ঢাকা ০৫:১১ অপরাহ্ন, সোমবার, ০৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৩ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ
ইতালিতে নারায়ণগঞ্জ-৩ আসনের এমপি আজহারুল ইসলাম মান্নানের সুস্থতা কামনায় দোয়া মাহফিল রোমে সিলেট স্পোর্টিং ক্লাব ইতালির জার্সি উন্মোচন ফ্রান্সের তুলুজে বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন সর্বোচ্চ সৌদি আরব, দ্বিতীয় যুক্তরাজ্য, কমেছে যুক্তরাষ্ট্র থেকে যুক্তরাষ্ট্রে জন্মসূত্রে নাগরিকত্ব পাওয়ার সুযোগ নিয়ে সুখবর সাংবাদিক বকসি ইকবাল আহমেদ এর সম্মানে ইউকে বাংলা রিপোর্টার্স ইউনিটির প্রীতিসভা গ্রেটার সিলেট কমিউনিটি ইউকে’র সম্মেলন ২০২৬ লন্ডনের ইস্ট এন্ডে বাঙালিদের ফুটবল ঐতিহ্যের ৫০ বছরেরইতিহাস সংরক্ষণে নতুন প্রকল্প প্রবাসীদের ভালোবাসা নিয়ে রোম থেকে সুইডেনের পথে জার্মানির ট্রেন স্টেশনে বিস্ফোরণে আহত ২, বন্ধ স্টেশন

হরমুজ সচল করতে লন্ডনে ৩০ দেশের বৈঠক

  • আপডেট সময় ১০:৩৪:৫২ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২২ এপ্রিল ২০২৬
  • ৫৭ বার পড়া হয়েছে

দর্পণ ডেস্ক

দীর্ঘ প্রায় দুই মাস ধরে কার্যত অবরুদ্ধ হয়ে থাকা বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সমুদ্রপথ হরমুজ প্রণালি পুনরায় উন্মুক্ত করার লক্ষ্যে লন্ডনে এক গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে বসছে ৩০টিরও বেশি দেশ। বুধবার যুক্তরাজ্য ও ফ্রান্সের যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত এই সম্মেলনে বিভিন্ন দেশের সামরিক পরিকল্পনাবিদরা অংশ নিচ্ছেন।

ব্রিটিশ প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের বরাত দিয়ে জানানো হয়েছে, নর্থউডের পার্মানেন্ট জয়েন্ট হেডকোয়ার্টার্সে দুই দিনব্যাপী এই অধিবেশনে দেশগুলোর সামরিক সক্ষমতা, কমান্ড কাঠামো এবং ওই অঞ্চলে কীভাবে দ্রুত বাহিনী মোতায়েন করা যায়, তা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হবে।

মূলত ইরান ও ইসরায়েল-যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যকার উত্তেজনার জেরে ইরান এই গুরুত্বপূর্ণ জলপথটি বন্ধ করে দেওয়ায় বিশ্ববাজারে তেল ও গ্যাসের সরবরাহ মারাত্মকভাবে বিঘ্নিত হচ্ছে।

এই সংকট নিরসনে গত শুক্রবার ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার এবং ফরাসি প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁ ৫১টি দেশের অংশগ্রহণে একটি ভার্চুয়াল সম্মেলন করেন। সেখানে একটি স্বাধীন ও সম্পূর্ণ রক্ষণাত্মক বহুজাতিক মিশন গঠনের বিষয়ে দেশগুলো একমত পোষণ করে। বুধবারের এই বৈঠককে সেই কূটনৈতিক ঐকমত্যকে একটি কার্যকর সামরিক পরিকল্পনায় রূপ দেওয়ার প্রথম ধাপ হিসেবে দেখা হচ্ছে।

ব্রিটেনের প্রতিরক্ষামন্ত্রী জন হিলি এই উদ্যোগ প্রসঙ্গে বলেন, বর্তমান লক্ষ্য হলো আন্তর্জাতিক নৌ-চলাচলের স্বাধীনতা নিশ্চিত করতে এবং একটি স্থায়ী যুদ্ধবিরতি প্রক্রিয়াকে সমর্থন জোগাতে একটি যৌথ পরিকল্পনা তৈরি করা।

