ঢাকা ০৬:৩২ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৫ জুলাই ২০২৬, ১০ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ
ফিলিস্তিনে ইসরায়েলি হামলাকে ‘গণহত্যা’ বললেন জাতিসংঘের বিশেষ দূত প্রবাসীবান্ধব সেবা নিশ্চিতে আন্তঃমন্ত্রণালয় কমিটি গঠন রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিনের পদত্যাগ ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি হাফিজ উদ্দিন মেসির বিদায় হবে আর্জেন্টিনায় ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি হাফিজ উদ্দিন আহমদ বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতির পদত্যাগ আল-আকসা মসজিদে ঢুকে চার সহস্রাধিক ইসরায়েলির তাণ্ডব শিগগিরই পদত্যাগ করতে পারেন রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিন ককরোচ জনতা পার্টি’র আন্দোলনের প্রতি সিলেটে ছাত্র সমাজের পূর্ণ সংহতি যুক্তরাজ্যে মোল্লারগাঁও ইউপির সাবেক চেয়ারম্যান প্রয়াত শেখ মখন মিয়ার পরিবারের ৩ সদস্যের মর্মান্তিক মৃত্যু

অক্ষরের রক্তজবা – মাহবুব শাহজালাল

  • আপডেট সময় ০৮:৫৫:২২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২০ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • ১৭৭ বার পড়া হয়েছে

ফেব্রুয়ারির কুয়াশা ভেদ করে যে ভোর ওঠে,

তার কপালে আজও রক্তজবার লাল টিপ।
নিস্তব্ধ নগরীর বুকে শোনা যায় পদধ্বনি,
যেন অক্ষরেরা নিজেই হাঁটে ইতিহাসের সাক্ষী হয়ে।

মায়ের কণ্ঠ ছিনিয়ে নিতে এসে যে নিষ্ঠুর অন্ধকার,
তারুণ্যের আগুনে পুড়ে হলো ছাই;
সে অন্ধকার জানে ভাষা মানে নিছক উচ্চারণ নয়,
ভাষা মানে আত্মার গোপন অভিব্যক্তি, জন্মের অধিকার।

ঢাকার রাজপথে সেদিনের ঝরে পড়া রক্ত হয়ে উঠেছিল
বর্ণমালার প্রথম অলংকার;
সেই ক্ষণেই ভাষা আন্দোলন পরিণত হয়েছিলো
চিরন্তন এক মহাকাব্যে।

গুলির শব্দ ছিন্ন করেছিল নীরবতার কফিন,
প্রতিটি তারুণ্যের পতন ছিল এক একটি অক্ষরের পুনর্জন্ম;
শহীদের রক্তে লেখা হয়েছিল যে শপথ,
তা আজও ধ্বনিত হয় প্রতিটি কবিতার অন্ত্যমিলে।

একুশ মানে মাথা নত করা নয়,
একুশ মানে দাঁড়িয়ে ওঠা দৃপ্ত উচ্চারণ;
একুশ মানে মায়ের মুখের ভাষায়
নির্ভীক অদম্যের নামে ভবিষ্যৎকে ডেকে আনা।

প্রতিটি প্রভাতে, ফুলে ভেজা মিনারের পায়ে,
আমরা রেখে যাই আমাদের নীরব কৃতজ্ঞতা;
একুশ আমাদের কাছে কেবলই একটি দিন নয়,
একুশ আমাদের চিরজাগ্রত বাংলার আত্মপরিচয়।

খিলক্ষেত, ঢাকা

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

লক ডাউন পরবর্তী পরিস্থিতি মোকাবেলায় ফ্রান্সে চলছে ব্যাপক প্রস্তুতি

যুক্তরাজ্যে করোনার মধ্যেই শিশুদের মাঝে নতুন রোগের হানা

ফিলিস্তিনে ইসরায়েলি হামলাকে ‘গণহত্যা’ বললেন জাতিসংঘের বিশেষ দূত

অক্ষরের রক্তজবা – মাহবুব শাহজালাল

আপডেট সময় ০৮:৫৫:২২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২০ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

ফেব্রুয়ারির কুয়াশা ভেদ করে যে ভোর ওঠে,

তার কপালে আজও রক্তজবার লাল টিপ।
নিস্তব্ধ নগরীর বুকে শোনা যায় পদধ্বনি,
যেন অক্ষরেরা নিজেই হাঁটে ইতিহাসের সাক্ষী হয়ে।

মায়ের কণ্ঠ ছিনিয়ে নিতে এসে যে নিষ্ঠুর অন্ধকার,
তারুণ্যের আগুনে পুড়ে হলো ছাই;
সে অন্ধকার জানে ভাষা মানে নিছক উচ্চারণ নয়,
ভাষা মানে আত্মার গোপন অভিব্যক্তি, জন্মের অধিকার।

ঢাকার রাজপথে সেদিনের ঝরে পড়া রক্ত হয়ে উঠেছিল
বর্ণমালার প্রথম অলংকার;
সেই ক্ষণেই ভাষা আন্দোলন পরিণত হয়েছিলো
চিরন্তন এক মহাকাব্যে।

গুলির শব্দ ছিন্ন করেছিল নীরবতার কফিন,
প্রতিটি তারুণ্যের পতন ছিল এক একটি অক্ষরের পুনর্জন্ম;
শহীদের রক্তে লেখা হয়েছিল যে শপথ,
তা আজও ধ্বনিত হয় প্রতিটি কবিতার অন্ত্যমিলে।

একুশ মানে মাথা নত করা নয়,
একুশ মানে দাঁড়িয়ে ওঠা দৃপ্ত উচ্চারণ;
একুশ মানে মায়ের মুখের ভাষায়
নির্ভীক অদম্যের নামে ভবিষ্যৎকে ডেকে আনা।

প্রতিটি প্রভাতে, ফুলে ভেজা মিনারের পায়ে,
আমরা রেখে যাই আমাদের নীরব কৃতজ্ঞতা;
একুশ আমাদের কাছে কেবলই একটি দিন নয়,
একুশ আমাদের চিরজাগ্রত বাংলার আত্মপরিচয়।

খিলক্ষেত, ঢাকা