ঢাকা ০১:০৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৬, ৮ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ
ফ্রান্স-ভারতে দাঙ্গা-বিক্ষোভ একই সূত্রে গাঁথা! সৌদি সফরে গেলেন ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট কমে আসছে ইইউর গ্যাস মজুত প্যারিসের দাঙ্গায় মেসির স্মারক জার্সি লুট প্যারিসে ক্ষতিগ্রস্ত বাংলাদেশি ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান পরিদর্শনে কমিউনিটির প্রতিনিধি দল প্যারিসে শেষ হলো আন্তর্জাতিক খাদ্য মেলা ‘সিয়াল প্যারিস ২০২৬’ ফ্রান্সে লুট হওয়া পণ্য বিক্রি হচ্ছে অনলাইনে! ফ্রান্সে লুটের পণ্য বিক্রি ঠেকাতে ভিন্টেডের পদক্ষেপ ফ্রান্সে বিক্ষোভ ঘিরে ব্যাপক সহিংসতা, লুটপাট ও অগ্নিসংযোগ: ক্ষতিগ্রস্ত দেড় হাজার ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান, সহায়তার উদ্যোগ সরকারের রোমে ওয়ার্ল্ড ফুড ফোরাম ২০২৬-এ বাংলাদেশের সক্রিয় অংশগ্রহণ

পশ্চিমবঙ্গে বিজেপির গেম চেঞ্জার ৬ জন

  • আপডেট সময় ০৪:২২:০১ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৫ মে ২০২৬
  • ৮০ বার পড়া হয়েছে

দর্পণ ডেস্ক

পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপির সাফল্যের পেছনে ছয়জন কেন্দ্রীয় নেতার সমন্বিত কৌশল কাজ করেছে। এদের মধ্যে প্রধান ভূমিকা পালন করেছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ, যিনি দীর্ঘ সময় রাজ্যে অবস্থান করে পুরো প্রচার ও সাংগঠনিক কার্যক্রম তদারকি করেন।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যম আনন্দবাজার পত্রিকার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, অমিত শাহ পশ্চিমবঙ্গে টানা ১৪ দিন অবস্থান করে নির্বাচনী কৌশল বাস্তবায়নে নেতৃত্ব দেন। এই সময় তিনি একাধিক জনসভা, রোডশো এবং সাংগঠনিক বৈঠকে অংশ নেন। রাত গভীর পর্যন্ত দলের নেতাদের সঙ্গে বৈঠক করে মাঠপর্যায়ের কার্যক্রম সমন্বয় করেন।

নির্বাচনী প্রচারে তিনি সরকারি কর্মীদের জন্য সপ্তম বেতন কমিশন কার্যকর করা এবং ‘দুষ্কৃতী ও অনুপ্রবেশকারীদের’ বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেন।

অমিত শাহ ছাড়াও আরও পাঁচজন কেন্দ্রীয় নেতা নির্বাচনী কৌশল বাস্তবায়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন।

ধর্মেন্দ্র প্রধান পুরো নির্বাচনী প্রচারের প্রধান কৌশল নির্ধারক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। তিনি কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব ও রাজ্য ইউনিটের মধ্যে সমন্বয় গড়ে তোলেন এবং সম্পদ ব্যবস্থাপনা ও সফর পরিকল্পনা তদারকি করেন।

ভূপেন্দ্র যাদব বুথ পর্যায় পর্যন্ত সাংগঠনিক কাঠামো শক্তিশালী করেন এবং নির্বাচনী প্রক্রিয়ার আইনি বিষয়গুলো তদারকি করেন।

সুনীল বানসাল ‘পন্না প্রধান’দের মাধ্যমে একটি শক্তিশালী বুথভিত্তিক নেটওয়ার্ক গড়ে তোলেন, যা মাঠপর্যায়ে দলের কার্যক্রমকে সুসংগঠিত করে।kolaj

ত্রিপুরার সাবেক মুখ্যমন্ত্রী বিপ্লব দেব বিভিন্ন অঞ্চলে প্রচার চালিয়ে কর্মীদের সক্রিয় রাখেন এবং আক্রমণাত্মক প্রচার কৌশল গড়ে তুলতে ভূমিকা রাখেন।

