ঢাকা ০৫:৫৮ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৫ জুলাই ২০২৬, ৯ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ
রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিনের পদত্যাগ ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি হাফিজ উদ্দিন মেসির বিদায় হবে আর্জেন্টিনায় ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি হাফিজ উদ্দিন আহমদ বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতির পদত্যাগ আল-আকসা মসজিদে ঢুকে চার সহস্রাধিক ইসরায়েলির তাণ্ডব শিগগিরই পদত্যাগ করতে পারেন রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিন ককরোচ জনতা পার্টি’র আন্দোলনের প্রতি সিলেটে ছাত্র সমাজের পূর্ণ সংহতি যুক্তরাজ্যে মোল্লারগাঁও ইউপির সাবেক চেয়ারম্যান প্রয়াত শেখ মখন মিয়ার পরিবারের ৩ সদস্যের মর্মান্তিক মৃত্যু ১৫ বছরের কম বয়সিদের জন্য সামাজিক মাধ্যম নিষিদ্ধ করল ফ্রান্স প্রবাসীদের পাসপোর্ট সংশোধনের সুযোগ বাড়লো ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত

“প্যারিসে ‘নথিতে রক্তগন্ধ’ বইয়ের মোড়ক উন্মোচন”

  • আপডেট সময় ১১:২৩:৪২ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৩০ অগাস্ট ২০২৫
  • ১৪১ বার পড়া হয়েছে

মামুন মাহিনঃ জুলাই গণঅভ্যুত্থানের প্রথম বার্ষিকী উপলক্ষে গতকাল ২৯ আগস্ট ২০১৫ শুক্রবার সন্ধ্যায় ফ্রান্সে অনুষ্ঠিত হলো স্মারকগ্রন্থ ‘নথিতে রক্তগন্ধ’এর মোড়ক উন্মোচন ও আলোচনা সভা।

প্যারিসের একটি অভিজাত হোটেলে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, কর্মসংস্থান সৃষ্টি ও তরুণ প্রজন্মকে সম্পৃক্ত করতে ব্যর্থ হলে আগামীতে জনগণের ভোটে নির্বাচিত সরকারও মেয়াদ পূর্ণ করতে পারবে না।

পবিত্র কোরআন তেলাওয়াতের মাধ্যমে শুরু হয় অনুষ্ঠান।পরবর্তীতে বাজানো হয় বাংলাদেশ ও ফ্রান্সের জাতীয় সংগীত। জুলাই গনঅভ্যুত্থানের শহীদের স্মরণে পালন করা হয় এক মিনিট নিরবতা ।পরে প্রদর্শিত হয় জুলাই গণঅভ্যুত্থান বিষয়ক একটি প্রামাণ্যচিত্র।

ফ্রান্স সেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব ও বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী প্রবাসী ঐক্যের আহ্বায়ক মোহাম্মদ আলী চৌধুরীর সভাপতিত্বে এবং কবি সুহেল আহমদ ও বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক শাহ যুবায়েরের যৌথ সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা মাহিদুর রহমান। তিনি বলেন, বাংলাদেশের গণতন্ত্র রক্ষায় জিয়া পরিবার সবচেয়ে বড় অবদান রেখেছে। আগামী দিনের গণতন্ত্রও তাদের হাতেই নিরাপদ থাকবে।

গ্রন্থটির উদ্বোধন করেন আমরা বিএনপি পরিবারের আহ্বায়ক আতিকুর রহমান রোমন।

প্রধান বক্তা হিসাবে বিএনপির সেচ্ছাসেবক দলের কেন্দ্রীয় আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক নাসির রহমান শাহিন বলেন, জুলাই আন্দোলন দীর্ঘ ১৭ বছরের সংগ্রামের ফসল। এর লক্ষ্য ছিল একক ব্যাক্তির ফ্যাসিবাদী শাসনের অবসান ও ভারতীয় হেজিমনির মূলোৎপাটনের মাধ্যমে জনগণের শাসন প্রতিষ্ঠা করা।

