ঢাকা ০৪:৫৩ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৫ জুলাই ২০২৪, ৩০ আষাঢ় ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ
বালাগঞ্জের হাফিজ মাওলানা সামসুল ইসলাম লন্ডনের university of central Lancashire থেকে মাস্টার্স ডিগ্রী অর্জন করলেন বালাগঞ্জে সাংবাদিকদের সাথে উপ-নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী হাজী রফিক আহমদ এর মতবিনিময় দেওয়ানবাজার ইউপি চেয়ারম্যান নাজমুল আলমের পক্ষ থেকে বন্যার্তদের মাঝে খাবার বিতরণ জনকল্যাণ ডেভেলপমেন্ট এসোসিয়েশন ইউকের পক্ষ থেকে উপহার সামগ্রী বিতরণ প্যারিসে অনুষ্ঠিত হলো, ‘রৌদ্র ছায়ায় কবি কন্ঠে কাব্য কথা’ শীর্ষক কবিতায় আড্ডা ফ্রান্স দর্পণ – কমিউনিটি-সংবেদনশীল মুখপত্র এম সি ইন্সটিটিউট ফ্রান্সের সুধী সমাবেশ অনুষ্ঠিত বিএনপি চেয়ারপারসনের “স্পেশাল এসিস্ট্যান্ট টু দ্য ফরেন এফেয়ার্স” উপদেষ্টা হলেন হাজি হাবিব ইপিএস কমিউনিটি ফ্রান্সের আয়োজনে অনুষ্ঠিত হলো ‘ফেত দ্যো লা মিউজিক ২০২৪ তরুণ উদ্যোক্তা মাসুদ মিয়া-আয়ুব হাসানের যৌথ প্রয়াসের প্রতিষ্ঠান পিংক সিটি

যুক্তরাজ্যের নির্বাচনি প্রচারণায় কেন্দ্রীয় ইস্যু হয়ে উঠছে অভিবাসন

  • আপডেট সময় ০৭:৪২:২২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৫ নভেম্বর ২০১৯
  • ১১৫ বার পড়া হয়েছে

Warning: Attempt to read property "post_excerpt" on null in /home/u305720254/domains/francedorpan.com/public_html/wp-content/themes/newspaper-pro/template-parts/common/single_two.php on line 117

যুক্তরাজ্যের নির্বাচনি প্রচারণায় রাজনৈতিক দলগুলোর কাছে কেন্দ্রীয় ইস্যু হয়ে উঠছে অভিবাসন। বিশেষ করে সীমান্ত ব্যবস্থাপনা পরিকল্পনায় বিভক্ত হয়ে পড়েছে প্রধান রাজনৈতিক শিবিরগুলো। এ পরিকল্পনার মূলে রয়েছে যুক্তরাজ্যমুখী অভিবাসনের স্রোত কিভাবে সামাল দেওয়া যায়; তা নির্ধারণ করা।

ক্ষমতাসীন কনজারভেটিভি পার্টি সামগ্রিকভাবে অভিবাসী কমানোর প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। ব্রেক্সিট পরবর্তী সময়ে বাংলাদেশসহ সব দেশের নাগরিকদের জন্য অস্ট্রেলিয়ার মতো পয়েন্ট ভিত্তিক অভিবাসন নীতি চালুর পরিকল্পনার কথা বলছে দলটি। অন্যদিকে বিরোধী দল লেবার পার্টি বলছে, গত সেপ্টেম্বরে দলীয় সম্মেলনে অভিবাসী সংক্রান্ত একটি প্রস্তাব অনুমোদন করা হয়েছে। ওই প্রস্তাবে বর্তমানে প্রচলিত ইউরোপীয় ইউনিয়নে অবাধ চলাচলের মতো একটি নীতি গ্রহণ করা হবে। যার ব্যাপ্তি ইইউ-এর গন্ডি ছাড়িয়ে বাংলাদেশের মতো দেশগুলোর নাগরিকেরাও পাবে।

লেবার পার্টির এই প্রস্তাবের ব্যাখ্যা জানতে চেয়েছেন ব্রিটিশ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী প্রীতি প্যাটেল। কড়া ভাষায় লেখা ওই চিঠিতে দাবি করা হয়েছে, এর ফলে যুক্তরাজ্যের দিকে অনিয়ন্ত্রিতভাবে দলে দলে মানুষ ছুটে আসবে। লেবার পার্টির ছায়া স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ডায়ান অ্যাবোটকে লেখা চিঠিতে প্যাটেল লেখেন, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী হিসেবে আপনাদের সম্মেলনে পাস হওয়া নীতি নিয়ে আমার গভীর উদ্বেগ রয়েছে। এর ফলে আমাদের সরকারি সেবার ওপর বিপুল আসতে পারে। ওই নীতি পশ্চিমা ধাঁচের গণতন্ত্রের নীতি বিরুদ্ধ বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

