ঢাকা ০৮:৫৭ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৪ অগাস্ট ২০২৬, ৯ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ
বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব রুহুল কবীর রিজভী দেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হয়েছেন মির্জা ফখরুল সরকারের প্রতি সন্তুষ্টি ৫৪ শতাংশ আর প্রধানমন্ত্রীর প্রতি ৬৬ শতাংশ পাথরের শহরে কবিতার খোঁজে ইনসাফই সমাজের মেরুদণ্ড: ইসলামে সামাজিক সুবিচারের শিক্ষা “নৈঃশব্দ্যের ঋণপত্র”- মেশকাতুন নাহার গ্রেটার সিলেট কমিউনিটি ইউকের ওয়েস্ট মিডল্যান্ডস রিজিওনাল কমিটি গঠন প্রবাসী বাংলাদেশি হজযাত্রীদের সেবায় যুক্তরাজ্যে নতুন সংগঠন PHAAUK ফেঞ্চুগঞ্জে দুই দিনে তিন ইয়াবা ব্যবসায়ী গ্রেপ্তার ফ্রান্সে দারুল ক্বেরাত মজিদিয়া ফুলতলী ট্রাস্টের গ্রীষ্মকালীন কোরআন শিক্ষা প্রশিক্ষণের সমাপনী ও পুরস্কার বিতরণ

সিলেটের দক্ষিণ সুরমা আওয়ামীলীগের সম্মেলনকে ঘিরে উচ্ছ্বসিত নেতাকর্মী

  • আপডেট সময় ১০:৩৫:২৯ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৫ নভেম্বর ২০১৯
  • ১৮৫ বার পড়া হয়েছে

সিলেটের দক্ষিণ সুরমা উপজেলা আওয়ামী লীগের কাউন্সিল আগামী ১৭ নভেম্বর। কাউন্সিলকে ঘিরে নেতাকর্মীদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ উদ্দীপনা বিরাজ করছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশনা, দলকে তৃণমূলে সংগঠিত করতে হবে। এজন্য দীর্ঘ ১৬বছর পর সিলেট জেলার গুরুত্বপূর্ণ এ উপজেলার আওয়ামী লীগের সম্মেলন ও কাউন্সিলের দামামা বেজে উঠেছে। এ নিয়ে নেতাকর্মীদের মাঝেও যেন ফিরেছে প্রাণ। তৃণমূলের মতামতের ভিত্তিতেই নির্বাচিত হবেন এ উপজেলার আওয়ামী লীগের কাণ্ডারিরা।

তৃণমূলের নেতাকর্মীরা বলছেন, ২০০৫ সালে সর্বশেষ এ উপজেলা কমিটি গঠন করা হয়। এরপর একযুগ পেরিয়েছে। ক্ষমতার পালাবদলে আওয়ামী লীগ টানা তৃতীয় বারের মতো সরকারও গঠন করেছে। তবুও এ উপজেলা আওয়ামী লীগের কমিটিতে কোন পরিবর্তন আসেনি, সম্মেলন হয়নি। ফলে নতুনরা নেতৃত্বে উঠে আসতে পারছে না। এ কারণে নেতাকর্মীদের মাঝে ক্ষোভও রয়েছে। তবে সম্প্রতি আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় নির্দেশনায় তৃণমূলে দল পূর্ণগঠনের ঘোষণার পর তারা বেশ উচ্ছ্বসিত। এরই মাঝে সম্মেলনের তারিখও ঘোষণা হয়েছে। সম্মেলনে নতুন নেতৃত্ব বের হয়ে আসবে বলে মনে করছেন তারা।