জাতীয়তাবাদী যুবদলের সাবেক সহ-আন্তর্জাতিক সম্পাদক সোহেল আহমদ বলেন, আগামীতে রাজপথের চেয়ে সাইবার যুদ্ধ বেশি গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠবে। তরুণদের জন্য কর্মসংস্থান সৃষ্টি না হলে জনগণের ভোটে নির্বাচিত সরকারও তার মেয়াদ পূর্ন করতে পারবে না।

নাগরিক সমাজের পক্ষে ফ্রান্স-বাংলাদেশ জার্নালিস্ট এসোসিয়েশনের সমন্বয়ক মোহাম্মদ মাহবুব হোসাইন বলেন, জাতীয়তাবাদী ও ইসলামী মূল্যবোধের শক্তিগুলো একসঙ্গে কাজ না করলে বাংলাদেশে বিদেশি আধিপত্য প্রতিহত করা সম্ভব নয়।

সাবেক সেনা কর্মকর্তা ও অনলাইন অ্যাক্টিভিস্ট মীর জাহান বলেন, চব্বিশের বিপ্লব ও ৭ নভেম্বরের বিপ্লবের চেতনা এক সূত্রে গাঁথা, উভয়ই ভারতীয় আধিপত্যবাদের বিরুদ্ধে সংগ্রামের প্রতীক।

এছাড়াও বক্তব্য রাখেন যুবদল নেতা দেলওয়ার হোসেন শাহীনসহ প্রবাসী সমাজের অন্যান্য নেতৃবৃন্দ। অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন ফ্রান্স বিএনপি’র সাবেক সভাপতি সিরাজুল ইসলাম মিয়া, সাবেক সিনিয়র সহ-সভাপতি এম এ রহিম, মাহবুবুল হক রাঙা, ফ্রান্স-বাংলাদেশ জার্নালিস্ট এসোসিয়েশনের মুখপাত্র মোহাম্মদ আরিফ উল্লাহ, ফ্রান্স বিএনপি নেতা রেজাউল করিম রেজা, আইসা পরিচালক উবায়দুল্লাহ কয়েস, আজিজুর রহমান, স্বেচ্ছাসেবক দল ইটালির আহ্বায়ক আজমত উল্লাহ শিকদার রবিন ও সদস্য সচিব নুর হোসেন জমিরসহ বিএনপি, যুবদল ও স্বেচ্ছাসেবক দলের ফ্রান্স, যুক্তরাজ্য এবং ইটালী শাখার বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

লক ডাউন পরবর্তী পরিস্থিতি মোকাবেলায় ফ্রান্সে চলছে ব্যাপক প্রস্তুতি

যুক্তরাজ্যে করোনার মধ্যেই শিশুদের মাঝে নতুন রোগের হানা

রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিনের পদত্যাগ ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি হাফিজ উদ্দিন

“প্যারিসে ‘নথিতে রক্তগন্ধ’ বইয়ের মোড়ক উন্মোচন”

আপডেট সময় ১১:২৩:৪২ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৩০ অগাস্ট ২০২৫

মামুন মাহিনঃ জুলাই গণঅভ্যুত্থানের প্রথম বার্ষিকী উপলক্ষে গতকাল ২৯ আগস্ট ২০১৫ শুক্রবার সন্ধ্যায় ফ্রান্সে অনুষ্ঠিত হলো স্মারকগ্রন্থ ‘নথিতে রক্তগন্ধ’এর মোড়ক উন্মোচন ও আলোচনা সভা।

প্যারিসের একটি অভিজাত হোটেলে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, কর্মসংস্থান সৃষ্টি ও তরুণ প্রজন্মকে সম্পৃক্ত করতে ব্যর্থ হলে আগামীতে জনগণের ভোটে নির্বাচিত সরকারও মেয়াদ পূর্ণ করতে পারবে না।

