ঢাকা ১১:৫৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২০ অগাস্ট ২০২৬, ৫ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ
বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব রুহুল কবীর রিজভী দেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হয়েছেন মির্জা ফখরুল সরকারের প্রতি সন্তুষ্টি ৫৪ শতাংশ আর প্রধানমন্ত্রীর প্রতি ৬৬ শতাংশ পাথরের শহরে কবিতার খোঁজে ইনসাফই সমাজের মেরুদণ্ড: ইসলামে সামাজিক সুবিচারের শিক্ষা “নৈঃশব্দ্যের ঋণপত্র”- মেশকাতুন নাহার গ্রেটার সিলেট কমিউনিটি ইউকের ওয়েস্ট মিডল্যান্ডস রিজিওনাল কমিটি গঠন প্রবাসী বাংলাদেশি হজযাত্রীদের সেবায় যুক্তরাজ্যে নতুন সংগঠন PHAAUK ফেঞ্চুগঞ্জে দুই দিনে তিন ইয়াবা ব্যবসায়ী গ্রেপ্তার ফ্রান্সে দারুল ক্বেরাত মজিদিয়া ফুলতলী ট্রাস্টের গ্রীষ্মকালীন কোরআন শিক্ষা প্রশিক্ষণের সমাপনী ও পুরস্কার বিতরণ

অক্ষরের রক্তজবা – মাহবুব শাহজালাল

  • আপডেট সময় ০৮:৫৫:২২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২০ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • ২০০ বার পড়া হয়েছে

ফেব্রুয়ারির কুয়াশা ভেদ করে যে ভোর ওঠে,

তার কপালে আজও রক্তজবার লাল টিপ।
নিস্তব্ধ নগরীর বুকে শোনা যায় পদধ্বনি,
যেন অক্ষরেরা নিজেই হাঁটে ইতিহাসের সাক্ষী হয়ে।

মায়ের কণ্ঠ ছিনিয়ে নিতে এসে যে নিষ্ঠুর অন্ধকার,
তারুণ্যের আগুনে পুড়ে হলো ছাই;
সে অন্ধকার জানে ভাষা মানে নিছক উচ্চারণ নয়,
ভাষা মানে আত্মার গোপন অভিব্যক্তি, জন্মের অধিকার।

ঢাকার রাজপথে সেদিনের ঝরে পড়া রক্ত হয়ে উঠেছিল
বর্ণমালার প্রথম অলংকার;
সেই ক্ষণেই ভাষা আন্দোলন পরিণত হয়েছিলো
চিরন্তন এক মহাকাব্যে।

গুলির শব্দ ছিন্ন করেছিল নীরবতার কফিন,
প্রতিটি তারুণ্যের পতন ছিল এক একটি অক্ষরের পুনর্জন্ম;
শহীদের রক্তে লেখা হয়েছিল যে শপথ,
তা আজও ধ্বনিত হয় প্রতিটি কবিতার অন্ত্যমিলে।

একুশ মানে মাথা নত করা নয়,
একুশ মানে দাঁড়িয়ে ওঠা দৃপ্ত উচ্চারণ;
একুশ মানে মায়ের মুখের ভাষায়
নির্ভীক অদম্যের নামে ভবিষ্যৎকে ডেকে আনা।

প্রতিটি প্রভাতে, ফুলে ভেজা মিনারের পায়ে,
আমরা রেখে যাই আমাদের নীরব কৃতজ্ঞতা;
একুশ আমাদের কাছে কেবলই একটি দিন নয়,
একুশ আমাদের চিরজাগ্রত বাংলার আত্মপরিচয়।

খিলক্ষেত, ঢাকা

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

লক ডাউন পরবর্তী পরিস্থিতি মোকাবেলায় ফ্রান্সে চলছে ব্যাপক প্রস্তুতি

যুক্তরাজ্যে করোনার মধ্যেই শিশুদের মাঝে নতুন রোগের হানা

বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব রুহুল কবীর রিজভী

অক্ষরের রক্তজবা – মাহবুব শাহজালাল

আপডেট সময় ০৮:৫৫:২২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২০ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

ফেব্রুয়ারির কুয়াশা ভেদ করে যে ভোর ওঠে,

তার কপালে আজও রক্তজবার লাল টিপ।
নিস্তব্ধ নগরীর বুকে শোনা যায় পদধ্বনি,
যেন অক্ষরেরা নিজেই হাঁটে ইতিহাসের সাক্ষী হয়ে।

মায়ের কণ্ঠ ছিনিয়ে নিতে এসে যে নিষ্ঠুর অন্ধকার,
তারুণ্যের আগুনে পুড়ে হলো ছাই;
সে অন্ধকার জানে ভাষা মানে নিছক উচ্চারণ নয়,
ভাষা মানে আত্মার গোপন অভিব্যক্তি, জন্মের অধিকার।

ঢাকার রাজপথে সেদিনের ঝরে পড়া রক্ত হয়ে উঠেছিল
বর্ণমালার প্রথম অলংকার;
সেই ক্ষণেই ভাষা আন্দোলন পরিণত হয়েছিলো
চিরন্তন এক মহাকাব্যে।

গুলির শব্দ ছিন্ন করেছিল নীরবতার কফিন,
প্রতিটি তারুণ্যের পতন ছিল এক একটি অক্ষরের পুনর্জন্ম;
শহীদের রক্তে লেখা হয়েছিল যে শপথ,
তা আজও ধ্বনিত হয় প্রতিটি কবিতার অন্ত্যমিলে।

একুশ মানে মাথা নত করা নয়,
একুশ মানে দাঁড়িয়ে ওঠা দৃপ্ত উচ্চারণ;
একুশ মানে মায়ের মুখের ভাষায়
নির্ভীক অদম্যের নামে ভবিষ্যৎকে ডেকে আনা।

প্রতিটি প্রভাতে, ফুলে ভেজা মিনারের পায়ে,
আমরা রেখে যাই আমাদের নীরব কৃতজ্ঞতা;
একুশ আমাদের কাছে কেবলই একটি দিন নয়,
একুশ আমাদের চিরজাগ্রত বাংলার আত্মপরিচয়।

খিলক্ষেত, ঢাকা