এ পর্যন্ত এ উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি-সম্পাদক পদে নাম উঠে এসেছে বেশ কয়েকজনের। তবে এর মধ্যে সভাপতির দৌড়ে এগিয়ে আছেন বর্তমান সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা আলহাজ্ব সাইফুল আলম, সিলাম ইউপির সাবেক চেয়ারম্যান সৈয়দ মকবুল হোসেন মাখন এবং বর্তমান কমিটির প্রচার সম্পাদক আব্দুর রব। তাদের বাইরে আরও দু-তিনজন প্রার্থী হতে দৌড়ঝাঁপ করছেন বলে জানিয়েছে দলীয় সূত্র। একই ভাবে সাধারণ সম্পাদক পদে প্রার্থীতায় বেশ আলোচনায় আছেন বর্তমান কমিটির যুগ্ম সম্পাদক রাজ্জাক হোসেন, উপজেলা আওয়ামীলীগ নেতা ও মোগলাবাজার ইউপি চেয়ারম্যান ফখরুল ইসলাম সাইস্তা ও উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক সহ সভাপতি এডভোকেট শামীম আহমদ। এ পদেও আরও তিন-চারজন প্রার্থীর নামও আলোচনায় রয়েছে, তবে মাঠে তাদের কমই দেখা যাচ্ছে। সভাপতি পদে আলোচনা শীর্ষে থাকা বর্তমান কমিটির সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা আলহাজ¦ সাইফুল আলম বর্তমান কমিটিতে ভারপ্রাপ্ত সভাপতির পদ পেয়েছিলেন; ওই কমিটির সভাপতি ডা. আব্দুশ শুকুরের মৃত্যুতে তিনি এ পদ পান। পরে তিনিই সভাপতি পদে অধিষ্টিত হন। এখনও রয়েছেন। আলহাজ্ব সাইফুল ছাত্রলীগের রাজনীতির মাধ্যমেই রাজনৈতিক জীবন শুরু করেন। তিনি ১৯৭০-৭২ সেশনে গ্রেটার সিলেট ছাত্রলীগের সিনিয়র সহ-সভাপতির দায়িত্বেও ছিলেন। ৬৯-এর গণ অভ্যুত্থানের সময় আন্দোলনে সরব উপস্থিতি ছিল তার। পরে মুক্তিযুদ্ধেও অংশ নেন। অপর প্রার্থী সিলাম ইউপির সাবেক চেয়ারম্যান সৈয়দ মকবুল হোসেন মাখন বলেন, আমি ১৯৬৭/৬৮ সালে আমি এমসি কলেজ হোস্টেল ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক ছিলাম। জেলা যুবলীগের প্রতিষ্টাতা সদস্য ছিলাম। সিলাম ইউনিয়নের চেয়ারম্যান ছিলাম। দলের জন্য আজীবন কাজ করেছি। এছাড়া বর্তমান কমিটির প্রচার সম্পাদক হাজী মো. আব্দুর রব পরিবারিক ভাবেই আওয়ামী লীগের রাজনীতিতে সম্পৃক্ত। বর্তমান কমিটিতে তিনি প্রচার সম্পাদক পদে ১৫ বছর থেকে রয়েছেন, তিনি তৃণমূলের নেতাকর্মীদের সাথে ভালো সম্পর্কও রেখেছেন। তৃণমূল পরিবর্তন চায়, এজন্য তাকে বেছে নেবে বলে মনে করেন তিনি। অন্যদিকে বর্তমান কমিটির সাধারণ সম্পাদক হাজী রইছ আলী এ বছর প্রার্থী হচ্ছেন না বলে দলীয় সূত্র জানিয়েছে। এ কারণে তিনি আলোচনায় নেই। ফলে এ পদে কাউন্সিলরদের মাঝে আলোচনার শীর্ষে আছেন আওয়ামী লীগ নেতা ও মোগলাবাজার ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান ফখরুল ইসলাম সাইস্তা। তিনি বলেন, আমি ১৯৮৭ সালে মোগলাবাজার ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সভাপতি ছিলাম। জেলা ছাত্রলীগের সহ সভাপতির দায়িত্ব পালন করেছি। উপজেলা যুবলীগের আহ্বায়ক চিলাম। বর্তমানে থানা আওয়ামীলীগের সদস্য। মুজিব আদর্শের একজন পরিক্ষীত সৈনিক হিসেবে আমি মনে করি কাউন্সিলররা আমাকেই বেছে নেবে। আমি আমার অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগাতে চাই। দলের নিবেদিত কর্মী হিসেবে আমি কাউন্সিলরদের সহযোগিতা কামনা করছি।

সাধারণ সম্পাদক পদে ওপর প্রার্থী বর্তমান কমিটির যুগ্ম সম্পাদক রাজ্জাক হোসেন। তিনি বলেন, আমি ১৯৮৪ সাল থেকে ছাত্রলীগের রাজনীতির সাথে জড়িত। ১৯৯৪ সালে উপজেলা যুবলীগের সহ সভাপতি ছিলাম। পরবর্তীতে ওয়ার্ড আওয়ামীলীগের সেক্রেটারী এবং বর্তমানে সরাসরি ভোটে নির্বাচিত হয়ে যুগ্ন সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করছি। আশাবাদী কাউন্সিলররা আমাকেই বেছে নেবেন। আর উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক সহ সভাপতি এডভোকেট শামীম আহমদও সাধারণ সম্পাদক পদের জন্য দৌড়ঝাঁপ করছেন। তিনি বলেন, ১৯৯৫ সালে এসএসসি পরীক্ষা দেবার পর থেকে আমি ছাত্রলীগের সাথে জড়িয়ে পড়ি। ২০০৪ সালে উপজেলা ছাত্রলীগের সহ সভাপতি ছিলাম। । উল্লেখ্য, দক্ষিণ সুরমা উপজেলায় কাউন্সিলর রয়েছেন ৩৬০জন। যারা এবারের কাউন্সিলের ভোটাধিকার প্রয়োগ করে নতুন নেতৃত্ব বেছে নেবেন।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

