ঢাকা ০৫:৪৬ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৫ জুলাই ২০২৬, ৯ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ
রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিনের পদত্যাগ ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি হাফিজ উদ্দিন মেসির বিদায় হবে আর্জেন্টিনায় ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি হাফিজ উদ্দিন আহমদ বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতির পদত্যাগ আল-আকসা মসজিদে ঢুকে চার সহস্রাধিক ইসরায়েলির তাণ্ডব শিগগিরই পদত্যাগ করতে পারেন রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিন ককরোচ জনতা পার্টি’র আন্দোলনের প্রতি সিলেটে ছাত্র সমাজের পূর্ণ সংহতি যুক্তরাজ্যে মোল্লারগাঁও ইউপির সাবেক চেয়ারম্যান প্রয়াত শেখ মখন মিয়ার পরিবারের ৩ সদস্যের মর্মান্তিক মৃত্যু ১৫ বছরের কম বয়সিদের জন্য সামাজিক মাধ্যম নিষিদ্ধ করল ফ্রান্স প্রবাসীদের পাসপোর্ট সংশোধনের সুযোগ বাড়লো ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত

বিশ্বাসযোগ্য নির্বাচনেই যুক্তরাষ্ট্রের সমর্থন

  • আপডেট সময় ০৭:১১:২৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩ জুলাই ২০১৮
  • ৩৩৭ বার পড়া হয়েছে

ঢাকায় নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত মার্শা বার্নিকাট ফের একটি গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের তাগিদ দিয়েছেন। বলেছেন, অহিংস পরিস্থিতিতে (নন-ভায়োলেন্স) অনুষ্ঠেয় অবাধ  ও বিশ্বাসযোগ্য একটি নির্বাচন, যাতে জনগণের ইচ্ছার প্রতিফলন ঘটে- এমন নির্বাচনেই যুক্তরাষ্ট্র সমর্থন দিয়ে থাকে। রাষ্ট্রদূত এ-ও বলেন, বাংলাদেশে দায়িত্ব পালনের শেষ লগ্নে এসে তিনি বাংলাদেশ সরকার এবং এ দেশের জনগণকে সেই আহ্বানটিই জানাতে চান, যেটি তিনি তার নিজের দেশের সরকার এবং জনগণকেও বলে থাকেন।

গতকাল বিকালে যুক্তরাষ্ট্রের স্বাধীনতা দিবস উদযাপন উপলক্ষে দূতাবাস আয়োজিত অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন। ওই অনুষ্ঠানে পররাষ্ট্রমন্ত্রী আবুল হাসান মাহমুদ আলী প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন। দূতাবাসে অনুষ্ঠিত ওই কূটনৈতিক পার্টিতে বার্নিকাট বলেন, ‘এ বছরের শেষ ভাগে আমাদের উভয় দেশেই এসব মূল্যবোধের একটা পরীক্ষা হতে যাচ্ছে। উভয় দেশের নাগরিকেরাই ব্যালটবাক্সে নিজেদের মতের প্রতিফলন ঘটাবে, যা হবে স্বশাসনের সত্যিকারের বহিঃপ্রকাশ।’ বাংলাদেশি জনগণের প্রজ্ঞা এবং প্রত্যয় দ্বারাই একটি স্বাধীন, ধর্মনিরপেক্ষ ও গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রের জন্ম সম্ভব হয়েছিল উল্লেখ করে তিনি বলেন, সাতচল্লিশ বছর পর সেই একই প্রজ্ঞা আর প্রত্যয় এখন মহাকাশে বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট স্থাপন সম্ভব করেছে।

আমি বিশ্বাস করি সেই একই প্রজ্ঞাও প্রতিটি ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য সোনার বাংলার স্বপ্ন পূরণ করবে। বাংলাদেশ ছেড়ে যেতে কষ্ট হবে উল্লেখ করে এখানে প্রায় তিন বছর ধরে দায়িত্বপালনকারী মার্কিন দূত বলেন, আমার দায়িত্বকাল সম্পন্ন করে নিশ্চিতভাবেই ফিরে যাবো। তবে আমি এ দেশে বেড়াতে আসার পরিকল্পনা ইতিমধ্যেই নিয়ে নিয়েছি। আমি যখন বেড়াতে আসব তখন একেবারেই ভিন্ন একটি বাংলাদেশ দেখার প্রত্যাশা করি। সেটি হবে আরও অগ্রসর, আরও উন্নত এক বাংলাদেশ। তবে সে বাংলাদেশে থাকবে স্বাধীনতার জন্য সেই একই সংকল্প ও আবেগ, যা ১৯৭১ সাল থেকে এ দেশের মানুষের মনে জাগরুক।

বঙ্গবন্ধু-১ স্যাটেলাইট মহাকাশে উৎক্ষেপণ বাংলাদেশের মধ্যম আয়ের দেশে উন্নীত হওয়ার পথে দ্রুতগতির অভিযাত্রায় নতুন অধ্যায়ের সূচনা করেছে, এমন মন্তব্য করে তিনি বলেন, চলতি বছর বিশ্ব বাংলাদেশকে নাসা ও স্পেসএক্স-এর সহায়তায় বঙ্গবন্ধু-১ স্যাটেলাইট মহাকাশে উৎক্ষেপণ করতে দেখল। বাংলাদেশি জনগণের অদম্য সংকল্প আর সৃষ্টিশীলতার একটি খাঁটি নজির এটি। তিনি আরও বলেন, আমার বিশ্বাস, এই দৃঢ়সংকল্প আর প্রবৃদ্ধি ও অগ্রগতির জন্য এই উচ্চাভিলাষই আমেরিকান ও বাংলাদেশিদের ঐক্যবদ্ধ করেছে। আমাদের উভয় দেশের সংবিধানে এই ধারণা সন্নিবেশিত আছে যে, সব মানুষ জন্মগতভাবে সমান। তাদের চিন্তা, উদ্ভাবন আর নিজেদের প্রকাশ করার সুযোগ ও স্বাধীনতা দেয়া হলে অপার সম্ভাবনার সৃষ্টি হবে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

