ঢাকা ০৮:৫৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৫ জুলাই ২০২৬, ১০ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ
ফিলিস্তিনে ইসরায়েলি হামলাকে ‘গণহত্যা’ বললেন জাতিসংঘের বিশেষ দূত প্রবাসীবান্ধব সেবা নিশ্চিতে আন্তঃমন্ত্রণালয় কমিটি গঠন রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিনের পদত্যাগ ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি হাফিজ উদ্দিন মেসির বিদায় হবে আর্জেন্টিনায় ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি হাফিজ উদ্দিন আহমদ বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতির পদত্যাগ আল-আকসা মসজিদে ঢুকে চার সহস্রাধিক ইসরায়েলির তাণ্ডব শিগগিরই পদত্যাগ করতে পারেন রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিন ককরোচ জনতা পার্টি’র আন্দোলনের প্রতি সিলেটে ছাত্র সমাজের পূর্ণ সংহতি যুক্তরাজ্যে মোল্লারগাঁও ইউপির সাবেক চেয়ারম্যান প্রয়াত শেখ মখন মিয়ার পরিবারের ৩ সদস্যের মর্মান্তিক মৃত্যু

ইতালীর রোমে স্থায়ী শহীদ মিনার পরিত্যক্ত সস্কার হচ্ছে না

  • আপডেট সময় ১১:৫৭:১১ অপরাহ্ন, বুধবার, ২১ ফেব্রুয়ারী ২০১৮
  • ৬১২ বার পড়া হয়েছে

মিনহাজ হোসেন ইতালী:(রোম)  – দেশের ন্যায় প্রবাসেও উদযাপন করা হয় মহান ভাষা দিবস।ইউরোপের দেশ গুলোও পিছিয়ে নেই এ থেকে। যথাযোগ্য মর্যাদায় পালন করে ভাষা দিবস। ইউরোপিয়ান দেশগুলির মধ্যে ইউকে‘র পর ১ম এবং ২য় স্থায়ী শহীদ মিনার নির্মিত হয় ইতালীতে। সঠিক পরিচর্যা ও তদারকির অভাবে যার ২টিই এখন পরিত্যক্ত অবস্থায় রয়েছে।
ইতালিতে স্থায়ীভাবে প্রথম শহীদ মিনার নির্মিত হয় অ্যাড্রিয়াটিক সাগরের পাড়ে দক্ষিণাঞ্চলীয় শহর বারিতে ২০১০ সালে। আর ২০১১ সালে রোমের পারিওলিতে লারগো বাংলাদেশ বা বাংলাদেশ চত্বরের পাশে নির্মিত হয় তৈরি দ্বিতীয় স্থায়ী শহীদ মিনার।
বারি‘র এই শহীদ মিনার ২০০৮ সালে নির্মানের অনুমতি মেলে এবং বরাদ্দকৃত স্থান লারগো দু যোন পার্কে দুই বছরের মধ্যে এর নির্মাণকাজ শেষ হয়। যা ২০১০ সালের ১৮ সেপ্টেম্বর ততকালীন ডেপুটি স্পিকার শওকত আলী এই শহীদ মিনারের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন।
অন্যদিকে রোমে স্থায়ী শহীদ মিনারটির নির্মাণকাজ সম্পন্ন হয় ২০১১ সালে এবং সে বছরের ১৮ ফেব্রুয়ারি তা উদ্বোধন করেন ততকালীন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ডা: দীপু মনি। এর দুই দিন পর একুশে ফেব্রুয়ারির অনুষ্ঠানে ওই শহীদ মিনারে পুষ্পস্তবক অর্পণ এবং আলোচনায় অংশ নেন ইতালি সরকারের সাবেক পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী মিস স্টেফানিয়া গ্যাব্রিয়েলা অ্যানাস্তাসিয়া ক্র্যাক্সি।
ঢাকার জাতীয় শহীদ মিনারটির একই আদলে তৈরি হয় রোমের শহীদ মিনার। এর নকশায় মাঝের স্তম্ভ¢টিতে রয়েছে বাংলায় ‘মা’ কথাটি খোদাই করা লেখা। এই নকশার আরেকটি বিশেষ বৈশিষ্ট্য হলো, শহীদ মিনারে বিশ্বের ৫০৭টি ভাষার নাম লেখা আছে।
দুর্ভাগ্য জনক হলেও সত্যি দুইটি স্থায়ী শহীদ মিনারই সঠিক পরিচচ্চার অভাবে প্রায় ধ্বংশের মুখে। বর্তমানে বারি শহরের স্থায়ী শহীদ মিনারে ভাষা শহীদদের সম্মান জানানোর অবস্থা থাকলেও রোমের স্থায়ী শহীদ মিনারে প্রায় ৪ বছর ধরে শহীদদের সম্মান জানানো হচ্ছে না। অন্য একটি পার্কো অস্থায়ী শহীদ মিনারে ২১ ফেব্রুয়ারী উদযাপন করে দূতবাস থেকে ।
রোমের বাংলাদেশীদের অহংকার করা ভাষা আন্দোলনের নিদর্শন সম্মান জানানো পরিবর্তে পরে আছে পরিত্যাক্ত অবস্থায়। এ অবস্থা থেকে বাংলাদেশ দূতাবাস কিংবা সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তার প্রতি প্রবাসীদের আহ্বান যতদ্রুত সম্ভব এই শহীদ মিনারকে রক্ষা করার।এ ব্যাপারে বাংলাদেশ দূতাবাসের রাষ্ট্রদূত বিভিন্ন সময় বলেছেন আমরা চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি তবে পুনরায় যায়গা নির্ধারন একটু সময়ের ব্যাপার।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