লক ডাউন পরবর্তী পরিস্থিতি মোকাবেলায় ফ্রান্সে চলছে ব্যাপক প্রস্তুতি

যুক্তরাজ্যে করোনার মধ্যেই শিশুদের মাঝে নতুন রোগের হানা

বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব রুহুল কবীর রিজভী

সিলেটের দক্ষিণ সুরমা আওয়ামীলীগের সম্মেলনকে ঘিরে উচ্ছ্বসিত নেতাকর্মী

আপডেট সময় ১০:৩৫:২৯ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৫ নভেম্বর ২০১৯

সিলেটের দক্ষিণ সুরমা উপজেলা আওয়ামী লীগের কাউন্সিল আগামী ১৭ নভেম্বর। কাউন্সিলকে ঘিরে নেতাকর্মীদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ উদ্দীপনা বিরাজ করছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশনা, দলকে তৃণমূলে সংগঠিত করতে হবে। এজন্য দীর্ঘ ১৬বছর পর সিলেট জেলার গুরুত্বপূর্ণ এ উপজেলার আওয়ামী লীগের সম্মেলন ও কাউন্সিলের দামামা বেজে উঠেছে। এ নিয়ে নেতাকর্মীদের মাঝেও যেন ফিরেছে প্রাণ। তৃণমূলের মতামতের ভিত্তিতেই নির্বাচিত হবেন এ উপজেলার আওয়ামী লীগের কাণ্ডারিরা।

তৃণমূলের নেতাকর্মীরা বলছেন, ২০০৫ সালে সর্বশেষ এ উপজেলা কমিটি গঠন করা হয়। এরপর একযুগ পেরিয়েছে। ক্ষমতার পালাবদলে আওয়ামী লীগ টানা তৃতীয় বারের মতো সরকারও গঠন করেছে। তবুও এ উপজেলা আওয়ামী লীগের কমিটিতে কোন পরিবর্তন আসেনি, সম্মেলন হয়নি। ফলে নতুনরা নেতৃত্বে উঠে আসতে পারছে না। এ কারণে নেতাকর্মীদের মাঝে ক্ষোভও রয়েছে। তবে সম্প্রতি আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় নির্দেশনায় তৃণমূলে দল পূর্ণগঠনের ঘোষণার পর তারা বেশ উচ্ছ্বসিত। এরই মাঝে সম্মেলনের তারিখও ঘোষণা হয়েছে। সম্মেলনে নতুন নেতৃত্ব বের হয়ে আসবে বলে মনে করছেন তারা।

