ঢাকা ১২:০৭ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৩ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ
প্যারিসে বাংলাদেশি উদ্যোক্তার নতুন ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ‘Paris Coeur Outlet’-এর শুভ উদ্বোধন ক্রিকেট উন্মাদনায় রোম, রোম বাংলা T10 ক্রিকেট চ্যাম্পিয়নশিপের উদ্বোধনী ম্যাচ খেলবে সাকের স্পোর্টিং ক্লাব ফেঞ্চুগঞ্জে সিবিএ নির্বাচনে বিজয়ীদের অভিনন্দন জানালেন বিএনপি নেতা মোয়াজ্জেম হোসেন সাহেদ ফেঞ্চুগঞ্জে সিবিএ নির্বাচনে শ্যামল-শিপন পরিষদের পূর্ণ প্যানেল জয় ইতালিতে নারায়ণগঞ্জ-৩ আসনের এমপি আজহারুল ইসলাম মান্নানের সুস্থতা কামনায় দোয়া মাহফিল রোমে সিলেট স্পোর্টিং ক্লাব ইতালির জার্সি উন্মোচন ফ্রান্সের তুলুজে বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন সর্বোচ্চ সৌদি আরব, দ্বিতীয় যুক্তরাজ্য, কমেছে যুক্তরাষ্ট্র থেকে যুক্তরাষ্ট্রে জন্মসূত্রে নাগরিকত্ব পাওয়ার সুযোগ নিয়ে সুখবর সাংবাদিক বকসি ইকবাল আহমেদ এর সম্মানে ইউকে বাংলা রিপোর্টার্স ইউনিটির প্রীতিসভা

যুক্তরাজ্যের নতুন প্রধানমন্ত্রী অ্যান্ডি বার্নহ্যাম

  • আপডেট সময় ০৩:৫৬:৪২ অপরাহ্ন, সোমবার, ২০ জুলাই ২০২৬
  • ৫২ বার পড়া হয়েছে

ডেস্ক রিপোর্ট

এক দশকের মধ্যে যুক্তরাজ্যের সপ্তম প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নিয়েছেন লেবার পার্টির নেতা অ্যান্ডি বার্নহ্যাম। সোমবার (২০ জুলাই) রাজা তৃতীয় চার্লসের আনুষ্ঠানিক আহ্বানের পর নতুন সরকার গঠন করেন তিনি। এর মধ্য দিয়ে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে কিয়ার স্টার্মারের অধ্যায়ের অবসান হলো।

জাতীয় নির্বাচনে লেবার পার্টিকে নিরঙ্কুশ বিজয় এনে দেওয়ার প্রায় দুই বছর পর ১০ ডাউনিং স্ট্রিট ছেড়েছেন স্টার্মার। তার স্থলাভিষিক্ত হয়েছেন গ্রেটার ম্যানচেস্টারের সাবেক মেয়র ও লেবার পার্টির নতুন নেতা অ্যান্ডি বার্নহ্যাম।

দীর্ঘ রাজনৈতিক ক্যারিয়ারে গ্রেটার ম্যানচেস্টারের মেয়র হিসেবে দায়িত্ব পালন করে ব্যাপক জনপ্রিয়তা অর্জন করেন বার্নহ্যাম। এ কারণে তিনি ‘কিং অব দ্য নর্থ’ নামেও পরিচিত। এর আগে লেবার সরকারের বিভিন্ন মেয়াদে মন্ত্রিসভার দায়িত্বও পালন করেছেন তিনি।

দায়িত্ব নেওয়ার পরপরই বার্নহ্যামের সামনে অভ্যন্তরীণ ও আন্তর্জাতিক—দুই ক্ষেত্রেই বড় চ্যালেঞ্জ অপেক্ষা করছে। আন্তর্জাতিক অঙ্গনে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে সম্পর্ক পরিচালনা তার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ পরীক্ষা হিসেবে দেখা হচ্ছে। দায়িত্ব গ্রহণের আগেই ট্রাম্প তাকে ‘অত্যন্ত উদারপন্থী’ বলে মন্তব্য করেছিলেন।

অভ্যন্তরীণ রাজনীতিতেও কঠিন বাস্তবতার মুখোমুখি হচ্ছেন নতুন প্রধানমন্ত্রী। সাম্প্রতিক সময়ে লেবার পার্টির জনপ্রিয়তায় ভাটা পড়েছে। একদিকে নাইজেল ফারাজের নেতৃত্বাধীন ডানপন্থি রিফর্ম ইউকে সমর্থন বাড়াচ্ছে, অন্যদিকে গ্রিন পার্টি প্রগতিশীল ভোটারদের নিজেদের দিকে টানছে।

