ঢাকা ১২:০৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬, ২ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ
বাংলাদেশসহ ২৯ দেশের পাইলট-ক্রুদের ওপর ইসরায়েলের নিষেধাজ্ঞা মানবে এয়ার ফ্রান্স গ্রেটার সিলেট কমিউনিটি ইউকে’র কেন্দ্রীয় সম্মেলন সম্পন্ন ফ্রান্সে শিক্ষার্থীদের আন্দোলন জোরালো, সমর্থনে রাজপথে হাজারো মানুষ বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে ইউরোপে নির্মিত হচ্ছে প্রামাণ্যচিত্র, শুটিং শুরু ১৯ অক্টোবর নিউইয়র্কে ড. ইউনূসকে হেনস্তায় যেসব আ. লীগ নেতার নাম আলোচনায় আট মাসে বিদেশে গেছেন সাড়ে ৪ লাখ কর্মী সরকারবিরোধী চক্রান্ত : সাবেক ২ সেনা কর্মকর্তা ৪ দিনের রিমান্ডে সৌদিতে বাংলাদেশিদের ছবি-ভিডিও প্রকাশে নিষেধাজ্ঞা ইইউর বিভিন্ন দেশে প্রায় পাঁচ লাখ বাংলাদেশি বৈধভাবে বসবাস করছেন প্যারিস বিমানবন্দরে ইসরায়েলি কোম্পানির সামরিক চালান আটকে দিলেন কর্মীরা

মহাকাশ থেকেও বোঝা যাবে প্রাণিদের গতিবিধি!

  • আপডেট সময় ০১:২০:৪৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৩ মে ২০২৬
  • ১১০ বার পড়া হয়েছে

ডেস্ক রিপোর্ট

বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির অভূতপূর্ব মেলবন্ধনে বন্যপ্রাণী সংরক্ষণে নতুন যুগের সূচনা হয়েছে। মহাকাশ থেকে কৃত্রিম উপগ্রহের মাধ্যমে প্রাণীদের আচরণ ও গতিবিধির সূক্ষ্ম সংকেত চিহ্নিত করার অভিনব প্রযুক্তি উদ্ভাবন করেছেন গবেষকরা। ‘ইকারুস’ নামের একটি নতুন স্যাটেলাইট সিস্টেম প্রাণিদের মধ্যকার আতঙ্কের ধরণ বিশ্লেষণ করে তাদের জীবন রক্ষায় কাজ করছে। এই প্রযুক্তির মূল লক্ষ্য হচ্ছে আফ্রিকা মহাদেশে চিতা, গন্ডার এবং হাতির মতো বিপন্ন প্রাণীদের শিকারিদের হাত থেকে রক্ষা করা।

দক্ষিণ আফ্রিকার নামিবিয়ার একটি বেসরকারি বন্যপ্রাণী সংরক্ষণাগার ওকাম্বারাতে সম্প্রতি এই প্রযুক্তির কার্যকারিতা পরীক্ষা করা হয়েছে। ওকাম্বারা মূলত একটি শুষ্ক অঞ্চল, যা কাঁটাগাছ ও ঝোপঝাড়ে ভরা। এখানকার বন্যপ্রাণীরা সবসময়ই যেকোনো বিপদের গন্ধ পেয়ে সতর্ক হয়ে ওঠে। এই বন্য পরিবেশেই গবেষকদের একটি দল শিকারিদের মতো ছদ্মবেশে অনুপ্রবেশ করে বন্যপ্রাণীদের আচরণের পরিবর্তন পর্যবেক্ষণ করেন।

গবেষকদের এই ছদ্মবেশী শিকারি দলটি যখন মাঠে নামে এবং ফাঁকা গুলি ছোড়ে, তখন বন্যপ্রাণীদের মধ্যে তীব্র আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। জেব্রা ও ওয়াইল্ডবিস্টের মতো প্রাণীরা দিগ্বিদিক জ্ঞান হারিয়ে দলবদ্ধভাবে ছুটতে শুরু করে। তবে ব্যতিক্রম ছিল জিরাফ, যারা দীর্ঘ উচ্চতার কারণে বেশ শান্ত থেকে দূর থেকেই পুরো পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করতে থাকে। ওপর থেকে একটি ড্রোনের মাধ্যমে প্রাণিদের এই আতঙ্কিত হয়ে পালিয়ে যাওয়ার নির্দিষ্ট ধরণ বা ‘সিগনেচার প্যাটার্ন’ বারবার রেকর্ড করা হয়।
এই কৃত্রিম শিকারের উদ্দেশ্য ছিলো বন্য শিকারিদের আগমনে প্রাণীরা কীভাবে প্রতিক্রিয়া দেখায় তার একটি বাস্তব চিত্র ফুটিয়ে তোলা। সংগৃহীত এই সমস্ত তথ্য একটি বিশেষ অ্যালগরিদম বা কম্পিউটার প্রোগ্রামকে প্রশিক্ষণ দিতে ব্যবহার করা হচ্ছে। যখনই বনে আসল শিকারি বা চোরাশিকারিদের আগমন ঘটবে, তখন প্রাণীদের আচরণের এই চেনা অস্থিরতা দেখে কম্পিউটার সিস্টেমটি স্বয়ংক্রিয়ভাবে পার্কের রক্ষীদের কাছে একটি সতর্কবার্তা পাঠিয়ে দেবে।

