ঢাকা ০৬:৪৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৬, ১১ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

নানা আয়োজনে ইতলি প্রবাসী বঙ্গ ললনারা বরন করলেন বাংলা নতুন বছর

  • আপডেট সময় ০১:০৭:৫৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৭ এপ্রিল ২০১৮
  • ৪৪৬ বার পড়া হয়েছে

মিনহাজ হোসেন ইতালী: বিপুল উৎসাহ-উদ্দীপনা আর বর্ণিল আয়োজনে শনিবার বাংলাদেশ সহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশের সাথে তালমিলিয়ে ইতালির রোমে উদযাপিত হয় বাংলা নতুন বছরের প্রথম দিন পহেলা বৈশাখ। শনিবার ইতালির রাজধানী রোমের পিয়াশছা লার্গো পেলেস্তিনা পার্কে নানা অনুষ্ঠানমালার মধ্য দিয়ে নতুন বর্ষকে বরণ করে ইতালি প্রবাসী সর্বস্তরের বাঙ্গালী জনগণ। নতুন বর্ষকে বরণের পাশাপাশি সর্বস্তরের জনতার প্রত্যাশা সুখী, শান্তিপূর্ণ ও সোহার্দপূর্ণ বছর হোক ১৪২৫ সালটি। যা আগামী দিনে বাংলাদেশকে বিশ্ব দরবারে উচ্চ আসনে অধিষ্ঠিত করবে। প্রায় ছয় শতাধিক বছর আগে চালু হওয়া পহেলা বৈশাখ উদযাপন বাঙালির অবিচ্ছেদ্য অংশে পরিণত হয়েছে। বিশেষ করে গত ছয় দশক ধরে দিবসটি পালনে নানা রঙ ও উচ্ছ্বাসের আমেজ ছড়িয়েছে প্রতিটি বাঙালির হৃদয়। সে সুত্র ধরে গত কয়েক বছর ধরে প্রবাসী বাঙ্গালী মহিলাদের আয়োজনে ইতালির পিয়াছা লার্গো পেনেস্তে বর্ষবরন করা হচ্ছে। ভূমি কর আদায়ের সুবিধার্থে মোগল সম্রাট আকবর খ্রিস্টিয় ১৫৫৬ সালে বাংলা বর্ষপঞ্জি চালু করেন। নববর্ষের প্রথম দিনের ঐতিহ্য অনুযায়ী পহেলা বৈশাখে দেশের ব্যবসায়ীরা হালখাতা খুলেন এবং ক্রেতা ও দর্শনার্থীদের মিষ্টিমুখ করান। বৈশাখ বরন উপলক্ষে বাহারি রকমের খাওয়া দাওয়ার আয়োজন ছিল চোখে পরার মত, অনুষ্ঠানের শুরুতে আহবায়ক সানজিদা আহমেদ, সদস্য সচিব জেসমিন সুলতানা মিরা, প্রধান সম্বনয়কারী রুপালী গোমেজ, প্রধান উপদেষ্ঠা শান্তা সিকদার, কাজি জামিলা,মিনু আহমেদ,, মাকসুদা, পারভিন সুমি ইসলাম, আক্তার, এর নেতৃত্বে সমবেত কণ্ঠে কবিগুরুর বিখ্যাত গান ‘এসো হে বৈশাখ, এসো এসো’ গেয়ে র্যালীর মধ্যদিয়ে নতুন বছরকে বরণ করে নেন ইতালি প্রবাসী মহিলারা বঙ্গাব্দ ১৪২৪ কে বিদায় জানিয়ে ১৪২৫ বরন করেনে। এর পরে আলোচনা অনুষ্ঠানের উদ্ভোধন করেন মনোয়ারা মনি, আহবায়ক সানজিদা আহমেদের সভাপতিত্বে ও আমিনুল ইসলাম ও সুবর্নার, সায়েরা হোসাইন রানীর পরিচালনার আলোচনায় অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জানকারলো পেচোলা, বিশেষ অতিথি হিসেবে ছিলেন হাসানুজ্জামান কামরুল, জয়নাল আবদিন হাজরী, মইনুল হোসেন ময়না, জি এম ওমর ফারুক,মফিজুল ইসলাম রাসেল, কাজী মোস্তাক আহমেদ সুমন, আশরাফুল হক,।। এছাড়া বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ সমিতি ইতালি, বাংলাদেশ সমিতি নাপলি,ধুমকেতু সামজিক সংগঠন ইতালী,,বৃহত্তর ঢাকা ইতালি, বৃহত্তর ফরিতপুর সমিতি ইতালি,বৃহত্তর কুমিল্লা, বৃহত্তর নেয়াখালী,জালালাবাদ কল্যান সংঘ,বৃহত্তর ঢাকা যুব পরিষদ, বাংলাদেশ বাংকার সমিতি,বাংলাদেশ যুব উন্নয়ন সমিতি, বৃহত্তর সিলেট যুব পরিষদ,মহিলা সংস্থা,সান পাওলো সামাজিক সংগঠন, সেন্তসেলে ঐক্য পরিষদ, মুন্সীগঞ্জ বিক্রমপুর সমিতি ইতালি, মানিকগঞ্জ জেলা সমিতি গাজিপুর জেলা সমিতি, দোহার ঐক্য পরিষদ, মন্তেভেরদে ঐক্য পরিষদ ইতালির নেত্রীবৃন্দ। ইতালির প্রবাসী নারীদের আয়োজিত বৈশাখী মেলায় দেখা যায় নারী-পুরুষ ও শিশুদের উপচেপড়া ভিড়। পুরুষরা পাঞ্জাবি-পাজামা, নারীরা লাল পেড়ে শাড়ি ও শিশুদের গায়ে শোভা পাচ্ছে বাহারি রঙের পোশাক। সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে স্থানীয় সংগিত শিল্পীদের বৈশাখের ও নানান জনপ্রিয় গানের পাশাপাশি নিত্য শিল্পীরা আগত সকলকে মাতিয়ে রাখেন। আহবায় সানজিদা আহমেদ উপস্থিত সকলকে ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন, বাংলার সংষ্কৃতি, কৃষ্টি আর ঐতিহ্যের সম্মিলনের দিন আজ ।এই বিশেষ দিনটি আমাদের সকলের জন্য সাফল্য আর মঙ্গল বয়ে আনুক এই প্রত্যাশায় করে এবং সকলকে বাংলা নববর্ষ ১৪২৫ এর শুভেচ্ছা জানিয়ে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি ঘোষনা করেন।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

