ঢাকা ১১:১৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৪ অগাস্ট ২০২৬, ৯ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ
বিয়ানীবাজার সমাজ কল্যাণ সমিতি’ ফ্রান্স-এর উদ্যোগে ঐক্য সম্প্রীতি, ভ্রাতৃত্ববোধ ও সৌহার্দ্যপূর্ণ সমুদ্র সৈকত ভ্রমন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব রুহুল কবীর রিজভী দেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হয়েছেন মির্জা ফখরুল সরকারের প্রতি সন্তুষ্টি ৫৪ শতাংশ আর প্রধানমন্ত্রীর প্রতি ৬৬ শতাংশ পাথরের শহরে কবিতার খোঁজে ইনসাফই সমাজের মেরুদণ্ড: ইসলামে সামাজিক সুবিচারের শিক্ষা “নৈঃশব্দ্যের ঋণপত্র”- মেশকাতুন নাহার গ্রেটার সিলেট কমিউনিটি ইউকের ওয়েস্ট মিডল্যান্ডস রিজিওনাল কমিটি গঠন প্রবাসী বাংলাদেশি হজযাত্রীদের সেবায় যুক্তরাজ্যে নতুন সংগঠন PHAAUK ফেঞ্চুগঞ্জে দুই দিনে তিন ইয়াবা ব্যবসায়ী গ্রেপ্তার

জোরপূর্বক শ্রমে তৈরি পণ্য আমদানিতে নতুন আইন আনছে কানাডা

  • আপডেট সময় ১২:১৬:০০ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৪ জুন ২০২৬
  • ৫৩ বার পড়া হয়েছে

দর্পণ ডেস্ক

জোরপূর্বক শ্রমে (Forced Labour) তৈরি পণ্যের আমদানি আরও কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রণ করতে নতুন আইন প্রস্তাব করেছে কানাডা সরকার। যুক্তরাষ্ট্রের সম্ভাব্য নতুন শুল্ক (ট্যারিফ) হুমকির প্রেক্ষাপটে এ উদ্যোগ নেয়া হয়েছে।

শুক্রবার (১২ জুন) কানাডার পার্লামেন্টে বিল সি-৩৫ নামে প্রস্তাবিত আইনটি উত্থাপন করেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী অনিতা আননড এর সংসদীয় সচিব রব এলিফ্যান্ট।

অলিফ্যান্ট বলেন, এটি একটি ‘কানাডীয় সমাধান’, যা আন্তর্জাতিক সমস্যার মোকাবিলায় তৈরি করা হয়েছে।

প্রস্তাবিত আইনে এমন পণ্যের একটি সার্বজনীন তালিকা প্রকাশের ব্যবস্থা থাকবে, যেগুলো নির্দিষ্ট অঞ্চল থেকে জোরপূর্বক শ্রমের মাধ্যমে উৎপাদিত হওয়ার ঝুঁকিতে রয়েছে। এ তালিকা প্রস্তুত করা হবে কানাডার দূতাবাস, গোয়েন্দা তথ্য ও অন্যান্য সরকারি সূত্রের তথ্যের ভিত্তিতে।

নতুন আইনের অধীনে তালিকাভুক্ত অঞ্চল থেকে আমদানি করা পণ্যের ক্ষেত্রে আমদানিকারক প্রতিষ্ঠানকেই প্রমাণ করতে হবে যে তাদের পণ্য জোরপূর্বক শ্রম বা আধুনিক দাসত্বের মাধ্যমে উৎপাদিত হয়নি।

বর্তমানে কানাডা বর্ডার সার্ভিসেস এজেন্সি ঝুঁকি মূল্যায়ন ও এলোমেলো বাছাইয়ের মাধ্যমে কনটেইনার পরীক্ষা করে থাকে।

তবে নতুন আইন কার্যকর হলে সীমান্ত কর্মকর্তারা নির্দিষ্ট ঝুঁকিপূর্ণ পণ্যের তালিকা ধরে আরও লক্ষ্যভিত্তিক তল্লাশি চালাতে পারবেন। 

সরকারের দাবি, এই আইন কানাডাকে মেক্সিকো এবং ইউরোপিয়ান ইউনিয়নের প্রস্তাবিত নীতিমালার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ করবে।

অলিফ্যান্ট বলেন, ‘জোরপূর্বক শ্রমে তৈরি সস্তা পণ্য কানাডার বাজারে ঢুকুক, আমরা তা চাই না। ’

এদিকে বিরোধী কনজারভেটিভ পার্টি অফ কানাডার পররাষ্ট্রবিষয়ক সমালোচক মাইকেল চং বিলটিকে ইতিবাচক পদক্ষেপ হিসেবে স্বাগত জানালেও সরকারের সমালোচনা করে বলেন, এ ধরনের পদক্ষেপ অনেক আগেই নেয়া উচিত ছিল।

 

