ঢাকা ১০:৩৮ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৮ মে ২০২৪, ৪ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ
প্যারিসে Point d’Aide – এইড পয়েন্ট এর নতুন অফিসের উদ্বোধন তরুণ সাহিত্যিক সাদাত হোসাইনকে প্যারিসে সংবর্ধনা দিলো ফ্রান্সপ্রবাসী বাংলাদেশীরা গাজীপুর জেলা সমিতি,ফ্রান্স’র দ্বি বার্ষিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত : ফারুক খান সভাপতি, জুয়েল সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত কেবল উপবাসের নামই সিয়াম নয়, প্রকৃত মানুষ হওয়ার শিক্ষাই সিয়াম ফ্রান্সে একটি সর্বজন গ্রহণযোগ্য ‘বাংলাদেশ সমিতি’র তাগিদ, একটি প্রস্তাবনা শিশু কিশোরদের নানা ইভেন্ট নিয়ে ইপিএস কমিউনিটি ফ্রান্সের স্বাধীনতা দিবস পালন জালালাবাদ অ্যাসোসিয়েশন ফ্রান্স’র নতুন কমিটির পরিচিতি ও ইফতার প্যারিসে ‘নকশী বাংলা ফাউন্ডেশন সম্মাননা’ পেলেন ফ্রান্স দর্পণ নির্বাহী সম্পাদক ফেরদৌস করিম আখঞ্জী নানা আয়োজনে প্যারিসে সাফের আন্তর্জাতিক নারী দিবস পালন ‘পাঠশালা’ – ফরাসী ভাষা শিক্ষার স্কুল উদ্বোধন

ককটেল বিস্ফোরণ-হাতাহাতি, পণ্ড ছাত্রলীগের সম্মেলন

  • আপডেট সময় ১০:৫৪:৫২ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০১৮
  • ১০৬ বার পড়া হয়েছে

দলীয় অন্তঃকোন্দলের রেশ, ককটেল বিস্ফোরণ আর বিভিন্ন পক্ষের মধ্যে চেয়ার ছোড়াছুড়ি ও হাতাহাতিতে ভন্ডুল হয়ে গেছে চট্টগ্রাম উত্তর জেলা ছাত্রলীগের সম্মেলন। দীর্ঘ নয় বছর পর আজ মঙ্গলবার নগরীর ইঞ্জিনিয়ার ইনস্টিটিউটে বেলা ১১টার দিকে এ সম্মেলন শুরু হয়। কিন্তু সম্মেলনের শুরুর দিকেই সংগঠনটির বিভিন্ন গ্রুপের মধ্যে চেয়ার ছোড়াছুড়ির মতো ঘটনা ঘটলে তা ভন্ডুল হয়ে যায়। পাশাপাশি সম্মেলনকক্ষের পেছনের দিকে একটি ককটেল বিস্ফোরণের শব্দও শোনা যায়।

বেলা ১১টার পরপরই মঞ্চে শুভেচ্ছা বক্তব্য দিতে আসেন ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক এস এম জাকির হোসাইন। এ সময় সম্মেলনকক্ষের পেছনের দিকে বসা ছাত্রলীগের নেতা–কর্মীরা চট্টগ্রাম নগরীর আওয়ামী লীগের বিভিন্ন নেতার নাম উল্লেখ করে স্লোগান দিতে থাকেন। এতে জাকির হোসাইন তাঁদের স্লোগান দিতে বারণ করে বলেন, শেখ হাসিনা আর বঙ্গবন্ধু ছাড়া আর কারও নামে স্লোগান দেওয়া যাবে না। কিন্তু স্লোগানদাতারা তাঁর কথায় কোনো কর্ণপাত করেননি। পরে তিনি অসমাপ্ত রেখেই বক্তব্য শেষ করেন।

জাকির হোসেনের পর বক্তব্য দিতে মঞ্চে আসেন কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সহসভাপতি সাকিব হোসেন। তাঁর বক্তব্যের শুরুতেই সম্মেলনকক্ষের পেছনের দিকে স্লোগানের পাশাপাশি শুরু হয় চেয়ার ছোড়াছুড়ি। মঞ্চে উপস্থিত অন্য অতিথিদের নিষেধ সত্ত্বেও এই সাংঘর্ষিক অবস্থা চলতে থাকে। এ সময় কক্ষের পেছনের দিকে একটি ককটেল বিস্ফোরণের শব্দ শোনা যায়। বিস্ফোরণে শব্দে আতঙ্কগ্রস্ত হয়ে সবাই সম্মেলনকক্ষ থেকে দৌড়ে বাইরে চলে যান। এ অবস্থার মধ্যেই দুপুর ১২টার দিকে সম্মেলনে আসা অতিথিরা সম্মেলনস্থল ত্যাগ করেন। পরে পুলিশ এসে সবাইকে সম্মেলনকক্ষের বাইরে বের করে দেয়। ইঞ্জিনিয়ার ইনস্টিটিউটের বাইরে এখনো দফায় দফায় বিভিন্ন গ্রুপ স্লোগান দিয়ে যাচ্ছে। ফলে দুপুরের পর অনুষ্ঠেয় কাউন্সিল পর্ব হবে কি না, তা নিয়ে সন্দেহ রয়েছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