 

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

লক ডাউন পরবর্তী পরিস্থিতি মোকাবেলায় ফ্রান্সে চলছে ব্যাপক প্রস্তুতি

যুক্তরাজ্যে করোনার মধ্যেই শিশুদের মাঝে নতুন রোগের হানা

বাংলাদেশসহ ২৯ দেশের পাইলট-ক্রুদের ওপর ইসরায়েলের নিষেধাজ্ঞা মানবে এয়ার ফ্রান্স

মহাকাশ থেকেও বোঝা যাবে প্রাণিদের গতিবিধি!

আপডেট সময় ০১:২০:৪৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৩ মে ২০২৬

ডেস্ক রিপোর্ট

বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির অভূতপূর্ব মেলবন্ধনে বন্যপ্রাণী সংরক্ষণে নতুন যুগের সূচনা হয়েছে। মহাকাশ থেকে কৃত্রিম উপগ্রহের মাধ্যমে প্রাণীদের আচরণ ও গতিবিধির সূক্ষ্ম সংকেত চিহ্নিত করার অভিনব প্রযুক্তি উদ্ভাবন করেছেন গবেষকরা। ‘ইকারুস’ নামের একটি নতুন স্যাটেলাইট সিস্টেম প্রাণিদের মধ্যকার আতঙ্কের ধরণ বিশ্লেষণ করে তাদের জীবন রক্ষায় কাজ করছে। এই প্রযুক্তির মূল লক্ষ্য হচ্ছে আফ্রিকা মহাদেশে চিতা, গন্ডার এবং হাতির মতো বিপন্ন প্রাণীদের শিকারিদের হাত থেকে রক্ষা করা।

দক্ষিণ আফ্রিকার নামিবিয়ার একটি বেসরকারি বন্যপ্রাণী সংরক্ষণাগার ওকাম্বারাতে সম্প্রতি এই প্রযুক্তির কার্যকারিতা পরীক্ষা করা হয়েছে। ওকাম্বারা মূলত একটি শুষ্ক অঞ্চল, যা কাঁটাগাছ ও ঝোপঝাড়ে ভরা। এখানকার বন্যপ্রাণীরা সবসময়ই যেকোনো বিপদের গন্ধ পেয়ে সতর্ক হয়ে ওঠে। এই বন্য পরিবেশেই গবেষকদের একটি দল শিকারিদের মতো ছদ্মবেশে অনুপ্রবেশ করে বন্যপ্রাণীদের আচরণের পরিবর্তন পর্যবেক্ষণ করেন।

গবেষকদের এই ছদ্মবেশী শিকারি দলটি যখন মাঠে নামে এবং ফাঁকা গুলি ছোড়ে, তখন বন্যপ্রাণীদের মধ্যে তীব্র আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। জেব্রা ও ওয়াইল্ডবিস্টের মতো প্রাণীরা দিগ্বিদিক জ্ঞান হারিয়ে দলবদ্ধভাবে ছুটতে শুরু করে। তবে ব্যতিক্রম ছিল জিরাফ, যারা দীর্ঘ উচ্চতার কারণে বেশ শান্ত থেকে দূর থেকেই পুরো পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করতে থাকে। ওপর থেকে একটি ড্রোনের মাধ্যমে প্রাণিদের এই আতঙ্কিত হয়ে পালিয়ে যাওয়ার নির্দিষ্ট ধরণ বা ‘সিগনেচার প্যাটার্ন’ বারবার রেকর্ড করা হয়।
এই কৃত্রিম শিকারের উদ্দেশ্য ছিলো বন্য শিকারিদের আগমনে প্রাণীরা কীভাবে প্রতিক্রিয়া দেখায় তার একটি বাস্তব চিত্র ফুটিয়ে তোলা। সংগৃহীত এই সমস্ত তথ্য একটি বিশেষ অ্যালগরিদম বা কম্পিউটার প্রোগ্রামকে প্রশিক্ষণ দিতে ব্যবহার করা হচ্ছে। যখনই বনে আসল শিকারি বা চোরাশিকারিদের আগমন ঘটবে, তখন প্রাণীদের আচরণের এই চেনা অস্থিরতা দেখে কম্পিউটার সিস্টেমটি স্বয়ংক্রিয়ভাবে পার্কের রক্ষীদের কাছে একটি সতর্কবার্তা পাঠিয়ে দেবে।