ঢাকা ০৮:১৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৫ অগাস্ট ২০২৬, ১০ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ
কনক চাঁপার গানে মাতল প্রবাসী বাংলাদেশিরা, মিলনমেলায় পরিণত জুরিস পার্ক লন্ডনে বাংলাদেশের নতুন হাইকমিশনার আব্দুল মুহিত বিয়ানীবাজার সমাজ কল্যাণ সমিতি’ ফ্রান্স-এর উদ্যোগে ঐক্য সম্প্রীতি, ভ্রাতৃত্ববোধ ও সৌহার্দ্যপূর্ণ সমুদ্র সৈকত ভ্রমন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব রুহুল কবীর রিজভী দেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হয়েছেন মির্জা ফখরুল সরকারের প্রতি সন্তুষ্টি ৫৪ শতাংশ আর প্রধানমন্ত্রীর প্রতি ৬৬ শতাংশ পাথরের শহরে কবিতার খোঁজে ইনসাফই সমাজের মেরুদণ্ড: ইসলামে সামাজিক সুবিচারের শিক্ষা “নৈঃশব্দ্যের ঋণপত্র”- মেশকাতুন নাহার গ্রেটার সিলেট কমিউনিটি ইউকের ওয়েস্ট মিডল্যান্ডস রিজিওনাল কমিটি গঠন

কনক চাঁপার গানে মাতল প্রবাসী বাংলাদেশিরা, মিলনমেলায় পরিণত জুরিস পার্ক

  • আপডেট সময় ০২:০৬:৩৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৫ অগাস্ট ২০২৬
  • ০ বার পড়া হয়েছে

প্যারিসে জমজমাট মৌলভীবাজার জেলা উৎসব-২০২৬

 

মো. জুনেদ আহমদ

প্যারিস প্রতিনিধি: জনপ্রিয় কণ্ঠশিল্পী কনক চাঁপার সংগীত পরিবেশনা, দেশ-বিদেশের শিল্পীদের অংশগ্রহণ এবং বিপুলসংখ্যক প্রবাসী বাংলাদেশির উপস্থিতিতে প্যারিসে অনুষ্ঠিত মৌলভীবাজার জেলা উৎসব-২০২৬ সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে। সোমবার (২৪ আগস্ট) দুপুর ২টা থেকে প্যারিসের Jaurès Park-এ অনুষ্ঠিত এ উৎসবে মৌলভীবাজারসহ বাংলাদেশের বিভিন্ন জেলার প্রবাসীরা পরিবার-পরিজন নিয়ে অংশ নেন। গান, সাংস্কৃতিক পরিবেশনা, আড্ডা ও পারিবারিক আনন্দে উৎসবস্থল পরিণত হয় এক প্রাণবন্ত বাংলাদেশি মিলনমেলায়। উৎসবের প্রধান আকর্ষণ ছিলেন কনক চাঁপা। তাঁর পরিবেশনায় দর্শকদের মধ্যে ব্যাপক উচ্ছ্বাস দেখা যায়। বাংলাদেশ থেকে কনক চাঁপার পাশাপাশি শারমিন দীপু সংগীত পরিবেশন করেন। তাঁর কণ্ঠে ‘পাংকা পাংকা’ গানটি দর্শকদের বিশেষভাবে আনন্দ দেয়। এছাড়া লন্ডন থেকে ওয়াহিদ ও REDz এবং ইতালি থেকে মানসিব অনুষ্ঠানে অংশ নেন। মৌলভীবাজারের তরুণ প্রজন্ম ও যুবসমাজের উদ্যোগে আয়োজন করা হলেও শুরু থেকেই ফ্রান্সে বসবাসরত সব জেলার বাংলাদেশিদের আমন্ত্রণ জানানো হয়। ফলে মৌলভীবাজারের গণ্ডি পেরিয়ে উৎসবটি বৃহত্তর বাংলাদেশি কমিউনিটির মিলনমেলায় রূপ নেয়। উৎসবে শিশু-কিশোরসহ বিভিন্ন বয়সী মানুষের উপস্থিতিও ছিল চোখে পড়ার মতো। আয়োজকদের অন্যতম লক্ষ্য ছিল প্রবাসে বেড়ে ওঠা নতুন প্রজন্মকে বাংলাদেশের গান, সংস্কৃতি ও কমিউনিটির সঙ্গে যুক্ত রাখা এবং পরিবারগুলোর জন্য আনন্দঘন সময়ের সুযোগ তৈরি করা। আয়োজকরা জানান, উৎসবে কোনো টিকিট রাখা হয়নি এবং প্রবেশ ছিল সম্পূর্ণ বিনামূল্যে। দর্শকদের কাছ থেকে প্রবেশমূল্য নেওয়া বা লটারির মাধ্যমে অর্থ সংগ্রহেরও কোনো পরিকল্পনা ছিল না। আয়োজকদের একজন রানা বলেন, প্রবাসীদের আবেগকে ব্যবহার করে ব্যক্তিগত অর্থনৈতিক সুবিধা নেওয়া তাঁদের উদ্দেশ্য নয়। বড় পরিসরের এ আয়োজনে মঞ্চ, সাউন্ড, স্টল এবং দর্শকদের চলাচল ও বসার ব্যবস্থাপনাতেও গুরুত্ব দেওয়া হয়। পেশাদার কনসার্ট মানের সাউন্ড সিস্টেম ও অভিজ্ঞ সাউন্ড ইঞ্জিনিয়ারের তত্ত্বাবধানে অনুষ্ঠান পরিচালিত হয় বলে আয়োজকরা জানান। আয়োজকদের প্রত্যাশা, এ ধরনের আয়োজন ভবিষ্যতে ফ্রান্সে বাংলাদেশি সংস্কৃতি, সামাজিক বন্ধন এবং বিভিন্ন জেলার প্রবাসীদের পারস্পরিক যোগাযোগ আরও শক্তিশালী করবে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