লক ডাউন পরবর্তী পরিস্থিতি মোকাবেলায় ফ্রান্সে চলছে ব্যাপক প্রস্তুতি

যুক্তরাজ্যে করোনার মধ্যেই শিশুদের মাঝে নতুন রোগের হানা

প্যারিসে Point d’Aide – এইড পয়েন্ট এর নতুন অফিসের উদ্বোধন

ককটেল বিস্ফোরণ-হাতাহাতি, পণ্ড ছাত্রলীগের সম্মেলন

আপডেট সময় ১০:৫৪:৫২ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০১৮

দলীয় অন্তঃকোন্দলের রেশ, ককটেল বিস্ফোরণ আর বিভিন্ন পক্ষের মধ্যে চেয়ার ছোড়াছুড়ি ও হাতাহাতিতে ভন্ডুল হয়ে গেছে চট্টগ্রাম উত্তর জেলা ছাত্রলীগের সম্মেলন। দীর্ঘ নয় বছর পর আজ মঙ্গলবার নগরীর ইঞ্জিনিয়ার ইনস্টিটিউটে বেলা ১১টার দিকে এ সম্মেলন শুরু হয়। কিন্তু সম্মেলনের শুরুর দিকেই সংগঠনটির বিভিন্ন গ্রুপের মধ্যে চেয়ার ছোড়াছুড়ির মতো ঘটনা ঘটলে তা ভন্ডুল হয়ে যায়। পাশাপাশি সম্মেলনকক্ষের পেছনের দিকে একটি ককটেল বিস্ফোরণের শব্দও শোনা যায়।

বেলা ১১টার পরপরই মঞ্চে শুভেচ্ছা বক্তব্য দিতে আসেন ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক এস এম জাকির হোসাইন। এ সময় সম্মেলনকক্ষের পেছনের দিকে বসা ছাত্রলীগের নেতা–কর্মীরা চট্টগ্রাম নগরীর আওয়ামী লীগের বিভিন্ন নেতার নাম উল্লেখ করে স্লোগান দিতে থাকেন। এতে জাকির হোসাইন তাঁদের স্লোগান দিতে বারণ করে বলেন, শেখ হাসিনা আর বঙ্গবন্ধু ছাড়া আর কারও নামে স্লোগান দেওয়া যাবে না। কিন্তু স্লোগানদাতারা তাঁর কথায় কোনো কর্ণপাত করেননি। পরে তিনি অসমাপ্ত রেখেই বক্তব্য শেষ করেন।

জাকির হোসেনের পর বক্তব্য দিতে মঞ্চে আসেন কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সহসভাপতি সাকিব হোসেন। তাঁর বক্তব্যের শুরুতেই সম্মেলনকক্ষের পেছনের দিকে স্লোগানের পাশাপাশি শুরু হয় চেয়ার ছোড়াছুড়ি। মঞ্চে উপস্থিত অন্য অতিথিদের নিষেধ সত্ত্বেও এই সাংঘর্ষিক অবস্থা চলতে থাকে। এ সময় কক্ষের পেছনের দিকে একটি ককটেল বিস্ফোরণের শব্দ শোনা যায়। বিস্ফোরণে শব্দে আতঙ্কগ্রস্ত হয়ে সবাই সম্মেলনকক্ষ থেকে দৌড়ে বাইরে চলে যান। এ অবস্থার মধ্যেই দুপুর ১২টার দিকে সম্মেলনে আসা অতিথিরা সম্মেলনস্থল ত্যাগ করেন। পরে পুলিশ এসে সবাইকে সম্মেলনকক্ষের বাইরে বের করে দেয়। ইঞ্জিনিয়ার ইনস্টিটিউটের বাইরে এখনো দফায় দফায় বিভিন্ন গ্রুপ স্লোগান দিয়ে যাচ্ছে। ফলে দুপুরের পর অনুষ্ঠেয় কাউন্সিল পর্ব হবে কি না, তা নিয়ে সন্দেহ রয়েছে।