ঢাকা ১০:৩৬ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ৫ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ
ফ্রান্সের পৌর নির্বাচনে ডেপুটি এবং কাউন্সিলর পদে লড়ছে বাংলাদেশী বংশোদ্ভূত ফরাসীরা সত্যিকার অর্থেই দারুণ প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ নির্বাচন হয়েছে: ইইউ পর্যবেক্ষণ মিশন বিএনপির ভূমিধস জয় অনিয়ম ও জাল ভোট: প্রতিকার পেতে কোথায় অভিযোগ করবেন? যুক্তরাজ্যের রাজনীতিতে নতুন সমীকরণ: শাবানা মাহমুদ কি হচ্ছেন সম্ভাব্য উত্তরসূরি? স্বতন্ত্র মাধ্যমিক শিক্ষা অধিদপ্তর প্রতিষ্ঠা সময়ের দাবি শেষ মুহূর্তের জরিপে নির্বাচনের সম্ভাব্য চিত্র: কে কত আসনে এগিয়ে? নিরাপত্তা ও অর্থনীতিতে অভিবাসী অন্তর্ভুক্তির গুরুত্ব,রোমে অনুষ্ঠিত হলো নিরাপদ অন্তর্ভুক্তি শীর্ষক সেমিনার ফ্রান্সে মৌলভীবাজার-২ আসনে ধানের শীষ প্রার্থী শকুর সমর্থনে মতবিনিময় সভা ভোটকেন্দ্র কোথায়? জেনে নিন সহজ চার উপায়ে

মোর ক্ষতের প্রলেপ – রকিবুল ইসলাম

  • আপডেট সময় ১০:৫১:৪২ অপরাহ্ন, রবিবার, ৮ সেপ্টেম্বর ২০২৪
  • ২৪৩ বার পড়া হয়েছে
মোর ক্ষতের প্রলেপ!
রকিবুল ইসলাম
আমিত কাহারো অবহেলার স্বীকার মর্মন্তুদ এক আহত প্রাণী।
প্রগাঢ় অভিমান লইয়া কালের চোরা স্রোতে
তলাইয়া যাইতে বসা এক অসহায় যাত্রী।
নিঃসীম আঁধারবেষ্টিত রজনীতে আলোর পিদিম হস্তে অপেক্ষামাণ সতত নিষ্পলক এক চাতক পাখি।
ঝড়-ঝঁঞ্ঝা বিক্ষুব্ধ নিশীথে সবকিছু হারাইয়া ফেলা সর্বহারা এক ফেরারী মাঝি।
স্বপ্ন’ই যাহার একমাত্র আলোকবর্তিকা,
আশা-আকঙ্খা-ই যাহার অবলম্বন,সবেধন নীলমণি,একমাত্র তরী।
মহারাণী যখন আসিল না ফিরিয়া,
প্রতীক্ষা ব্যতীত কি আর করি!
শত-সহস্র বেদনা লুকাইয়া অশ্রুসজল নেত্রে শুধু তাহারেই স্মরি!
তাহার স্মৃতি হাতড়াইয়া বেড়াইবার
অধিকারটুকুও যদি সে নেয় কাঁড়িয়া।
পাড়ি জমাইব,যাইব তবে এই ধরণী ছাড়িয়া ওপারে না ফিরিবার দেশে হারাইয়া।
কাঁদিওনা তখন,ঝরাইওনা তোমার নেত্র হইতে বিসর্জিত মুক্তবিন্দুর মত অশ্রু।
সযতনে রাখিও তাহা,মোর ক্ষতে প্রলেপ দিবার লাগিয়া।
ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

লক ডাউন পরবর্তী পরিস্থিতি মোকাবেলায় ফ্রান্সে চলছে ব্যাপক প্রস্তুতি

যুক্তরাজ্যে করোনার মধ্যেই শিশুদের মাঝে নতুন রোগের হানা

ফ্রান্সের পৌর নির্বাচনে ডেপুটি এবং কাউন্সিলর পদে লড়ছে বাংলাদেশী বংশোদ্ভূত ফরাসীরা

মোর ক্ষতের প্রলেপ – রকিবুল ইসলাম

আপডেট সময় ১০:৫১:৪২ অপরাহ্ন, রবিবার, ৮ সেপ্টেম্বর ২০২৪
মোর ক্ষতের প্রলেপ!
রকিবুল ইসলাম
আমিত কাহারো অবহেলার স্বীকার মর্মন্তুদ এক আহত প্রাণী।
প্রগাঢ় অভিমান লইয়া কালের চোরা স্রোতে
তলাইয়া যাইতে বসা এক অসহায় যাত্রী।
নিঃসীম আঁধারবেষ্টিত রজনীতে আলোর পিদিম হস্তে অপেক্ষামাণ সতত নিষ্পলক এক চাতক পাখি।
ঝড়-ঝঁঞ্ঝা বিক্ষুব্ধ নিশীথে সবকিছু হারাইয়া ফেলা সর্বহারা এক ফেরারী মাঝি।
স্বপ্ন’ই যাহার একমাত্র আলোকবর্তিকা,
আশা-আকঙ্খা-ই যাহার অবলম্বন,সবেধন নীলমণি,একমাত্র তরী।
মহারাণী যখন আসিল না ফিরিয়া,
প্রতীক্ষা ব্যতীত কি আর করি!
শত-সহস্র বেদনা লুকাইয়া অশ্রুসজল নেত্রে শুধু তাহারেই স্মরি!
তাহার স্মৃতি হাতড়াইয়া বেড়াইবার
অধিকারটুকুও যদি সে নেয় কাঁড়িয়া।
পাড়ি জমাইব,যাইব তবে এই ধরণী ছাড়িয়া ওপারে না ফিরিবার দেশে হারাইয়া।
কাঁদিওনা তখন,ঝরাইওনা তোমার নেত্র হইতে বিসর্জিত মুক্তবিন্দুর মত অশ্রু।
সযতনে রাখিও তাহা,মোর ক্ষতে প্রলেপ দিবার লাগিয়া।