ঢাকা ০৬:০০ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৬ অগাস্ট ২০২৬, ১১ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ
কনক চাঁপার গানে মাতল প্রবাসী বাংলাদেশিরা, মিলনমেলায় পরিণত জুরিস পার্ক লন্ডনে বাংলাদেশের নতুন হাইকমিশনার আব্দুল মুহিত বিয়ানীবাজার সমাজ কল্যাণ সমিতি’ ফ্রান্স-এর উদ্যোগে ঐক্য সম্প্রীতি, ভ্রাতৃত্ববোধ ও সৌহার্দ্যপূর্ণ সমুদ্র সৈকত ভ্রমন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব রুহুল কবীর রিজভী দেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হয়েছেন মির্জা ফখরুল সরকারের প্রতি সন্তুষ্টি ৫৪ শতাংশ আর প্রধানমন্ত্রীর প্রতি ৬৬ শতাংশ পাথরের শহরে কবিতার খোঁজে ইনসাফই সমাজের মেরুদণ্ড: ইসলামে সামাজিক সুবিচারের শিক্ষা “নৈঃশব্দ্যের ঋণপত্র”- মেশকাতুন নাহার গ্রেটার সিলেট কমিউনিটি ইউকের ওয়েস্ট মিডল্যান্ডস রিজিওনাল কমিটি গঠন

বৃটেনে করোনার চিকিৎসায় নতুন ওষুধের পরীক্ষা শুরু

  • আপডেট সময় ০৮:৫৫:৩৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ৪ মে ২০২০
  • ৩৩৬ বার পড়া হয়েছে

করোনা ভাইরাসের (কভিড-১৯) চিকিৎসায় বৃটিশ বিজ্ঞানীদের তৈরি নতুন একটি ওষুধের পরীক্ষামূলক ব্যবহার শুরু হয়েছে। ইংল্যান্ডের ইউনিভার্সিটি হসপিটাল সাউথাম্পটনে ৭৫ জন স্বেচ্ছাসেবীর উপর এর পরীক্ষা চালানো হচ্ছে। ওষুধটি তৈরি করেছে বৃটিশ বায়ো-টেক প্রতিষ্ঠান সিনাইরগেন। ভাইরাল সংক্রমণের শিকার হলে তার বিরুদ্ধে মানব দেহে ‘ইন্টারফেরন বেটা’ নামের একধরণের প্রোটিন তৈরি হয়। সিনাইরগেন ওই প্রোটিন ব্যবহার করে ওষুধটি তৈরি করেছে। আগামী জুনের শেষের দিকে এর পরীক্ষার ফলাফল পাওয়া যাবে বলে প্রত্যাশা করছেন গবেষকরা। এ খবর দিয়েছে বিবিসি।

এখন পর্যন্ত বিশ্বজুড়ে সরকারি হিসাবে, করোনা ভাইরাসের ছোবলে প্রাণ গেছে অন্তত ২ লাখ ৪৭ হাজার ৯৭১ জনের।

প্রকৃত সংখ্যা আরো অনেক বেশি বলে আশঙ্কা বিশেষজ্ঞদের। আক্রান্ত হয়েছেন ৩৫ লাখের বেশি। এর মধ্যে সুস্থ হয়ে উঠেছেন ১১ লাখ ৩৩ হাজার মানুষ। প্রতিদিন হাজারে হাজারে বাড়ছে মৃত ও আক্রান্তের সংখ্যা। কিছু দেশে সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে এসেছে, অন্যদিকে কিছু দেশে সংক্রমণ সবে বিকশিত হতে শুরু করেছে। এখনো পর্যন্ত করোনার কোনো স্বীকৃত কার্যকরী চিকিৎসা, টিকা বা ওষুধ নেই। বিশ্বজুড়ে শতাধিক বিজ্ঞানীর দল টিকা ও ওষুধ তৈরির চেষ্টা করছেন। কিছু সম্ভাব্য টিকার মানব দেহে পরীক্ষাও শুরু হয়েছে। তবে বিশেষজ্ঞরা বলছেন আগামী বছরের মাঝামাঝি সময়ের আগে কোনো টিকা বাণিজ্যিক উৎপাদনের জন্য প্রস্তুত হওয়ার সম্ভাবনা ক্ষীণ।
সিনাইরগেনের নির্বাহী পরিচালক রিচার্ড মার্সডেন বলেন, ইন্টারফেরন বেটা হচ্ছে যেকোনো ভাইরাসের বিরুদ্ধে আমাদের শরীরের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার শুরুর সারির অংশ। তিনি বলেন, করোনা ভাইরাস আমাদের দেহের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাকে এড়ানোর জন্য এই প্রোটিনটির উৎপাদন বিঘ্নিত করে।