প্রস্তাবিত বিলটি এখন সংসদীয় পর্যালোচনা ও জনপরামর্শের মধ্য দিয়ে যাবে। গ্রীষ্মকালীন বিরতির আগে এটি পাস হওয়ার সম্ভাবনা কম হলেও, মানবাধিকার এবং ন্যায্য বাণিজ্য নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে এটিকে গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগ হিসেবে দেখা হচ্ছে।

 

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

লক ডাউন পরবর্তী পরিস্থিতি মোকাবেলায় ফ্রান্সে চলছে ব্যাপক প্রস্তুতি

যুক্তরাজ্যে করোনার মধ্যেই শিশুদের মাঝে নতুন রোগের হানা

বিয়ানীবাজার সমাজ কল্যাণ সমিতি’ ফ্রান্স-এর উদ্যোগে ঐক্য সম্প্রীতি, ভ্রাতৃত্ববোধ ও সৌহার্দ্যপূর্ণ সমুদ্র সৈকত ভ্রমন

জোরপূর্বক শ্রমে তৈরি পণ্য আমদানিতে নতুন আইন আনছে কানাডা

আপডেট সময় ১২:১৬:০০ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৪ জুন ২০২৬

দর্পণ ডেস্ক

জোরপূর্বক শ্রমে (Forced Labour) তৈরি পণ্যের আমদানি আরও কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রণ করতে নতুন আইন প্রস্তাব করেছে কানাডা সরকার। যুক্তরাষ্ট্রের সম্ভাব্য নতুন শুল্ক (ট্যারিফ) হুমকির প্রেক্ষাপটে এ উদ্যোগ নেয়া হয়েছে।

শুক্রবার (১২ জুন) কানাডার পার্লামেন্টে বিল সি-৩৫ নামে প্রস্তাবিত আইনটি উত্থাপন করেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী অনিতা আননড এর সংসদীয় সচিব রব এলিফ্যান্ট।

অলিফ্যান্ট বলেন, এটি একটি ‘কানাডীয় সমাধান’, যা আন্তর্জাতিক সমস্যার মোকাবিলায় তৈরি করা হয়েছে।

প্রস্তাবিত আইনে এমন পণ্যের একটি সার্বজনীন তালিকা প্রকাশের ব্যবস্থা থাকবে, যেগুলো নির্দিষ্ট অঞ্চল থেকে জোরপূর্বক শ্রমের মাধ্যমে উৎপাদিত হওয়ার ঝুঁকিতে রয়েছে। এ তালিকা প্রস্তুত করা হবে কানাডার দূতাবাস, গোয়েন্দা তথ্য ও অন্যান্য সরকারি সূত্রের তথ্যের ভিত্তিতে।

নতুন আইনের অধীনে তালিকাভুক্ত অঞ্চল থেকে আমদানি করা পণ্যের ক্ষেত্রে আমদানিকারক প্রতিষ্ঠানকেই প্রমাণ করতে হবে যে তাদের পণ্য জোরপূর্বক শ্রম বা আধুনিক দাসত্বের মাধ্যমে উৎপাদিত হয়নি।

বর্তমানে কানাডা বর্ডার সার্ভিসেস এজেন্সি ঝুঁকি মূল্যায়ন ও এলোমেলো বাছাইয়ের মাধ্যমে কনটেইনার পরীক্ষা করে থাকে।

তবে নতুন আইন কার্যকর হলে সীমান্ত কর্মকর্তারা নির্দিষ্ট ঝুঁকিপূর্ণ পণ্যের তালিকা ধরে আরও লক্ষ্যভিত্তিক তল্লাশি চালাতে পারবেন। 

সরকারের দাবি, এই আইন কানাডাকে মেক্সিকো এবং ইউরোপিয়ান ইউনিয়নের প্রস্তাবিত নীতিমালার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ করবে।

অলিফ্যান্ট বলেন, ‘জোরপূর্বক শ্রমে তৈরি সস্তা পণ্য কানাডার বাজারে ঢুকুক, আমরা তা চাই না। ’

এদিকে বিরোধী কনজারভেটিভ পার্টি অফ কানাডার পররাষ্ট্রবিষয়ক সমালোচক মাইকেল চং বিলটিকে ইতিবাচক পদক্ষেপ হিসেবে স্বাগত জানালেও সরকারের সমালোচনা করে বলেন, এ ধরনের পদক্ষেপ অনেক আগেই নেয়া উচিত ছিল।

 

প্রস্তাবিত বিলটি এখন সংসদীয় পর্যালোচনা ও জনপরামর্শের মধ্য দিয়ে যাবে। গ্রীষ্মকালীন বিরতির আগে এটি পাস হওয়ার সম্ভাবনা কম হলেও, মানবাধিকার এবং ন্যায্য বাণিজ্য নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে এটিকে গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগ হিসেবে দেখা হচ্ছে।