ঢাকা ০৫:১৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৮ অগাস্ট ২০২৬, ৩ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ
ইনসাফই সমাজের মেরুদণ্ড: ইসলামে সামাজিক সুবিচারের শিক্ষা “নৈঃশব্দ্যের ঋণপত্র”- মেশকাতুন নাহার গ্রেটার সিলেট কমিউনিটি ইউকের ওয়েস্ট মিডল্যান্ডস রিজিওনাল কমিটি গঠন প্রবাসী বাংলাদেশি হজযাত্রীদের সেবায় যুক্তরাজ্যে নতুন সংগঠন PHAAUK ফেঞ্চুগঞ্জে দুই দিনে তিন ইয়াবা ব্যবসায়ী গ্রেপ্তার ফ্রান্সে দারুল ক্বেরাত মজিদিয়া ফুলতলী ট্রাস্টের গ্রীষ্মকালীন কোরআন শিক্ষা প্রশিক্ষণের সমাপনী ও পুরস্কার বিতরণ ফ্রান্সে রাষ্ট্রদূত তালহাকে ঘিরে নতুন গুঞ্জন ২০২৭ সালের হজে প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য নতুন সুযোগ, ধর্ম মন্ত্রণালয়কে ধন্যবাদ সৌদি আরবে কারখানায় অগ্নিকাণ্ডে ১৬ বাংলাদেশি নিহত ফেঞ্চুগঞ্জে পুলিশের অভিযানে কুখ্যাত মাদক ব্যবসায়ী ইয়াবাসহ গ্রেফতার

আমাদের কান চিলেই নেয়…

  • আপডেট সময় ১০:৩৯:৫৬ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৬ জুলাই ২০১৮
  • ৩৬২ বার পড়া হয়েছে

মুক্তিযোদ্ধা কোটা সংরক্ষণে আদালতের যে রায়ের কথা বলা হচ্ছে, তা মূল রায় নয়। এই অংশটা আদালতের পর্যবেক্ষণ (the reservation of 30% quota the children of freedom fighter Shall be followed strictly, aû case if the quota canÕt be filled up the concerned post be kept vacant)
মূল রায় নয়। মূল রায় মানা বাধ্যতামূলক। অমান্য করলে আদালত অবমাননা করা হয়। পর্যবেক্ষণ মানা বাধ্যতামূলক নয়।এই পর্যবেক্ষণেও নাতি-পুতিদেরও (Grand Children) কথা লেখা হয়নি।
ত্রয়োদশ সংশোধনীর মামলায় আদালতের তত্ত্বাবধায়ক সরকার বিষয়ে পর্যবেক্ষণ ছিল, সংসদ চাইলে আরও দুই মেয়াদ তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে নির্বাচন হতে পারে। সরকার তা মানেনি। এতে আদালত অবমাননাও হয়নি। কারণ এটা মূল রায় ছিল না, ছিল পর্যবেক্ষণ।
মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী প্রথম দিন যা বলেছেন, দ্বিতীয় দিন সংসদেও প্রধানমন্ত্রী সেকথাই বলেছেন। হয় মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রীকে ভুল বোঝানো হয়েছে, বা তিনি ভুল বুঝেছেন। প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যও রায়ের সঠিক প্রতিফলন নয়।
তিনি গত ১১ই এপ্রিল কোটা বাতিলের যে ঘোষণা দিয়েছিলেন, ২রা মে বলেছিলেন ‘কোটা বাতিল হয়ে গেছে’- তা থেকে সরে এসে গতকাল বলেছেন, আদালতের রায় থাকায় কোটা বাতিল করা যাবে না।
তাছাড়া এটা মুক্তিযোদ্ধা কোটা থাকা না থাকা বিষয়ক মামলা ছিল না। এটা ছিল ‘Government of Bangladesh vs Jamal Uddin Shikder ’ (2062 of 2013) অন্য একটি মামলার পর্যবেক্ষণ।
দলে এত বড় বড় আইনজীবী আছেন, তাদের কেউ ‘রায়’ আর ‘পর্যবেক্ষণ’র সঠিক ব্যাখ্যাটা দিতে পারলেন না!
সূত্র: ফেসবুক থেকে নেয়া

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

লক ডাউন পরবর্তী পরিস্থিতি মোকাবেলায় ফ্রান্সে চলছে ব্যাপক প্রস্তুতি

যুক্তরাজ্যে করোনার মধ্যেই শিশুদের মাঝে নতুন রোগের হানা

ইনসাফই সমাজের মেরুদণ্ড: ইসলামে সামাজিক সুবিচারের শিক্ষা

আমাদের কান চিলেই নেয়…

আপডেট সময় ১০:৩৯:৫৬ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৬ জুলাই ২০১৮

মুক্তিযোদ্ধা কোটা সংরক্ষণে আদালতের যে রায়ের কথা বলা হচ্ছে, তা মূল রায় নয়। এই অংশটা আদালতের পর্যবেক্ষণ (the reservation of 30% quota the children of freedom fighter Shall be followed strictly, aû case if the quota canÕt be filled up the concerned post be kept vacant)
মূল রায় নয়। মূল রায় মানা বাধ্যতামূলক। অমান্য করলে আদালত অবমাননা করা হয়। পর্যবেক্ষণ মানা বাধ্যতামূলক নয়।এই পর্যবেক্ষণেও নাতি-পুতিদেরও (Grand Children) কথা লেখা হয়নি।
ত্রয়োদশ সংশোধনীর মামলায় আদালতের তত্ত্বাবধায়ক সরকার বিষয়ে পর্যবেক্ষণ ছিল, সংসদ চাইলে আরও দুই মেয়াদ তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে নির্বাচন হতে পারে। সরকার তা মানেনি। এতে আদালত অবমাননাও হয়নি। কারণ এটা মূল রায় ছিল না, ছিল পর্যবেক্ষণ।
মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী প্রথম দিন যা বলেছেন, দ্বিতীয় দিন সংসদেও প্রধানমন্ত্রী সেকথাই বলেছেন। হয় মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রীকে ভুল বোঝানো হয়েছে, বা তিনি ভুল বুঝেছেন। প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যও রায়ের সঠিক প্রতিফলন নয়।
তিনি গত ১১ই এপ্রিল কোটা বাতিলের যে ঘোষণা দিয়েছিলেন, ২রা মে বলেছিলেন ‘কোটা বাতিল হয়ে গেছে’- তা থেকে সরে এসে গতকাল বলেছেন, আদালতের রায় থাকায় কোটা বাতিল করা যাবে না।
তাছাড়া এটা মুক্তিযোদ্ধা কোটা থাকা না থাকা বিষয়ক মামলা ছিল না। এটা ছিল ‘Government of Bangladesh vs Jamal Uddin Shikder ’ (2062 of 2013) অন্য একটি মামলার পর্যবেক্ষণ।
দলে এত বড় বড় আইনজীবী আছেন, তাদের কেউ ‘রায়’ আর ‘পর্যবেক্ষণ’র সঠিক ব্যাখ্যাটা দিতে পারলেন না!
সূত্র: ফেসবুক থেকে নেয়া