ঢাকা ১০:৫৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৮ অগাস্ট ২০২৬, ১৩ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

নেপালে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৫৩৮

  • আপডেট সময় ০২:০৪:১২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৮ অগাস্ট ২০২৬
  • ১ বার পড়া হয়েছে

দর্পণ ডেস্ক

নেপাল-তিব্বত সীমান্ত অঞ্চলে ভয়াবহ আকস্মিক ঢলে মৃত মানুষের সংখ্যা বেড়েছে। মৃত মানুষের সংখ্যা বেড়ে অন্তত ৫৩৮ হয়েছে।

শুক্রবার (২৮ আগস্ট) বিকেলে জাতীয় দুর্যোগ ঝুঁকি হ্রাস ও ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষ এ তথ্য জানিয়েছে। এই সংখ্যার মধ্যে রাসুয়ায় মৃত ব্যক্তি এবং ভাটির দিকে অনেক দূরের জেলাগুলো থেকে উদ্ধার হওয়া মরদেহগুলোও অন্তর্ভুক্ত।

গত বুধবার সকালে নেপাল-তিব্বত সীমান্ত অঞ্চলে ভয়াবহ আকস্মিক ঢল হয়। এর আগে চীনের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমে বলা হয়েছিল, এ ঘটনায় তিব্বতে পাঁচজন মারা গেছেন।

বার্তা সংস্থা এএফপির প্রতিবেদনে বলা হয়, এ দুর্যোগে শত শত বিদেশি নাগরিকসহ ১ হাজার ৪০০ জনের বেশি মানুষ এখনো নিখোঁজ।

চীনের রাষ্ট্রীয় মাধ্যমের বরাতে বিবিসি বলছে, এর মধ্যে তিব্বতে নিখোঁজ রয়েছেন ৫৫৮ জনের বেশি মানুষ।

রেডক্রসের একজন কর্মকর্তা বিবিসিকে বলেন, ধ্বংসস্তূপে পরিণত হওয়া এলাকায় দ্বিতীয় দফা বন্যা আঘাত হানতে পারে—এমন খবরের কারণে জীবিত ব্যক্তিদের সন্ধানে থাকা উদ্ধারকারীরা ‘উদ্বিগ্ন ও সতর্ক’ অবস্থায় আছেন।

বেইজিং থেকে বিবিসির সাংবাদিক লরা বিকার জানিয়েছেন, চীন-নেপাল সীমান্তের কাছে পানি বেড়ে একটি হ্রদের সৃষ্টি হয়েছে। হ্রদটির পানি উপচে পড়তে পারে বলে আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।

রয়টার্স ও কাঠমান্ডু পোস্ট জানায়, দুর্যোগের কারণ নিয়ে এখনো বিশ্লেষণ চলছে। তবে স্যাটেলাইটের ছবি বিশ্লেষণ করে বিজ্ঞানীরা বলছেন, নেপালের লাংটাং লিরুং পর্বতের উত্তর ঢাল থেকে বিপুল পরিমাণ বরফ ও পাথরের ধস নেমে লহেন্দেখোলা নদীতে পড়ে। এতে লহেন্দে নদীর প্রবাহ সাময়িকভাবে আটকে গিয়ে একটি প্রাকৃতিক বাঁধ তৈরি হয়। পরে সেই বাঁধ ভেঙে বিপুল পানি, বরফ, পাথর ও কাদার স্রোত প্রবল বেগে ভাটির দিকে নেমে আসে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

লক ডাউন পরবর্তী পরিস্থিতি মোকাবেলায় ফ্রান্সে চলছে ব্যাপক প্রস্তুতি

যুক্তরাজ্যে করোনার মধ্যেই শিশুদের মাঝে নতুন রোগের হানা

তারেক রহমানকে দিল্লিতে নিতে কেন আগ্রহী ভারত

নেপালে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৫৩৮

আপডেট সময় ০২:০৪:১২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৮ অগাস্ট ২০২৬

দর্পণ ডেস্ক

নেপাল-তিব্বত সীমান্ত অঞ্চলে ভয়াবহ আকস্মিক ঢলে মৃত মানুষের সংখ্যা বেড়েছে। মৃত মানুষের সংখ্যা বেড়ে অন্তত ৫৩৮ হয়েছে।

শুক্রবার (২৮ আগস্ট) বিকেলে জাতীয় দুর্যোগ ঝুঁকি হ্রাস ও ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষ এ তথ্য জানিয়েছে। এই সংখ্যার মধ্যে রাসুয়ায় মৃত ব্যক্তি এবং ভাটির দিকে অনেক দূরের জেলাগুলো থেকে উদ্ধার হওয়া মরদেহগুলোও অন্তর্ভুক্ত।

গত বুধবার সকালে নেপাল-তিব্বত সীমান্ত অঞ্চলে ভয়াবহ আকস্মিক ঢল হয়। এর আগে চীনের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমে বলা হয়েছিল, এ ঘটনায় তিব্বতে পাঁচজন মারা গেছেন।

বার্তা সংস্থা এএফপির প্রতিবেদনে বলা হয়, এ দুর্যোগে শত শত বিদেশি নাগরিকসহ ১ হাজার ৪০০ জনের বেশি মানুষ এখনো নিখোঁজ।

চীনের রাষ্ট্রীয় মাধ্যমের বরাতে বিবিসি বলছে, এর মধ্যে তিব্বতে নিখোঁজ রয়েছেন ৫৫৮ জনের বেশি মানুষ।

রেডক্রসের একজন কর্মকর্তা বিবিসিকে বলেন, ধ্বংসস্তূপে পরিণত হওয়া এলাকায় দ্বিতীয় দফা বন্যা আঘাত হানতে পারে—এমন খবরের কারণে জীবিত ব্যক্তিদের সন্ধানে থাকা উদ্ধারকারীরা ‘উদ্বিগ্ন ও সতর্ক’ অবস্থায় আছেন।

বেইজিং থেকে বিবিসির সাংবাদিক লরা বিকার জানিয়েছেন, চীন-নেপাল সীমান্তের কাছে পানি বেড়ে একটি হ্রদের সৃষ্টি হয়েছে। হ্রদটির পানি উপচে পড়তে পারে বলে আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।

রয়টার্স ও কাঠমান্ডু পোস্ট জানায়, দুর্যোগের কারণ নিয়ে এখনো বিশ্লেষণ চলছে। তবে স্যাটেলাইটের ছবি বিশ্লেষণ করে বিজ্ঞানীরা বলছেন, নেপালের লাংটাং লিরুং পর্বতের উত্তর ঢাল থেকে বিপুল পরিমাণ বরফ ও পাথরের ধস নেমে লহেন্দেখোলা নদীতে পড়ে। এতে লহেন্দে নদীর প্রবাহ সাময়িকভাবে আটকে গিয়ে একটি প্রাকৃতিক বাঁধ তৈরি হয়। পরে সেই বাঁধ ভেঙে বিপুল পানি, বরফ, পাথর ও কাদার স্রোত প্রবল বেগে ভাটির দিকে নেমে আসে।