ডিজিটাল প্রচারে নেতৃত্ব দেন অমিত মালব্য। তিনি বিভিন্ন ইস্যুকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তুলে ধরে জনমত প্রভাবিত করার চেষ্টা করেন এবং প্রতিপক্ষের প্রচারণার বিরুদ্ধে পাল্টা বর্ণনা দাঁড় করান।

দলগত সাংগঠনিক দক্ষতা, মাঠপর্যায়ের সক্রিয়তা এবং ডিজিটাল প্রচারের সমন্বয়ই বিজেপির এই সাফল্যের পেছনে মূল ভূমিকা রেখেছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

লক ডাউন পরবর্তী পরিস্থিতি মোকাবেলায় ফ্রান্সে চলছে ব্যাপক প্রস্তুতি

যুক্তরাজ্যে করোনার মধ্যেই শিশুদের মাঝে নতুন রোগের হানা

ফ্রান্স-ভারতে দাঙ্গা-বিক্ষোভ একই সূত্রে গাঁথা!

পশ্চিমবঙ্গে বিজেপির গেম চেঞ্জার ৬ জন

আপডেট সময় ০৪:২২:০১ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৫ মে ২০২৬

দর্পণ ডেস্ক

পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপির সাফল্যের পেছনে ছয়জন কেন্দ্রীয় নেতার সমন্বিত কৌশল কাজ করেছে। এদের মধ্যে প্রধান ভূমিকা পালন করেছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ, যিনি দীর্ঘ সময় রাজ্যে অবস্থান করে পুরো প্রচার ও সাংগঠনিক কার্যক্রম তদারকি করেন।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যম আনন্দবাজার পত্রিকার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, অমিত শাহ পশ্চিমবঙ্গে টানা ১৪ দিন অবস্থান করে নির্বাচনী কৌশল বাস্তবায়নে নেতৃত্ব দেন। এই সময় তিনি একাধিক জনসভা, রোডশো এবং সাংগঠনিক বৈঠকে অংশ নেন। রাত গভীর পর্যন্ত দলের নেতাদের সঙ্গে বৈঠক করে মাঠপর্যায়ের কার্যক্রম সমন্বয় করেন।

নির্বাচনী প্রচারে তিনি সরকারি কর্মীদের জন্য সপ্তম বেতন কমিশন কার্যকর করা এবং ‘দুষ্কৃতী ও অনুপ্রবেশকারীদের’ বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেন।

অমিত শাহ ছাড়াও আরও পাঁচজন কেন্দ্রীয় নেতা নির্বাচনী কৌশল বাস্তবায়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন।

ধর্মেন্দ্র প্রধান পুরো নির্বাচনী প্রচারের প্রধান কৌশল নির্ধারক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। তিনি কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব ও রাজ্য ইউনিটের মধ্যে সমন্বয় গড়ে তোলেন এবং সম্পদ ব্যবস্থাপনা ও সফর পরিকল্পনা তদারকি করেন।

ভূপেন্দ্র যাদব বুথ পর্যায় পর্যন্ত সাংগঠনিক কাঠামো শক্তিশালী করেন এবং নির্বাচনী প্রক্রিয়ার আইনি বিষয়গুলো তদারকি করেন।

সুনীল বানসাল ‘পন্না প্রধান’দের মাধ্যমে একটি শক্তিশালী বুথভিত্তিক নেটওয়ার্ক গড়ে তোলেন, যা মাঠপর্যায়ে দলের কার্যক্রমকে সুসংগঠিত করে।kolaj

ত্রিপুরার সাবেক মুখ্যমন্ত্রী বিপ্লব দেব বিভিন্ন অঞ্চলে প্রচার চালিয়ে কর্মীদের সক্রিয় রাখেন এবং আক্রমণাত্মক প্রচার কৌশল গড়ে তুলতে ভূমিকা রাখেন।

ডিজিটাল প্রচারে নেতৃত্ব দেন অমিত মালব্য। তিনি বিভিন্ন ইস্যুকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তুলে ধরে জনমত প্রভাবিত করার চেষ্টা করেন এবং প্রতিপক্ষের প্রচারণার বিরুদ্ধে পাল্টা বর্ণনা দাঁড় করান।

দলগত সাংগঠনিক দক্ষতা, মাঠপর্যায়ের সক্রিয়তা এবং ডিজিটাল প্রচারের সমন্বয়ই বিজেপির এই সাফল্যের পেছনে মূল ভূমিকা রেখেছে।