ঢাকা ০৬:৪৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৫ জুলাই ২০২৬, ১০ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ
ফিলিস্তিনে ইসরায়েলি হামলাকে ‘গণহত্যা’ বললেন জাতিসংঘের বিশেষ দূত প্রবাসীবান্ধব সেবা নিশ্চিতে আন্তঃমন্ত্রণালয় কমিটি গঠন রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিনের পদত্যাগ ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি হাফিজ উদ্দিন মেসির বিদায় হবে আর্জেন্টিনায় ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি হাফিজ উদ্দিন আহমদ বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতির পদত্যাগ আল-আকসা মসজিদে ঢুকে চার সহস্রাধিক ইসরায়েলির তাণ্ডব শিগগিরই পদত্যাগ করতে পারেন রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিন ককরোচ জনতা পার্টি’র আন্দোলনের প্রতি সিলেটে ছাত্র সমাজের পূর্ণ সংহতি যুক্তরাজ্যে মোল্লারগাঁও ইউপির সাবেক চেয়ারম্যান প্রয়াত শেখ মখন মিয়ার পরিবারের ৩ সদস্যের মর্মান্তিক মৃত্যু

নির্বাচনী ইশতেহার প্রকাশ করল জামায়াতে ইসলামী: অগ্রাধিকার ২৬ খাত, প্রতিশ্রুতি ১০টি

  • আপডেট সময় ০১:৩৬:১০ অপরাহ্ন, বুধবার, ৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • ২০৫ বার পড়া হয়েছে

মোট ২৬টি বিষয়কে অগ্রাধিকার দেওয়া এবং ১০টি প্রতিশ্রুতির কথা জানিয়ে নির্বাচনী ইশতেহার ঘোষণা করলো বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী।

আজ সন্ধ্যায় ঢাকার একটি হোটেলে ইশতেহার ঘোষণা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

জামায়াতের আমির শফিকুর রহমান ইশতেহার ঘোষণা অনুষ্ঠানে সূচনা বক্তব্যে বলেছেন, “আমরা রাজনীতিতে বলি, ব্যক্তির চেয়ে দল বড়, দলের চেয়ে দেশ বড়। কিন্তু ৫৪ বছরে সেই স্লোগানের স্বাক্ষর দিতে পেরেছি?”

“এই বৈষম্য ৫৪ বছর আগেও ছিল। ‘৪৭ থেকে জাতির স্বাধীনতার সূচনা, এরপর বঞ্চনার শিকার হয়ে ‘৭১। তারপর দফায় দফায় গণঅভ্যুত্থান। শেষ পর্যন্ত এসে ঠেকেছে চব্বিশে। ‘২৪-এ খুব সামান্য দাবি ছিল।”

“৪৭ না হলে ৭১ হতো না, ৭১ না হলে ২৪ পেতাম না। একটি অপরটির সাথে সম্পর্কিত। ইশতেহার কেবল দলীয় কর্মসূচি না, বরং জাতির প্রতি দলের পরিকল্পপনা; এটি একটি জীবন্ত দলিল।”

“আমাদের ইশতেহারে আমরা জনগণের আকাঙ্ক্ষা, পরামর্শ চেয়েছি,” বলেন তিনি।

জামায়াতের আমির ডা. শফিকুর রহমানসহ দলের শীর্ষ নেতারা ইশতেহার ঘোষণা অনুষ্ঠানে উপস্থিত আছেন।

এছাড়া, বিশ্বের বিভিন্ন দেশের কূটনীতিক ও গণমাধ্যম কর্মীরাও সেখানে আছেন।

এই নির্বাচনী ইশতেহারের নাম দেওয়া হয়েছে “নিরাপদ ও মানবিক বাংলাদেশের ইশতেহার”।

জুলাই বিপ্লবের আকাঙ্ক্ষা পূরণের লক্ষ্যে জনপ্রত্যাশা বাস্তবায়নে বিভিন্ন শ্রেণি, পেশা ও সাধারণ মানুষের মতামত নিয়ে তৈরি করা ইশতেহারে ২৬টি বিষয়ে অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে।

‘একটি নিরাপদ ও মানবিক বাংলাদেশ’ গড়ার প্রত্যয়ে ‘চলো সবাই একসাথে গড়ি বাংলাদেশ’ স্লোগানকে সামনে রেখে ইশতেহারে ১০টি মৌলিক প্রতিশ্রুতির মধ্যে পাঁচটি ‘হ্যাঁ’ এবং পাঁচটি ‘না’ রয়েছে।

হ্যাঁ-এর মধ্যে রয়েছে সততা, ঐক্য, ইনসাফ, দক্ষতা ও কর্মসংস্থান। না-এর মধ্যে আছে- দুর্নীতি, ফ্যাসিবাদ, আধিপত্যবাদ, বেকারত্ব ও চাঁদাবাজি।

‘জাতীয় স্বার্থে আপসহীন বাংলাদেশ’ এই স্লোগানকে সামনে রেখে স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্বের প্রশ্নে আপসহীন রাষ্ট্র গঠনের প্রতিশ্রুতিসহ ইনসাফ ও ন্যায় ভিত্তিক বৈষম্যহীন সমাজ গঠন এবং নারীর ক্ষমতায়ন ও যুবকের কর্মসংস্থানের প্রতিশ্রুতি রয়েছে ইশতেহারে।

