ঢাকা ০৫:২১ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৪ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ
১ নভেম্বর, লন্ডনে চট্টগ্রাম উৎসব ২০২৬ অনুষ্ঠিত হবে কমনওয়েলথ ক্রিকেট টুর্নামেন্টে বাংলাদেশ দূতাবাসের টানা চতুর্থ শিরোপা অস্ট্রেলিয়ায় ডিপ্লোমায় শিক্ষার্থী টানতে ছাড় প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য বিশেষ বিজ্ঞপ্তি সংকটের মধ্যে জ্বালানির মূল্য নিয়ে সতর্ক করল ইইউ ফ্রান্সে আবারও বাড়ছে করোনা সংক্রমণ, তবে পরিস্থিতি এখনো নিয়ন্ত্রণে আদর্শ মানুষ হতে আব্দুল হান্নান চৌধুরীর জীবন থেকে শিক্ষা নিতে হবে ‎: ভিসি ড. মোহাম্মদ জহিরুল হক আনন্দ-উচ্ছ্বাসে মহিলা সংস্থা ইতালির বনভোজন দেশের স্বাদ, প্রবাসের আভিজাত্য—রোমে বর্ণিল আলোকসজ্জা, নান্দনিক ডেকোরেশন শখের হাঁড়ি’ রেস্টুরেন্টের যাত্রা প্যারিসের ১৮তম অ্যারোন্দিসমঁতে বিশ্ব পরিচ্ছন্নতা দিবসে ৩৫০ স্বেচ্ছাসেবীর পরিচ্ছন্নতা অভিযান

ঋণগ্রস্ত ব্যক্তি কী কোরবানি দিতে পারবেন?

  • আপডেট সময় ০১:৫৩:১৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৫ মে ২০২৬
  • ১৫৭ বার পড়া হয়েছে

ইসলাম ডেস্ক

কোরবানির বিধানে আছে আত্মত্যাগের ঐতিহাসিক মহিমা। মহান আল্লাহতায়ালার সন্তুষ্টি অর্জনের জন্য হযরত ইবরাহিম (আ.) ও তার শিশুপুত্র ইসমাইল (আ.)-এর আত্মবিসর্জন কেয়ামত পর্যন্ত প্রতিটি মুমিনের জন্য এক অনন্য শিক্ষা।

কোরবানি প্রত্যেক সামর্থ্যবান নরনারীর জন্য ওয়াজিব। যাকাত এবং কোরবানির জন্য নিসাব পরিমাণ সম্পদ থাকা জরুরি। তবে যাকাত আদায়ের জন্য সম্পদ পুরো এক বছর থাকা আবশ্যক। কিন্তু কোরবানির নিসাবের ক্ষেত্রে বছর অতিক্রম করা শর্ত নয়। বরং জিলহজের ১০ তারিখ ফজর থেকে ১২ জিলহজ সূর্যাস্তের মধ্যে যেকোনো সময় নিসাবের মালিক হলে তার ওপর কোরবানি ওয়াজিব হবে। বছর অতিক্রম হয়েছে কি হয়নি; তা দেখা হবে না। (আহসানুল ফাতাওয়া: ৭/৫০৬)

এখন প্রশ্ন হলো, যে ব্যক্তি ঋণগ্রস্ত, তার ওপর কোরবানি ওয়াজিব কি না। ইসলামি শরিয়ত অনুযায়ী, নিসাব পরিমাণ সম্পদের মালিক যদি কোরবানির দিনগুলোতে সাময়িক ঋণগ্রস্ত থাকেন, যা পরিশোধ করে দিলে তার কাছে প্রয়োজনের অতিরিক্ত নিসাব পরিমাণ সম্পদ বাকি থাকে না, তাহলে তার ওপর কোরবানি ওয়াজিব হবে না। আর যদি ঋণ আদায় করে দিলেও নিসাব পরিমাণ সম্পদ বাকি থাকে তাহলে তার ‍ওপর কোরবানি ওয়াজিব হবে। (বাদায়েউস সানায়ে ৪/১৯৬; ফাতাওয়া হিন্দিয়া ৫/২৯২)কোরবানির নিসাবের ক্ষেত্রে হিসাবযোগ্য পণ্য হলো: টাকা-পয়সা, সোনা-রুপা, অলংকার, বসবাস ও খোরাকির প্রয়োজন আসে না- এমন জমি, প্রয়োজনের অতিরিক্ত বাড়ি-গাড়ি, ব্যবসায়িক পণ্য ও অপ্রয়োজনীয় সব আসবাব।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

