ঢাকা ১২:১৮ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ৬ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ
আন্দ্রে বেতেই: মানবিক সমাজবোধের অনন্য উত্তরাধিকারী কারিগরি শিক্ষার প্রসার হোক নির্বাচিত সরকারের অন্যতম অগ্রাধিকার ইউকে বাংলা রিপোর্টার্স ইউনিটির অভিষেক অনুষ্ঠিত ফ্রান্সের পৌর নির্বাচনে ডেপুটি এবং কাউন্সিলর পদে লড়ছে বাংলাদেশী বংশোদ্ভূত ফরাসীরা সত্যিকার অর্থেই দারুণ প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ নির্বাচন হয়েছে: ইইউ পর্যবেক্ষণ মিশন বিএনপির ভূমিধস জয় অনিয়ম ও জাল ভোট: প্রতিকার পেতে কোথায় অভিযোগ করবেন? যুক্তরাজ্যের রাজনীতিতে নতুন সমীকরণ: শাবানা মাহমুদ কি হচ্ছেন সম্ভাব্য উত্তরসূরি? স্বতন্ত্র মাধ্যমিক শিক্ষা অধিদপ্তর প্রতিষ্ঠা সময়ের দাবি শেষ মুহূর্তের জরিপে নির্বাচনের সম্ভাব্য চিত্র: কে কত আসনে এগিয়ে?

ফেসবুকে বিরোধের জের: শ্রীলঙ্কায় মসজিদে হামলা, কারফিউ জারি

  • আপডেট সময় ১১:৪৮:৪৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ১২ মে ২০১৯
  • ৩৪০ বার পড়া হয়েছে

শ্রীলঙ্কার পূর্ব উপকূলীয় শহর চিলাউয়ের কয়েকটি মসজিদ ও মুসলিম মালিকানাধীন দোকান হামলার শিকার হয়েছে। এছাড়া স্থানীয় এক ব্যক্তিকে মারধরও করা হয়েছে। সূত্রের বরাত দিয়ে ব্রিটিশ বার্তা সংস্থা রয়টার্স জানিয়েছে, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে শুরু হওয়া বিরোধের জের ধরে রবিবার এই হামলা চালানো হয়েছে।
লঙ্কান পুলিশের মুখপাত্র রুয়ান গুনাসেকেরা জানান, উত্তেজনাকর পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে চিলাউ পুলিশ এলাকায় আগামীকাল ভোর ৬টা পর্যন্ত কারফিউ জারি করা হয়েছে।

পরে পুলিশ জানিয়েছে, কারফিউ ভোর ৪টায় প্রত্যাহার করা হবে।

কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, এক ফেসবুক পোস্টের লেখককে তারা গ্রেফতার করেছে। গ্রেফতারকৃত ব্যক্তির নাম আব্দুল হামিদ মোহাম্মদ হাসমার। খ্রিস্টান অধ্যুষিত শহরটির বাসিন্দারা জানান, হাসমারের পোস্ট ছিল ভয় প্রদর্শনকারী এবং ক্ষুব্ধ জনতা তাকে পিটুনি দিয়েছে।

নিরাপত্তার কারণে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক স্থানীয় এক মুসলিম বাসিন্দা জানান, এরপর উত্তেজিত বেশ কয়েকজন মানুষ তিনটি মসজিদ ও মুসলিম মালিকানাধীন দোকানে পাথর নিক্ষেপ করে। এখন পরিস্থিতি কিছুটা শান্ত হলেও রাতে আমরা আতঙ্কে থাকব।

তিন সপ্তাহ আগে দেশটিতে সিরিজ বোমা হামলায় আড়াই শতাধিক মানুষ নিহত হয়েছিলেন। মুসলিম আত্মঘাতী জঙ্গিরা এই হামলা চালায়। ওই হামলার পর থেকেই দেশটির বিভিন্ন প্রান্তে অসংখ্য হয়রানি ও হুমকির শিকার হয়েছেন বলে অভিযোগ করেছেন মুসলিমরা।

ওই বাসিন্দা আরও জানান, একটি মসজিদ অনেক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে দেখা গেছে, বেশ কয়েকজন যুবক চিৎকার করে একটি কাপড়ের দোকানে পাথর নিক্ষেপ করছে। দোকানটির মালিক হাসমার বলে জানিয়েছেন স্থানীয়রা।

