ঢাকা ০৮:১২ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৪ অগাস্ট ২০২৬, ৯ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ
বিয়ানীবাজার সমাজ কল্যাণ সমিতি’ ফ্রান্স-এর উদ্যোগে ঐক্য সম্প্রীতি, ভ্রাতৃত্ববোধ ও সৌহার্দ্যপূর্ণ সমুদ্র সৈকত ভ্রমন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব রুহুল কবীর রিজভী দেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হয়েছেন মির্জা ফখরুল সরকারের প্রতি সন্তুষ্টি ৫৪ শতাংশ আর প্রধানমন্ত্রীর প্রতি ৬৬ শতাংশ পাথরের শহরে কবিতার খোঁজে ইনসাফই সমাজের মেরুদণ্ড: ইসলামে সামাজিক সুবিচারের শিক্ষা “নৈঃশব্দ্যের ঋণপত্র”- মেশকাতুন নাহার গ্রেটার সিলেট কমিউনিটি ইউকের ওয়েস্ট মিডল্যান্ডস রিজিওনাল কমিটি গঠন প্রবাসী বাংলাদেশি হজযাত্রীদের সেবায় যুক্তরাজ্যে নতুন সংগঠন PHAAUK ফেঞ্চুগঞ্জে দুই দিনে তিন ইয়াবা ব্যবসায়ী গ্রেপ্তার

পর্তুগালে অনিশ্চয়তায় অভিবাসী শ্রমিকরা

  • আপডেট সময় ০২:০১:৩৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ২২ জুন ২০২৬
  • ৫২ বার পড়া হয়েছে

ডেস্ক রিপোর্ট

পর্তুগালে অনিয়মিত অভিবাসন ঠেকাতে দেশজুড়ে চিরুনি অভিযান শুরু করেছে দেশটির নিরাপত্তা বাহিনী। এতে অনেক অভিবাসী শ্রমিকের মধ্যে উদ্বেগ ও অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে।

দেশটির ন্যাশনাল রিপাবলিকান গার্ড (এনআরজি) জানিয়েছে, ২০২৬ সালের শুরু থেকে স্থল, সমুদ্র ও আকাশপথে পরিচালিত বিভিন্ন অভিযানে ৩০০ জনের বেশি অনিয়মিত অভিবাসীকে শনাক্ত করা হয়েছে। এছাড়া প্রায় ১৫০ জনকে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে স্বেচ্ছায় দেশ ত্যাগের নোটিশ দেওয়া হয়েছে।

সাম্প্রতিক সময়ে কৃষি এলাকা, স্ট্রবেরি খামার, রেলস্টেশন, প্রধান সড়ক ও সমুদ্র উপকূলীয় এলাকায় তল্লাশি বাড়ানো হয়েছে। বিশেষ করে শ্রমিকনির্ভর কৃষি খাতে এই অভিযান বেশি চালানো হচ্ছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, শনাক্ত হওয়া অভিবাসীদের বড় একটি অংশ দক্ষিণ এশিয়া ও পশ্চিম আফ্রিকার বিভিন্ন দেশের নাগরিক। এর মধ্যে ভারত, নেপাল ও গিনি-বিসাউয়ের শ্রমিকের সংখ্যা বেশি।

অনেক অভিবাসী উন্নত জীবনের আশায় পর্তুগালে এলেও সেখানে গিয়ে নানা সমস্যার মুখে পড়ছেন। আইনি কাগজপত্র না থাকায় অনেকেই কম মজুরিতে দীর্ঘ সময় কাজ করতে বাধ্য হন। এছাড়া উচ্চ বাড়িভাড়া, অস্বাস্থ্যকর বাসস্থান, দীর্ঘ কর্মঘণ্টা এবং পরিবারের জন্য টাকা পাঠানোর চাপ তাদের জীবনকে আরও কঠিন করে তুলেছে।

মানবাধিকার কর্মীরা বলছেন, ভাষাগত সমস্যা ও আইনি জটিলতার কারণে অনেক অভিবাসী নিজেদের অধিকার সম্পর্কেও সচেতন নন। ফলে তারা সহজেই শোষণের শিকার হচ্ছেন।

তবে এনআরজির এক মুখপাত্র জানিয়েছেন, এই অভিযান কোনো নির্দিষ্ট দেশের নাগরিকদের লক্ষ্য করে নয়। মানবপাচার বন্ধ করা এবং অবৈধভাবে বসবাস ও কাজের সুযোগ কমিয়ে আনাই এই অভিযানের মূল উদ্দেশ্য।

তিনি আরও বলেন, ভবিষ্যতে অবৈধ কর্মসংস্থান প্রদানকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর বিরুদ্ধেও কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