লক ডাউন পরবর্তী পরিস্থিতি মোকাবেলায় ফ্রান্সে চলছে ব্যাপক প্রস্তুতি

যুক্তরাজ্যে করোনার মধ্যেই শিশুদের মাঝে নতুন রোগের হানা

বার্লিনে রেজা পাহলভীর ওপর লাল তরল নিক্ষেপ

নানা আয়োজনে ইতলি প্রবাসী বঙ্গ ললনারা বরন করলেন বাংলা নতুন বছর

আপডেট সময় ০১:০৭:৫৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৭ এপ্রিল ২০১৮

মিনহাজ হোসেন ইতালী: বিপুল উৎসাহ-উদ্দীপনা আর বর্ণিল আয়োজনে শনিবার বাংলাদেশ সহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশের সাথে তালমিলিয়ে ইতালির রোমে উদযাপিত হয় বাংলা নতুন বছরের প্রথম দিন পহেলা বৈশাখ। শনিবার ইতালির রাজধানী রোমের পিয়াশছা লার্গো পেলেস্তিনা পার্কে নানা অনুষ্ঠানমালার মধ্য দিয়ে নতুন বর্ষকে বরণ করে ইতালি প্রবাসী সর্বস্তরের বাঙ্গালী জনগণ। নতুন বর্ষকে বরণের পাশাপাশি সর্বস্তরের জনতার প্রত্যাশা সুখী, শান্তিপূর্ণ ও সোহার্দপূর্ণ বছর হোক ১৪২৫ সালটি। যা আগামী দিনে বাংলাদেশকে বিশ্ব দরবারে উচ্চ আসনে অধিষ্ঠিত করবে। প্রায় ছয় শতাধিক বছর আগে চালু হওয়া পহেলা বৈশাখ উদযাপন বাঙালির অবিচ্ছেদ্য অংশে পরিণত হয়েছে। বিশেষ করে গত ছয় দশক ধরে দিবসটি পালনে নানা রঙ ও উচ্ছ্বাসের আমেজ ছড়িয়েছে প্রতিটি বাঙালির হৃদয়। সে সুত্র ধরে গত কয়েক বছর ধরে প্রবাসী বাঙ্গালী মহিলাদের আয়োজনে ইতালির পিয়াছা লার্গো পেনেস্তে বর্ষবরন করা হচ্ছে। ভূমি কর আদায়ের সুবিধার্থে মোগল সম্রাট আকবর খ্রিস্টিয় ১৫৫৬ সালে বাংলা বর্ষপঞ্জি চালু করেন। নববর্ষের প্রথম দিনের ঐতিহ্য অনুযায়ী পহেলা বৈশাখে দেশের ব্যবসায়ীরা হালখাতা খুলেন এবং ক্রেতা ও দর্শনার্থীদের মিষ্টিমুখ করান। বৈশাখ বরন উপলক্ষে বাহারি রকমের খাওয়া দাওয়ার আয়োজন ছিল চোখে পরার মত, অনুষ্ঠানের শুরুতে আহবায়ক সানজিদা আহমেদ, সদস্য সচিব জেসমিন সুলতানা মিরা, প্রধান সম্বনয়কারী রুপালী গোমেজ, প্রধান উপদেষ্ঠা শান্তা সিকদার, কাজি জামিলা,মিনু আহমেদ,, মাকসুদা, পারভিন সুমি ইসলাম, আক্তার, এর নেতৃত্বে সমবেত কণ্ঠে কবিগুরুর বিখ্যাত গান ‘এসো হে বৈশাখ, এসো