ইশতেহার প্রণয়নে দেশ-বিদেশের বিভিন্ন পেশার ২৫০-এর বেশি বিশেষজ্ঞের সমন্বয় তৈরি করা জনগণের মতামতকেও গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে বলে জামায়াতের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে।

বিবিসি

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

লক ডাউন পরবর্তী পরিস্থিতি মোকাবেলায় ফ্রান্সে চলছে ব্যাপক প্রস্তুতি

যুক্তরাজ্যে করোনার মধ্যেই শিশুদের মাঝে নতুন রোগের হানা

ফিলিস্তিনে ইসরায়েলি হামলাকে ‘গণহত্যা’ বললেন জাতিসংঘের বিশেষ দূত

নির্বাচনী ইশতেহার প্রকাশ করল জামায়াতে ইসলামী: অগ্রাধিকার ২৬ খাত, প্রতিশ্রুতি ১০টি

আপডেট সময় ০১:৩৬:১০ অপরাহ্ন, বুধবার, ৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

মোট ২৬টি বিষয়কে অগ্রাধিকার দেওয়া এবং ১০টি প্রতিশ্রুতির কথা জানিয়ে নির্বাচনী ইশতেহার ঘোষণা করলো বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী।

আজ সন্ধ্যায় ঢাকার একটি হোটেলে ইশতেহার ঘোষণা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

জামায়াতের আমির শফিকুর রহমান ইশতেহার ঘোষণা অনুষ্ঠানে সূচনা বক্তব্যে বলেছেন, “আমরা রাজনীতিতে বলি, ব্যক্তির চেয়ে দল বড়, দলের চেয়ে দেশ বড়। কিন্তু ৫৪ বছরে সেই স্লোগানের স্বাক্ষর দিতে পেরেছি?”

“এই বৈষম্য ৫৪ বছর আগেও ছিল। ‘৪৭ থেকে জাতির স্বাধীনতার সূচনা, এরপর বঞ্চনার শিকার হয়ে ‘৭১। তারপর দফায় দফায় গণঅভ্যুত্থান। শেষ পর্যন্ত এসে ঠেকেছে চব্বিশে। ‘২৪-এ খুব সামান্য দাবি ছিল।”

“৪৭ না হলে ৭১ হতো না, ৭১ না হলে ২৪ পেতাম না। একটি অপরটির সাথে সম্পর্কিত। ইশতেহার কেবল দলীয় কর্মসূচি না, বরং জাতির প্রতি দলের পরিকল্পপনা; এটি একটি জীবন্ত দলিল।”

“আমাদের ইশতেহারে আমরা জনগণের আকাঙ্ক্ষা, পরামর্শ চেয়েছি,” বলেন তিনি।

জামায়াতের আমির ডা. শফিকুর রহমানসহ দলের শীর্ষ নেতারা ইশতেহার ঘোষণা অনুষ্ঠানে উপস্থিত আছেন।

এছাড়া, বিশ্বের বিভিন্ন দেশের কূটনীতিক ও গণমাধ্যম কর্মীরাও সেখানে আছেন।

এই নির্বাচনী ইশতেহারের নাম দেওয়া হয়েছে “নিরাপদ ও মানবিক বাংলাদেশের ইশতেহার”।

জুলাই বিপ্লবের আকাঙ্ক্ষা পূরণের লক্ষ্যে জনপ্রত্যাশা বাস্তবায়নে বিভিন্ন শ্রেণি, পেশা ও সাধারণ মানুষের মতামত নিয়ে তৈরি করা ইশতেহারে ২৬টি বিষয়ে অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে।

‘একটি নিরাপদ ও মানবিক বাংলাদেশ’ গড়ার প্রত্যয়ে ‘চলো সবাই একসাথে গড়ি বাংলাদেশ’ স্লোগানকে সামনে রেখে ইশতেহারে ১০টি মৌলিক প্রতিশ্রুতির মধ্যে পাঁচটি ‘হ্যাঁ’ এবং পাঁচটি ‘না’ রয়েছে।

হ্যাঁ-এর মধ্যে রয়েছে সততা, ঐক্য, ইনসাফ, দক্ষতা ও কর্মসংস্থান। না-এর মধ্যে আছে- দুর্নীতি, ফ্যাসিবাদ, আধিপত্যবাদ, বেকারত্ব ও চাঁদাবাজি।

‘জাতীয় স্বার্থে আপসহীন বাংলাদেশ’ এই স্লোগানকে সামনে রেখে স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্বের প্রশ্নে আপসহীন রাষ্ট্র গঠনের প্রতিশ্রুতিসহ ইনসাফ ও ন্যায় ভিত্তিক বৈষম্যহীন সমাজ গঠন এবং নারীর ক্ষমতায়ন ও যুবকের কর্মসংস্থানের প্রতিশ্রুতি রয়েছে ইশতেহারে।

ইশতেহার প্রণয়নে দেশ-বিদেশের বিভিন্ন পেশার ২৫০-এর বেশি বিশেষজ্ঞের সমন্বয় তৈরি করা জনগণের মতামতকেও গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে বলে জামায়াতের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে।

বিবিসি