বরিস জনসন, লিজ ট্রাস, ঋষি সুনাক ও কিয়ার স্টার্মারের পর দায়িত্ব নেওয়া বার্নহ্যামের সামনে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হবে ভোটারদের আস্থা পুনরুদ্ধার করা। বিশ্লেষকদের মতে, জীবনযাত্রার মানোন্নয়ন এবং অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করতে পারলেই পূর্বসূরিদের তুলনায় দীর্ঘ সময় ১০ ডাউনিং স্ট্রিটে টিকে থাকতে পারবেন তিনি।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

লক ডাউন পরবর্তী পরিস্থিতি মোকাবেলায় ফ্রান্সে চলছে ব্যাপক প্রস্তুতি

যুক্তরাজ্যে করোনার মধ্যেই শিশুদের মাঝে নতুন রোগের হানা

প্যারিসে বাংলাদেশি উদ্যোক্তার নতুন ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ‘Paris Coeur Outlet’-এর শুভ উদ্বোধন

যুক্তরাজ্যের নতুন প্রধানমন্ত্রী অ্যান্ডি বার্নহ্যাম

আপডেট সময় ০৩:৫৬:৪২ অপরাহ্ন, সোমবার, ২০ জুলাই ২০২৬

ডেস্ক রিপোর্ট

এক দশকের মধ্যে যুক্তরাজ্যের সপ্তম প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নিয়েছেন লেবার পার্টির নেতা অ্যান্ডি বার্নহ্যাম। সোমবার (২০ জুলাই) রাজা তৃতীয় চার্লসের আনুষ্ঠানিক আহ্বানের পর নতুন সরকার গঠন করেন তিনি। এর মধ্য দিয়ে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে কিয়ার স্টার্মারের অধ্যায়ের অবসান হলো।

জাতীয় নির্বাচনে লেবার পার্টিকে নিরঙ্কুশ বিজয় এনে দেওয়ার প্রায় দুই বছর পর ১০ ডাউনিং স্ট্রিট ছেড়েছেন স্টার্মার। তার স্থলাভিষিক্ত হয়েছেন গ্রেটার ম্যানচেস্টারের সাবেক মেয়র ও লেবার পার্টির নতুন নেতা অ্যান্ডি বার্নহ্যাম।

দীর্ঘ রাজনৈতিক ক্যারিয়ারে গ্রেটার ম্যানচেস্টারের মেয়র হিসেবে দায়িত্ব পালন করে ব্যাপক জনপ্রিয়তা অর্জন করেন বার্নহ্যাম। এ কারণে তিনি ‘কিং অব দ্য নর্থ’ নামেও পরিচিত। এর আগে লেবার সরকারের বিভিন্ন মেয়াদে মন্ত্রিসভার দায়িত্বও পালন করেছেন তিনি।

দায়িত্ব নেওয়ার পরপরই বার্নহ্যামের সামনে অভ্যন্তরীণ ও আন্তর্জাতিক—দুই ক্ষেত্রেই বড় চ্যালেঞ্জ অপেক্ষা করছে। আন্তর্জাতিক অঙ্গনে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে সম্পর্ক পরিচালনা তার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ পরীক্ষা হিসেবে দেখা হচ্ছে। দায়িত্ব গ্রহণের আগেই ট্রাম্প তাকে ‘অত্যন্ত উদারপন্থী’ বলে মন্তব্য করেছিলেন।

অভ্যন্তরীণ রাজনীতিতেও কঠিন বাস্তবতার মুখোমুখি হচ্ছেন নতুন প্রধানমন্ত্রী। সাম্প্রতিক সময়ে লেবার পার্টির জনপ্রিয়তায় ভাটা পড়েছে। একদিকে নাইজেল ফারাজের নেতৃত্বাধীন ডানপন্থি রিফর্ম ইউকে সমর্থন বাড়াচ্ছে, অন্যদিকে গ্রিন পার্টি প্রগতিশীল ভোটারদের নিজেদের দিকে টানছে।

বরিস জনসন, লিজ ট্রাস, ঋষি সুনাক ও কিয়ার স্টার্মারের পর দায়িত্ব নেওয়া বার্নহ্যামের সামনে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হবে ভোটারদের আস্থা পুনরুদ্ধার করা। বিশ্লেষকদের মতে, জীবনযাত্রার মানোন্নয়ন এবং অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করতে পারলেই পূর্বসূরিদের তুলনায় দীর্ঘ সময় ১০ ডাউনিং স্ট্রিটে টিকে থাকতে পারবেন তিনি।