লক ডাউন পরবর্তী পরিস্থিতি মোকাবেলায় ফ্রান্সে চলছে ব্যাপক প্রস্তুতি

যুক্তরাজ্যে করোনার মধ্যেই শিশুদের মাঝে নতুন রোগের হানা

১ নভেম্বর, লন্ডনে চট্টগ্রাম উৎসব ২০২৬ অনুষ্ঠিত হবে

ঋণগ্রস্ত ব্যক্তি কী কোরবানি দিতে পারবেন?

আপডেট সময় ০১:৫৩:১৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৫ মে ২০২৬

ইসলাম ডেস্ক

কোরবানির বিধানে আছে আত্মত্যাগের ঐতিহাসিক মহিমা। মহান আল্লাহতায়ালার সন্তুষ্টি অর্জনের জন্য হযরত ইবরাহিম (আ.) ও তার শিশুপুত্র ইসমাইল (আ.)-এর আত্মবিসর্জন কেয়ামত পর্যন্ত প্রতিটি মুমিনের জন্য এক অনন্য শিক্ষা।

কোরবানি প্রত্যেক সামর্থ্যবান নরনারীর জন্য ওয়াজিব। যাকাত এবং কোরবানির জন্য নিসাব পরিমাণ সম্পদ থাকা জরুরি। তবে যাকাত আদায়ের জন্য সম্পদ পুরো এক বছর থাকা আবশ্যক। কিন্তু কোরবানির নিসাবের ক্ষেত্রে বছর অতিক্রম করা শর্ত নয়। বরং জিলহজের ১০ তারিখ ফজর থেকে ১২ জিলহজ সূর্যাস্তের মধ্যে যেকোনো সময় নিসাবের মালিক হলে তার ওপর কোরবানি ওয়াজিব হবে। বছর অতিক্রম হয়েছে কি হয়নি; তা দেখা হবে না। (আহসানুল ফাতাওয়া: ৭/৫০৬)

এখন প্রশ্ন হলো, যে ব্যক্তি ঋণগ্রস্ত, তার ওপর কোরবানি ওয়াজিব কি না। ইসলামি শরিয়ত অনুযায়ী, নিসাব পরিমাণ সম্পদের মালিক যদি কোরবানির দিনগুলোতে সাময়িক ঋণগ্রস্ত থাকেন, যা পরিশোধ করে দিলে তার কাছে প্রয়োজনের অতিরিক্ত নিসাব পরিমাণ সম্পদ বাকি থাকে না, তাহলে তার ওপর কোরবানি ওয়াজিব হবে না। আর যদি ঋণ আদায় করে দিলেও নিসাব পরিমাণ সম্পদ বাকি থাকে তাহলে তার ‍ওপর কোরবানি ওয়াজিব হবে। (বাদায়েউস সানায়ে ৪/১৯৬; ফাতাওয়া হিন্দিয়া ৫/২৯২)কোরবানির নিসাবের ক্ষেত্রে হিসাবযোগ্য পণ্য হলো: টাকা-পয়সা, সোনা-রুপা, অলংকার, বসবাস ও খোরাকির প্রয়োজন আসে না- এমন জমি, প্রয়োজনের অতিরিক্ত বাড়ি-গাড়ি, ব্যবসায়িক পণ্য ও অপ্রয়োজনীয় সব আসবাব।