বর্তমানে আটক অভিবাসীদের কাগজপত্র যাচাই করা হচ্ছে। যাদের দেশ ছাড়ার নোটিশ দেওয়া হয়েছে, তারা নির্ধারিত সময়ের মধ্যে দেশ না ছাড়লে তাদের নিজ দেশে ফেরত পাঠানো হতে পারে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

লক ডাউন পরবর্তী পরিস্থিতি মোকাবেলায় ফ্রান্সে চলছে ব্যাপক প্রস্তুতি

যুক্তরাজ্যে করোনার মধ্যেই শিশুদের মাঝে নতুন রোগের হানা

বিয়ানীবাজার সমাজ কল্যাণ সমিতি’ ফ্রান্স-এর উদ্যোগে ঐক্য সম্প্রীতি, ভ্রাতৃত্ববোধ ও সৌহার্দ্যপূর্ণ সমুদ্র সৈকত ভ্রমন

পর্তুগালে অনিশ্চয়তায় অভিবাসী শ্রমিকরা

আপডেট সময় ০২:০১:৩৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ২২ জুন ২০২৬

ডেস্ক রিপোর্ট

পর্তুগালে অনিয়মিত অভিবাসন ঠেকাতে দেশজুড়ে চিরুনি অভিযান শুরু করেছে দেশটির নিরাপত্তা বাহিনী। এতে অনেক অভিবাসী শ্রমিকের মধ্যে উদ্বেগ ও অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে।

দেশটির ন্যাশনাল রিপাবলিকান গার্ড (এনআরজি) জানিয়েছে, ২০২৬ সালের শুরু থেকে স্থল, সমুদ্র ও আকাশপথে পরিচালিত বিভিন্ন অভিযানে ৩০০ জনের বেশি অনিয়মিত অভিবাসীকে শনাক্ত করা হয়েছে। এছাড়া প্রায় ১৫০ জনকে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে স্বেচ্ছায় দেশ ত্যাগের নোটিশ দেওয়া হয়েছে।

সাম্প্রতিক সময়ে কৃষি এলাকা, স্ট্রবেরি খামার, রেলস্টেশন, প্রধান সড়ক ও সমুদ্র উপকূলীয় এলাকায় তল্লাশি বাড়ানো হয়েছে। বিশেষ করে শ্রমিকনির্ভর কৃষি খাতে এই অভিযান বেশি চালানো হচ্ছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, শনাক্ত হওয়া অভিবাসীদের বড় একটি অংশ দক্ষিণ এশিয়া ও পশ্চিম আফ্রিকার বিভিন্ন দেশের নাগরিক। এর মধ্যে ভারত, নেপাল ও গিনি-বিসাউয়ের শ্রমিকের সংখ্যা বেশি।

অনেক অভিবাসী উন্নত জীবনের আশায় পর্তুগালে এলেও সেখানে গিয়ে নানা সমস্যার মুখে পড়ছেন। আইনি কাগজপত্র না থাকায় অনেকেই কম মজুরিতে দীর্ঘ সময় কাজ করতে বাধ্য হন। এছাড়া উচ্চ বাড়িভাড়া, অস্বাস্থ্যকর বাসস্থান, দীর্ঘ কর্মঘণ্টা এবং পরিবারের জন্য টাকা পাঠানোর চাপ তাদের জীবনকে আরও কঠিন করে তুলেছে।

মানবাধিকার কর্মীরা বলছেন, ভাষাগত সমস্যা ও আইনি জটিলতার কারণে অনেক অভিবাসী নিজেদের অধিকার সম্পর্কেও সচেতন নন। ফলে তারা সহজেই শোষণের শিকার হচ্ছেন।

তবে এনআরজির এক মুখপাত্র জানিয়েছেন, এই অভিযান কোনো নির্দিষ্ট দেশের নাগরিকদের লক্ষ্য করে নয়। মানবপাচার বন্ধ করা এবং অবৈধভাবে বসবাস ও কাজের সুযোগ কমিয়ে আনাই এই অভিযানের মূল উদ্দেশ্য।

তিনি আরও বলেন, ভবিষ্যতে অবৈধ কর্মসংস্থান প্রদানকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর বিরুদ্ধেও কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

বর্তমানে আটক অভিবাসীদের কাগজপত্র যাচাই করা হচ্ছে। যাদের দেশ ছাড়ার নোটিশ দেওয়া হয়েছে, তারা নির্ধারিত সময়ের মধ্যে দেশ না ছাড়লে তাদের নিজ দেশে ফেরত পাঠানো হতে পারে।