ঢাকা ০৬:১২ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২০ অগাস্ট ২০২৬, ৫ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ
সরকারের প্রতি সন্তুষ্টি ৫৪ শতাংশ আর প্রধানমন্ত্রীর প্রতি ৬৬ শতাংশ পাথরের শহরে কবিতার খোঁজে ইনসাফই সমাজের মেরুদণ্ড: ইসলামে সামাজিক সুবিচারের শিক্ষা “নৈঃশব্দ্যের ঋণপত্র”- মেশকাতুন নাহার গ্রেটার সিলেট কমিউনিটি ইউকের ওয়েস্ট মিডল্যান্ডস রিজিওনাল কমিটি গঠন প্রবাসী বাংলাদেশি হজযাত্রীদের সেবায় যুক্তরাজ্যে নতুন সংগঠন PHAAUK ফেঞ্চুগঞ্জে দুই দিনে তিন ইয়াবা ব্যবসায়ী গ্রেপ্তার ফ্রান্সে দারুল ক্বেরাত মজিদিয়া ফুলতলী ট্রাস্টের গ্রীষ্মকালীন কোরআন শিক্ষা প্রশিক্ষণের সমাপনী ও পুরস্কার বিতরণ ফ্রান্সে রাষ্ট্রদূত তালহাকে ঘিরে নতুন গুঞ্জন ২০২৭ সালের হজে প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য নতুন সুযোগ, ধর্ম মন্ত্রণালয়কে ধন্যবাদ

ধাতব দ্বৈততার মূল্য-ভ্রান্তি মেশকাতুন নাহার

  • আপডেট সময় ০৯:১৪:৫২ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৩ এপ্রিল ২০২৬
  • ১৫১ বার পড়া হয়েছে
স্বর্ণমুদ্রা ঝলসে ওঠে রাজপথের শীর্ষ আলোয়,
তাম্রমুদ্রা পড়ে থাকে ধুলো জমা পথের ঢালোয়।
দু’টিই গড়া আগুনে, একই দহন, একই ঢালাই,
তবু একটির জন্য মেলা বসে, অন্যটি অবহেলায় ঠাঁই।
স্বর্ণের ঝংকারে খুলে যায় অগণিত দ্বারের কপাট,
তাম্রের স্পর্শে নড়ে না কোনো বন্ধ সম্ভ্রমের আঘাট।
একটি হাতে হাতে ঘুরে ক্ষমতার উষ্ণ পরশে,
অন্যটি হারায় নিঃশব্দে সময়ের দুখের নিঃশ্বাসে।
দু’টিরই ওজন সমান, একই ইতিহাসের রেখা,
তবু রঙের প্রলেপে বদলে যায় মূল্যবোধের লেখা।
স্বর্ণমুদ্রা উঠে যায় সিংহাসনের অলঙ্কার হয়ে,
তাম্রমুদ্রা মিশে থাকে জনতার নীরব ক্ষয়ে।
একটির নামে লেখা হয় কীর্তির দীপ্ত অধ্যায়,
অন্যটির কথা চাপা পড়ে বিস্মৃতির অন্ধকার ছায়ায়।
তবু গভীর খনিতে, সময়ের অদৃশ্য বিচারকালে,
তাম্রমুদ্রাই টিকে থাকে মাটির চিরন্তন জ্বালে।
কারণ স্বর্ণ ক্ষণিক জৌলুস—অবস্থানের উঁচু সিঁড়ি,
তাম্রের বুকে থাকে ইতিহাস—নির্ভীক, নির্লোভ কুঁড়ি।
শেষে সব আলো নিভে গেলে, সব পরিচয় গেলে ঝরে,
ধাতুর সত্যই জাগে—সমতার নির্মম সত্যের নীড়ে।
ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

লক ডাউন পরবর্তী পরিস্থিতি মোকাবেলায় ফ্রান্সে চলছে ব্যাপক প্রস্তুতি

যুক্তরাজ্যে করোনার মধ্যেই শিশুদের মাঝে নতুন রোগের হানা

সরকারের প্রতি সন্তুষ্টি ৫৪ শতাংশ আর প্রধানমন্ত্রীর প্রতি ৬৬ শতাংশ

ধাতব দ্বৈততার মূল্য-ভ্রান্তি মেশকাতুন নাহার

আপডেট সময় ০৯:১৪:৫২ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৩ এপ্রিল ২০২৬
স্বর্ণমুদ্রা ঝলসে ওঠে রাজপথের শীর্ষ আলোয়,
তাম্রমুদ্রা পড়ে থাকে ধুলো জমা পথের ঢালোয়।
দু’টিই গড়া আগুনে, একই দহন, একই ঢালাই,
তবু একটির জন্য মেলা বসে, অন্যটি অবহেলায় ঠাঁই।
স্বর্ণের ঝংকারে খুলে যায় অগণিত দ্বারের কপাট,
তাম্রের স্পর্শে নড়ে না কোনো বন্ধ সম্ভ্রমের আঘাট।
একটি হাতে হাতে ঘুরে ক্ষমতার উষ্ণ পরশে,
অন্যটি হারায় নিঃশব্দে সময়ের দুখের নিঃশ্বাসে।
দু’টিরই ওজন সমান, একই ইতিহাসের রেখা,
তবু রঙের প্রলেপে বদলে যায় মূল্যবোধের লেখা।
স্বর্ণমুদ্রা উঠে যায় সিংহাসনের অলঙ্কার হয়ে,
তাম্রমুদ্রা মিশে থাকে জনতার নীরব ক্ষয়ে।
একটির নামে লেখা হয় কীর্তির দীপ্ত অধ্যায়,
অন্যটির কথা চাপা পড়ে বিস্মৃতির অন্ধকার ছায়ায়।
তবু গভীর খনিতে, সময়ের অদৃশ্য বিচারকালে,
তাম্রমুদ্রাই টিকে থাকে মাটির চিরন্তন জ্বালে।
কারণ স্বর্ণ ক্ষণিক জৌলুস—অবস্থানের উঁচু সিঁড়ি,
তাম্রের বুকে থাকে ইতিহাস—নির্ভীক, নির্লোভ কুঁড়ি।
শেষে সব আলো নিভে গেলে, সব পরিচয় গেলে ঝরে,
ধাতুর সত্যই জাগে—সমতার নির্মম সত্যের নীড়ে।