ঢাকা ০২:৫২ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৬ জুলাই ২০২৬, ১০ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

চাইল্ড ম্যাসেজ ‘প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা হিসেবে বাংলাদেশের আরিফের নতুন ইনিংস

  • আপডেট সময় ০৩:১১:০২ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩ মে ২০২১
  • ২৯৬ বার পড়া হয়েছে

ডেস্ক রিপোর্ট – ১০ মে আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন হতে যাচ্ছে
শিশু ভিত্তিক গণমাধ্যম ‘ চাইল্ড ম্যাসেজ ‘।প্রতিটি শিশুর কন্ঠ ও মুখপাত্র ভুমিকা পালন করবে এই গণমাধ্যম টি এমনটা ই জানানো হয় চাইল্ড ম্যাসেজ পক্ষ থেকে।

চাইল্ড ম্যাসেজ গণমাধ্যমটির পরিকল্পনা ও নির্বাহী পরিচালক একজন বাংলাদেশী। অতীতে শিশু অধিকার প্রতিষ্ঠায় কাজ করে পেয়েছিলেন ইউনিসেফ, সেভ দ্য চিলড্রেনস পদক। অংশ নিয়েছেন শিশুদের প্রতিনিধি হিসেবে জাতিসংঘ, ইউরোপীয় ইউনিয়ন, কানাডা সরকার সহ আন্তর্জাতিক গুরুত্বপূর্ণ অসংখ্য ইভেন্টে।

এই তরুন বাংলাদেশী ফ্রান্স ভিত্তিক বাংলা সংবাদমাধ্যম ” ফ্রান্স দর্পণ ‘ মুখোমুখি হয়েছিলেন।আমরা পাঠকদের আগ্রহের প্রেক্ষিতে জানার চেষ্টা করেছি ” চাইল্ড ম্যাসেজ ‘ সম্পর্কে।

চাইল্ড ম্যাসেজ কি এবং কেন? এমন প্রশ্নের জবাবে
নির্বাহী পরিচালক আরিফ বলেন, জাতিসংঘের ১৯৮৯ শিশু অধিকারের অন্যতম হচ্ছে আর্টিকেল থার্টিন। যেখানে সারাবিশ্বের নেতারা একমত হোন শিশুদের মতামত প্রকাশ গুরুত্ব সহ বাক-স্বাধীনতার ব্যাপারে। চাইল্ড ম্যাসেজ ১৯৮৯ জাতিসংঘ শিশু সনদ আর্টিকেল থার্টিন বাস্তবায়নে কাজ করবে৷

এই প্রতিবেদক জানতে চান কোন ধরনের শিশু অংশ নিতে পারবে? এমন প্রশ্নের জবাবে আরিফ বলেন, সবধরনের শিশু অংশ নিতে পারবে। পথশিশুরা এমনকি শারীরিক প্রতিবন্ধী শিশুরাও বঞ্চিত হবেনা আমাদের এই প্লাটফর্ম থেকে। চাইল্ড ম্যাসেজ কি শিশুদের জন্য শুধু সংবাদ ই প্রকাশ করবে?এমন প্রশ্নের উত্তরে নির্বাহী পরিচালক বলেন, চাইল্ড রিলেটেড নিউজ – প্রোগ্রাম দুইটা ই থাকবে।আমাদের এইখানে শিশু সাংবাদিকগন মুলত রিপোর্টার হয়ে কাজ করবেন এবং কাভার করবেন শিশুদের নানা সমস্যা, সম্ভাবনা ও ইভেন্ট।

চাইল্ড ম্যাসেজ আর্টিকেল থার্টিন নিয়ে ই শুধু কাজ করবে?আরিফ এমন প্রশ্নের জবাবে বলেন, আমরা জাতিসংঘ শিশু সনদের প্রতিটি অধিকারের বিষয় কে গুরুত্ব দিবো এবং শিশুদের সুস্থ বিনোদন দেওয়ার চেষ্টা থাকবে। চাইল্ড ম্যাসেজ বাংলা কিংবা অন্যান্য ভাষায় বিভাগ চালু হবে কিনা এমন প্রশ্নে আরিফ বলেন, আপাতত নাহ।

জানা গেছে, শিশু গণমাধ্যম আরো কাজ করছেন তিনজন বিদেশী মিডিয়া স্পেশালিষ্ট। তাদের দুজন ইউকে আরেকজন অস্ট্রেলীয় নাগরিক।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