লক ডাউন পরবর্তী পরিস্থিতি মোকাবেলায় ফ্রান্সে চলছে ব্যাপক প্রস্তুতি

যুক্তরাজ্যে করোনার মধ্যেই শিশুদের মাঝে নতুন রোগের হানা

কনক চাঁপার গানে মাতল প্রবাসী বাংলাদেশিরা, মিলনমেলায় পরিণত জুরিস পার্ক

কনক চাঁপার গানে মাতল প্রবাসী বাংলাদেশিরা, মিলনমেলায় পরিণত জুরিস পার্ক

আপডেট সময় ০২:০৬:৩৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৫ অগাস্ট ২০২৬

প্যারিসে জমজমাট মৌলভীবাজার জেলা উৎসব-২০২৬

 

মো. জুনেদ আহমদ

প্যারিস প্রতিনিধি: জনপ্রিয় কণ্ঠশিল্পী কনক চাঁপার সংগীত পরিবেশনা, দেশ-বিদেশের শিল্পীদের অংশগ্রহণ এবং বিপুলসংখ্যক প্রবাসী বাংলাদেশির উপস্থিতিতে প্যারিসে অনুষ্ঠিত মৌলভীবাজার জেলা উৎসব-২০২৬ সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে। সোমবার (২৪ আগস্ট) দুপুর ২টা থেকে প্যারিসের Jaurès Park-এ অনুষ্ঠিত এ উৎসবে মৌলভীবাজারসহ বাংলাদেশের বিভিন্ন জেলার প্রবাসীরা পরিবার-পরিজন নিয়ে অংশ নেন। গান, সাংস্কৃতিক পরিবেশনা, আড্ডা ও পারিবারিক আনন্দে উৎসবস্থল পরিণত হয় এক প্রাণবন্ত বাংলাদেশি মিলনমেলায়। উৎসবের প্রধান আকর্ষণ ছিলেন কনক চাঁপা। তাঁর পরিবেশনায় দর্শকদের মধ্যে ব্যাপক উচ্ছ্বাস দেখা যায়। বাংলাদেশ থেকে কনক চাঁপার পাশাপাশি শারমিন দীপু সংগীত পরিবেশন করেন। তাঁর কণ্ঠে ‘পাংকা পাংকা’ গানটি দর্শকদের বিশেষভাবে আনন্দ দেয়। এছাড়া লন্ডন থেকে ওয়াহিদ ও REDz এবং ইতালি থেকে মানসিব অনুষ্ঠানে অংশ নেন। মৌলভীবাজারের তরুণ প্রজন্ম ও যুবসমাজের উদ্যোগে আয়োজন করা হলেও শুরু থেকেই ফ্রান্সে বসবাসরত সব জেলার বাংলাদেশিদের আমন্ত্রণ জানানো হয়। ফলে মৌলভীবাজারের গণ্ডি পেরিয়ে উৎসবটি বৃহত্তর বাংলাদেশি কমিউনিটির মিলনমেলায় রূপ নেয়। উৎসবে শিশু-কিশোরসহ বিভিন্ন বয়সী মানুষের উপস্থিতিও ছিল চোখে পড়ার মতো। আয়োজকদের অন্যতম লক্ষ্য ছিল প্রবাসে বেড়ে ওঠা নতুন প্রজন্মকে বাংলাদেশের গান, সংস্কৃতি ও কমিউনিটির সঙ্গে যুক্ত রাখা এবং পরিবারগুলোর জন্য আনন্দঘন সময়ের সুযোগ তৈরি করা। আয়োজকরা জানান, উৎসবে কোনো টিকিট রাখা হয়নি এবং প্রবেশ ছিল সম্পূর্ণ বিনামূল্যে। দর্শকদের কাছ থেকে প্রবেশমূল্য নেওয়া বা লটারির মাধ্যমে অর্থ সংগ্রহেরও কোনো পরিকল্পনা ছিল না। আয়োজকদের একজন রানা বলেন, প্রবাসীদের আবেগকে ব্যবহার করে ব্যক্তিগত অর্থনৈতিক সুবিধা নেওয়া তাঁদের উদ্দেশ্য নয়। বড় পরিসরের এ আয়োজনে মঞ্চ, সাউন্ড, স্টল এবং দর্শকদের চলাচল ও বসার ব্যবস্থাপনাতেও গুরুত্ব দেওয়া হয়। পেশাদার কনসার্ট মানের সাউন্ড সিস্টেম ও অভিজ্ঞ সাউন্ড ইঞ্জিনিয়ারের তত্ত্বাবধানে অনুষ্ঠান পরিচালিত হয় বলে আয়োজকরা জানান। আয়োজকদের প্রত্যাশা, এ ধরনের আয়োজন ভবিষ্যতে ফ্রান্সে বাংলাদেশি সংস্কৃতি, সামাজিক বন্ধন এবং বিভিন্ন জেলার প্রবাসীদের পারস্পরিক যোগাযোগ আরও শক্তিশালী করবে।