মার্ডসেন বলেন, সিনাইরগেনের ওষুধটি করোনা ভাইরাস আমাদের দেহের যে অংশে অবস্থান করে ঠিক সেখানে এই ইন্টারফেরন বেটা পৌঁছে দেয়। বিজ্ঞানীর প্রত্যাশা, দেহের ভাইরাস আক্রান্ত অংশে এই প্রোটিন সরাসরি সরবরাহ করায় দুর্বল রোগীদের দেহে শক্তিশালী ভাইরাস-বিরোধী ব্যবস্থা তৈরি হবে। ইতিমধ্যে সিনাইরগেনের ওষুধটি এজমা ও অন্যান্য জটিল ফুসফুস-সংক্রান্ত রোগে আক্রান্ত রোগীদের দেহে প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা শক্তিশালী করতে কার্যকরী প্রমাণিত হয়েছে। তবী কভিড-১৯ সারাতে এর কার্যকারিতা কঠোর ক্লিনিক্যাল পরীক্ষার আগে নিশ্চিত হওয়া যাবে না।

সিনাইরগেনের ওষুধটির পরীক্ষা করোনার সম্ভাব্য টিক বা ওষুধ খুঁজতে বৃটিশ সরকারের নেয়া এক কর্মসূচির অংশ। করোনার চিকিৎসায় নতুন ওষুধ তৈরির গতি বৃদ্ধির জন্য দ্য একর্ড প্রোগ্রাম হিসেবে পরিচিত ওই কর্মসূচি চালু করা হয়েছে। কর্মসূচিটির আওতায়, সিনাইরগেনের ওষুধটির পাশাপাশি আরো ৬টি ওষুধ নিয়ে পরীক্ষা চালানো হচ্ছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

লক ডাউন পরবর্তী পরিস্থিতি মোকাবেলায় ফ্রান্সে চলছে ব্যাপক প্রস্তুতি

যুক্তরাজ্যে করোনার মধ্যেই শিশুদের মাঝে নতুন রোগের হানা

কনক চাঁপার গানে মাতল প্রবাসী বাংলাদেশিরা, মিলনমেলায় পরিণত জুরিস পার্ক

বৃটেনে করোনার চিকিৎসায় নতুন ওষুধের পরীক্ষা শুরু

আপডেট সময় ০৮:৫৫:৩৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ৪ মে ২০২০

করোনা ভাইরাসের (কভিড-১৯) চিকিৎসায় বৃটিশ বিজ্ঞানীদের তৈরি নতুন একটি ওষুধের পরীক্ষামূলক ব্যবহার শুরু হয়েছে। ইংল্যান্ডের ইউনিভার্সিটি হসপিটাল সাউথাম্পটনে ৭৫ জন স্বেচ্ছাসেবীর উপর এর পরীক্ষা চালানো হচ্ছে। ওষুধটি তৈরি করেছে বৃটিশ বায়ো-টেক প্রতিষ্ঠান সিনাইরগেন। ভাইরাল সংক্রমণের শিকার হলে তার বিরুদ্ধে মানব দেহে ‘ইন্টারফেরন বেটা’ নামের একধরণের প্রোটিন তৈরি হয়। সিনাইরগেন ওই প্রোটিন ব্যবহার করে ওষুধটি তৈরি করেছে। আগামী জুনের শেষের দিকে এর পরীক্ষার ফলাফল পাওয়া যাবে বলে প্রত্যাশা করছেন গবেষকরা। এ খবর দিয়েছে বিবিসি।

