ঢাকা ০৯:৩৭ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ৪ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ
ফ্রান্সের পৌর নির্বাচনে ডেপুটি এবং কাউন্সিলর পদে লড়ছে বাংলাদেশী বংশোদ্ভূত ফরাসীরা সত্যিকার অর্থেই দারুণ প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ নির্বাচন হয়েছে: ইইউ পর্যবেক্ষণ মিশন বিএনপির ভূমিধস জয় অনিয়ম ও জাল ভোট: প্রতিকার পেতে কোথায় অভিযোগ করবেন? যুক্তরাজ্যের রাজনীতিতে নতুন সমীকরণ: শাবানা মাহমুদ কি হচ্ছেন সম্ভাব্য উত্তরসূরি? স্বতন্ত্র মাধ্যমিক শিক্ষা অধিদপ্তর প্রতিষ্ঠা সময়ের দাবি শেষ মুহূর্তের জরিপে নির্বাচনের সম্ভাব্য চিত্র: কে কত আসনে এগিয়ে? নিরাপত্তা ও অর্থনীতিতে অভিবাসী অন্তর্ভুক্তির গুরুত্ব,রোমে অনুষ্ঠিত হলো নিরাপদ অন্তর্ভুক্তি শীর্ষক সেমিনার ফ্রান্সে মৌলভীবাজার-২ আসনে ধানের শীষ প্রার্থী শকুর সমর্থনে মতবিনিময় সভা ভোটকেন্দ্র কোথায়? জেনে নিন সহজ চার উপায়ে

ইতালিতে ইউরোভর্তি মানিব্যাগটি ফেরত দিলেন বাংলাদেশি তরুণ

  • আপডেট সময় ০৮:৪১:০৮ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০১৯
  • ১৮০ বার পড়া হয়েছে

ইতালির রোমে রাস্তায় পড়ে থাকা একটি মানিব্যাগ কুড়িয়ে নিয়ে প্রকৃত মালিকের হাতে তুলে দিয়েছেন বাংলাদেশি এক তরুণ। মানিব্যাগটিতে দুই হাজার ইউরো (১ লাখ ৮৬ হাজার টাকার বেশি), কয়েকটি ক্রেডিট কার্ড, চালকের সনদ ও ব্যক্তিগত কিছু কাগজপত্র ছিল। তবে মানিব্যাগটি ফিরিয়ে দেওয়ার বিনিময়ে কোনো পুরস্কার নিতে অস্বীকৃতি জানিয়েছেন ওই তরুণ। তাঁর সোজা কথা, এই মানিব্যাগ তো তাঁর না, মানিব্যাগ ফিরিয়ে দিয়ে তিনি তো ব্যতিক্রম কিছু করেননি!

ওই বাংলাদেশি তরুণকে নিয়ে ইতালির স্থানীয় সংবাদপত্রে প্রতিবেদন প্রকাশ হয়েছে। তরুণকে নিয়ে গতকাল সোমবার বিবিসি অনলাইনও একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে। প্রতিবেদনে তরুণের নাম মোসান রাসেল (২৩) বলে উল্লেখ করা হয়েছে।

খবরে বলা হয়েছে, গত শুক্রবার ইতালির রাজধানী রোমের রাস্তায় মানিব্যাগটি পড়ে থাকতে দেখে রাসেল তা তুলে নিয়ে সোজা চলে যান পুলিশের কাছে। পরে রাসেলের হাত থেকে প্রকৃত মালিকের কাছে মানিব্যাগটি হস্তান্তরের আয়োজন করে পুলিশ। মানিব্যাগটির মালিক ইতালিয় এক ব্যবসায়ী।

সততার জন্য রাসেলের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করা হয়। তবে গত রোববার ইতালির দৈনিক ‘লা রিপাবলিকা’য় দেওয়া সাক্ষাৎকারে রাসেল বলেন, ‘আমি ব্যতিক্রম কিছু করিনি। কারণ মানিব্যাগটি তো আমার না।’ তিনি আরও বলেন, ‘মানিব্যাগে কত অর্থ ছিল, সেটাও আমি জানতাম না, কারণ আমি তা গুনে দেখিনি। আমি শুধু সেটি তুলে নিয়ে পুলিশের কাছে গেছি। এটা সৎ হওয়ার বিষয়, যা হতে আমার পরিবার আমাকে শিখিয়েছে।’