লক ডাউন পরবর্তী পরিস্থিতি মোকাবেলায় ফ্রান্সে চলছে ব্যাপক প্রস্তুতি

যুক্তরাজ্যে করোনার মধ্যেই শিশুদের মাঝে নতুন রোগের হানা

রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিনের পদত্যাগ ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি হাফিজ উদ্দিন

বিশ্বাসযোগ্য নির্বাচনেই যুক্তরাষ্ট্রের সমর্থন

আপডেট সময় ০৭:১১:২৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩ জুলাই ২০১৮

ঢাকায় নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত মার্শা বার্নিকাট ফের একটি গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের তাগিদ দিয়েছেন। বলেছেন, অহিংস পরিস্থিতিতে (নন-ভায়োলেন্স) অনুষ্ঠেয় অবাধ  ও বিশ্বাসযোগ্য একটি নির্বাচন, যাতে জনগণের ইচ্ছার প্রতিফলন ঘটে- এমন নির্বাচনেই যুক্তরাষ্ট্র সমর্থন দিয়ে থাকে। রাষ্ট্রদূত এ-ও বলেন, বাংলাদেশে দায়িত্ব পালনের শেষ লগ্নে এসে তিনি বাংলাদেশ সরকার এবং এ দেশের জনগণকে সেই আহ্বানটিই জানাতে চান, যেটি তিনি তার নিজের দেশের সরকার এবং জনগণকেও বলে থাকেন।

গতকাল বিকালে যুক্তরাষ্ট্রের স্বাধীনতা দিবস উদযাপন উপলক্ষে দূতাবাস আয়োজিত অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন। ওই অনুষ্ঠানে পররাষ্ট্রমন্ত্রী আবুল হাসান মাহমুদ আলী প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন। দূতাবাসে অনুষ্ঠিত ওই কূটনৈতিক পার্টিতে বার্নিকাট বলেন, ‘এ বছরের শেষ ভাগে আমাদের উভয় দেশেই এসব মূল্যবোধের একটা পরীক্ষা হতে যাচ্ছে। উভয় দেশের নাগরিকেরাই ব্যালটবাক্সে নিজেদের মতের প্রতিফলন ঘটাবে, যা হবে স্বশাসনের সত্যিকারের বহিঃপ্রকাশ।’ বাংলাদেশি জনগণের প্রজ্ঞা এবং প্রত্যয় দ্বারাই একটি স্বাধীন, ধর্মনিরপেক্ষ ও গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রের জন্ম সম্ভব হয়েছিল উল্লেখ করে তিনি বলেন, সাতচল্লিশ বছর পর সেই একই প্রজ্ঞা আর প্রত্যয় এখন মহাকাশে বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট স্থাপন সম্ভব করেছে।

আমি বিশ্বাস করি সেই একই প্রজ্ঞাও প্রতিটি ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য সোনার বাংলার স্বপ্ন পূরণ করবে। বাংলাদেশ ছেড়ে যেতে কষ্ট হবে উল্লেখ করে এখানে প্রায় তিন বছর ধরে দায়িত্বপালনকারী মার্কিন দূত বলেন, আমার দায়িত্বকাল সম্পন্ন করে নিশ্চিতভাবেই ফিরে যাবো। তবে আমি এ দেশে বেড়াতে আসার পরিকল্পনা ইতিমধ্যেই নিয়ে নিয়েছি। আমি যখন বেড়াতে আসব তখন একেবারেই ভিন্ন একটি বাংলাদেশ দেখার প্রত্যাশা করি। সেটি হবে আরও অগ্রসর, আরও উন্নত এক বাংলাদেশ। তবে সে বাংলাদেশে থাকবে স্বাধীনতার জন্য সেই একই সংকল্প ও আবেগ, যা ১৯৭১ সাল থেকে এ দেশের মানুষের মনে জাগরুক।

বঙ্গবন্ধু-১ স্যাটেলাইট মহাকাশে উৎক্ষেপণ বাংলাদেশের মধ্যম আয়ের দেশে উন্নীত হওয়ার পথে দ্রুতগতির অভিযাত্রায় নতুন অধ্যায়ের সূচনা করেছে, এমন মন্তব্য করে তিনি বলেন, চলতি বছর বিশ্ব বাংলাদেশকে নাসা ও স্পেসএক্স-এর সহায়তায় বঙ্গবন্ধু-১ স্যাটেলাইট মহাকাশে উৎক্ষেপণ করতে দেখল। বাংলাদেশি জনগণের অদম্য সংকল্প আর সৃষ্টিশীলতার একটি খাঁটি নজির এটি। তিনি আরও বলেন, আমার বিশ্বাস, এই দৃঢ়সংকল্প আর প্রবৃদ্ধি ও অগ্রগতির জন্য এই উচ্চাভিলাষই আমেরিকান ও বাংলাদেশিদের ঐক্যবদ্ধ করেছে। আমাদের উভয় দেশের সংবিধানে এই ধারণা সন্নিবেশিত আছে যে, সব মানুষ জন্মগতভাবে সমান। তাদের চিন্তা, উদ্ভাবন আর নিজেদের প্রকাশ করার সুযোগ ও স্বাধীনতা দেয়া হলে অপার সম্ভাবনার সৃষ্টি হবে।