ঢাকা ০৫:৫৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৭ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ
বিশ্বজুড়ে রেকর্ড তাপমাত্রার মাস আগস্ট বাংলাদেশে স্থানীয় সরকার নির্বাচনে দলীয় প্রতীক বাতিল বাঁধনের ওপর হামলার প্রতিবাদে ইতালি বিএনপির সভা ও সংবাদ সম্মেলন অশ্রুসজল রাষ্ট্রপতি বললেন, ‘মূল্য দিয়েছি অনেক’ চট্টগ্রামে ফিল্ড ফায়ারিং অনুশীলনকালে দুই সেনা নিহত শিশুদের অনলাইন সুরক্ষায় কঠোর নীতিমালার আহ্বান ফ্রান্সপ্রবাসীর প্রতিষ্ঠিত প্রাথমিক বিদ্যালয়ের জমি দখলের চেষ্টার অভিযোগ প্যারিসে বাংলাদেশি উদ্যোক্তার নতুন ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ‘Paris Coeur Outlet’-এর শুভ উদ্বোধন ক্রিকেট উন্মাদনায় রোম, রোম বাংলা T10 ক্রিকেট চ্যাম্পিয়নশিপের উদ্বোধনী ম্যাচ খেলবে সাকের স্পোর্টিং ক্লাব ফেঞ্চুগঞ্জে সিবিএ নির্বাচনে বিজয়ীদের অভিনন্দন জানালেন বিএনপি নেতা মোয়াজ্জেম হোসেন সাহেদ

অক্ষরের রক্তজবা – মাহবুব শাহজালাল

  • আপডেট সময় ০৮:৫৫:২২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২০ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • ২২৪ বার পড়া হয়েছে

ফেব্রুয়ারির কুয়াশা ভেদ করে যে ভোর ওঠে,

তার কপালে আজও রক্তজবার লাল টিপ।
নিস্তব্ধ নগরীর বুকে শোনা যায় পদধ্বনি,
যেন অক্ষরেরা নিজেই হাঁটে ইতিহাসের সাক্ষী হয়ে।

মায়ের কণ্ঠ ছিনিয়ে নিতে এসে যে নিষ্ঠুর অন্ধকার,
তারুণ্যের আগুনে পুড়ে হলো ছাই;
সে অন্ধকার জানে ভাষা মানে নিছক উচ্চারণ নয়,
ভাষা মানে আত্মার গোপন অভিব্যক্তি, জন্মের অধিকার।

ঢাকার রাজপথে সেদিনের ঝরে পড়া রক্ত হয়ে উঠেছিল
বর্ণমালার প্রথম অলংকার;
সেই ক্ষণেই ভাষা আন্দোলন পরিণত হয়েছিলো
চিরন্তন এক মহাকাব্যে।

গুলির শব্দ ছিন্ন করেছিল নীরবতার কফিন,
প্রতিটি তারুণ্যের পতন ছিল এক একটি অক্ষরের পুনর্জন্ম;
শহীদের রক্তে লেখা হয়েছিল যে শপথ,
তা আজও ধ্বনিত হয় প্রতিটি কবিতার অন্ত্যমিলে।

একুশ মানে মাথা নত করা নয়,
একুশ মানে দাঁড়িয়ে ওঠা দৃপ্ত উচ্চারণ;
একুশ মানে মায়ের মুখের ভাষায়
নির্ভীক অদম্যের নামে ভবিষ্যৎকে ডেকে আনা।

প্রতিটি প্রভাতে, ফুলে ভেজা মিনারের পায়ে,
আমরা রেখে যাই আমাদের নীরব কৃতজ্ঞতা;
একুশ আমাদের কাছে কেবলই একটি দিন নয়,
একুশ আমাদের চিরজাগ্রত বাংলার আত্মপরিচয়।

খিলক্ষেত, ঢাকা

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

লক ডাউন পরবর্তী পরিস্থিতি মোকাবেলায় ফ্রান্সে চলছে ব্যাপক প্রস্তুতি

যুক্তরাজ্যে করোনার মধ্যেই শিশুদের মাঝে নতুন রোগের হানা

বিশ্বজুড়ে রেকর্ড তাপমাত্রার মাস আগস্ট

অক্ষরের রক্তজবা – মাহবুব শাহজালাল

আপডেট সময় ০৮:৫৫:২২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২০ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

ফেব্রুয়ারির কুয়াশা ভেদ করে যে ভোর ওঠে,

তার কপালে আজও রক্তজবার লাল টিপ।
নিস্তব্ধ নগরীর বুকে শোনা যায় পদধ্বনি,
যেন অক্ষরেরা নিজেই হাঁটে ইতিহাসের সাক্ষী হয়ে।

মায়ের কণ্ঠ ছিনিয়ে নিতে এসে যে নিষ্ঠুর অন্ধকার,
তারুণ্যের আগুনে পুড়ে হলো ছাই;
সে অন্ধকার জানে ভাষা মানে নিছক উচ্চারণ নয়,
ভাষা মানে আত্মার গোপন অভিব্যক্তি, জন্মের অধিকার।

ঢাকার রাজপথে সেদিনের ঝরে পড়া রক্ত হয়ে উঠেছিল
বর্ণমালার প্রথম অলংকার;
সেই ক্ষণেই ভাষা আন্দোলন পরিণত হয়েছিলো
চিরন্তন এক মহাকাব্যে।

গুলির শব্দ ছিন্ন করেছিল নীরবতার কফিন,
প্রতিটি তারুণ্যের পতন ছিল এক একটি অক্ষরের পুনর্জন্ম;
শহীদের রক্তে লেখা হয়েছিল যে শপথ,
তা আজও ধ্বনিত হয় প্রতিটি কবিতার অন্ত্যমিলে।

একুশ মানে মাথা নত করা নয়,
একুশ মানে দাঁড়িয়ে ওঠা দৃপ্ত উচ্চারণ;
একুশ মানে মায়ের মুখের ভাষায়
নির্ভীক অদম্যের নামে ভবিষ্যৎকে ডেকে আনা।

প্রতিটি প্রভাতে, ফুলে ভেজা মিনারের পায়ে,
আমরা রেখে যাই আমাদের নীরব কৃতজ্ঞতা;
একুশ আমাদের কাছে কেবলই একটি দিন নয়,
একুশ আমাদের চিরজাগ্রত বাংলার আত্মপরিচয়।

খিলক্ষেত, ঢাকা