রাসেল রোম শহরের কেন্দ্রে একটি ছোট্ট দোকান চালান। সাত বছর ধরে তিনি শহরটিতে বসবাস করছেন। তিনি মানিব্যাগ ফিরিয়ে দেওয়ার জন্য কোনো পুরস্কার নিতে চাননি। বরং মানিব্যাগের মালিক এখন থেকে তাঁর দোকানের নিয়মিত খরিদ্দার হলে তিনি খুশি হবেন বলে জানিয়েছেন।

সূত্রঃঃ প্রথম আলো

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

লক ডাউন পরবর্তী পরিস্থিতি মোকাবেলায় ফ্রান্সে চলছে ব্যাপক প্রস্তুতি

যুক্তরাজ্যে করোনার মধ্যেই শিশুদের মাঝে নতুন রোগের হানা

ফ্রান্সের পৌর নির্বাচনে ডেপুটি এবং কাউন্সিলর পদে লড়ছে বাংলাদেশী বংশোদ্ভূত ফরাসীরা

ইতালিতে ইউরোভর্তি মানিব্যাগটি ফেরত দিলেন বাংলাদেশি তরুণ

আপডেট সময় ০৮:৪১:০৮ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০১৯

ইতালির রোমে রাস্তায় পড়ে থাকা একটি মানিব্যাগ কুড়িয়ে নিয়ে প্রকৃত মালিকের হাতে তুলে দিয়েছেন বাংলাদেশি এক তরুণ। মানিব্যাগটিতে দুই হাজার ইউরো (১ লাখ ৮৬ হাজার টাকার বেশি), কয়েকটি ক্রেডিট কার্ড, চালকের সনদ ও ব্যক্তিগত কিছু কাগজপত্র ছিল। তবে মানিব্যাগটি ফিরিয়ে দেওয়ার বিনিময়ে কোনো পুরস্কার নিতে অস্বীকৃতি জানিয়েছেন ওই তরুণ। তাঁর সোজা কথা, এই মানিব্যাগ তো তাঁর না, মানিব্যাগ ফিরিয়ে দিয়ে তিনি তো ব্যতিক্রম কিছু করেননি!

ওই বাংলাদেশি তরুণকে নিয়ে ইতালির স্থানীয় সংবাদপত্রে প্রতিবেদন প্রকাশ হয়েছে। তরুণকে নিয়ে গতকাল সোমবার বিবিসি অনলাইনও একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে। প্রতিবেদনে তরুণের নাম মোসান রাসেল (২৩) বলে উল্লেখ করা হয়েছে।

খবরে বলা হয়েছে, গত শুক্রবার ইতালির রাজধানী রোমের রাস্তায় মানিব্যাগটি পড়ে থাকতে দেখে রাসেল তা তুলে নিয়ে সোজা চলে যান পুলিশের কাছে। পরে রাসেলের হাত থেকে প্রকৃত মালিকের কাছে মানিব্যাগটি হস্তান্তরের আয়োজন করে পুলিশ। মানিব্যাগটির মালিক ইতালিয় এক ব্যবসায়ী।

সততার জন্য রাসেলের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করা হয়। তবে গত রোববার ইতালির দৈনিক ‘লা রিপাবলিকা’য় দেওয়া সাক্ষাৎকারে রাসেল বলেন, ‘আমি ব্যতিক্রম কিছু করিনি। কারণ মানিব্যাগটি তো আমার না।’ তিনি আরও বলেন, ‘মানিব্যাগে কত অর্থ ছিল, সেটাও আমি জানতাম না, কারণ আমি তা গুনে দেখিনি। আমি শুধু সেটি তুলে নিয়ে পুলিশের কাছে গেছি। এটা সৎ হওয়ার বিষয়, যা হতে আমার পরিবার আমাকে শিখিয়েছে।’

রাসেল রোম শহরের কেন্দ্রে একটি ছোট্ট দোকান চালান। সাত বছর ধরে তিনি শহরটিতে বসবাস করছেন। তিনি মানিব্যাগ ফিরিয়ে দেওয়ার জন্য কোনো পুরস্কার নিতে চাননি। বরং মানিব্যাগের মালিক এখন থেকে তাঁর দোকানের নিয়মিত খরিদ্দার হলে তিনি খুশি হবেন বলে জানিয়েছেন।

সূত্রঃঃ প্রথম আলো