পবিত্র কোরআন তেলাওয়াতের মাধ্যমে শুরু হয় অনুষ্ঠান।পরবর্তীতে বাজানো হয় বাংলাদেশ ও ফ্রান্সের জাতীয় সংগীত। জুলাই গনঅভ্যুত্থানের শহীদের স্মরণে পালন করা হয় এক মিনিট নিরবতা ।পরে প্রদর্শিত হয় জুলাই গণঅভ্যুত্থান বিষয়ক একটি প্রামাণ্যচিত্র।

ফ্রান্স সেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব ও বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী প্রবাসী ঐক্যের আহ্বায়ক মোহাম্মদ আলী চৌধুরীর সভাপতিত্বে এবং কবি সুহেল আহমদ ও বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক শাহ যুবায়েরের যৌথ সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা মাহিদুর রহমান। তিনি বলেন, বাংলাদেশের গণতন্ত্র রক্ষায় জিয়া পরিবার সবচেয়ে বড় অবদান রেখেছে। আগামী দিনের গণতন্ত্রও তাদের হাতেই নিরাপদ থাকবে।

গ্রন্থটির উদ্বোধন করেন আমরা বিএনপি পরিবারের আহ্বায়ক আতিকুর রহমান রোমন।

প্রধান বক্তা হিসাবে বিএনপির সেচ্ছাসেবক দলের কেন্দ্রীয় আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক নাসির রহমান শাহিন বলেন, জুলাই আন্দোলন দীর্ঘ ১৭ বছরের সংগ্রামের ফসল। এর লক্ষ্য ছিল একক ব্যাক্তির ফ্যাসিবাদী শাসনের অবসান ও ভারতীয় হেজিমনির মূলোৎপাটনের মাধ্যমে জনগণের শাসন প্রতিষ্ঠা করা।

জাতীয়তাবাদী যুবদলের সাবেক সহ-আন্তর্জাতিক সম্পাদক সোহেল আহমদ বলেন, আগামীতে রাজপথের চেয়ে সাইবার যুদ্ধ বেশি গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠবে। তরুণদের জন্য কর্মসংস্থান সৃষ্টি না হলে জনগণের ভোটে নির্বাচিত সরকারও তার মেয়াদ পূর্ন করতে পারবে না।

নাগরিক সমাজের পক্ষে ফ্রান্স-বাংলাদেশ জার্নালিস্ট এসোসিয়েশনের সমন্বয়ক মোহাম্মদ মাহবুব হোসাইন বলেন, জাতীয়তাবাদী ও ইসলামী মূল্যবোধের শক্তিগুলো একসঙ্গে কাজ না করলে বাংলাদেশে বিদেশি আধিপত্য প্রতিহত করা সম্ভব নয়।

সাবেক সেনা কর্মকর্তা ও অনলাইন অ্যাক্টিভিস্ট মীর জাহান বলেন, চব্বিশের বিপ্লব ও ৭ নভেম্বরের বিপ্লবের চেতনা এক সূত্রে গাঁথা, উভয়ই ভারতীয় আধিপত্যবাদের বিরুদ্ধে সংগ্রামের প্রতীক।

এছাড়াও বক্তব্য রাখেন যুবদল নেতা দেলওয়ার হোসেন শাহীনসহ প্রবাসী সমাজের অন্যান্য নেতৃবৃন্দ। অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন ফ্রান্স বিএনপি’র সাবেক সভাপতি সিরাজুল ইসলাম মিয়া, সাবেক সিনিয়র সহ-সভাপতি এম এ রহিম, মাহবুবুল হক রাঙা, ফ্রান্স-বাংলাদেশ জার্নালিস্ট এসোসিয়েশনের মুখপাত্র মোহাম্মদ আরিফ উল্লাহ, ফ্রান্স বিএনপি নেতা রেজাউল করিম রেজা, আইসা পরিচালক উবায়দুল্লাহ কয়েস, আজিজুর রহমান, স্বেচ্ছাসেবক দল ইটালির আহ্বায়ক আজমত উল্লাহ শিকদার রবিন ও সদস্য সচিব নুর হোসেন জমিরসহ বিএনপি, যুবদল ও স্বেচ্ছাসেবক দলের ফ্রান্স, যুক্তরাজ্য এবং ইটালী শাখার বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ।