ঢাকা ০৯:০৩ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৪ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ
প্যারিসে বাংলাদেশি উদ্যোক্তার নতুন ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ‘Paris Coeur Outlet’-এর শুভ উদ্বোধন ক্রিকেট উন্মাদনায় রোম, রোম বাংলা T10 ক্রিকেট চ্যাম্পিয়নশিপের উদ্বোধনী ম্যাচ খেলবে সাকের স্পোর্টিং ক্লাব ফেঞ্চুগঞ্জে সিবিএ নির্বাচনে বিজয়ীদের অভিনন্দন জানালেন বিএনপি নেতা মোয়াজ্জেম হোসেন সাহেদ ফেঞ্চুগঞ্জে সিবিএ নির্বাচনে শ্যামল-শিপন পরিষদের পূর্ণ প্যানেল জয় ইতালিতে নারায়ণগঞ্জ-৩ আসনের এমপি আজহারুল ইসলাম মান্নানের সুস্থতা কামনায় দোয়া মাহফিল রোমে সিলেট স্পোর্টিং ক্লাব ইতালির জার্সি উন্মোচন ফ্রান্সের তুলুজে বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন সর্বোচ্চ সৌদি আরব, দ্বিতীয় যুক্তরাজ্য, কমেছে যুক্তরাষ্ট্র থেকে যুক্তরাষ্ট্রে জন্মসূত্রে নাগরিকত্ব পাওয়ার সুযোগ নিয়ে সুখবর সাংবাদিক বকসি ইকবাল আহমেদ এর সম্মানে ইউকে বাংলা রিপোর্টার্স ইউনিটির প্রীতিসভা

আরব দেশগুলোকে দিয়ে ইরানে সমন্বিত হামলা করাতে চেয়েছিল আমিরাত!

  • আপডেট সময় ০৩:৩৭:০৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৫ মে ২০২৬
  • ১২২ বার পড়া হয়েছে

দর্পণ ডেস্ক

যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের ইরানবিরোধী সামরিক অভিযানের পর তেহরানের বিরুদ্ধে সমন্বিত হামলায় আরব দেশগুলোকে একত্রিত করার চেষ্টা করেছিল সংযুক্ত আরব আমিরাত। তবে সৌদি আরবসহ অন্য দেশগুলো এতে সাড়া না দেওয়ায় উদ্যোগটি বাস্তবায়ন হয়নি বলে জানিয়েছে মার্কিন সংবাদমাধ্যম ব্লুমবার্গ।

শুক্রবার (১৫ মে) প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে ব্লুমবার্গ জানায়, এ উদ্যোগের অংশ হিসেবে আমিরাতের প্রেসিডেন্ট শেখ মোহাম্মদ বিন জায়েদ আল নাহিয়ান বিভিন্ন আরব নেতার সঙ্গে যোগাযোগ করেন। তাদের মধ্যে সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমানও ছিলেন।

প্রতিবেদনে বলা হয়, প্রস্তাবটি আরব দেশগুলোর সমর্থন না পাওয়ায় আঞ্চলিক সম্পর্কে টানাপোড়েন তৈরি হয়। এর পেছনে ওপেক ও ওপেক প্লাস থেকে আমিরাতের সরে যাওয়ার সিদ্ধান্তকেও সংশ্লিষ্টরা গুরুত্বপূর্ণ ইঙ্গিত হিসেবে দেখছেন।

ব্লুমবার্গের বরাতে আরও জানা যায়, গত মার্চে সৌদি আরব সরাসরি ইরানে হামলা চালালেও পরে যুদ্ধ বন্ধে পাকিস্তানের মধ্যস্থতা শুরু হলে রিয়াদ নিজেদের অবস্থান পরিবর্তন করে। যুদ্ধ বন্ধের কূটনৈতিক প্রচেষ্টাকেই তখন অগ্রাধিকার দেয় সৌদি সরকার।

প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, যুদ্ধবিরতি প্রক্রিয়ায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা না পাওয়ায় আমিরাত অসন্তুষ্ট ছিল। একই সময়ে কাতারের রাস লাফফান তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস প্ল্যান্টে হামলার পর দোহাও ইরানের বিরুদ্ধে পাল্টা পদক্ষেপ বিবেচনা করেছিল। তবে পরে তারা সে সিদ্ধান্ত থেকে সরে আসে। বিশ্বের বৃহত্তম এলএনজি স্থাপনাগুলোর একটি হিসেবে পরিচিত রাস লাফফান প্ল্যান্ট বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

