যাগ চাইলেন স্টারমারের

আপডেট সময় ০২:৪৫:০৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১২ মে ২০২৬

দর্পণ ডেস্ক

ইংল্যান্ড, স্কটল্যান্ড ও ওয়েলসের স্থানীয় নির্বাচনে বড় বিপর্যয়ের পর নিজ দলের সংসদ সদস্যদের ব্যাপক চাপের মুখে পড়েছেন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার। প্রধানমন্ত্রীর পদ থেকে স্টারমারকে পদত্যাগ অথবা সরে যাওয়ার আহ্বান জানানো লেবার পার্টির এমপির সংখ্যা বেড়ে এখন ৮১ জনে পৌঁছেছে।

ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি তাদের এক প্রতিবেদনে এ খবর জানিয়েছে।

খবরে বলা হয়, বিবিসি’র রাজনৈতিক সংবাদদাতা হ্যারি ফার্লে আগেই জানিয়েছিলেন, লেবার পার্টির এমপিদের ২০ শতাংশ, অর্থাৎ ৮১ জন প্রকাশ্যে অন্য একজন প্রার্থীকে সমর্থন দিলে দলটির নতুন নেতৃত্ব নির্বাচনের প্রক্রিয়া শুরু হতে পারে।

তবে এখন পর্যন্ত ৮১ জন এমপি স্টারমারকে পদত্যাগ অথবা সরে যাওয়ার সময়সূচি ঘোষণার আহ্বান জানালেও তারা এখনো বিকল্প নেতা হিসেবে একক কোনো নেতার পক্ষে একজোট হননি।

বিবিসি জানায়, প্রধানমন্ত্রীর পদত্যাগের আহ্বানে সর্বশেষ যোগ দেন লিজি কোলিংগে, যিনি মোরক্যাম্ব ও লুনসডেলের এমপি।

এক বিবৃতিতে তিনি বলেন, আমার কাছে এখন স্পষ্ট যে প্রধানমন্ত্রী দেশের মানুষের আস্থা হারিয়েছেন।

তিনি আরও বলেন, একজন এমপি হিসেবে আমার প্রথম দায়িত্ব আমার নির্বাচনী এলাকার মানুষ ও দেশের প্রতি। এ কারণেই আমি এখন প্রধানমন্ত্রীর প্রতি আহ্বান জানাচ্ছি, তিনি যেন সরে দাঁড়ান এবং নতুন নেতৃত্বের কাছে সুশৃঙ্খলভাবে দায়িত্ব হস্তান্তরের ব্যবস্থা করেন।

ব্রেক্সিট ও দলীয় কোন্দলে জর্জরিত দীর্ঘ ১৪ বছরের রক্ষণশীল শাসনের অবসান ঘটিয়ে ২০২৪ সালের ৫ জুলাই ক্ষমতা নেন স্টারমার। ব্রিটিশ রাজনীতি থেকে অস্থিরতা দূর করার বহু প্রতিশ্রুতি দিয়ে ক্ষমতায় বসেছিলেন কিয়ার স্টারমার। কিন্তু বিভিন্ন নীতির পরিবর্তন, নানা বিতর্ক আর জনমত জরিপে জনপ্রিয়তার চরম ধসের কারণে তিনি এখন এক গভীর সংকটের মুখে দাঁড়িয়ে।