ঢাকা ০৪:২৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৬, ১১ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

কথিত বন্দুকযুদ্ধের প্রতিটি মৃত্যুর তদন্ত চায় ইইউ

  • আপডেট সময় ০৩:৩১:৫৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ৪ জুন ২০১৮
  • ৩৬৮ বার পড়া হয়েছে

বাংলাদেশে চলমান মাদকবিরোধী অভিযানে কথিত বন্দুকযুদ্ধে প্রতিটি মৃত্যুর ঘটনার পূর্ণাঙ্গ তদন্ত চেয়েছে ঢাকায় ইউরোপীয় ইউনিয়নের মিশনগুলো। আজ সোমবার ইইউ জোটভূক্ত দেশগুলোর ঢাকাস্থ মিশন প্রধানদের এক যৌথ বিবৃতিতে বলা হয়, “আমরা আশা করি, কর্তৃপক্ষ যথাযথ আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণ করে সন্দেহভাজন অপরাধীদের মৃত্যুর প্রতিটি ঘটনার পূর্ণাঙ্গ তদন্ত করবে। ঢাকায় ইইউ দেশগুলোর মিশন প্রধানদের সম্মতিতে ইইউ ডেলিডেশন প্রধানের তরফে ওই বিবৃতি দেয়া হয়। সেখানে বলা হয়, মাদক ও এর চোরাকারবার বিশ্বজুড়েই একটি বড় সমস্যা। বাংলাদেশে যে মাদকবিরোধী অভিযান চলছে, সেখানে মাত্রাতিরিক্ত বলপ্রয়োগের অভিযোগ উঠেছে, এসব ঘটনায় নিহত হয়েছে ১২০ জনেরও বেশি মানুষ। আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনী যাতে আইন ও আন্তর্জাতিক মান বজায় রেখে তাদের কার্যক্রম পরিচালনা করে, সেইসঙ্গে তারা যাতে অতিরিক্ত বলপ্রয়োগে না করে- তা নিশ্চিত করার বিষয়ে বাংলাদেশ প্রতিশ্রুতির কথা মনে করিয়ে দেয়া হয় বিবৃতিতে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর দাবি, মৃত্যুর ঘটনাগুলো ঘটছে অভিযান চালানোর সময় মাদক চোরাকারবারিদের সঙ্গে গোলাগুলিতে কিংবা মাদক বিক্রেতাদের অভ্যন্তরীণ কোন্দলে। তবে মানবাধিকারকর্মীরা ‘বন্দুকযুদ্ধ’ মৃত্যুর ঘটনাগুলো নিয়ে প্রশ্ন তুলে বলছেন, মাদকের উৎস বন্ধ না করে এভাবে ‘বিচার বহির্ভূত হত্যাকা-’ ঘটিয়ে অভিযানের সফলতা আসবে না। এই প্রেক্ষাপটে জাতিসংঘের অফিস অন ড্রাগস অ্যান্ড ক্রাইম (ইউএনওডিসি) গত ২রা জুন এক বিবৃতিতে জানায়, বাংলাদেশে চলমান মাদকবিরোধী অভিযানে তারা গভীরভাবে নজর রাখছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

লক ডাউন পরবর্তী পরিস্থিতি মোকাবেলায় ফ্রান্সে চলছে ব্যাপক প্রস্তুতি

যুক্তরাজ্যে করোনার মধ্যেই শিশুদের মাঝে নতুন রোগের হানা

বার্লিনে রেজা পাহলভীর ওপর লাল তরল নিক্ষেপ

কথিত বন্দুকযুদ্ধের প্রতিটি মৃত্যুর তদন্ত চায় ইইউ

আপডেট সময় ০৩:৩১:৫৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ৪ জুন ২০১৮

বাংলাদেশে চলমান মাদকবিরোধী অভিযানে কথিত বন্দুকযুদ্ধে প্রতিটি মৃত্যুর ঘটনার পূর্ণাঙ্গ তদন্ত চেয়েছে ঢাকায় ইউরোপীয় ইউনিয়নের মিশনগুলো। আজ সোমবার ইইউ জোটভূক্ত দেশগুলোর ঢাকাস্থ মিশন প্রধানদের এক যৌথ বিবৃতিতে বলা হয়, “আমরা আশা করি, কর্তৃপক্ষ যথাযথ আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণ করে সন্দেহভাজন অপরাধীদের মৃত্যুর প্রতিটি ঘটনার পূর্ণাঙ্গ তদন্ত করবে। ঢাকায় ইইউ দেশগুলোর মিশন প্রধানদের সম্মতিতে ইইউ ডেলিডেশন প্রধানের তরফে ওই বিবৃতি দেয়া হয়। সেখানে বলা হয়, মাদক ও এর চোরাকারবার বিশ্বজুড়েই একটি বড় সমস্যা। বাংলাদেশে যে মাদকবিরোধী অভিযান চলছে, সেখানে মাত্রাতিরিক্ত বলপ্রয়োগের অভিযোগ উঠেছে, এসব ঘটনায় নিহত হয়েছে ১২০ জনেরও বেশি মানুষ। আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনী যাতে আইন ও আন্তর্জাতিক মান বজায় রেখে তাদের কার্যক্রম পরিচালনা করে, সেইসঙ্গে তারা যাতে অতিরিক্ত বলপ্রয়োগে না করে- তা নিশ্চিত করার বিষয়ে বাংলাদেশ প্রতিশ্রুতির কথা মনে করিয়ে দেয়া হয় বিবৃতিতে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর দাবি, মৃত্যুর ঘটনাগুলো ঘটছে অভিযান চালানোর সময় মাদক চোরাকারবারিদের সঙ্গে গোলাগুলিতে কিংবা মাদক বিক্রেতাদের অভ্যন্তরীণ কোন্দলে। তবে মানবাধিকারকর্মীরা ‘বন্দুকযুদ্ধ’ মৃত্যুর ঘটনাগুলো নিয়ে প্রশ্ন তুলে বলছেন, মাদকের উৎস বন্ধ না করে এভাবে ‘বিচার বহির্ভূত হত্যাকা-’ ঘটিয়ে অভিযানের সফলতা আসবে না। এই প্রেক্ষাপটে জাতিসংঘের অফিস অন ড্রাগস অ্যান্ড ক্রাইম (ইউএনওডিসি) গত ২রা জুন এক বিবৃতিতে জানায়, বাংলাদেশে চলমান মাদকবিরোধী অভিযানে তারা গভীরভাবে নজর রাখছে।