ব্লুমবার্গের প্রতিবেদনে দাবি করা হয়, ইরানের বিরুদ্ধে সমন্বিত আরব হামলার পরিকল্পনার বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্র প্রশাসন অবগত ছিল। পাশাপাশি আমিরাত চেয়েছিল, এ উদ্যোগে যুক্তরাষ্ট্র ও কাতারও সক্রিয়ভাবে যুক্ত হোক।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

লক ডাউন পরবর্তী পরিস্থিতি মোকাবেলায় ফ্রান্সে চলছে ব্যাপক প্রস্তুতি

যুক্তরাজ্যে করোনার মধ্যেই শিশুদের মাঝে নতুন রোগের হানা

প্যারিসে বাংলাদেশি উদ্যোক্তার নতুন ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ‘Paris Coeur Outlet’-এর শুভ উদ্বোধন

আরব দেশগুলোকে দিয়ে ইরানে সমন্বিত হামলা করাতে চেয়েছিল আমিরাত!

আপডেট সময় ০৩:৩৭:০৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৫ মে ২০২৬

দর্পণ ডেস্ক

যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের ইরানবিরোধী সামরিক অভিযানের পর তেহরানের বিরুদ্ধে সমন্বিত হামলায় আরব দেশগুলোকে একত্রিত করার চেষ্টা করেছিল সংযুক্ত আরব আমিরাত। তবে সৌদি আরবসহ অন্য দেশগুলো এতে সাড়া না দেওয়ায় উদ্যোগটি বাস্তবায়ন হয়নি বলে জানিয়েছে মার্কিন সংবাদমাধ্যম ব্লুমবার্গ।

শুক্রবার (১৫ মে) প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে ব্লুমবার্গ জানায়, এ উদ্যোগের অংশ হিসেবে আমিরাতের প্রেসিডেন্ট শেখ মোহাম্মদ বিন জায়েদ আল নাহিয়ান বিভিন্ন আরব নেতার সঙ্গে যোগাযোগ করেন। তাদের মধ্যে সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমানও ছিলেন।

প্রতিবেদনে বলা হয়, প্রস্তাবটি আরব দেশগুলোর সমর্থন না পাওয়ায় আঞ্চলিক সম্পর্কে টানাপোড়েন তৈরি হয়। এর পেছনে ওপেক ও ওপেক প্লাস থেকে আমিরাতের সরে যাওয়ার সিদ্ধান্তকেও সংশ্লিষ্টরা গুরুত্বপূর্ণ ইঙ্গিত হিসেবে দেখছেন।

ব্লুমবার্গের বরাতে আরও জানা যায়, গত মার্চে সৌদি আরব সরাসরি ইরানে হামলা চালালেও পরে যুদ্ধ বন্ধে পাকিস্তানের মধ্যস্থতা শুরু হলে রিয়াদ নিজেদের অবস্থান পরিবর্তন করে। যুদ্ধ বন্ধের কূটনৈতিক প্রচেষ্টাকেই তখন অগ্রাধিকার দেয় সৌদি সরকার।

প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, যুদ্ধবিরতি প্রক্রিয়ায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা না পাওয়ায় আমিরাত অসন্তুষ্ট ছিল। একই সময়ে কাতারের রাস লাফফান তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস প্ল্যান্টে হামলার পর দোহাও ইরানের বিরুদ্ধে পাল্টা পদক্ষেপ বিবেচনা করেছিল। তবে পরে তারা সে সিদ্ধান্ত থেকে সরে আসে। বিশ্বের বৃহত্তম এলএনজি স্থাপনাগুলোর একটি হিসেবে পরিচিত রাস লাফফান প্ল্যান্ট বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

ব্লুমবার্গের প্রতিবেদনে দাবি করা হয়, ইরানের বিরুদ্ধে সমন্বিত আরব হামলার পরিকল্পনার বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্র প্রশাসন অবগত ছিল। পাশাপাশি আমিরাত চেয়েছিল, এ উদ্যোগে যুক্তরাষ্ট্র ও কাতারও সক্রিয়ভাবে যুক্ত হোক।