তবে ব্রিটিশ প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় স্পষ্ট করেছে যে, এই অধিবেশনে প্রণীত যেকোনো সামরিক পরিকল্পনা কেবল তখনই বাস্তবায়ন করা হবে, যখন একটি টেকসই যুদ্ধবিরতি চুক্তির মাধ্যমে অনুকূল পরিস্থিতি তৈরি হবে। বৈশ্বিক জ্বালানি নিরাপত্তার স্বার্থে এই প্রণালিটি দ্রুত সচল করা এখন আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের কাছে প্রধান চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

লক ডাউন পরবর্তী পরিস্থিতি মোকাবেলায় ফ্রান্সে চলছে ব্যাপক প্রস্তুতি

যুক্তরাজ্যে করোনার মধ্যেই শিশুদের মাঝে নতুন রোগের হানা

ইতালিতে নারায়ণগঞ্জ-৩ আসনের এমপি আজহারুল ইসলাম মান্নানের সুস্থতা কামনায় দোয়া মাহফিল

হরমুজ সচল করতে লন্ডনে ৩০ দেশের বৈঠক

আপডেট সময় ১০:৩৪:৫২ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২২ এপ্রিল ২০২৬

দর্পণ ডেস্ক

দীর্ঘ প্রায় দুই মাস ধরে কার্যত অবরুদ্ধ হয়ে থাকা বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সমুদ্রপথ হরমুজ প্রণালি পুনরায় উন্মুক্ত করার লক্ষ্যে লন্ডনে এক গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে বসছে ৩০টিরও বেশি দেশ। বুধবার যুক্তরাজ্য ও ফ্রান্সের যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত এই সম্মেলনে বিভিন্ন দেশের সামরিক পরিকল্পনাবিদরা অংশ নিচ্ছেন।

ব্রিটিশ প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের বরাত দিয়ে জানানো হয়েছে, নর্থউডের পার্মানেন্ট জয়েন্ট হেডকোয়ার্টার্সে দুই দিনব্যাপী এই অধিবেশনে দেশগুলোর সামরিক সক্ষমতা, কমান্ড কাঠামো এবং ওই অঞ্চলে কীভাবে দ্রুত বাহিনী মোতায়েন করা যায়, তা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হবে।

মূলত ইরান ও ইসরায়েল-যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যকার উত্তেজনার জেরে ইরান এই গুরুত্বপূর্ণ জলপথটি বন্ধ করে দেওয়ায় বিশ্ববাজারে তেল ও গ্যাসের সরবরাহ মারাত্মকভাবে বিঘ্নিত হচ্ছে।

এই সংকট নিরসনে গত শুক্রবার ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার এবং ফরাসি প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁ ৫১টি দেশের অংশগ্রহণে একটি ভার্চুয়াল সম্মেলন করেন। সেখানে একটি স্বাধীন ও সম্পূর্ণ রক্ষণাত্মক বহুজাতিক মিশন গঠনের বিষয়ে দেশগুলো একমত পোষণ করে। বুধবারের এই বৈঠককে সেই কূটনৈতিক ঐকমত্যকে একটি কার্যকর সামরিক পরিকল্পনায় রূপ দেওয়ার প্রথম ধাপ হিসেবে দেখা হচ্ছে।

ব্রিটেনের প্রতিরক্ষামন্ত্রী জন হিলি এই উদ্যোগ প্রসঙ্গে বলেন, বর্তমান লক্ষ্য হলো আন্তর্জাতিক নৌ-চলাচলের স্বাধীনতা নিশ্চিত করতে এবং একটি স্থায়ী যুদ্ধবিরতি প্রক্রিয়াকে সমর্থন জোগাতে একটি যৌথ পরিকল্পনা তৈরি করা।

তবে ব্রিটিশ প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় স্পষ্ট করেছে যে, এই অধিবেশনে প্রণীত যেকোনো সামরিক পরিকল্পনা কেবল তখনই বাস্তবায়ন করা হবে, যখন একটি টেকসই যুদ্ধবিরতি চুক্তির মাধ্যমে অনুকূল পরিস্থিতি তৈরি হবে। বৈশ্বিক জ্বালানি নিরাপত্তার স্বার্থে এই প্রণালিটি দ্রুত সচল করা এখন আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের কাছে প্রধান চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে।