ঢাকা ০৪:৫২ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৬, ৭ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ
ফ্রান্স-ভারতে দাঙ্গা-বিক্ষোভ একই সূত্রে গাঁথা! সৌদি সফরে গেলেন ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট কমে আসছে ইইউর গ্যাস মজুত প্যারিসের দাঙ্গায় মেসির স্মারক জার্সি লুট প্যারিসে ক্ষতিগ্রস্ত বাংলাদেশি ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান পরিদর্শনে কমিউনিটির প্রতিনিধি দল প্যারিসে শেষ হলো আন্তর্জাতিক খাদ্য মেলা ‘সিয়াল প্যারিস ২০২৬’ ফ্রান্সে লুট হওয়া পণ্য বিক্রি হচ্ছে অনলাইনে! ফ্রান্সে লুটের পণ্য বিক্রি ঠেকাতে ভিন্টেডের পদক্ষেপ ফ্রান্সে বিক্ষোভ ঘিরে ব্যাপক সহিংসতা, লুটপাট ও অগ্নিসংযোগ: ক্ষতিগ্রস্ত দেড় হাজার ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান, সহায়তার উদ্যোগ সরকারের রোমে ওয়ার্ল্ড ফুড ফোরাম ২০২৬-এ বাংলাদেশের সক্রিয় অংশগ্রহণ

পর্তুগালে অনিশ্চয়তায় অভিবাসী শ্রমিকরা

  • আপডেট সময় ০২:০১:৩৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ২২ জুন ২০২৬
  • ৬৪ বার পড়া হয়েছে

ডেস্ক রিপোর্ট

পর্তুগালে অনিয়মিত অভিবাসন ঠেকাতে দেশজুড়ে চিরুনি অভিযান শুরু করেছে দেশটির নিরাপত্তা বাহিনী। এতে অনেক অভিবাসী শ্রমিকের মধ্যে উদ্বেগ ও অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে।

দেশটির ন্যাশনাল রিপাবলিকান গার্ড (এনআরজি) জানিয়েছে, ২০২৬ সালের শুরু থেকে স্থল, সমুদ্র ও আকাশপথে পরিচালিত বিভিন্ন অভিযানে ৩০০ জনের বেশি অনিয়মিত অভিবাসীকে শনাক্ত করা হয়েছে। এছাড়া প্রায় ১৫০ জনকে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে স্বেচ্ছায় দেশ ত্যাগের নোটিশ দেওয়া হয়েছে।

সাম্প্রতিক সময়ে কৃষি এলাকা, স্ট্রবেরি খামার, রেলস্টেশন, প্রধান সড়ক ও সমুদ্র উপকূলীয় এলাকায় তল্লাশি বাড়ানো হয়েছে। বিশেষ করে শ্রমিকনির্ভর কৃষি খাতে এই অভিযান বেশি চালানো হচ্ছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, শনাক্ত হওয়া অভিবাসীদের বড় একটি অংশ দক্ষিণ এশিয়া ও পশ্চিম আফ্রিকার বিভিন্ন দেশের নাগরিক। এর মধ্যে ভারত, নেপাল ও গিনি-বিসাউয়ের শ্রমিকের সংখ্যা বেশি।

অনেক অভিবাসী উন্নত জীবনের আশায় পর্তুগালে এলেও সেখানে গিয়ে নানা সমস্যার মুখে পড়ছেন। আইনি কাগজপত্র না থাকায় অনেকেই কম মজুরিতে দীর্ঘ সময় কাজ করতে বাধ্য হন। এছাড়া উচ্চ বাড়িভাড়া, অস্বাস্থ্যকর বাসস্থান, দীর্ঘ কর্মঘণ্টা এবং পরিবারের জন্য টাকা পাঠানোর চাপ তাদের জীবনকে আরও কঠিন করে তুলেছে।

মানবাধিকার কর্মীরা বলছেন, ভাষাগত সমস্যা ও আইনি জটিলতার কারণে অনেক অভিবাসী নিজেদের অধিকার সম্পর্কেও সচেতন নন। ফলে তারা সহজেই শোষণের শিকার হচ্ছেন।

তবে এনআরজির এক মুখপাত্র জানিয়েছেন, এই অভিযান কোনো নির্দিষ্ট দেশের নাগরিকদের লক্ষ্য করে নয়। মানবপাচার বন্ধ করা এবং অবৈধভাবে বসবাস ও কাজের সুযোগ কমিয়ে আনাই এই অভিযানের মূল উদ্দেশ্য।

তিনি আরও বলেন, ভবিষ্যতে অবৈধ কর্মসংস্থান প্রদানকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর বিরুদ্ধেও কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

বর্তমানে আটক অভিবাসীদের কাগজপত্র যাচাই করা হচ্ছে। যাদের দেশ ছাড়ার নোটিশ দেওয়া হয়েছে, তারা নির্ধারিত সময়ের মধ্যে দেশ না ছাড়লে তাদের নিজ দেশে ফেরত পাঠানো হতে পারে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

লক ডাউন পরবর্তী পরিস্থিতি মোকাবেলায় ফ্রান্সে চলছে ব্যাপক প্রস্তুতি

যুক্তরাজ্যে করোনার মধ্যেই শিশুদের মাঝে নতুন রোগের হানা

ফ্রান্স-ভারতে দাঙ্গা-বিক্ষোভ একই সূত্রে গাঁথা!

পর্তুগালে অনিশ্চয়তায় অভিবাসী শ্রমিকরা

আপডেট সময় ০২:০১:৩৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ২২ জুন ২০২৬

ডেস্ক রিপোর্ট

পর্তুগালে অনিয়মিত অভিবাসন ঠেকাতে দেশজুড়ে চিরুনি অভিযান শুরু করেছে দেশটির নিরাপত্তা বাহিনী। এতে অনেক অভিবাসী শ্রমিকের মধ্যে উদ্বেগ ও অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে।

দেশটির ন্যাশনাল রিপাবলিকান গার্ড (এনআরজি) জানিয়েছে, ২০২৬ সালের শুরু থেকে স্থল, সমুদ্র ও আকাশপথে পরিচালিত বিভিন্ন অভিযানে ৩০০ জনের বেশি অনিয়মিত অভিবাসীকে শনাক্ত করা হয়েছে। এছাড়া প্রায় ১৫০ জনকে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে স্বেচ্ছায় দেশ ত্যাগের নোটিশ দেওয়া হয়েছে।

সাম্প্রতিক সময়ে কৃষি এলাকা, স্ট্রবেরি খামার, রেলস্টেশন, প্রধান সড়ক ও সমুদ্র উপকূলীয় এলাকায় তল্লাশি বাড়ানো হয়েছে। বিশেষ করে শ্রমিকনির্ভর কৃষি খাতে এই অভিযান বেশি চালানো হচ্ছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, শনাক্ত হওয়া অভিবাসীদের বড় একটি অংশ দক্ষিণ এশিয়া ও পশ্চিম আফ্রিকার বিভিন্ন দেশের নাগরিক। এর মধ্যে ভারত, নেপাল ও গিনি-বিসাউয়ের শ্রমিকের সংখ্যা বেশি।

অনেক অভিবাসী উন্নত জীবনের আশায় পর্তুগালে এলেও সেখানে গিয়ে নানা সমস্যার মুখে পড়ছেন। আইনি কাগজপত্র না থাকায় অনেকেই কম মজুরিতে দীর্ঘ সময় কাজ করতে বাধ্য হন। এছাড়া উচ্চ বাড়িভাড়া, অস্বাস্থ্যকর বাসস্থান, দীর্ঘ কর্মঘণ্টা এবং পরিবারের জন্য টাকা পাঠানোর চাপ তাদের জীবনকে আরও কঠিন করে তুলেছে।

মানবাধিকার কর্মীরা বলছেন, ভাষাগত সমস্যা ও আইনি জটিলতার কারণে অনেক অভিবাসী নিজেদের অধিকার সম্পর্কেও সচেতন নন। ফলে তারা সহজেই শোষণের শিকার হচ্ছেন।

তবে এনআরজির এক মুখপাত্র জানিয়েছেন, এই অভিযান কোনো নির্দিষ্ট দেশের নাগরিকদের লক্ষ্য করে নয়। মানবপাচার বন্ধ করা এবং অবৈধভাবে বসবাস ও কাজের সুযোগ কমিয়ে আনাই এই অভিযানের মূল উদ্দেশ্য।

তিনি আরও বলেন, ভবিষ্যতে অবৈধ কর্মসংস্থান প্রদানকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর বিরুদ্ধেও কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

বর্তমানে আটক অভিবাসীদের কাগজপত্র যাচাই করা হচ্ছে। যাদের দেশ ছাড়ার নোটিশ দেওয়া হয়েছে, তারা নির্ধারিত সময়ের মধ্যে দেশ না ছাড়লে তাদের নিজ দেশে ফেরত পাঠানো হতে পারে।