ঢাকা ০৭:২০ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৫ মে ২০২৬, ১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ
স্টারমার সরকারের আরও এক মন্ত্রীর পদত্যাগ হান্টা ভাইরাসে আক্রান্ত ৮ জনের শরীরে অ্যান্ডিজ ভাইরাস শনাক্ত ফ্রান্সের সমুদ্রতীরবর্তী শহরে জাঁকজমকপূর্ণ আয়োজনে শুরু ৭৯তম কান চলচ্চিত্র উৎসব ফিলিস্তিনের পক্ষে অবস্থান নেওয়ায় চাপে ফ্রান্সের শিক্ষার্থীরা উপ্ত-সুপ্ত-গুপ্ত-লুপ্ত: রাজনৈতিক আক্রমণের ভাষা ও মনস্তত্ত্ব নিউইয়র্কের জ‍্যাকসন হাইটসে ৪০তম ফোবানার ১ম টাউন হল সভা অনুষ্ঠিত হান্টাভাইরাস প্রাদুর্ভাবের ঝুঁকি কতটা, জানাল বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা নিজ দলেরই ৮১ এমপি পদত্যাগ চাইলেন স্টারমারের পাকিস্তানের বিপক্ষে ১০৪ রানের ঐতিহাসিক জয় বাংলাদেশের সানু মিয়া ভবিষ্যত প্রজন্মের জন্য দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবেন- স্মরণ সভায় বক্তারা

ইতালিতে ইউরোভর্তি মানিব্যাগটি ফেরত দিলেন বাংলাদেশি তরুণ

  • আপডেট সময় ০৮:৪১:০৮ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০১৯
  • ২১১ বার পড়া হয়েছে

ইতালির রোমে রাস্তায় পড়ে থাকা একটি মানিব্যাগ কুড়িয়ে নিয়ে প্রকৃত মালিকের হাতে তুলে দিয়েছেন বাংলাদেশি এক তরুণ। মানিব্যাগটিতে দুই হাজার ইউরো (১ লাখ ৮৬ হাজার টাকার বেশি), কয়েকটি ক্রেডিট কার্ড, চালকের সনদ ও ব্যক্তিগত কিছু কাগজপত্র ছিল। তবে মানিব্যাগটি ফিরিয়ে দেওয়ার বিনিময়ে কোনো পুরস্কার নিতে অস্বীকৃতি জানিয়েছেন ওই তরুণ। তাঁর সোজা কথা, এই মানিব্যাগ তো তাঁর না, মানিব্যাগ ফিরিয়ে দিয়ে তিনি তো ব্যতিক্রম কিছু করেননি!

ওই বাংলাদেশি তরুণকে নিয়ে ইতালির স্থানীয় সংবাদপত্রে প্রতিবেদন প্রকাশ হয়েছে। তরুণকে নিয়ে গতকাল সোমবার বিবিসি অনলাইনও একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে। প্রতিবেদনে তরুণের নাম মোসান রাসেল (২৩) বলে উল্লেখ করা হয়েছে।

খবরে বলা হয়েছে, গত শুক্রবার ইতালির রাজধানী রোমের রাস্তায় মানিব্যাগটি পড়ে থাকতে দেখে রাসেল তা তুলে নিয়ে সোজা চলে যান পুলিশের কাছে। পরে রাসেলের হাত থেকে প্রকৃত মালিকের কাছে মানিব্যাগটি হস্তান্তরের আয়োজন করে পুলিশ। মানিব্যাগটির মালিক ইতালিয় এক ব্যবসায়ী।

সততার জন্য রাসেলের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করা হয়। তবে গত রোববার ইতালির দৈনিক ‘লা রিপাবলিকা’য় দেওয়া সাক্ষাৎকারে রাসেল বলেন, ‘আমি ব্যতিক্রম কিছু করিনি। কারণ মানিব্যাগটি তো আমার না।’ তিনি আরও বলেন, ‘মানিব্যাগে কত অর্থ ছিল, সেটাও আমি জানতাম না, কারণ আমি তা গুনে দেখিনি। আমি শুধু সেটি তুলে নিয়ে পুলিশের কাছে গেছি। এটা সৎ হওয়ার বিষয়, যা হতে আমার পরিবার আমাকে শিখিয়েছে।’