প্রীতি প্যাটেলের চিঠি ইস্যুতে টুইটারে মন্তব্য করেছেন ডায়ান অ্যাবোট। তিনি বলেন লেবার পার্টি অবাধ চলাচলের স্বাধীনতা রক্ষা ও সম্প্রসারণে প্রতিশ্রুতিশীল। রক্ষণশীলরা ইইউ-এর ৩০ লাখ মানুষের কাছ থেকে সেই অধিকার কেড়ে নেবে। আমরা তা বজায় রাখবো। তিনি বলেন, রক্ষণশীলরা পরিবার ভেঙে দেবে আর আমরা তা জোড়া লাগাবো।

ব্রিটেনে সাম্প্রতিক সব প্রচারণাতেই গুরুত্বপূর্ণ ছিলো অভিবাসন ও দেশটিতে প্রবেশ করতে ইচ্ছুকদের সংখ্যা নিয়ন্ত্রণের ইস্যুটি। ২০১৬ সালে ব্রেক্সিট গণভোটের সময়েও অন্যতম বড় ফ্যাক্টর ছিলো এই ইস্যু। পূর্বের রক্ষণশীল থেরেসা মে সরকার মোট অভিবাসীর সংখ্যা কমিয়ে আনার প্রতিশ্রুতি দেয় তবে কয়েক বছরেও তা পূরণ করতে পারেনি তারা। তবে প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসনের আমলে ওই নীতিতে ব্যাপক পরিবর্তন এনেছে দলটি।

এক বিবৃতিতে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী প্রীতি প্যাটেল রক্ষণশীল দলের অবস্থান ব্যাখ্যা করে বলেছেন, সামগ্রিকভাবে আমরা অভিবাসীর সংখ্যা কমালেও বিজ্ঞানী ও চিকিৎসকের মতো অতি দক্ষ পেশাজীবীদের জন্য আমরা আরও বেশি উদার ও নমনীয় হবো। মানুষ যদি রক্ষণশীল দলকে ভোট দেয় আর আমরা একটি চুক্তির মধ্য দিয়ে ইইউ ছাড়তে পারি তাহলেই কেবল এটি বাস্তবায়ন সম্ভব।

রক্ষণশীল দল বলছে, আগামী মাসের নির্বাচনে জিতে সরকার গঠন করলে তারা অভিবাসীদের জন্য পয়েন্ট ভিত্তিক নিয়ম চালু করবে। ইংরেজি ভাষাসহ বিভিন্ন বিষয়ের ওপর দক্ষতার ভিত্তিতে এসব পয়েন্ট নির্ধারিত হবে। এর মাধ্যমে তারা সারা বিশ্ব থেকে সবচেয়ে মেধাবী ও যোগ্যদের নিজ দেশে প্রবেশের সুযোগ দিতে চায় তারা।

লেবার পার্টির ডায়ান অ্যাবোট একে রক্ষণশীল দলের আরেকটি ‘ফেইক নিউজ’ বলে অভিহিত করেছেন। তিনি বলেন, আমাদের সমাজের ক্ষতি হয়েছে সরকারি সেবা কমানোয় ইইউ নাগরিকেরা কাজের জন্য আসায় নয়।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

লক ডাউন পরবর্তী পরিস্থিতি মোকাবেলায় ফ্রান্সে চলছে ব্যাপক প্রস্তুতি

যুক্তরাজ্যে করোনার মধ্যেই শিশুদের মাঝে নতুন রোগের হানা

বালাগঞ্জের হাফিজ মাওলানা সামসুল ইসলাম লন্ডনের university of central Lancashire থেকে মাস্টার্স ডিগ্রী অর্জন করলেন

যুক্তরাজ্যের নির্বাচনি প্রচারণায় কেন্দ্রীয় ইস্যু হয়ে উঠছে অভিবাসন

আপডেট সময় ০৭:৪২:২২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৫ নভেম্বর ২০১৯

যুক্তরাজ্যের নির্বাচনি প্রচারণায় রাজনৈতিক দলগুলোর কাছে কেন্দ্রীয় ইস্যু হয়ে উঠছে অভিবাসন। বিশেষ করে সীমান্ত ব্যবস্থাপনা পরিকল্পনায় বিভক্ত হয়ে পড়েছে প্রধান রাজনৈতিক শিবিরগুলো। এ পরিকল্পনার মূলে রয়েছে যুক্তরাজ্যমুখী অভিবাসনের স্রোত কিভাবে সামাল দেওয়া যায়; তা নির্ধারণ করা।

