পারস্য উপসাগরীয় অঞ্চলের ক্রমবর্ধমান উত্তেজনার মুখে আন্তর্জাতিক এই জলপথের স্থিতিশীলতা বজায় রাখা বৈশ্বিক অর্থনীতির জন্য অপরিহার্য বলে সংবাদ সম্মেলনে উল্লেখ করা হয়।
ম্যাক্রোঁ ও লি-র এই আলোচনাটি এমন একসময়ে অনুষ্ঠিত হলো যার মাত্র একদিন আগেই যুক্তরাজ্যের নেতৃত্বে ৪০টি দেশের প্রতিনিধিরা একটি ভার্চুয়াল বৈঠকে অংশ নিয়েছিলেন।
ওই বৈঠকে হরমুজ প্রণালির সংকট মোকাবিলায় একটি সমন্বিত আন্তর্জাতিক পদক্ষেপের রূপরেখা নিয়ে আলোচনা হয়। সিউলের এই দ্বিপাক্ষিক বৈঠক সেই বৈশ্বিক প্রচেষ্টাকেই আরও শক্তিশালী করল। দুই রাষ্ট্রপ্রধানই মনে করেন, জ্বালানি সরবরাহ ও পণ্য পরিবহনের নিরাপত্তা নিশ্চিতে কেবল কূটনৈতিক তৎপরতা নয়, বরং মিত্র দেশগুলোর মধ্যে নিবিড় কৌশলগত সমন্বয় প্রয়োজন।
বিশ্লেষকদের মতে, ফ্রান্স ও দক্ষিণ কোরিয়ার এই সম্মিলিত অবস্থান মধ্যপ্রাচ্যের উত্তপ্ত পরিস্থিতিতে নতুন মাত্রা যোগ করেছে।
দুই দেশই তাদের শিল্প ও জ্বালানি চাহিদার জন্য এই রুটটির ওপর নির্ভরশীল হওয়ায় একে সচল রাখা তাদের জন্য কৌশলগত অগ্রাধিকার।
সংবাদ সম্মেলনে প্রেসিডেন্ট ম্যাক্রোঁ আন্তর্জাতিক আইন মেনে জলপথে অবাধ চলাচল নিশ্চিত করার ওপর জোর দেন, অন্যদিকে প্রেসিডেন্ট লি জে মিয়ং বৈশ্বিক সংকট নিরসনে সিউলের সক্রিয় ভূমিকার কথা পুনর্ব্যক্ত করেন। আগামী দিনগুলোতে এই দুই দেশ হরমুজ প্রণালির নিরাপত্তা নিশ্চিতে আরও জোরালো পদক্ষেপ নিতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।