লক ডাউন পরবর্তী পরিস্থিতি মোকাবেলায় ফ্রান্সে চলছে ব্যাপক প্রস্তুতি

যুক্তরাজ্যে করোনার মধ্যেই শিশুদের মাঝে নতুন রোগের হানা

ফিলিস্তিনে ইসরায়েলি হামলাকে ‘গণহত্যা’ বললেন জাতিসংঘের বিশেষ দূত

ইতালীর রোমে স্থায়ী শহীদ মিনার পরিত্যক্ত সস্কার হচ্ছে না

আপডেট সময় ১১:৫৭:১১ অপরাহ্ন, বুধবার, ২১ ফেব্রুয়ারী ২০১৮

মিনহাজ হোসেন ইতালী:(রোম)  – দেশের ন্যায় প্রবাসেও উদযাপন করা হয় মহান ভাষা দিবস।ইউরোপের দেশ গুলোও পিছিয়ে নেই এ থেকে। যথাযোগ্য মর্যাদায় পালন করে ভাষা দিবস। ইউরোপিয়ান দেশগুলির মধ্যে ইউকে‘র পর ১ম এবং ২য় স্থায়ী শহীদ মিনার নির্মিত হয় ইতালীতে। সঠিক পরিচর্যা ও তদারকির অভাবে যার ২টিই এখন পরিত্যক্ত অবস্থায় রয়েছে।
ইতালিতে স্থায়ীভাবে প্রথম শহীদ মিনার নির্মিত হয় অ্যাড্রিয়াটিক সাগরের পাড়ে দক্ষিণাঞ্চলীয় শহর বারিতে ২০১০ সালে। আর ২০১১ সালে রোমের পারিওলিতে লারগো বাংলাদেশ বা বাংলাদেশ চত্বরের পাশে নির্মিত হয় তৈরি দ্বিতীয় স্থায়ী শহীদ মিনার।
বারি‘র এই শহীদ মিনার ২০০৮ সালে নির্মানের অনুমতি মেলে এবং বরাদ্দকৃত স্থান লারগো দু যোন পার্কে দুই বছরের মধ্যে এর নির্মাণকাজ শেষ হয়। যা ২০১০ সালের ১৮ সেপ্টেম্বর ততকালীন ডেপুটি স্পিকার শওকত আলী এই শহীদ মিনারের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন।
অন্যদিকে রোমে স্থায়ী শহীদ মিনারটির নির্মাণকাজ সম্পন্ন হয় ২০১১ সালে এবং সে বছরের ১৮ ফেব্রুয়ারি তা উদ্বোধন করেন ততকালীন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ডা: দীপু মনি। এর দুই দিন পর একুশে ফেব্রুয়ারির অনুষ্ঠানে ওই শহীদ মিনারে পুষ্পস্তবক অর্পণ এবং আলোচনায় অংশ নেন ইতালি সরকারের সাবেক পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী মিস স্টেফানিয়া গ্যাব্রিয়েলা অ্যানাস্তাসিয়া ক্র্যাক্সি।
ঢাকার জাতীয় শহীদ মিনারটির একই আদলে তৈরি হয় রোমের শহীদ মিনার। এর নকশায় মাঝের স্তম্ভ¢টিতে রয়েছে বাংলায় ‘মা’ কথাটি খোদাই করা লেখা। এই নকশার আরেকটি বিশেষ বৈশিষ্ট্য হলো, শহীদ মিনারে বিশ্বের ৫০৭টি ভাষার নাম লেখা আছে।
দুর্ভাগ্য জনক হলেও সত্যি দুইটি স্থায়ী শহীদ মিনারই সঠিক পরিচচ্চার অভাবে প্রায় ধ্বংশের মুখে। বর্তমানে বারি শহরের স্থায়ী শহীদ মিনারে ভাষা শহীদদের সম্মান জানানোর অবস্থা থাকলেও রোমের স্থায়ী শহীদ মিনারে প্রায় ৪ বছর ধরে শহীদদের সম্মান জানানো হচ্ছে না। অন্য একটি পার্কো অস্থায়ী শহীদ মিনারে ২১ ফেব্রুয়ারী উদযাপন করে দূতবাস থেকে ।
রোমের বাংলাদেশীদের অহংকার করা ভাষা আন্দোলনের নিদর্শন সম্মান জানানো পরিবর্তে পরে আছে পরিত্যাক্ত অবস্থায়। এ অবস্থা থেকে বাংলাদেশ দূতাবাস কিংবা সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তার প্রতি প্রবাসীদের আহ্বান যতদ্রুত সম্ভব এই শহীদ মিনারকে রক্ষা করার।এ ব্যাপারে বাংলাদেশ দূতাবাসের রাষ্ট্রদূত বিভিন্ন সময় বলেছেন আমরা চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি তবে পুনরায় যায়গা নির্ধারন একটু সময়ের ব্যাপার।