এ পর্যন্ত এ উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি-সম্পাদক পদে নাম উঠে এসেছে বেশ কয়েকজনের। তবে এর মধ্যে সভাপতির দৌড়ে এগিয়ে আছেন বর্তমান সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা আলহাজ্ব সাইফুল আলম, সিলাম ইউপির সাবেক চেয়ারম্যান সৈয়দ মকবুল হোসেন মাখন এবং বর্তমান কমিটির প্রচার সম্পাদক আব্দুর রব। তাদের বাইরে আরও দু-তিনজন প্রার্থী হতে দৌড়ঝাঁপ করছেন বলে জানিয়েছে দলীয় সূত্র। একই ভাবে সাধারণ সম্পাদক পদে প্রার্থীতায় বেশ আলোচনায় আছেন বর্তমান কমিটির যুগ্ম সম্পাদক রাজ্জাক হোসেন, উপজেলা আওয়ামীলীগ নেতা ও মোগলাবাজার ইউপি চেয়ারম্যান ফখরুল ইসলাম সাইস্তা ও উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক সহ সভাপতি এডভোকেট শামীম আহমদ। এ পদেও আরও তিন-চারজন প্রার্থীর নামও আলোচনায় রয়েছে, তবে মাঠে তাদের কমই দেখা যাচ্ছে। সভাপতি পদে আলোচনা শীর্ষে থাকা বর্তমান কমিটির সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা আলহাজ¦ সাইফুল আলম বর্তমান কমিটিতে ভারপ্রাপ্ত সভাপতির পদ পেয়েছিলেন; ওই কমিটির সভাপতি ডা. আব্দুশ শুকুরের মৃত্যুতে তিনি এ পদ পান। পরে তিনিই সভাপতি পদে অধিষ্টিত হন। এখনও রয়েছেন। আলহাজ্ব সাইফুল ছাত্রলীগের রাজনীতির মাধ্যমেই রাজনৈতিক জীবন শুরু করেন। তিনি ১৯৭০-৭২ সেশনে গ্রেটার সিলেট ছাত্রলীগের সিনিয়র সহ-সভাপতির দায়িত্বেও ছিলেন। ৬৯-এর গণ অভ্যুত্থানের সময় আন্দোলনে সরব উপস্থিতি ছিল তার। পরে মুক্তিযুদ্ধেও অংশ নেন। অপর প্রার্থী সিলাম ইউপির সাবেক চেয়ারম্যান সৈয়দ মকবুল হোসেন মাখন বলেন, আমি ১৯৬৭/৬৮ সালে আমি এমসি কলেজ হোস্টেল ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক ছিলাম। জেলা যুবলীগের প্রতিষ্টাতা সদস্য ছিলাম। সিলাম ইউনিয়নের চেয়ারম্যান ছিলাম। দলের জন্য আজীবন কাজ করেছি। এছাড়া বর্তমান কমিটির প্রচার সম্পাদক হাজী মো. আব্দুর রব পরিবারিক ভাবেই আওয়ামী লীগের রাজনীতিতে সম্পৃক্ত। বর্তমান কমিটিতে তিনি প্রচার সম্পাদক পদে ১৫ বছর থেকে রয়েছেন, তিনি তৃণমূলের নেতাকর্মীদের সাথে ভালো সম্পর্কও রেখেছেন। তৃণমূল পরিবর্তন চায়, এজন্য তাকে বেছে নেবে বলে মনে করেন তিনি। অন্যদিকে বর্তমান কমিটির সাধারণ সম্পাদক হাজী রইছ আলী এ বছর প্রার্থী হচ্ছেন না বলে দলীয় সূত্র জানিয়েছে। এ কারণে তিনি আলোচনায় নেই। ফলে এ পদে কাউন্সিলরদের মাঝে আলোচনার শীর্ষে আছেন আওয়ামী লীগ নেতা ও মোগলাবাজার ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান ফখরুল ইসলাম সাইস্তা। তিনি বলেন, আমি ১৯৮৭ সালে মোগলাবাজার ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সভাপতি ছিলাম। জেলা ছাত্রলীগের সহ সভাপতির দায়িত্ব পালন করেছি। উপজেলা যুবলীগের আহ্বায়ক চিলাম। বর্তমানে থানা আওয়ামীলীগের সদস্য। মুজিব আদর্শের একজন পরিক্ষীত সৈনিক হিসেবে আমি মনে করি কাউন্সিলররা আমাকেই বেছে নেবে। আমি আমার অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগাতে চাই। দলের নিবেদিত কর্মী হিসেবে আমি কাউন্সিলরদের সহযোগিতা কামনা করছি।

সাধারণ সম্পাদক পদে ওপর প্রার্থী বর্তমান কমিটির যুগ্ম সম্পাদক রাজ্জাক হোসেন। তিনি বলেন, আমি ১৯৮৪ সাল থেকে ছাত্রলীগের রাজনীতির সাথে জড়িত। ১৯৯৪ সালে উপজেলা যুবলীগের সহ সভাপতি ছিলাম। পরবর্তীতে ওয়ার্ড আওয়ামীলীগের সেক্রেটারী এবং বর্তমানে সরাসরি ভোটে নির্বাচিত হয়ে যুগ্ন সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করছি। আশাবাদী কাউন্সিলররা আমাকেই বেছে নেবেন। আর উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক সহ সভাপতি এডভোকেট শামীম আহমদও সাধারণ সম্পাদক পদের জন্য দৌড়ঝাঁপ করছেন। তিনি বলেন, ১৯৯৫ সালে এসএসসি পরীক্ষা দেবার পর থেকে আমি ছাত্রলীগের সাথে জড়িয়ে পড়ি। ২০০৪ সালে উপজেলা ছাত্রলীগের সহ সভাপতি ছিলাম। । উল্লেখ্য, দক্ষিণ সুরমা উপজেলায় কাউন্সিলর রয়েছেন ৩৬০জন। যারা এবারের কাউন্সিলের ভোটাধিকার প্রয়োগ করে নতুন নেতৃত্ব বেছে নেবেন।