এখন পর্যন্ত বিশ্বজুড়ে সরকারি হিসাবে, করোনা ভাইরাসের ছোবলে প্রাণ গেছে অন্তত ২ লাখ ৪৭ হাজার ৯৭১ জনের।

প্রকৃত সংখ্যা আরো অনেক বেশি বলে আশঙ্কা বিশেষজ্ঞদের। আক্রান্ত হয়েছেন ৩৫ লাখের বেশি। এর মধ্যে সুস্থ হয়ে উঠেছেন ১১ লাখ ৩৩ হাজার মানুষ। প্রতিদিন হাজারে হাজারে বাড়ছে মৃত ও আক্রান্তের সংখ্যা। কিছু দেশে সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে এসেছে, অন্যদিকে কিছু দেশে সংক্রমণ সবে বিকশিত হতে শুরু করেছে। এখনো পর্যন্ত করোনার কোনো স্বীকৃত কার্যকরী চিকিৎসা, টিকা বা ওষুধ নেই। বিশ্বজুড়ে শতাধিক বিজ্ঞানীর দল টিকা ও ওষুধ তৈরির চেষ্টা করছেন। কিছু সম্ভাব্য টিকার মানব দেহে পরীক্ষাও শুরু হয়েছে। তবে বিশেষজ্ঞরা বলছেন আগামী বছরের মাঝামাঝি সময়ের আগে কোনো টিকা বাণিজ্যিক উৎপাদনের জন্য প্রস্তুত হওয়ার সম্ভাবনা ক্ষীণ।
সিনাইরগেনের নির্বাহী পরিচালক রিচার্ড মার্সডেন বলেন, ইন্টারফেরন বেটা হচ্ছে যেকোনো ভাইরাসের বিরুদ্ধে আমাদের শরীরের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার শুরুর সারির অংশ। তিনি বলেন, করোনা ভাইরাস আমাদের দেহের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাকে এড়ানোর জন্য এই প্রোটিনটির উৎপাদন বিঘ্নিত করে।

মার্ডসেন বলেন, সিনাইরগেনের ওষুধটি করোনা ভাইরাস আমাদের দেহের যে অংশে অবস্থান করে ঠিক সেখানে এই ইন্টারফেরন বেটা পৌঁছে দেয়। বিজ্ঞানীর প্রত্যাশা, দেহের ভাইরাস আক্রান্ত অংশে এই প্রোটিন সরাসরি সরবরাহ করায় দুর্বল রোগীদের দেহে শক্তিশালী ভাইরাস-বিরোধী ব্যবস্থা তৈরি হবে। ইতিমধ্যে সিনাইরগেনের ওষুধটি এজমা ও অন্যান্য জটিল ফুসফুস-সংক্রান্ত রোগে আক্রান্ত রোগীদের দেহে প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা শক্তিশালী করতে কার্যকরী প্রমাণিত হয়েছে। তবী কভিড-১৯ সারাতে এর কার্যকারিতা কঠোর ক্লিনিক্যাল পরীক্ষার আগে নিশ্চিত হওয়া যাবে না।

সিনাইরগেনের ওষুধটির পরীক্ষা করোনার সম্ভাব্য টিক বা ওষুধ খুঁজতে বৃটিশ সরকারের নেয়া এক কর্মসূচির অংশ। করোনার চিকিৎসায় নতুন ওষুধ তৈরির গতি বৃদ্ধির জন্য দ্য একর্ড প্রোগ্রাম হিসেবে পরিচিত ওই কর্মসূচি চালু করা হয়েছে। কর্মসূচিটির আওতায়, সিনাইরগেনের ওষুধটির পাশাপাশি আরো ৬টি ওষুধ নিয়ে পরীক্ষা চালানো হচ্ছে।