ক্ষমতাসীন কনজারভেটিভি পার্টি সামগ্রিকভাবে অভিবাসী কমানোর প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। ব্রেক্সিট পরবর্তী সময়ে বাংলাদেশসহ সব দেশের নাগরিকদের জন্য অস্ট্রেলিয়ার মতো পয়েন্ট ভিত্তিক অভিবাসন নীতি চালুর পরিকল্পনার কথা বলছে দলটি। অন্যদিকে বিরোধী দল লেবার পার্টি বলছে, গত সেপ্টেম্বরে দলীয় সম্মেলনে অভিবাসী সংক্রান্ত একটি প্রস্তাব অনুমোদন করা হয়েছে। ওই প্রস্তাবে বর্তমানে প্রচলিত ইউরোপীয় ইউনিয়নে অবাধ চলাচলের মতো একটি নীতি গ্রহণ করা হবে। যার ব্যাপ্তি ইইউ-এর গন্ডি ছাড়িয়ে বাংলাদেশের মতো দেশগুলোর নাগরিকেরাও পাবে।

লেবার পার্টির এই প্রস্তাবের ব্যাখ্যা জানতে চেয়েছেন ব্রিটিশ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী প্রীতি প্যাটেল। কড়া ভাষায় লেখা ওই চিঠিতে দাবি করা হয়েছে, এর ফলে যুক্তরাজ্যের দিকে অনিয়ন্ত্রিতভাবে দলে দলে মানুষ ছুটে আসবে। লেবার পার্টির ছায়া স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ডায়ান অ্যাবোটকে লেখা চিঠিতে প্যাটেল লেখেন, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী হিসেবে আপনাদের সম্মেলনে পাস হওয়া নীতি নিয়ে আমার গভীর উদ্বেগ রয়েছে। এর ফলে আমাদের সরকারি সেবার ওপর বিপুল আসতে পারে। ওই নীতি পশ্চিমা ধাঁচের গণতন্ত্রের নীতি বিরুদ্ধ বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

প্রীতি প্যাটেলের চিঠি ইস্যুতে টুইটারে মন্তব্য করেছেন ডায়ান অ্যাবোট। তিনি বলেন লেবার পার্টি অবাধ চলাচলের স্বাধীনতা রক্ষা ও সম্প্রসারণে প্রতিশ্রুতিশীল। রক্ষণশীলরা ইইউ-এর ৩০ লাখ মানুষের কাছ থেকে সেই অধিকার কেড়ে নেবে। আমরা তা বজায় রাখবো। তিনি বলেন, রক্ষণশীলরা পরিবার ভেঙে দেবে আর আমরা তা জোড়া লাগাবো।

ব্রিটেনে সাম্প্রতিক সব প্রচারণাতেই গুরুত্বপূর্ণ ছিলো অভিবাসন ও দেশটিতে প্রবেশ করতে ইচ্ছুকদের সংখ্যা নিয়ন্ত্রণের ইস্যুটি। ২০১৬ সালে ব্রেক্সিট গণভোটের সময়েও অন্যতম বড় ফ্যাক্টর ছিলো এই ইস্যু। পূর্বের রক্ষণশীল থেরেসা মে সরকার মোট অভিবাসীর সংখ্যা কমিয়ে আনার প্রতিশ্রুতি দেয় তবে কয়েক বছরেও তা পূরণ করতে পারেনি তারা। তবে প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসনের আমলে ওই নীতিতে ব্যাপক পরিবর্তন এনেছে দলটি।

এক বিবৃতিতে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী প্রীতি প্যাটেল রক্ষণশীল দলের অবস্থান ব্যাখ্যা করে বলেছেন, সামগ্রিকভাবে আমরা অভিবাসীর সংখ্যা কমালেও বিজ্ঞানী ও চিকিৎসকের মতো অতি দক্ষ পেশাজীবীদের জন্য আমরা আরও বেশি উদার ও নমনীয় হবো। মানুষ যদি রক্ষণশীল দলকে ভোট দেয় আর আমরা একটি চুক্তির মধ্য দিয়ে ইইউ ছাড়তে পারি তাহলেই কেবল এটি বাস্তবায়ন সম্ভব।

রক্ষণশীল দল বলছে, আগামী মাসের নির্বাচনে জিতে সরকার গঠন করলে তারা অভিবাসীদের জন্য পয়েন্ট ভিত্তিক নিয়ম চালু করবে। ইংরেজি ভাষাসহ বিভিন্ন বিষয়ের ওপর দক্ষতার ভিত্তিতে এসব পয়েন্ট নির্ধারিত হবে। এর মাধ্যমে তারা সারা বিশ্ব থেকে সবচেয়ে মেধাবী ও যোগ্যদের নিজ দেশে প্রবেশের সুযোগ দিতে চায় তারা।

লেবার পার্টির ডায়ান অ্যাবোট একে রক্ষণশীল দলের আরেকটি ‘ফেইক নিউজ’ বলে অভিহিত করেছেন। তিনি বলেন, আমাদের সমাজের ক্ষতি হয়েছে সরকারি সেবা কমানোয় ইইউ নাগরিকেরা কাজের জন্য আসায় নয়।