লক ডাউন পরবর্তী পরিস্থিতি মোকাবেলায় ফ্রান্সে চলছে ব্যাপক প্রস্তুতি

যুক্তরাজ্যে করোনার মধ্যেই শিশুদের মাঝে নতুন রোগের হানা

ভয়াবহ দাবানলে পুড়ছে স্পেন–ফ্রান্স

চাইল্ড ম্যাসেজ ‘প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা হিসেবে বাংলাদেশের আরিফের নতুন ইনিংস

আপডেট সময় ০৩:১১:০২ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩ মে ২০২১

ডেস্ক রিপোর্ট – ১০ মে আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন হতে যাচ্ছে
শিশু ভিত্তিক গণমাধ্যম ‘ চাইল্ড ম্যাসেজ ‘।প্রতিটি শিশুর কন্ঠ ও মুখপাত্র ভুমিকা পালন করবে এই গণমাধ্যম টি এমনটা ই জানানো হয় চাইল্ড ম্যাসেজ পক্ষ থেকে।

চাইল্ড ম্যাসেজ গণমাধ্যমটির পরিকল্পনা ও নির্বাহী পরিচালক একজন বাংলাদেশী। অতীতে শিশু অধিকার প্রতিষ্ঠায় কাজ করে পেয়েছিলেন ইউনিসেফ, সেভ দ্য চিলড্রেনস পদক। অংশ নিয়েছেন শিশুদের প্রতিনিধি হিসেবে জাতিসংঘ, ইউরোপীয় ইউনিয়ন, কানাডা সরকার সহ আন্তর্জাতিক গুরুত্বপূর্ণ অসংখ্য ইভেন্টে।

এই তরুন বাংলাদেশী ফ্রান্স ভিত্তিক বাংলা সংবাদমাধ্যম ” ফ্রান্স দর্পণ ‘ মুখোমুখি হয়েছিলেন।আমরা পাঠকদের আগ্রহের প্রেক্ষিতে জানার চেষ্টা করেছি ” চাইল্ড ম্যাসেজ ‘ সম্পর্কে।

চাইল্ড ম্যাসেজ কি এবং কেন? এমন প্রশ্নের জবাবে
নির্বাহী পরিচালক আরিফ বলেন, জাতিসংঘের ১৯৮৯ শিশু অধিকারের অন্যতম হচ্ছে আর্টিকেল থার্টিন। যেখানে সারাবিশ্বের নেতারা একমত হোন শিশুদের মতামত প্রকাশ গুরুত্ব সহ বাক-স্বাধীনতার ব্যাপারে। চাইল্ড ম্যাসেজ ১৯৮৯ জাতিসংঘ শিশু সনদ আর্টিকেল থার্টিন বাস্তবায়নে কাজ করবে৷

এই প্রতিবেদক জানতে চান কোন ধরনের শিশু অংশ নিতে পারবে? এমন প্রশ্নের জবাবে আরিফ বলেন, সবধরনের শিশু অংশ নিতে পারবে। পথশিশুরা এমনকি শারীরিক প্রতিবন্ধী শিশুরাও বঞ্চিত হবেনা আমাদের এই প্লাটফর্ম থেকে। চাইল্ড ম্যাসেজ কি শিশুদের জন্য শুধু সংবাদ ই প্রকাশ করবে?এমন প্রশ্নের উত্তরে নির্বাহী পরিচালক বলেন, চাইল্ড রিলেটেড নিউজ – প্রোগ্রাম দুইটা ই থাকবে।আমাদের এইখানে শিশু সাংবাদিকগন মুলত রিপোর্টার হয়ে কাজ করবেন এবং কাভার করবেন শিশুদের নানা সমস্যা, সম্ভাবনা ও ইভেন্ট।

চাইল্ড ম্যাসেজ আর্টিকেল থার্টিন নিয়ে ই শুধু কাজ করবে?আরিফ এমন প্রশ্নের জবাবে বলেন, আমরা জাতিসংঘ শিশু সনদের প্রতিটি অধিকারের বিষয় কে গুরুত্ব দিবো এবং শিশুদের সুস্থ বিনোদন দেওয়ার চেষ্টা থাকবে। চাইল্ড ম্যাসেজ বাংলা কিংবা অন্যান্য ভাষায় বিভাগ চালু হবে কিনা এমন প্রশ্নে আরিফ বলেন, আপাতত নাহ।

জানা গেছে, শিশু গণমাধ্যম আরো কাজ করছেন তিনজন বিদেশী মিডিয়া স্পেশালিষ্ট। তাদের দুজন ইউকে আরেকজন অস্ট্রেলীয় নাগরিক।