রাসেল রোম শহরের কেন্দ্রে একটি ছোট্ট দোকান চালান। সাত বছর ধরে তিনি শহরটিতে বসবাস করছেন। তিনি মানিব্যাগ ফিরিয়ে দেওয়ার জন্য কোনো পুরস্কার নিতে চাননি। বরং মানিব্যাগের মালিক এখন থেকে তাঁর দোকানের নিয়মিত খরিদ্দার হলে তিনি খুশি হবেন বলে জানিয়েছেন।

সূত্রঃঃ প্রথম আলো

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

লক ডাউন পরবর্তী পরিস্থিতি মোকাবেলায় ফ্রান্সে চলছে ব্যাপক প্রস্তুতি

যুক্তরাজ্যে করোনার মধ্যেই শিশুদের মাঝে নতুন রোগের হানা

স্টারমার সরকারের আরও এক মন্ত্রীর পদত্যাগ

ইতালিতে ইউরোভর্তি মানিব্যাগটি ফেরত দিলেন বাংলাদেশি তরুণ

আপডেট সময় ০৮:৪১:০৮ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০১৯

ইতালির রোমে রাস্তায় পড়ে থাকা একটি মানিব্যাগ কুড়িয়ে নিয়ে প্রকৃত মালিকের হাতে তুলে দিয়েছেন বাংলাদেশি এক তরুণ। মানিব্যাগটিতে দুই হাজার ইউরো (১ লাখ ৮৬ হাজার টাকার বেশি), কয়েকটি ক্রেডিট কার্ড, চালকের সনদ ও ব্যক্তিগত কিছু কাগজপত্র ছিল। তবে মানিব্যাগটি ফিরিয়ে দেওয়ার বিনিময়ে কোনো পুরস্কার নিতে অস্বীকৃতি জানিয়েছেন ওই তরুণ। তাঁর সোজা কথা, এই মানিব্যাগ তো তাঁর না, মানিব্যাগ ফিরিয়ে দিয়ে তিনি তো ব্যতিক্রম কিছু করেননি!

ওই বাংলাদেশি তরুণকে নিয়ে ইতালির স্থানীয় সংবাদপত্রে প্রতিবেদন প্রকাশ হয়েছে। তরুণকে নিয়ে গতকাল সোমবার বিবিসি অনলাইনও একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে। প্রতিবেদনে তরুণের নাম মোসান রাসেল (২৩) বলে উল্লেখ করা হয়েছে।

খবরে বলা হয়েছে, গত শুক্রবার ইতালির রাজধানী রোমের রাস্তায় মানিব্যাগটি পড়ে থাকতে দেখে রাসেল তা তুলে নিয়ে সোজা চলে যান পুলিশের কাছে। পরে রাসেলের হাত থেকে প্রকৃত মালিকের কাছে মানিব্যাগটি হস্তান্তরের আয়োজন করে পুলিশ। মানিব্যাগটির মালিক ইতালিয় এক ব্যবসায়ী।

সততার জন্য রাসেলের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করা হয়। তবে গত রোববার ইতালির দৈনিক ‘লা রিপাবলিকা’য় দেওয়া সাক্ষাৎকারে রাসেল বলেন, ‘আমি ব্যতিক্রম কিছু করিনি। কারণ মানিব্যাগটি তো আমার না।’ তিনি আরও বলেন, ‘মানিব্যাগে কত অর্থ ছিল, সেটাও আমি জানতাম না, কারণ আমি তা গুনে দেখিনি। আমি শুধু সেটি তুলে নিয়ে পুলিশের কাছে গেছি। এটা সৎ হওয়ার বিষয়, যা হতে আমার পরিবার আমাকে শিখিয়েছে।’

রাসেল রোম শহরের কেন্দ্রে একটি ছোট্ট দোকান চালান। সাত বছর ধরে তিনি শহরটিতে বসবাস করছেন। তিনি মানিব্যাগ ফিরিয়ে দেওয়ার জন্য কোনো পুরস্কার নিতে চাননি। বরং মানিব্যাগের মালিক এখন থেকে তাঁর দোকানের নিয়মিত খরিদ্দার হলে তিনি খুশি হবেন বলে জানিয়েছেন।

সূত্রঃঃ প্রথম আলো