শ্রীলঙ্কার কয়েকটি সম্প্রদায়ের মানুষের আশঙ্কা সরকার ক্রমবর্ধমান ইসলামি হামলা ঠেকাতে সম্ভাব্য সব জঙ্গিকে গ্রেফতার করতে পারেনি। কয়েকদিন আগে ট্রাফিক নিয়ে বিরোধের জের ধরে স্থানীয় মুসলিম ও খ্রিস্টান সম্প্রদায়ের মধ্যে সহিংস সংঘর্ষ হয়েছিল। ওই হামলার পর সরকার সামাজিক মাধ্যম নিষিদ্ধ করেছিল। কিন্তু এবার তা করেনি।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

লক ডাউন পরবর্তী পরিস্থিতি মোকাবেলায় ফ্রান্সে চলছে ব্যাপক প্রস্তুতি

যুক্তরাজ্যে করোনার মধ্যেই শিশুদের মাঝে নতুন রোগের হানা

আন্দ্রে বেতেই: মানবিক সমাজবোধের অনন্য উত্তরাধিকারী

ফেসবুকে বিরোধের জের: শ্রীলঙ্কায় মসজিদে হামলা, কারফিউ জারি

আপডেট সময় ১১:৪৮:৪৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ১২ মে ২০১৯

শ্রীলঙ্কার পূর্ব উপকূলীয় শহর চিলাউয়ের কয়েকটি মসজিদ ও মুসলিম মালিকানাধীন দোকান হামলার শিকার হয়েছে। এছাড়া স্থানীয় এক ব্যক্তিকে মারধরও করা হয়েছে। সূত্রের বরাত দিয়ে ব্রিটিশ বার্তা সংস্থা রয়টার্স জানিয়েছে, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে শুরু হওয়া বিরোধের জের ধরে রবিবার এই হামলা চালানো হয়েছে।
লঙ্কান পুলিশের মুখপাত্র রুয়ান গুনাসেকেরা জানান, উত্তেজনাকর পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে চিলাউ পুলিশ এলাকায় আগামীকাল ভোর ৬টা পর্যন্ত কারফিউ জারি করা হয়েছে।

পরে পুলিশ জানিয়েছে, কারফিউ ভোর ৪টায় প্রত্যাহার করা হবে।

কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, এক ফেসবুক পোস্টের লেখককে তারা গ্রেফতার করেছে। গ্রেফতারকৃত ব্যক্তির নাম আব্দুল হামিদ মোহাম্মদ হাসমার। খ্রিস্টান অধ্যুষিত শহরটির বাসিন্দারা জানান, হাসমারের পোস্ট ছিল ভয় প্রদর্শনকারী এবং ক্ষুব্ধ জনতা তাকে পিটুনি দিয়েছে।

নিরাপত্তার কারণে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক স্থানীয় এক মুসলিম বাসিন্দা জানান, এরপর উত্তেজিত বেশ কয়েকজন মানুষ তিনটি মসজিদ ও মুসলিম মালিকানাধীন দোকানে পাথর নিক্ষেপ করে। এখন পরিস্থিতি কিছুটা শান্ত হলেও রাতে আমরা আতঙ্কে থাকব।

তিন সপ্তাহ আগে দেশটিতে সিরিজ বোমা হামলায় আড়াই শতাধিক মানুষ নিহত হয়েছিলেন। মুসলিম আত্মঘাতী জঙ্গিরা এই হামলা চালায়। ওই হামলার পর থেকেই দেশটির বিভিন্ন প্রান্তে অসংখ্য হয়রানি ও হুমকির শিকার হয়েছেন বলে অভিযোগ করেছেন মুসলিমরা।

ওই বাসিন্দা আরও জানান, একটি মসজিদ অনেক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে দেখা গেছে, বেশ কয়েকজন যুবক চিৎকার করে একটি কাপড়ের দোকানে পাথর নিক্ষেপ করছে। দোকানটির মালিক হাসমার বলে জানিয়েছেন স্থানীয়রা।

শ্রীলঙ্কার কয়েকটি সম্প্রদায়ের মানুষের আশঙ্কা সরকার ক্রমবর্ধমান ইসলামি হামলা ঠেকাতে সম্ভাব্য সব জঙ্গিকে গ্রেফতার করতে পারেনি। কয়েকদিন আগে ট্রাফিক নিয়ে বিরোধের জের ধরে স্থানীয় মুসলিম ও খ্রিস্টান সম্প্রদায়ের মধ্যে সহিংস সংঘর্ষ হয়েছিল। ওই হামলার পর সরকার সামাজিক মাধ্যম নিষিদ্ধ করেছিল। কিন্তু এবার তা করেনি।