এসো’ গেয়ে র্যালীর মধ্যদিয়ে নতুন বছরকে বরণ করে নেন ইতালি প্রবাসী মহিলারা বঙ্গাব্দ ১৪২৪ কে বিদায় জানিয়ে ১৪২৫ বরন করেনে। এর পরে আলোচনা অনুষ্ঠানের উদ্ভোধন করেন মনোয়ারা মনি, আহবায়ক সানজিদা আহমেদের সভাপতিত্বে ও আমিনুল ইসলাম ও সুবর্নার, সায়েরা হোসাইন রানীর পরিচালনার আলোচনায় অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জানকারলো পেচোলা, বিশেষ অতিথি হিসেবে ছিলেন হাসানুজ্জামান কামরুল, জয়নাল আবদিন হাজরী, মইনুল হোসেন ময়না, জি এম ওমর ফারুক,মফিজুল ইসলাম রাসেল, কাজী মোস্তাক আহমেদ সুমন, আশরাফুল হক,।। এছাড়া বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ সমিতি ইতালি, বাংলাদেশ সমিতি নাপলি,ধুমকেতু সামজিক সংগঠন ইতালী,,বৃহত্তর ঢাকা ইতালি, বৃহত্তর ফরিতপুর সমিতি ইতালি,বৃহত্তর কুমিল্লা, বৃহত্তর নেয়াখালী,জালালাবাদ কল্যান সংঘ,বৃহত্তর ঢাকা যুব পরিষদ, বাংলাদেশ বাংকার সমিতি,বাংলাদেশ যুব উন্নয়ন সমিতি, বৃহত্তর সিলেট যুব পরিষদ,মহিলা সংস্থা,সান পাওলো সামাজিক সংগঠন, সেন্তসেলে ঐক্য পরিষদ, মুন্সীগঞ্জ বিক্রমপুর সমিতি ইতালি, মানিকগঞ্জ জেলা সমিতি গাজিপুর জেলা সমিতি, দোহার ঐক্য পরিষদ, মন্তেভেরদে ঐক্য পরিষদ ইতালির নেত্রীবৃন্দ। ইতালির প্রবাসী নারীদের আয়োজিত বৈশাখী মেলায় দেখা যায় নারী-পুরুষ ও শিশুদের উপচেপড়া ভিড়। পুরুষরা পাঞ্জাবি-পাজামা, নারীরা লাল পেড়ে শাড়ি ও শিশুদের গায়ে শোভা পাচ্ছে বাহারি রঙের পোশাক। সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে স্থানীয় সংগিত শিল্পীদের বৈশাখের ও নানান জনপ্রিয় গানের পাশাপাশি নিত্য শিল্পীরা আগত সকলকে মাতিয়ে রাখেন। আহবায় সানজিদা আহমেদ উপস্থিত সকলকে ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন, বাংলার সংষ্কৃতি, কৃষ্টি আর ঐতিহ্যের সম্মিলনের দিন আজ ।এই বিশেষ দিনটি আমাদের সকলের জন্য সাফল্য আর মঙ্গল বয়ে আনুক এই প্রত্যাশায় করে এবং সকলকে বাংলা নববর্ষ ১৪২৫ এর শুভেচ্ছা জানিয়ে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি ঘোষনা করেন।