ঢাকা ১২:০১ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৫ এপ্রিল ২০২৬, ২ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ
সিলেট-ম্যানচেস্টার রুটে আবারও চালু হচ্ছে বিমানের ফ্লাইট, শুরু হয়েছে টিকিট বিক্রি ঝিনাই নদীর পাড়ে -মমতাজ তপন ধাতব দ্বৈততার মূল্য-ভ্রান্তি মেশকাতুন নাহার গণিত ও বিজ্ঞান শিক্ষায় নারীর পিছিয়ে থাকা: একঅদৃশ্য সংকট অহংকারের অদৃশ্য ভুঁড়ি ও নিঃসঙ্গতার নীরব জ্যামিতি ব্রেক্সিট-পরবর্তী নিয়মে কিছু ক্ষেত্রে ইইউ নাগরিকদের আবাসিক অধিকার বাতিল শুরু করতে যাচ্ছে যুক্তরাজ্য আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে ইউকে ওয়েলস আওয়ামী লীগ নবকন্ঠ ক্ষুদে ফুটবল টুর্নামেন্টে ফ্রান্স টাইগারকে হারিয়ে ফ্রান্স লায়ন বিজয়ী ইরান-যুক্তরাষ্ট্র প্রথম দফার আলোচনা ‘ইতিবাচক’ যুক্তরাষ্ট্র-ইরান যুদ্ধ  নিয়ে এরদোয়ানের সঙ্গে ম্যাক্রোঁর আলোচনা

অক্ষরের রক্তজবা – মাহবুব শাহজালাল

  • আপডেট সময় ০৮:৫৫:২২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২০ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • ৮৪ বার পড়া হয়েছে

ফেব্রুয়ারির কুয়াশা ভেদ করে যে ভোর ওঠে,

তার কপালে আজও রক্তজবার লাল টিপ।
নিস্তব্ধ নগরীর বুকে শোনা যায় পদধ্বনি,
যেন অক্ষরেরা নিজেই হাঁটে ইতিহাসের সাক্ষী হয়ে।

মায়ের কণ্ঠ ছিনিয়ে নিতে এসে যে নিষ্ঠুর অন্ধকার,
তারুণ্যের আগুনে পুড়ে হলো ছাই;
সে অন্ধকার জানে ভাষা মানে নিছক উচ্চারণ নয়,
ভাষা মানে আত্মার গোপন অভিব্যক্তি, জন্মের অধিকার।

ঢাকার রাজপথে সেদিনের ঝরে পড়া রক্ত হয়ে উঠেছিল
বর্ণমালার প্রথম অলংকার;
সেই ক্ষণেই ভাষা আন্দোলন পরিণত হয়েছিলো
চিরন্তন এক মহাকাব্যে।

গুলির শব্দ ছিন্ন করেছিল নীরবতার কফিন,
প্রতিটি তারুণ্যের পতন ছিল এক একটি অক্ষরের পুনর্জন্ম;
শহীদের রক্তে লেখা হয়েছিল যে শপথ,
তা আজও ধ্বনিত হয় প্রতিটি কবিতার অন্ত্যমিলে।

একুশ মানে মাথা নত করা নয়,
একুশ মানে দাঁড়িয়ে ওঠা দৃপ্ত উচ্চারণ;
একুশ মানে মায়ের মুখের ভাষায়
নির্ভীক অদম্যের নামে ভবিষ্যৎকে ডেকে আনা।

প্রতিটি প্রভাতে, ফুলে ভেজা মিনারের পায়ে,
আমরা রেখে যাই আমাদের নীরব কৃতজ্ঞতা;
একুশ আমাদের কাছে কেবলই একটি দিন নয়,
একুশ আমাদের চিরজাগ্রত বাংলার আত্মপরিচয়।

খিলক্ষেত, ঢাকা

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

লক ডাউন পরবর্তী পরিস্থিতি মোকাবেলায় ফ্রান্সে চলছে ব্যাপক প্রস্তুতি

যুক্তরাজ্যে করোনার মধ্যেই শিশুদের মাঝে নতুন রোগের হানা

সিলেট-ম্যানচেস্টার রুটে আবারও চালু হচ্ছে বিমানের ফ্লাইট, শুরু হয়েছে টিকিট বিক্রি

অক্ষরের রক্তজবা – মাহবুব শাহজালাল

আপডেট সময় ০৮:৫৫:২২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২০ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

ফেব্রুয়ারির কুয়াশা ভেদ করে যে ভোর ওঠে,

তার কপালে আজও রক্তজবার লাল টিপ।
নিস্তব্ধ নগরীর বুকে শোনা যায় পদধ্বনি,
যেন অক্ষরেরা নিজেই হাঁটে ইতিহাসের সাক্ষী হয়ে।

মায়ের কণ্ঠ ছিনিয়ে নিতে এসে যে নিষ্ঠুর অন্ধকার,
তারুণ্যের আগুনে পুড়ে হলো ছাই;
সে অন্ধকার জানে ভাষা মানে নিছক উচ্চারণ নয়,
ভাষা মানে আত্মার গোপন অভিব্যক্তি, জন্মের অধিকার।

ঢাকার রাজপথে সেদিনের ঝরে পড়া রক্ত হয়ে উঠেছিল
বর্ণমালার প্রথম অলংকার;
সেই ক্ষণেই ভাষা আন্দোলন পরিণত হয়েছিলো
চিরন্তন এক মহাকাব্যে।

গুলির শব্দ ছিন্ন করেছিল নীরবতার কফিন,
প্রতিটি তারুণ্যের পতন ছিল এক একটি অক্ষরের পুনর্জন্ম;
শহীদের রক্তে লেখা হয়েছিল যে শপথ,
তা আজও ধ্বনিত হয় প্রতিটি কবিতার অন্ত্যমিলে।

একুশ মানে মাথা নত করা নয়,
একুশ মানে দাঁড়িয়ে ওঠা দৃপ্ত উচ্চারণ;
একুশ মানে মায়ের মুখের ভাষায়
নির্ভীক অদম্যের নামে ভবিষ্যৎকে ডেকে আনা।

প্রতিটি প্রভাতে, ফুলে ভেজা মিনারের পায়ে,
আমরা রেখে যাই আমাদের নীরব কৃতজ্ঞতা;
একুশ আমাদের কাছে কেবলই একটি দিন নয়,
একুশ আমাদের চিরজাগ্রত বাংলার আত্মপরিচয়।

খিলক্ষেত, ঢাকা