ঢাকা ০৫:৪২ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৫ এপ্রিল ২০২৬, ১১ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

দেশে ফিরতে না পারায় লেবাননে সিলেটি যুবকের আত্মহত্যা

  • আপডেট সময় ১০:১৭:২৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৫ মে ২০২০
  • ২৯৬ বার পড়া হয়েছে

লকডাউনে কাজ হারিয়ে দেশে ফিরতে চেয়েছিলেন লেবানন প্রবাসী সিলেটের বিশ্বনাথ উপজেলার যুবক রাসেল মিয়া। অনেক চেষ্টার পরও দেশে ফিরতে না পারার হতাশায় লেবাননের জুনিতে আত্মহত্যা করেন তিনি। রাসেল উপজেলার খাজাঞ্চী ইউনিয়নের গোমরাগুল গ্রামের করিম আলীর ছেলে।  

মঙ্গলবার (৫ মে) সকালে জুনি’র একটি বিল্ডিংয়ের আন্ডারগ্রাউন্ড থেকে তার ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে লেবানন পুলিশ।

লাশ নিয়ে রাখা হয়েছে স্থানীয় একটি হাসপাতালের হিমঘরে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন নিহতের সাথে থাকা তারই মামাতো ভাই ছাদিকুর রহমান।

গুমরাগুল গ্রামের রাসেলের চাচাতো ভাই আনসার মাহমুদ গণি বাংলাদেশ প্রতিদিনকে বলেন, পরিবারের সকলের ছোট রাসেল কয়েক মাস আগে রেষ্টুরেন্ট ভিসায় লেবানন যায়।

যথারীতি কাজ করে যাচ্ছিল সে। চলমান করোনা সংকটে লকডাউনে কাজ কর্ম হারায় সে। এরপর থেকে দেশে ফেরার জন্যে উদগ্রীব হয়ে ওঠে রাসেল। কয়দিন থেকে ভুগছিল মানসিক সমস্যায়। ফোনে আমাদের জানায় দেশে আসতে না পারলে আত্মহত্যা করবে সে। 

তিনি আরও বলেন, বিষয়টি জানার পর তার সাথে থাকা আত্মীয়দের তাকে দেখাশুনার কথা বলি আমরা। সেখানে তারা তাকে চিকিৎসাও দেন। ঘটনার আগের দিন রাতে সবাই যখন তারাবিহ’র নামায পড়ছিল, তখন বাসা থেকে বের হয়ে যায় সে। পরদিনই বাসার আন্ডারগ্রাউন্ডে তার মরদেহ পাওয়া যায়।

বাংলাদেশ প্রতিদিন

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

লক ডাউন পরবর্তী পরিস্থিতি মোকাবেলায় ফ্রান্সে চলছে ব্যাপক প্রস্তুতি

যুক্তরাজ্যে করোনার মধ্যেই শিশুদের মাঝে নতুন রোগের হানা

রাজনীতি ছাড়ার ঘোষণা দিলেন ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁ!

দেশে ফিরতে না পারায় লেবাননে সিলেটি যুবকের আত্মহত্যা

আপডেট সময় ১০:১৭:২৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৫ মে ২০২০

লকডাউনে কাজ হারিয়ে দেশে ফিরতে চেয়েছিলেন লেবানন প্রবাসী সিলেটের বিশ্বনাথ উপজেলার যুবক রাসেল মিয়া। অনেক চেষ্টার পরও দেশে ফিরতে না পারার হতাশায় লেবাননের জুনিতে আত্মহত্যা করেন তিনি। রাসেল উপজেলার খাজাঞ্চী ইউনিয়নের গোমরাগুল গ্রামের করিম আলীর ছেলে।  

মঙ্গলবার (৫ মে) সকালে জুনি’র একটি বিল্ডিংয়ের আন্ডারগ্রাউন্ড থেকে তার ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে লেবানন পুলিশ।

লাশ নিয়ে রাখা হয়েছে স্থানীয় একটি হাসপাতালের হিমঘরে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন নিহতের সাথে থাকা তারই মামাতো ভাই ছাদিকুর রহমান।

গুমরাগুল গ্রামের রাসেলের চাচাতো ভাই আনসার মাহমুদ গণি বাংলাদেশ প্রতিদিনকে বলেন, পরিবারের সকলের ছোট রাসেল কয়েক মাস আগে রেষ্টুরেন্ট ভিসায় লেবানন যায়।

যথারীতি কাজ করে যাচ্ছিল সে। চলমান করোনা সংকটে লকডাউনে কাজ কর্ম হারায় সে। এরপর থেকে দেশে ফেরার জন্যে উদগ্রীব হয়ে ওঠে রাসেল। কয়দিন থেকে ভুগছিল মানসিক সমস্যায়। ফোনে আমাদের জানায় দেশে আসতে না পারলে আত্মহত্যা করবে সে। 

তিনি আরও বলেন, বিষয়টি জানার পর তার সাথে থাকা আত্মীয়দের তাকে দেখাশুনার কথা বলি আমরা। সেখানে তারা তাকে চিকিৎসাও দেন। ঘটনার আগের দিন রাতে সবাই যখন তারাবিহ’র নামায পড়ছিল, তখন বাসা থেকে বের হয়ে যায় সে। পরদিনই বাসার আন্ডারগ্রাউন্ডে তার মরদেহ পাওয়া যায়।

বাংলাদেশ প্রতিদিন